বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ টা

সরকারের আজ্ঞাবহ ইসি উপহার দিয়েছে

----- ড. বদিউল আলম মজুমদার

সরকারের আজ্ঞাবহ ইসি উপহার দিয়েছে

সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, সংবিধান মেনে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে আইন প্রণয়নের কোনো বিকল্প নেই। তবে আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, আইনটি হতে হবে জনস্বার্থে। দলীয় স্বার্থে নয়। আইন প্রয়োগও হতে হবে জনগণের স্বার্থে, যাতে কয়েকজন সৎ, নির্ভীক ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ পান। গতকাল নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়ে একান্ত আলাপকালে তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এসব কথা বলেন এই নির্বাচন বিশ্লেষক বলেছেন, আমরা অতীতে দেখেছি। সার্চ কমিটি যে নির্বাচন কমিশন উপহার দিয়েছে। তারা সরকারের আজ্ঞাবহ। আর সার্চ কমিটির মাধ্যমে হলে আবারও আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন পাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এমন সার্চ কমিটি বিগত দিনে হয়েছিল, সরকার যাকে চেয়েছে। সার্চ কমিটি তাদের ইসি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আগামী সার্চ কমিটির সরকারের আজ্ঞাবহ হতে পারে। বিগত দিনেও এমন সার্চ কমিটি হয়েছে। সরকার যাকে চেয়েছে, তারা (সার্চ কমিটি) তাদের নিয়োগ দিয়েছেন। বিগত দুটি সার্চ কমিটি জনগণের স্বার্থে কাজ করেনি। ইসি নিয়োগের আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, ইসি নিয়োগের আইন করা খুবই সহজ। আমরা একটা আইনের খসড়া করে দিয়েছি। ড. হুদা কমিশনও একটি আইনের খসড়া দিয়েছে। আইন করাটা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে। তিনি বলেন, সরকার বলেছে আইন করার সময় নেই। তাহলে ১২ বছর কী করেছে তারা। তিনি বলেন, সার্চ কমিটির মাধ্যমে আমরা রকিবউদ্দিন কমিশন। কে এম নূরুল হুদা কমিশন পেয়েছি। যারা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। পক্ষপাত দুষ্ট আচরণ করেছেন তারা। আর নূরুল হুদা কমিশনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, আইনের মাধ্যমে ইসি গঠন হলে একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন পাওয়া যাবে। আইনে নির্বাচন কমিশনের যোগ্যতা ও অযোগ্যতার মাপকাঠি থাকবে। জনগণ জানবেন কারা নির্বাচন কমিশনার হচ্ছেন। কাদের নাম সুপারিশ করা হচ্ছে। বিগত দুই সার্চ কমিটির মাধ্যমে আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত নির্বাচন কমিশন পেয়েছি।

সর্বশেষ খবর