শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৩৫, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫

হার্ট ব্লক প্রতিরোধের উপায়

ডা. এম শমশের আলী
অনলাইন ভার্সন
হার্ট ব্লক প্রতিরোধের উপায়

হার্ট ব্লক প্রতিরোধ করার জন্য হার্ট ব্লক সম্পর্কে একটা সঠিক বৈজ্ঞানিক ধারণা থাকা খুবই জরুরি। সচেতন ব্যক্তিরা অবশ্যই জেনে থাকবেন যে, হার্টে রক্ত সরবরাহকারী রক্তনালিগুলির নাম করোনারি আর্টারি। এসব করোনারি আর্টারিরির (নল/টিউব) ভিতর দিকে বিভিন্ন পদার্থ স্তূপাকারে জমা হয়, এসব পদার্থের মধ্যে কোলেস্টেরলের পরিমাণ সর্বাধিক বিরাজমান থাকে, তবে কোলেস্টেরল ছাড়াও অনান্য পদার্থ তাৎপর্যপূর্র্ণ মাত্রায় পাওয়া যায়। বিভিন্ন বস্তু স্তূপাকারে জমা হওয়ার ফলে নলের ভিতরে রক্ত প্রবাহে পথ সংকুচিত হয়ে যায়। নলের মধ্যে স্তূপ হওয়ায় রক্ত প্রবাহের বাধা সৃষ্টি করে বলে এ অবস্থাকে ইংরেজিতে ব্লক বলা হয়। ফলশ্রুতিতে ব্লকে ভাটি অংশে রক্ত সরবরাহ কমে যায় এবং ওই ভাটি অংশের মাংসপেশি পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত না পাওয়ায় রশদ (খাদ্য) ও অক্সিজেনের অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে বা অক্সিজেন ও রসদের অভাবে অসুস্থ মাংসপেশির কিছু অংশ নষ্ট (মৃত) হয়ে যায় এবং অন্য অসুস্থ মাংসপেশি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। তাতে হার্ট পর্যাপ্ত পরিমাণ সংকোচন (কাজ) করতে না পারায় বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

