শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ২৩:১৬

করোনায় বিশ্বে ৫ কোটি শিশু মৃত্যুর আশঙ্কা জাতিসংঘের

প্রতিদিন ডেস্ক

বিশ্বব্যাপী যখন তা-ব চালাচ্ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস, তখন আরও এক দুঃসংবাদ দিল জাতিসংঘ। মহামারী করোনাসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ বছরের নিচে প্রায় ৫ কোটি শিশুর মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি। সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুনের ‘এভরি ওমেন এভরি চাইল্ড’ আন্দোলনের সূচনার পর থেকে ২০১৯ সালে ৫ বছরের কম বয়সের শিশুর মৃত্যুহার সর্বকালের সর্বনিম্নে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ১০০ কোটিরও বেশি টিকা দেওয়া হয়। ওই কর্মসূচি শুরুর পর থেকে নিরাপদ পানি, ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি থেকে শুরু করে নিরাপদ সন্তান প্রসবে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। ২০০০ সাল থেকে মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে ৩৫ শতাংশ। তবে এ অগ্রগতিগুলো আবারও পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন অঞ্চলে জাতিগত সংঘাত, যুদ্ধ, দারিদ্রতা এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মহামারীতে স্বাস্থ্যসেবার তীব্র সংকটে দুর্বল শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা ব্যাপক ঝুঁকিতে রয়েছে। জাতিসংঘর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ করে কভিড-১৯ বিদ্যমান সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। আরেকটি বিষয় হলো, মহামারীর কারণে বিশ্বব্যাপী লকাডাউনে ১৯২টি দেশের ১১৬ কোটির বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত। ঘরে থাকা কন্যাশিশু এবং উঠতি বয়সী নারীরা যৌন হয়রানিসহ নানা ধরনের সহিংসতারও শিকার হচ্ছে। ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিটা ফোর রিপোর্টে বলেছেন, কভিড-১৯ মহামারীর আগেও পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু প্রতি ছয় সেকেন্ডে বিশ্বের কোথাও না কোথাও মারা যেত। বিদ্যমান সংকট এ অবস্থাকে আরও জটিল করে তুলবে। ২০১৯ সালে, ৫ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে ৮২ শতাংশ এবং মাতৃমৃত্যুর ৮৬ শতাংশ মৃত্যুর বিষয়টি সাব-সাহারা আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় বেশি দেখা গেছে। সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতে নবজাতক, শিশু এবং কিশোর বয়সী মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল। জাতিসংঘের প্রতিবেদন বলছে, প্রতি ১৩ সেকেন্ডে একটি নবজাতক শিশু মারা যায়। গড়ে ৩৩ হাজার মেয়েকে বিবাহ করতে বাধ্য করা হচ্ছে তুলনামূলক অনেক বয়স্ক পুরুষদের সঙ্গে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর