শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০

ব্রিটেনে ১২ ডিসেম্বর নির্বাচন চেয়েছেন জনসন

ব্র্রেক্সিট পেছানোর আলোচনায় ইইউ

ব্রেক্সিট কার্যকরের সময় পেছানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে আলোচনায় বসেছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) এর রাষ্ট্রদূতরা। চলতি মাসে ইইউর সঙ্গে নতুন একটি ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে চুক্তিটি পাস হয়নি। ফলে গত মাসে পাস হওয়া ‘বেন এক্ট’ আইনের অধীনে বাধ্য হয়ে ইইউর কাছে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শুরুর সময়সীমা পেছানোর অনুরোধ করে চিঠি লিখেন তিনি। তার ওই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই স্থানীয় সময় গতকাল ব্রাসেলসে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, ব্রেক্সিট চুক্তি পাস করাতে ব্যর্থ হওয়ার পর আগাম নির্বাচনের ডাক দিয়েছেন জনসন। তিনি ১২ ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন আহ্বান করেছেন। এমপিরা এ নির্বাচন মেনে নিলেই কেবল তাদের ব্রেক্সিট নিয়ে বিতর্কের জন্য সময় দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিবিসিকে জনসন বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৩১ অক্টোবরে ব্রেক্সিটের সময়সীমা বাড়াবে বলেই     ধারণা করছেন তিনি। যদিও তিনি সময় বাড়ানোর পক্ষপাতী না।

বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনকে এক চিঠিতে জনসন বলেছেন, তিনি পার্লামেন্টকে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদনের জন্য আরও সময় দেবেন। কিন্তু এমপিদেরকে এর জন্য ডিসেম্বরে আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠানকে সমর্থন দিতে হবে। আগামী পরশু তার প্রস্তাব নিয়ে পার্লামেন্টে  ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। আর ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সের নেতা জ্যাকব রেস মগ এমপিদের বলেছেন, সরকার সোমবারই সাধারণ নির্বাচনের ডাক দিয়ে একটি প্রস্তাব পেশ করবে।

বিবিসি জানায়, প্রত্যাশা করা হচ্ছে, বেশিরভাগ ইইউ সদস্যই তিন মাসের জন্য ব্রেক্সিট শুরুর সময় পেছাতে রাজি হবে। তবে ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা আরও স্বল্প সময় দিতে চায় ব্রিটেনকে। বিদ্যমান চুক্তি অনুসারে, আগামী ৩১ অক্টোবর থেকেই ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। জনসন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার আগ থেকেই এই সময়ের মধ্যে ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব তুলে আসছেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ইইউ যদি আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রেক্সিট কার্যকরের সময়সীমা পেছায়, তাহলে সোমবার পার্লামেন্টে নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব তুলবে বরিস সরকার। এই ঘোষণায় প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির মধ্যে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে দলের প্রধান হুইপ সদস্যদের নির্বাচনের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা  দেন। বিদ্যমান আইনের অধীনে প্রস্তাবটি পাস হতে পার্লামেন্টের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদন লাগবে। তবে দলীয় নির্দেশনার বিপরীত অবস্থানের কথা জানিয়েছেন লেবার পার্টি প্রধান জেরেমি করবিন। তিনি জানান, এ বিষয়ে দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। সরকার চুক্তিহীন ব্রেক্সিট নিষিদ্ধ করলে তারা নির্বাচনের পক্ষে সমর্থন জানাবে।

 


আপনার মন্তব্য