শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৪৮, মঙ্গলবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় জনসম্পৃক্ততার ধারণা

আতাউর রহমান খসরু
অনলাইন ভার্সন
ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় জনসম্পৃক্ততার ধারণা

রাষ্ট্রের প্রাণস্পন্দন জনগণ। জনসাধারণকে ঘিরেই আবর্তিত হয় রাষ্ট্রের সব কার্যক্রম। তাই ইসলাম রাষ্ট্র পরিচালনায় জনসম্পৃক্ততাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব প্রদান করে। ইসলামের শিক্ষা হলো শাসক রাষ্ট্র পরিচালনায় যেমন জনগণের মতামত ও মনোভাবকে গুরুত্ব দেবে, তেমনি জনসাধারণের মধ্যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাদের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করবে। কেননা ইনসাফই জনসম্পৃক্তর গণভিত্তি।

ইসলামী রাষ্ট্রে জনসম্পৃক্তর ধারণা

ইসলাম রাষ্ট্র পরিচালনায় সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণের মতো প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার কথা যেমন বলে, তেমন সুবিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনের তাগিদও প্রদান করে। কেননা প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার মতো মানসিক সম্পৃক্ততাও গুরুত্বপূর্ণ, বরং ক্ষেত্রেবিশেষ মনোসংযোগ ও সংহতি বাহ্যিক সম্পৃক্ততার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ জন্য ইসলাম একদিকে যেমন বলেছে, ‘যারা তাদের প্রতিপালকের আহ্বানে সাড়া দেয়, নামাজ আদায় করে, নিজেদের পরামর্শের মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পন্ন করে।’ (সুরা : আশ-শুরা, আয়াত : ৩৮)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জনসাধারণের কোনো দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হলো এবং দুর্বল ও অসহায় মানুষ থেকে নিজেকে আড়াল করে রাখে, কিয়ামতের দিন তার আড়ালে থাকবেন।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২২০৭৬)

অন্যদিকে আল্লাহ বলছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন আমানত তার হকদারকে প্রত্যর্পণ করতে। তোমরা যখন মানুষের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা করবে তখন ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে বিচার করবে। আল্লাহ তোমাদেরকে যে উপদেশ দেন তা কত উত্কৃষ্ট! আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৫৮)
 

জনসম্পৃক্তর গুরুত্ব

রাষ্ট্র পরিচালনায় জনসম্পৃক্তর গুরুত্ব নানাভাবে প্রমাণিত। যেমন—

১. জনগণ রাষ্ট্রের মৌলিক উপাদান : রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অন্যতম প্রধান ও মৌলিক উপাদান জনগণ। তাই রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের মতামতের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আর কোরআনে রাষ্ট্রের মৌলিক উপাদানগুলোকে গুরুত্ব দিতেই শেখায়। পরাক্রমশালী ন্যায়পরায়ণ শাসক জুলকারনাইন সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘আমি তাকে পৃথিবীতে কর্তৃত্ব দিয়েছিলাম এবং প্রত্যেক বিষয়ের উপায়-উপকরণ দান করেছিলাম।’ (সুরা : কাহফ, আয়াত : ৮৪)

২. প্রতিকূল শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ : মানুষের প্রকৃতি হলো প্রতিকূল শক্তিকে সে সহযোগিতা করে না, বরং সুযোগ পেলে বিদ্রোহ করে। তাই শাসকের উচিত হলো গণমানুষের চাহিদা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। মানুষের প্রকৃতি সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘তুমি আল্লাহর বিধানে কখনো কোনো পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর বিধানের কোনো ব্যতিক্রমও দেখবে না।’ (সুরা : ফাতির, আয়াত : ৪৩)

রাষ্ট্রের সঙ্গে জনসম্পৃক্তর নানা দিক

ইসলাম রাষ্ট্রের সঙ্গে জনসম্পৃক্ত তৈরির যেসব নির্দেশনা দিয়েছে তার কয়েকটি হলো—

১. জনগণের কথা শোনা : শাসক জনসাধারণের কথা শুনবে। এ জন্য ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় শাসক ও নাগরিকের ভেতর কোনো মাধ্যম বা প্রতিবন্ধক অনুমোদিত নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জনসাধারণের কোনো দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হলো এবং দুর্বল ও অসহায় মানুষ থেকে নিজেকে আড়াল করে রাখে, কিয়ামতের দিন তার আড়ালে থাকবেন।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২২০৭৬)

২. জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া : খলিফা উমর (রা.)-এর যুগে কুফার গভর্নর সাআদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর ব্যাপারে অভিযোগ আসে যে পৃথক ভবন নির্মাণ করেছেন এবং তাতে দরজা লাগিয়েছেন, ফলে জনসাধারণ চাইলেই তাঁর কাছে যেতে পারে না। তখন উমর (রা.) তাকে মদিনায় ডেকে পাঠান। (তারিখে তাবারি : ৩/১৫০)

৩. পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ : ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান মূলনীতি হলো পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা তাদের প্রতিপালকের আহ্বানে সাড়া দেয়, নামাজ আদায় করে, নিজেদের পরামর্শের মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পন্ন করে।’ (সুরা : আশ-শুরা, আয়াত : ৩৮)

তবে ইসলামের দৃষ্টিতে সবার পরামর্শ ও মতামতের মূল্য সমান নয়। যারা আল্লাহভীতি, প্রয়োজনীয় ধর্মীয় ও জাগতিক জ্ঞান, ইনসাফ ও ভারসাম্যপূর্ণ চিন্তার অধিকারী মতামত প্রদানে তারা অন্যদের তুলনায় অগ্রগামী হবে।

৪. যোগ্য প্রশাসক নিযুক্ত করা : শাসকদের দায়িত্ব রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগদানে যোগ্য ব্যক্তিকে বেছে নেওয়া, বিশেষ করে পদের প্রতি লালায়িত ব্যক্তিকে নিয়োগ না দেওয়া। আবু মুসা আশআরি (রা.)-এর দুজন সঙ্গী যখন রাসুল (সা.)-এর কাছে প্রশাসনিক পদ প্রার্থনা করে, তখন তিনি তাদের বলেন, ‘আমরা আমাদের কাজে এমন কাউকে নিযুক্ত করি না, যে পদ চেয়ে নেয়। আর এমন ব্যক্তিকেও নয়, যে পদের লোভ করে বা তার প্রত্যাশা করে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭১৪৯)

৫. ন্যায়বিচার ও সমতা নিশ্চিত করা : ন্যায়বিচার ও সমতা জনসাধারণের মধ্যে সংহতি গড়ে তোলে এবং শাসকদের সঙ্গে জনগণের সুসম্পর্ক গড়ে তোলার পথ প্রশস্ত করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমাদের পূর্বের জাতিগুলোকে এ কাজই ধ্বংস করেছে যে, যখন তাদের মধ্যে কোনো বিশিষ্ট লোক চুরি করত, তখন তারা বিনা সাজায় তাকে ছেড়ে দিত। অন্যদিকে যখন কোনো অসহায় গরিব সাধারণ লোক চুরি করত, তখন তার ওপর হদ জারি করত। আল্লাহর কসম, যদি মুহাম্মদ (সা.)-এর কন্যা ফাতিমা চুরি করত তাহলে আমি অবশ্যই তার হাত কেটে দিতাম।’

(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৪৭৫)

৬. শাসকের নৈতিক দৃঢ়তা নিশ্চিত করা : শাসক নীতি-নৈতিকতার ওপর সুদৃঢ় না থাকলে জনগণ তাদের ওপর আস্থা রাখতে পারে না এবং রাষ্ট্র ও জনসাধারণের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে না। আবু বকর (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করা হয় ইসলামের এই কল্যাণকর ধারা কত দিন অব্যাহত থাকবে। তিনি উত্তর দেন, যত দিন তোমাদের নেতারা নীতি-নৈতিকতার ওপর অটল থাকবে।

(আল ওয়াহাম ওয়াল ইহাম : ২/২৭৪)

আলী (রা.) উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনি সৎ আছেন বলেই আপনার প্রজারা সৎ আছে। আর আপনি প্রবৃত্তির অনুসরণ করলে তারাও প্রবৃত্তির অনুসরণ করত।’ (আল ইমামাতুল উজমা, পৃষ্ঠা-৩৭২)

৭. অন্যায় ও অপরাধীদের দমন : অন্যায় ও অন্যায়কারীদের দমন না করলে মানুষ জুলুমের শিকার হবে এবং রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবে। সর্বোপরি তা রাষ্ট্রের জন্য অকল্যাণ বয়ে আনবে। আমর (রহ.) হুসাম (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘যে জাতির মধ্যে পাপ কাজ হতে থাকে, এগুলো বন্ধ করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তা বন্ধ করছে না, অচিরেই আল্লাহ তাদের সবাইকে চরম শাস্তি দেবেন।’

(সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৪৩৩৮)

৮. অঙ্গীকার রক্ষা করা : শাসকরা আল্লাহ, তাঁর রাসুল, জনগণ ও রাষ্ট্রের প্রতি যেসব অঙ্গীকার করে থাকেন তা রক্ষা করা জরুরি। নতুবা তাঁরা জনবিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীতে পরিণত হবে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর যে তা (অঙ্গীকার) ভঙ্গ করে তা ভঙ্গ করার পরিণাম তারই এবং যে আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকার পূর্ণ করে তিনি অবশ্যই তাকে মহাপুরস্কার দেন।’ (সুরা : ফাতহ, আয়াত : ১০)

৯. শক্তি প্রয়োগ নয়, সমঝোতা : রাষ্ট্রের কোনো জনগোষ্ঠী যদি শাসকদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়, তবে শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে সমঝোতার পথ অনুসরণ করবে। কেননা শক্তি প্রয়োগ জনসাধারণকে ভীতসন্ত্রস্ত করে তুলতে পারে। আল্লাহ বলেন, ‘তারা উভয়ে নিষ্কৃতি চাইলে আল্লাহ তাদের মধ্যে মীমাংসার অনুকূল অবস্থা সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবিশেষ অবহিত।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৩৫)

১০. দ্বিনি অনুসরণ করা : মুসলিম রাষ্ট্রনায়করা শুধু বাহ্যিক উপকরণের ওপর নির্ভর করবে না, তারা মহান আল্লাহর বিধান মেনে চলবে এবং তার সাহায্য কামনা করবে। যেমন শোআইব (আ.) স্বজাতির উদ্দেশে বলেন, ‘আমি তো আমার সাধ্যমতো সংশোধন করতে চাই। আমার কার্যসাধনা তো আল্লাহরই সাহায্যে; আমি তাঁর ওপর নির্ভর করি এবং আমি তাঁরই অভিমুখী।’ (সুরা : হুদ, আয়াত : ৮৮)

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
হজ শেষে ফিরেছেন ৭৩০৭৬  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৭৩০৭৬  বাংলাদেশি
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৯ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৯ জুন ২০২৬
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৮ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৮ জুন ২০২৬
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের তাগিদ
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের তাগিদ
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ জুন ২০২৬
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
সর্বশেষ খবর
ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার জর্জিয়া প্রণালীতে নৌকাডুবি, নিখোঁজ ৬ জন
ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার জর্জিয়া প্রণালীতে নৌকাডুবি, নিখোঁজ ৬ জন

২ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাপাসিয়ায় সবুজের উৎসব, গাছের চারা পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা
কাপাসিয়ায় সবুজের উৎসব, গাছের চারা পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ঝিনাইদহে গ্রাম আদালতে ৫ মাসে ১,১৫৯ মামলার মধ্যে নিষ্পত্তি ১,১৩০টি
ঝিনাইদহে গ্রাম আদালতে ৫ মাসে ১,১৫৯ মামলার মধ্যে নিষ্পত্তি ১,১৩০টি

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ময়লার স্তূপে মিলল যুবকের মরদেহ, এক পা ভাঙা; শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন
ময়লার স্তূপে মিলল যুবকের মরদেহ, এক পা ভাঙা; শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভেনেজুয়েলার পাশে নেইমার
ভেনেজুয়েলার পাশে নেইমার

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর
দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

জলবায়ু মোকাবিলায় সিদ্ধিরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
জলবায়ু মোকাবিলায় সিদ্ধিরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রাথমিকে মাঠ নিশ্চিতের নির্দেশ, ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক
প্রাথমিকে মাঠ নিশ্চিতের নির্দেশ, ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক

১৭ মিনিট আগে | জাতীয়

১৭ বছর আগের হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন
১৭ বছর আগের হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন

১৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মা-বাবার মৃত্যু শোক বুকে চেপে কানাডার হয়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি
মা-বাবার মৃত্যু শোক বুকে চেপে কানাডার হয়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে তিনজনের কারাদণ্ড
মুন্সীগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে তিনজনের কারাদণ্ড

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে রাজশাহী কলেজের আবাসিক হলে বৃক্ষরোপণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে রাজশাহী কলেজের আবাসিক হলে বৃক্ষরোপণ

২৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সিরাজদিখানে আগুনে পুড়ল দুই মুদি দোকান
সিরাজদিখানে আগুনে পুড়ল দুই মুদি দোকান