চিকিৎসাবিজ্ঞান বহুবিদ গবেষণার মাধ্যমে যা কিছু অদ্যাবধি আবিষ্কার করতে পেরেছে তা-ই হার্ট ব্লকের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এখানে একটি কথা উল্লেখযোগ্য যে, মানুষের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হার্ট ব্লকে প্রবণতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। কোনো কোনো পরিবারে হার্ট ব্লকের প্রবণতা অন্য পরিবার থেকে বেশি পরিলক্ষিত হয়। তার মানে রক্তের সম্পর্ক আত্মীয়দের মধ্যে প্রবণতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। কেউ হয়তো ভাবতে পারেন যে, ওপরের কারণ দুটি থাকলে ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। ব্যাপারটা ঠিক তেমন নয়, আপনি সচেতনতার মাধ্যমে ও চিকিৎসকের পরামর্শে হার্ট ব্লক হওয়া বন্ধ না করতে পারলেও হার্ট ব্লকেও আক্রান্ত হওয়াকে বিলম্বিত করতে পারে। যার মানে হলো আপনার যদি ৫০ বছর বয়সে হার্ট ব্লকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সে ক্ষেত্রে হয়তো আপনি ৬০ অথবা ৭০ বছর পর্যন্ত বিলম্বিত করতে পারবেন। যেহেতু রক্তনালিতে জমা হওয়া পদার্থের মধ্যে কোলেস্টেরলের আধিক্য পরিলক্ষিত হয় এবং যেসব ব্যক্তির রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বা পরিমাণ বেশি থাকে তাদের মধ্যেও হার্ট ব্লকের প্রবণতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। যারা হাইপ্রেসারে ভুগছেন, যদি তাদের প্রেসার অনিয়ন্ত্রিত থাকে, তাদের ক্ষেত্রে হাইপ্রেসারের প্রভাবে রক্তনালিতে ইনজুরি সৃষ্টি হয় এবং ইনজুরির ফলে স্থানে স্থানে হার্ট ব্লক সৃষ্টি হয়ে থাকে, যেসব ব্যক্তি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে ভুগছে তাদের ক্ষেত্রে রক্তের সুগারের মাত্রা যত বেশি থাকে, হার্ট ব্লক তত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলে তুলনামূলকভাবে তত অল্প বয়সে হার্ট ব্লকে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রাও বৃদ্ধি পায়। উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল হার্ট ব্লকের সৃষ্টি ও বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে থাকে। যারা ধূমপান করে অথবা তামাক জাতীয় বস্তু সেবন করেন তাদের বেলায়ও হার্ট ব্লক সৃষ্টি এবং বৃদ্ধি উভয়ই দ্রুত হওয়ায় মানুষ অল্প বয়সেই হার্ট ব্লকে আক্রান্ত হন। কাজের অত্যধিক চাপ, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, একাকিত্বে থাকা ইত্যাদিতে ভোগেন তাদের শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। রক্তে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বিদ্যমান থাকলে হার্ট ব্লকের মাত্রা বৃদ্ধিও ত্বরান্বিত হয়। যাদের রক্তে থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা কম থাকে যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় হাইপোথাইরয়েডিজম বলা হয়, তাদের ক্ষেত্রেও অল্প বয়সে হার্ট ব্লকের সমস্যা হতে দেখা যায়। যারা শারীরিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকেন বা কায়িক শ্রম করার সুযোগ পান না, তারা প্রায় সময়ই উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে অধিক মাত্রায় কোলেস্টেরলের সমস্যায় অধিক হারে আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং তাদের মধ্যে অধিকাংশ ব্যক্তিকে শারীরিক ওজন বৃদ্ধি পায়। হার্টের অসুস্থতা হাইপ্রেসার এবং ডায়াবেটিসকে লাইফ স্টাইলজনিত অসুস্থতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হার্ট ব্লক থেকে বাঁচার উপায় হিসেবে বেশ কিছু পরামর্শ মেনে চলতে হবে। যেমন অতিরিক্ত পশুর চর্বি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, তবে নির্দিষ্ট মাত্রায় বা পরিমাণে চর্বি ছাড়া মাছ, মাংস অবশ্যই খেতে হবে, এতে আপনার শারীরিক যোগ্যতা বজায় থাকবে এবং অনেক ধরনের অসুস্থতা প্রতিরোধে সাহায্য করবে। ধূমপান ও তামাকজাতীয় বস্তু গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। শাক সবজি ও ফলমূলে প্রচুর পরিমাণে এন্টি অক্সিজেন নামক রাসায়নিক থাকে যা হার্ট ব্লক প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। শাকসবজি ও ফলমূলে বিভিন্ন খনিজ লবণ ও পর্যাপ্ত পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন বিদ্যমান থাকায় শারীরিক যোগ্যতা বৃদ্ধি ও অনেক ধরনের অসুস্থতা থেকে মুক্ত রাখে- যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি। পক্ষান্তরে নির্দিষ্ট পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল বিভিন্ন উপায়ে হার্ট ব্লক প্রতিরোধে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট মাত্রায় কায়িক শ্রম সম্পাদনের ফলে, হাইপ্রেসার, ডায়াবেটিস, ওজন বৃদ্ধি, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা, হরমোনের ভারসাম্য ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে হার্ট ব্লক বৃদ্ধিকে প্রতিহত করতে পারেন যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। যারা তার শারীরিক প্রয়োজনের চেয়ে অধিক মাত্রায় কার্বোহাইড্রেড বা শর্করা বা শ্বেতসারজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মাত্রায় শর্করা জাতীয় খাদ্য শরীরে চর্বি হিসেবে মজুত থাকে এবং শারীরিক ওজন বৃদ্ধিসহ আরও অনেক ধরনের অসুস্থতা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। হার্ট ব্লক প্রতিরোধে হরমোনাল ভারসাম্য বজায় রাখা, থাইরয়েড হরমোনের সমস্যায় হরমোন থেরাপি চিকিৎসা হার্ট ব্লক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রেখে ব্লক প্রতিরোধ করে থাকে। হরমোনাল ভারসাম্য রক্ষার্থে সঠিক পরিমাণে ঘুম হওয়া খুবই জরুরি। তাই এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে অনুধাবন করে সচেতন হতে হবে।

লেখক: চিফ কনসালটেন্ট, শমশের হার্ট কেয়ার, শ্যামলী, ঢাকা।

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
সর্বশেষ খবর
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার
মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

১৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট
রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট

১৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা
কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা

৩৮ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম
মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

৪৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার
দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি
সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন
মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক