শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:২১, রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫

ঈদে চাঙা অর্থনীতি

মানিক মুনতাসির ও শাহেদ আলী ইরশাদ
প্রিন্ট ভার্সন
ঈদে চাঙা অর্থনীতি

দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে ব্যাপকভাবে ধাক্কা খেয়েছে অর্থনীতি। যার প্রভাবে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান থমকে যায়। বাধার মুখে পড়ে বাজেট বাস্তবায়নও। সরকারের রাজস্ব আদায়ে প্রায় ৫৮ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হয়। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সাত মাসের মাথায় ঈদুল ফিতরকে ঘিরে গতি ফিরতে শুরু করেছে ব্যবসাবাণিজ্যে ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে।

উৎসবকেন্দ্রিক কেনাকাটা এখন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছে। সামর্থ্য অনুযায়ী সবাই কেনাকাটা করেন। বিগত সময়ের ধারাবাহিকতায় এবারও ঈদুল ফিতরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে পৌনে ২ লাখ কোটি টাকা। শুধু তৈরি পোশাকই বিক্রি হয়েছে ২৭ হাজার কোটি টাকার। ৫০ হাজার কোটি টাকার জাকাত। ইফতারি বিক্রি হয়েছে ১২২ কোটি টাকার। মসলার বাজারে প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই দুই উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে। রেমিট্যান্সের গতি বাড়ায় স্থিতিশীলতা ফিরছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও। চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৬ দিনে ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ২৯৪ কোটি মার্কিন ডলার। ফেব্রুয়ারি মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫২ কোটি ডলার। ব্যাংকারদের আশা, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে মার্চের শেষ নাগাদ প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি (তিন বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ফলে দেশের ব্যাংকগুলোর ডলার সংকট অনেকটাই কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, ডলারের দাম নিয়ে যে অস্থিরতা ছিল, সেটাও অনেকটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবাসীদের রেমিট্যান্স বাড়লে দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আসবে, মুদ্রাস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। বিশেষ করে ঈদ সামনে রেখে এই উচ্চমাত্রার রেমিট্যান্স দেশে খুচরা বাজার ও ভোক্তা ব্যয়ের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে বৈধ পথে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি পরিমাণে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা। ব্যাংকাররা বলছেন, অর্থ পাচার কমে আসায় প্রবাসীরা এখন বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠাতে বেশি উৎসাহী হচ্ছেন। ফলে রমজান মাসে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। এতে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার বাড়তে শুরু করেছে, অন্যদিকে কমছে ডলারের বাজারে সংকট! এতে করে টাকার বিপরীতে ডলারের দামও কমে আসবে। যার একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে। এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংক ঢাকার সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দেখুন ডলারের সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে এটা ঠিক। আবার মানুষের হাতে টাকার প্রবাহ কমে গেছে সেটাও সঠিক। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতিও চড়া। যদিও গত মাসে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমেছে। তবে আশার দিক হলো- ঈদ ঘিরে মানুষ আবার জমজমাট কেনাকাটায় ফিরতে শুরু করেছেন। হয়তো কোরবানির ঈদে সেটা আরও বাড়বে। যার ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও গতির সঞ্চার ঘটবে। তবে আমাদের এখন কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগমুখী কিছু উদ্যোগ প্রয়োজন। সেটা যত তাড়াতাড়ি করা যাবে অর্থনীতিও তত তাড়াতাড়ি স্থিতিশীলতা ফিরে পাবে বলে তিনি মনে করেন।

রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, ঈদের অর্থনীতির আকার প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি। বছর ব্যাপী খাদ্য এবং খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের প্রায় ৪০ শতাংশ বিক্রি হয় ঈদের সময়। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এই উপলক্ষে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়। কারণ তাদের বার্ষিক আয়ের ৪০ শতাংশ হয় ঈদে।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ১ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকার মতো ব্যবসা হয়। তার আগের বছর ২০২৩ সালে ঈদকেন্দ্রিক ব্যবসা হয় ১ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকা। ১০ বছর আগে ২০১৫ সালে ঈদকেন্দ্রিক ব্যবসা ছিল ১ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকার মতো। এবার ঈদকেন্দ্রিক বেচাকেনা আড়াই লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে মানুষের হাতে টাকার প্রবাহ কমে যাওয়া, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো নেতিবাচকতা না থাকলে ঈদকে ঘিরে আরও জমজমাট কেনাবেচা হতো বলে মনে করেন চেইন শপ কিডস অ্যান্ড ফ্যামিলির স্বত্বাধিকারী তোফায়েল আহমেদ ভুইয়া।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, অনেকে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ফলে সম্পদের পুনর্বণ্টন হয়। ঈদ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার রাস্তাঘাট এবং বাজার উৎসুক ঈদ ক্রেতাদের পদচারণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এ ছাড়াও ঈদের ভিড় অস্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে, চাহিদা মেটাতে কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য মতে, ঈদের সময় প্রায় ৩ কোটি যাত্রী যাতায়াত করে, ফলে পরিবহন খাতও চাঙা হয়ে ওঠে। দোকান মালিক সমিতির তথ্য মতে, বিগত ঈদের সময় ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার বিদেশি পোশাক আমদানি হলেও এ বছর ৭৫ শতাংশ কমে আমদানি হয়েছে ১ থেকে দেড় হাজার কোটি টাকার। ফলে দেশি পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। যা পোশাকের খুচরা বিক্রেতাদের জন্য সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। দোকান মালিক সমিতির অনুমান ঈদুল ফিতরের আগে পোশাকের জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। বিগত বছরে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা।

ঢাকার অভিজাত শপিং মল বসুন্ধরা সিটি শপিং সেন্টার থেকে যমুনা ফিউচার পার্ক, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি এবং খিলগাঁওয়ের তালতলা মার্কেটে মধ্যরাত পর্যন্ত কেনাকাটার জন্য ভিড় করছেন ক্রেতারা। এসব মার্কেটের বিক্রয়কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিক্রয় স্থিতিশীল রয়েছে, প্রতিদিন ক্রেতা বাড়ছে। বিশেষ করে উচ্চমূল্যের পাকিস্তানি পোশাক অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। ক্রেতারা পাকিস্তানি পোশাকের রং এবং ফিটিংয়ের প্রশংসা করে বলেছেন, নকশাগুলো নিখুঁত এবং কাপড়ের মান চমৎকার। ইসলামপুর এবং পলওয়েল সুপার মার্কেটের মতো পাইকারি বাজারেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যায়।

দোকান মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ঈদে অতিথি আপ্যায়নে রান্নার মসলা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয়ে প্রায় ২৭ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়। ঈদুল ফিতরের আগে পরিচালিত ব্যবসার পরিমাণ ১ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা। বিগত বছরগুলোতে ২ লাখ কোটি টাকার মতো হলেও বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এবার অর্থনৈতিক কর্মকা  কমেছে। পাদুকা খাতে শীর্ষস্থানে স্থানে রয়েছে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার ও বাটার মতো কোম্পানি। ঈদের সময় আসবাবপত্র বিক্রি বৃদ্ধি পায় ২৫ শতাংশ। ঈদের আগে সৌন্দর্য ও প্রসাধনীর দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের ভিড় লক্ষণীয়। রাজধানী শহরজুড়ে বিভিন্ন দোকান এবং ব্র্যান্ডেড আউটলেটগুলোতে মেকআপ কিনতে মহিলারা ভিড় করছেন।

হেলাল উদ্দিন বলেন, সবাই ঈদকে জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্যাপন করতে চান। সেদিন ভালো খাবার খেতে চান। নতুন কাপড় পরতে চান। সে সময় অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের চাহিদাও বেড়ে যায়। ফ্রিজ-টেলিভিশনের মতো পণ্যের বিক্রি বাড়াতে লোভনীয় বিজ্ঞাপন প্রচারণা ও নানা আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করার প্রস্তুতি ব্যবসায়ীরা কয়েক মাস আগেই নিয়ে থাকেন। রমজান শুরুর পরপরই শপিং মল ও মার্কেটগুলোতে হাজারো মানুষের ভিড় হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
দুই ভাইয়ের মৃত্যুদন্ড, বাবা-চাচার কারাদন্ড
দুই ভাইয়ের মৃত্যুদন্ড, বাবা-চাচার কারাদন্ড
বাংলা কিউআর লেনদেনে ফি ১ শতাংশ
বাংলা কিউআর লেনদেনে ফি ১ শতাংশ
নাতনিকে সরকারি সাইকেল দিলেন জামায়াত নেতা
নাতনিকে সরকারি সাইকেল দিলেন জামায়াত নেতা
দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার হতে সিভি আহ্বান
দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার হতে সিভি আহ্বান
স্বামীকে হত্যা করে ছয় টুকরা স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড
স্বামীকে হত্যা করে ছয় টুকরা স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড
কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত
কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত
চুক্তির আগে গৃহকর্মী হিসেবে কুয়েতে না যাওয়ার অনুরোধ
চুক্তির আগে গৃহকর্মী হিসেবে কুয়েতে না যাওয়ার অনুরোধ
বিশ্বকাপ খেলা দেখা নিয়ে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন
বিশ্বকাপ খেলা দেখা নিয়ে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন
আবারও বিকট বিস্ফোরণে কাঁপছে টেকনাফ সীমান্ত
আবারও বিকট বিস্ফোরণে কাঁপছে টেকনাফ সীমান্ত
৩৫৭ টাকা কমল ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম
৩৫৭ টাকা কমল ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম
পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ
পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ
মাঝিপাড়ায় নৌকা তৈরির ধুম
মাঝিপাড়ায় নৌকা তৈরির ধুম
সর্বশেষ খবর
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি: পানি কমার সাথে সাথে ৪২ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি: পানি কমার সাথে সাথে ৪২ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

কেপ ভার্দের বিপক্ষে কেমন হতে পারে আর্জেন্টিনার একাদশ
কেপ ভার্দের বিপক্ষে কেমন হতে পারে আর্জেন্টিনার একাদশ

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষকৃত্যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা:  আকাশপথ বন্ধ, মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট
খামেনির শেষকৃত্যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা:  আকাশপথ বন্ধ, মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদারীপুরে মাদক-জুয়া ও অপরাধ দমনের দাবিতে মানববন্ধন
মাদারীপুরে মাদক-জুয়া ও অপরাধ দমনের দাবিতে মানববন্ধন

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চরম দাবদাহই কি এখন ইউরোপের নতুন বাস্তবতা
চরম দাবদাহই কি এখন ইউরোপের নতুন বাস্তবতা

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্প: বাড়ছে নিহতের সংখ্যা, এখনো নিখোঁজ ৫০ হাজার
ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্প: বাড়ছে নিহতের সংখ্যা, এখনো নিখোঁজ ৫০ হাজার

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী
বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী

৪০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

খুলনায় প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধ নিহত, যুবক আটক
খুলনায় প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধ নিহত, যুবক আটক

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

কি কি আনুষ্ঠানিকতা থাকছে খামেনির ৬ দিনের দাফন প্রক্রিয়ায়?
কি কি আনুষ্ঠানিকতা থাকছে খামেনির ৬ দিনের দাফন প্রক্রিয়ায়?

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতে অভিযান : ১১০৪ বিদেশি বন্যপ্রাণী উদ্ধার, একজন গ্রেফতার
রাজধানীতে অভিযান : ১১০৪ বিদেশি বন্যপ্রাণী উদ্ধার, একজন গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেপ ভার্দেকে কি সত্যিই ভয় পাচ্ছে মেসির আর্জেন্টিনা?
কেপ ভার্দেকে কি সত্যিই ভয় পাচ্ছে মেসির আর্জেন্টিনা?

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপের ভেতর ৮ দিন: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এক নিরাপত্তারক্ষীর গল্প
ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপের ভেতর ৮ দিন: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এক নিরাপত্তারক্ষীর গল্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল
দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

শিশু ভক্তের ছবির আবদার, পুলিশের সঙ্গে মিশর দলের হাতাহাতি
শিশু ভক্তের ছবির আবদার, পুলিশের সঙ্গে মিশর দলের হাতাহাতি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘ম্যাচে কোনো বাজে সিদ্ধান্ত ছিল না, আমরা ভাগ্যবান ছিলাম’
‘ম্যাচে কোনো বাজে সিদ্ধান্ত ছিল না, আমরা ভাগ্যবান ছিলাম’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোপনে বিয়ে সারলেন টেইলর সুইফট
গোপনে বিয়ে সারলেন টেইলর সুইফট

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার প্রতিজ্ঞা করতে হবে’
‘যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার প্রতিজ্ঞা করতে হবে’