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিপুল বিনিয়োগেও বিশ্বকাপে ব্যর্থ উপসাগরীয় দেশগুলো
বিপুল বিনিয়োগেও বিশ্বকাপে ব্যর্থ উপসাগরীয় দেশগুলো

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শৈলকূপায় পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে একজন নিহত
শৈলকূপায় পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে একজন নিহত

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ছয় ঘণ্টা পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
ছয় ঘণ্টা পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’
ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে ছাদ থেকে পড়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
রাজশাহীতে ছাদ থেকে পড়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুর পৌরসভার ১১০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
মাদারীপুর পৌরসভার ১১০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যক্তি করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক
ব্যক্তি করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেটার বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাজার চালানোর অভিযোগ, কাঠগড়ায় ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
মেটার বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাজার চালানোর অভিযোগ, কাঠগড়ায় ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রসারিত হচ্ছে ‘দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি’
ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রসারিত হচ্ছে ‘দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবা-মায়ের অভিযোগের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকাসক্ত ছেলের কারাদণ্ড
বাবা-মায়ের অভিযোগের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকাসক্ত ছেলের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিন ধাপে দেশের অর্থনীতিকে সাজাতে চায় সরকার : প্রধানমন্ত্রী
তিন ধাপে দেশের অর্থনীতিকে সাজাতে চায় সরকার : প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সন্ধ্যার মধ্যে ১২ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
সন্ধ্যার মধ্যে ১২ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছি, এবার লক্ষ্য জার্মানি: প্যারাগুয়ে কোচ
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছি, এবার লক্ষ্য জার্মানি: প্যারাগুয়ে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরিবেশবান্ধব কারখানা হিসেবে ‘লিড’ প্লাটিনাম সনদ পেল ম্যাট্রিক্স সোয়েটার্স লিমিটেড
পরিবেশবান্ধব কারখানা হিসেবে ‘লিড’ প্লাটিনাম সনদ পেল ম্যাট্রিক্স সোয়েটার্স লিমিটেড

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে
কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কসবায় ইটবোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে দুজন নিহত
কসবায় ইটবোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে দুজন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’
‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?
নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি
মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত
ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’
ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার
নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক
ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?
অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড
নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি
জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল
বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাখির ভাষার রহস্য উন্মোচনে মার্কিন বিজ্ঞানীর সাফল্য
পাখির ভাষার রহস্য উন্মোচনে মার্কিন বিজ্ঞানীর সাফল্য

১৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার
হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাইভেটকারে গরু তুলে পালানোর সময় দুই চোর আটক
প্রাইভেটকারে গরু তুলে পালানোর সময় দুই চোর আটক

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালি আগামী ৩০ দিন ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে: আরাঘচি
হরমুজ প্রণালি আগামী ৩০ দিন ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে: আরাঘচি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের আগে সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী
জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের আগে সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল
জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি
নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি

৯ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের
জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিলেটের নতুন ডিসি রেজা হাসান, কুমিল্লায় রোজী আকতার
সিলেটের নতুন ডিসি রেজা হাসান, কুমিল্লায় রোজী আকতার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা
স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের
‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের

১২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮৫ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার দুই শিশু
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮৫ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার দুই শিশু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরীর নতুন প্রজেক্ট
পরীর নতুন প্রজেক্ট

শোবিজ

২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত
২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...
বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...

শোবিজ

সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব

প্রথম পৃষ্ঠা

নওয়াজের জীবনসংগ্রাম
নওয়াজের জীবনসংগ্রাম

শোবিজ

আবারও তীব্র যুদ্ধ
আবারও তীব্র যুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি
সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে

সম্পাদকীয়

রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়

সম্পাদকীয়

বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার
বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক
রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক

প্রথম পৃষ্ঠা

হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার
হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার

প্রথম পৃষ্ঠা

হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং
হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং

দেশগ্রাম

লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট
লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট

নগর জীবন

নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব
নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব

প্রথম পৃষ্ঠা

মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা
মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা

দেশগ্রাম

নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার
নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’
দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’

প্রাণের ক্যাম্পাস

কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার
কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন
অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

দেশগ্রাম

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি

দেশগ্রাম

বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না
বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ
গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত

সম্পাদকীয়

রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ
রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ

মাঠে ময়দানে