প্রকাশ : শনিবার, ১৮ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৪৩

ট্রাম্প বললেন আড়ি পেতেছিল ব্রিটেন

প্রতিদিন ডেস্ক

ট্রাম্প বললেন আড়ি পেতেছিল ব্রিটেন

সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগের শেষ না হতেই আরও নতুন আড়ি পাতার খবরে এখন তোলপাড় যুক্তরাষ্ট্র। আর তা হলো ব্রিটেনও ট্রাম্পের ফোনে আড়ি পেতেছিল।

তবে ট্রাম্পের দলের অধীনস্থ সিনেট কমিটি যখন ঘোষণা করল ওবামা আড়ি পেতেছেন এমন কোনো প্রমাণ তারা পায়নি, তখন অভিযোগের তীরটা যুক্তরাজ্যের দিকে ছুড়ে দিয়েছে ট্রাম্প শিবির। আর জবাবে কড়া বিবৃতি দিয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেছে ব্রিটেনের যোগাযোগ গোয়েন্দা সংস্থা জিসিএইচকিউ। তারা একে হাস্যকর বলেও মন্তব্য করেছে। জিসিএইচকিউর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট প্রচারাভিযান চলার সময় ট্রাম্পের ফোনে আড়ি পাতার যে অভিযোগ আনা হয়েছে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে, তা মিথ্যা। মূলত হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার ফক্স নিউজ চ্যানেলে কোনো এক ব্যক্তির করা দাবির উদ্ধৃতি দিয়ে ব্রিটেনের দিকে ইঙ্গিত করেন। এরপরই বিবৃতি দেয় জিসিএইচকিউ। বিবিসির খবরে বলা হয়, সংস্থাটি সাধারণত বিবৃতি দেয় না। কড়া ভাষায় দেওয়া ওই বিবৃতিতে বলা হয়, এই অভিযোগ দায়িত্বজ্ঞানহীন, একেবারে হাস্যকর। এসব অগ্রাহ্য করা উচিত। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় তার ট্রাম্প টাওয়ারে আড়ি পাতা হয়েছিল। তবে জিসিএইচকিউর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠিয়েছিলেন সাবেক এক বিচারক। অ্যান্ড্র নাপোলিতানো নামে ওই বিচারককে উদ্ধৃত করে শন স্পাইসার বলেন, ‘তিনটি গোয়েন্দা সূত্র ফক্স নিউজকে জানিয়েছে  প্রেসিডেন্ট ওবামা চেইন অব কমান্ডের বাইরে গিয়েছিলেন। তিনি সিআইএ বা এনএসএ ব্যবহার করেননি। তিনি এফবিআই, আইন মন্ত্রণালয়কেও ব্যবহার করেননি। তিনি ব্যবহার করেছিলেন জিসিএইচকিউ।’ এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জিসিএইচকিউর মুখপাত্র বলেন, ‘গণমাধ্যম পর্যবেক্ষক বিচারক অ্যান্ড্র নাপোলিতানো সম্প্রতি জিসিএইচকিউর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন যে জিসিএইচকিউকে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট-ইলেক্টের ওপর নজরদারি করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল তা একেবারে অর্থহীন প্রলাপ। এগুলো একেবারে হাস্যকর।’ ট্রাম্পের ওই অভিযোগের পর তা নিয়ে তদন্তে নামে তারই দলের সিনেট কমিটি। ওই কমিটি অর্থাৎ সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির রিপাবলিকান প্রধান রিচার্ড বুর এবং ডেমোক্রেটিক উপপ্রধান মার্ক ওয়ার্নার বলেন, ‘আমাদের হাতে বর্তমানে যেসব তথ্য রয়েছে তার ভিত্তিতে, আমরা ২০১৬ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে বা পরে মার্কিন সরকারের দ্বারা ট্রাম্প টাওয়ারের ওপর নজরদারির কোনো চিহ্ন খুঁজে পাইনি।’ তবে ট্রাম্প তার দাবিতে অটল রয়েছেন।


আপনার মন্তব্য