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন, চলছে ভোটগ্রহণ
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন, চলছে ভোটগ্রহণ

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা
শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কালোনির বড় দুশ্চিন্তা মায়ামির আবহাওয়া
স্কালোনির বড় দুশ্চিন্তা মায়ামির আবহাওয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায়, পদত্যাগ করলেন জার্মানির কোচ?
প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায়, পদত্যাগ করলেন জার্মানির কোচ?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র ঘাঘট ও তিস্তা নদীর পানি হ্রাস, বৃদ্ধি পেয়েছে করতোয়া নদীর পানি
গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র ঘাঘট ও তিস্তা নদীর পানি হ্রাস, বৃদ্ধি পেয়েছে করতোয়া নদীর পানি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ থেকে ইরান বাদ হওয়ায় ফিফার বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মামলা
বিশ্বকাপ থেকে ইরান বাদ হওয়ায় ফিফার বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মামলা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫৯৫
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫৯৫

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে জয় পেল সুইজারল্যান্ড
৮৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে জয় পেল সুইজারল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইন্দোনেশিয়ায় ৬.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির শঙ্কা নেই
ইন্দোনেশিয়ায় ৬.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির শঙ্কা নেই

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খামেনির বিদায় প্রস্তুতির মাঝে দীর্ঘ আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে আসলেন আইআরজিসি প্রধান
খামেনির বিদায় প্রস্তুতির মাঝে দীর্ঘ আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে আসলেন আইআরজিসি প্রধান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রেফারিং খুবই বাজে ছিল: ক্রোয়েশিয়া কোচ
রেফারিং খুবই বাজে ছিল: ক্রোয়েশিয়া কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোনালদোকে ম্যাচসেরা ঘোষণা, এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময়-তীব্র বিতর্ক
রোনালদোকে ম্যাচসেরা ঘোষণা, এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময়-তীব্র বিতর্ক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিদের রুখে দেওয়ার রণহুংকার ভোজিনহার
মেসিদের রুখে দেওয়ার রণহুংকার ভোজিনহার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?
পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া, পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!
যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমির খানের বিয়ে রবিবার, অতিথি তালিকা নিয়ে যা জানা গেল
আমির খানের বিয়ে রবিবার, অতিথি তালিকা নিয়ে যা জানা গেল

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবার জানাজায় থাকছেন না খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি
বাবার জানাজায় থাকছেন না খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার নির্ধারণ করলো সরকার

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প
ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল
নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এলপি গ্যাসের দাম কমল
এলপি গ্যাসের দাম কমল

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী
ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার
বিয়ের দাবিতে ১২ দিন ধরে তরুণীর অবস্থান, প্রেমিকসহ আত্মগোপনে পরিবার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমানের দুবাই ফ্লাইট থেকে প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ
বিমানের দুবাই ফ্লাইট থেকে প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিলের সামনে কঠিন পথ
ব্রাজিলের সামনে কঠিন পথ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্প থেকে মুখ ফেরালেন সৌদি যুবরাজ?
ট্রাম্প থেকে মুখ ফেরালেন সৌদি যুবরাজ?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বপ্নপূরণে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ খান
স্বপ্নপূরণে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ খান

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী
‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মাঝরাতে বৃষ্টির মতো ছুটে এল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র,  নিহত ২১
মাঝরাতে বৃষ্টির মতো ছুটে এল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র,  নিহত ২১

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নন-ক্যাডারে সহকারী সচিব হলেন ৩৪ কর্মকর্তা
নন-ক্যাডারে সহকারী সচিব হলেন ৩৪ কর্মকর্তা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজা : ‘রক্তের বদলা’ চাইতে ইরানিদের ঢল নামানোর আহ্বান
খামেনির জানাজা : ‘রক্তের বদলা’ চাইতে ইরানিদের ঢল নামানোর আহ্বান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১১ বছরের শিশুর চালানো পিকআপ পিষে মারল ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে
১১ বছরের শিশুর চালানো পিকআপ পিষে মারল ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসিকে চিঠি লিখে বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ পেল ছোট্ট মানু
মেসিকে চিঠি লিখে বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ পেল ছোট্ট মানু

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির জন‍্য কেপ ভার্দের  বিশেষ উপহার
মেসির জন‍্য কেপ ভার্দের বিশেষ উপহার

