শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:৩৬

প্রেসক্রিপশন

মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয়জনিত ব্যথা

মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয়জনিত ব্যথা

ঘাড় ও কোমর ব্যথার কারণগুলোর অন্যতম হলো স্পন্ডাইলোসিস।

স্পন্ডাইলোসিস কী : দেহের মেরুদন্ডের বিশেষ করে ঘাড় ও কোমরের অংশের কশেরুকার যদি কোনো প্রাকৃতিক পরিবর্তন সাধিত হয় তাকে স্পন্ডাইলোসিস বলে। অনেকে একে হাড় ক্ষয় হওয়া বা হাড় বেড়ে যাওয়া রোগ বলে থাকেন।

ঘাড় ব্যথার লক্ষণ : ব্যথা ঘাড় থেকে হাতে, পিঠে বা বুকে ছড়িয়ে পড়ে। হাত ঝিঁঝিঁ ধরে বা অবশ মনে হয়। অনেকে মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরার কথাও বলে থাকেন। ব্যথা তীব্র হলে রোগী ঘুমাতে পারেন না এমনকি শুয়ে থাকতেও কষ্ট হয়।

কোমর ব্যথার লক্ষণ : ব্যথা কোমর থেকে পায়ে ছড়িয়ে পড়ে। একভাবে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে থাকা যায় না। পা ঝিঁ ঝিঁ ধরে। সামনে

ঝুঁকে কাজ করলে ব্যথা বেড়ে যায়। অনেকে পায়খানা বা প্রস্রাবের রাস্তার দিকেও ব্যথা অনুভব করেন। এই ব্যথা সাধারণত ধীরে ধীরে তীব্র হয়। আবার অনেক সময় হঠাৎ তীব্র ব্যথা শুরু হয়।

কী চিকিৎসা নেবেন : হাড়ের পরিবর্তনের ফলে মেরুদন্ডের  অব্যবস্থাপনা (spinal derangement) সৃষ্টি হয়। ফলে স্নায়ুর গোড়ায় চাপ পড়ে আর তা থেকে ব্যথার উৎপত্তি হয়। চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য হলো মেরুদন্ডকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। এর জন্য ইলেকক্ট্রোথেরাপি ও ম্যানিপুলেশনের যৌথ চিকিৎসা দরকার। অস্থায়ীভাবে তীব্র ব্যথা নিয়ন্ত্রণের জন্য কম মেয়াদে ব্যথানাশক সেবন করা যেতে পারে। পূর্ণ সুস্থতার জন্য ফিজিওথেরাপি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। কারণ এতে রোগী পূর্ণ বিশ্রামের সঙ্গে দিনে ৩/৪ বার কার্যকরী চিকিৎসা নিতে পারেন। ব্যথার চিকিৎসা তাড়াতাড়ি শুরু করা ভালো।

ডা. মোহাম্মদ আলী

 ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, এইচপিআরসি, উত্তরা, ঢাকা।


আপনার মন্তব্য