শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০৫

চুল কেটে গলায় জুতার মালা পরিয়ে গৃহবধূকে নির্যাতন

রংপুর প্রতিনিধি

চুল কেটে গলায় জুতার মালা পরিয়ে গৃহবধূকে নির্যাতন

দেবরের মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেওয়ার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মানিকা বেগম (৩৯) নামে এক গৃহবধূকে চুল কেটে ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে ঘুরানো হয়েছে। বুধবার উপজেলার বেতগাড়ি ইউনিয়নের ছিটমহল গ্রামে এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৬ জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় মাস আগে মানিকা বেগমের দেবর আবদুল মতিনের মেয়ে মৌসুমী বেগমের বিয়ে হয় রংপুর সদর উপজেলার পাগলাপীর এলাকার লিটন মিয়ার সঙ্গে। বিয়ের পর লিটন স্ত্রীর চারিত্রিক কারণে ২১ জুলাই তালাক দেন। এদিকে তালাকের ঘটনায় মানিকা বেগমের ইন্ধন রয়েছে- এমন দাবি করে দুই পরিবারের মধ্যে কয়েক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বুধবার বিকালে আবদুল মতিন, তার স্ত্রী, মেয়ে এবং তার ভাই আবদুল মোতালেবসহ পরিবারের লোকজন এক হয়ে মানিকা বেগমকে বেধড়ক মারপিট করে। একপর্যায়ে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে দিনভর নির্যাতন করে মাথার চুল কেটে গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেয়। বিকালে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম মানিকা বেগমকে উদ্ধার করে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূর স্বামী মোকলেছ মিয়া বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার পরপরই এজাহারভুক্ত আসামি আবদুল মতিন ও আবদুল মোতালেবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বেতগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপটন বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে। এ নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। গঙ্গাচড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুশান্ত কুমার সরকার জানান, এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।


আপনার মন্তব্য