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাকতালীয়ভাবে ‘৮৬তম’ মিনিটেই ভাঙল তিন আফ্রিকান দলের বিশ্বকাপ স্বপ্ন
কাকতালীয়ভাবে ‘৮৬তম’ মিনিটেই ভাঙল তিন আফ্রিকান দলের বিশ্বকাপ স্বপ্ন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল ম্যাচের আগে হালান্ডকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় নরওয়ে
ব্রাজিল ম্যাচের আগে হালান্ডকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় নরওয়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুখোমুখি পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া, জিতবে কে জানালো সুপার কম্পিউটার
মুখোমুখি পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া, জিতবে কে জানালো সুপার কম্পিউটার

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হৃদয় জয় করা এক শিল্পী
হৃদয় জয় করা এক শিল্পী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই শহীদদের স্মরণসভা শনিবার, উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
জুলাই শহীদদের স্মরণসভা শনিবার, উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্পেনের সামনে কঠিন পথ, শেষ ষোলোর টিকেট জুটবে কি?
স্পেনের সামনে কঠিন পথ, শেষ ষোলোর টিকেট জুটবে কি?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন
ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

আর কোনো রেকর্ড বাকি আছে কি মেসির
আর কোনো রেকর্ড বাকি আছে কি মেসির

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্মাণ ব্যয় কমাবে জাইকা নমনীয় হবে সুদহার
নির্মাণ ব্যয় কমাবে জাইকা নমনীয় হবে সুদহার

প্রথম পৃষ্ঠা

হাজার হাজার ভুয়া আসামি
হাজার হাজার ভুয়া আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ
পেপারলেস হওয়ার পথে এগিয়েছে আরও এক ধাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অদম্য কেপ ভার্দে
আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অদম্য কেপ ভার্দে

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থীদের বাড়ছে এআইনির্ভরতা
শিক্ষার্থীদের বাড়ছে এআইনির্ভরতা

পেছনের পৃষ্ঠা

সবার সঙ্গেই হিট শাবনূর
সবার সঙ্গেই হিট শাবনূর

শোবিজ

৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি
৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি

পেছনের পৃষ্ঠা

ইংল্যান্ড যাবে কত দূর
ইংল্যান্ড যাবে কত দূর

মাঠে ময়দানে

ভিটামাটি হারাচ্ছে মানুষ
ভিটামাটি হারাচ্ছে মানুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে
তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে, চীন তত দ্রুত এগোবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান
মোদিকে আম উপহার পাঠালেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ
দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ

সম্পাদকীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সামনে বেলজিয়াম
যুক্তরাষ্ট্রের সামনে বেলজিয়াম

মাঠে ময়দানে

‘থ্রি লায়ন্স’ কিং হ্যারি কেইন
‘থ্রি লায়ন্স’ কিং হ্যারি কেইন

প্রথম পৃষ্ঠা

২২ দিনেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূর
২২ দিনেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূর

দেশগ্রাম

আমদানি ঋণে সুদের ঝুঁকি কমাতে ফরওয়ার্ড রেট চুক্তির অনুমোদন
আমদানি ঋণে সুদের ঝুঁকি কমাতে ফরওয়ার্ড রেট চুক্তির অনুমোদন

নগর জীবন

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই
পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

সহজ হচ্ছে ভিসা নীতি
সহজ হচ্ছে ভিসা নীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

উপকরণ আছে শুধু সেবা নেই
উপকরণ আছে শুধু সেবা নেই

নগর জীবন

শাপলার ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে
শাপলার ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত
কলেজছাত্রকে হত্যার পর ছুরিসহ থানায় অভিযুক্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রের সামনে চেনা বেলজিয়াম
যুক্তরাষ্ট্রের সামনে চেনা বেলজিয়াম

প্রথম পৃষ্ঠা

সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ
সুকান্তর পৃথিবীতে নির্জন পদচারণ

সাহিত্য

মনে পড়ে সেই ক্যামেরুনের কথা
মনে পড়ে সেই ক্যামেরুনের কথা

মাঠে ময়দানে

ওরা বাড়ি ফিরছিলো
ওরা বাড়ি ফিরছিলো

সাহিত্য

মেঘমেদ
মেঘমেদ

সাহিত্য

বিশ্বকাপ ফুটবলে সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া
বিশ্বকাপ ফুটবলে সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া

মাঠে ময়দানে