শিরোনাম
বুধবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৪ ০০:০০ টা
চমক দেখানো এমপিরা যা বললেন

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভূমিকা কী হবে, সেটা দল ঠিক করবে

সাইফুল ইসলাম

সাভার প্রতিনিধি

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভূমিকা কী হবে, সেটা দল ঠিক করবে

ঢাকা-১৯ নির্বাচনি আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম বলেছেন, আগামী পাঁচ বছর জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবেন। যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সেগুলো জনগণকে সম্পৃক্ত করে বাস্তবায়ন করবেন। সংসদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভূমিকা কী হবে, সেটা দল ঠিক করবে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হলেও আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে কাজ করবেন। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। সাইফুল ইসলাম সাভার ও আশুলিয়ার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আমার এলাকার ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়েছেন। সে জন্য তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নির্বাচনি প্রচারের সময় যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার প্রথম প্রতিশ্রুতি হলো এলাকায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতি হলো সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি থেকে সাভার ও আশুলিয়াবাসীকে মুক্ত করা। তৃতীয় প্রতিশ্রুতি হলো প্রাথমিক ও মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান বাড়ানো। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আগামী পাঁচ বছরে এসব প্রতিশ্রুতি পূরণে সচেষ্ট থাকব।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই। দলকে শক্তিশালী করতে চাই। আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য, সেটি বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করব। কারণ, প্রধানমন্ত্রীর সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। অর্থনৈতিক, আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেগুলো একসঙ্গে সমাধান করতে চাই। আমি আওয়ামী লীগের লোক। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন, যাঁদের নৌকা প্রতীক দিতে পারিনি, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবে। তাঁদের প্রতি দলের আপত্তি থাকবে না। এখন দল আমাদের যেভাবে নির্দেশ দেবে, সেভাবে কাজ করব। দল যদি বলে তোমরা এক হয়ে যাও, তা-ই হবে। তাহলে আবার সবাই নৌকা হয়ে যাব। সে ক্ষেত্রে দল চাইবে আমরা স্বতন্ত্র থাকি। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভূমিকা কী হবে, সেটা দল (আওয়ামী লীগ) ঠিক করবে। আমি ব্যতিক্রমী, জনগণ আমাকে নির্বাচিত করেছে জনগণের পক্ষে সংসদে কথা বলার জন্য। যতটা অপ্রিয় হোক না কেন, জনগণের স্বার্থে আমি সংসদে কথা বলব। দেশের স্বার্থে সংসদে কথা বলব। এটিই হবে আমার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত যত উন্নয়ন হয়েছে তা আওয়ামী লীগের আমলেই হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে। হয় বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে, না হয় তাঁর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষা, খাদ্য ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাসহ সব ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। আর তা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য। তাই উন্নয়নের স্বার্থে, নিজেদের প্রয়োজনে আমাকে ভোট দিয়েছে। একটি কথা সবাইকে মনে রাখতে হবে, আমার বিজয় মানে শেখ হাসিনার বিজয়। এবার প্রথম এমপি হয়েছি। জায়গাটি খুব সুখকর নয়। আমরা চাইলেও সবসময় সবাইকে সমানভাবে সন্তুষ্ট করতে পারি না। কিন্তু না পারার পেছনে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি ছিল কি না তা জনগণ দেখবেন।

সর্বশেষ খবর