শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ মে, ২০২১ ২৩:৩১

পাটশিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি আনতে বরাদ্দ জরুরি

রাশিদুল করিম মুন্না

পাটশিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি আনতে বরাদ্দ জরুরি
Google News

আসন্ন জাতীয় বাজেটে পাটশিল্পের উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তি আনতে ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ চান বাংলাদেশ বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মো. রাশিদুল করিম মুন্না। তিনি বলেন, পরিবেশ সচেতনতা ও সবুজ পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের তৈরি পাটের শপিং ও ফুড গ্রেড ব্যাগ, কম্পোজিট, জিও-টেক্সটাইল, পাল্প ও কাগজের বিশাল বাজার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এসব বিবেচনায় নিয়ে উদ্যোক্তারাও বৈচিত্র্যপূর্ণ বা অপ্রচলিত পাটপণ্য উৎপাদনের প্রতি নজর দিচ্ছেন। তাদের জন্য এখন আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োজন। এ প্রযুক্তি ছাড়া পাটশিল্পের উন্নতি হবে না।

গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন মো. রাশিদুল করিম মুন্না। তিনি বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, পাটপণ্য রপ্তানিতে নগদ ২০ শতাংশ যে অর্থ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে তা আগামী পাঁচ বছর অব্যাহত রাখা হোক। পাশাপাশি রপ্তানির বিপরীতে উৎসে কর দশমিক ২ শতাংশ করতে হবে। এ খাতে গবেষণা ও পণ্য উন্নয়নে উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ করা অর্থ করমুক্ত করা হোক। সরকারি ক্রয়নীতিতে পাটপণ্য কেনাকাটা বাধ্যতামূলক করা হোক। দেশের পাট খাত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে কমপ্লায়েন্স সনদ প্রাপ্তিতে বরাদ্দ চাই। রাশিদুল করিম মুন্না বলেন, দেশের পাটশিল্পের চাহিদা বিশ্ববাজারে এখন দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে এখন বৈচিত্র্যপূর্ণ পাটপণ্যের চাহিদা বাড়ছে। যে কারণে রপ্তানিও বাড়ছে। বর্তমানে পাট নিয়ে গবেষণা করে বহুমুখী পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে। এ সবই রপ্তানি হচ্ছে।

তবে পাটজাত পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে না। যদিও উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এতে মুনাফার হার কমে গেছে। এ ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের বাঁচিয়ে রাখতে বাজেটে নীতিসহায়তা প্রয়োজন।

এই বিভাগের আরও খবর