শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ২০:২২

সাম্যের ভিত্তিতে শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাম্যের ভিত্তিতে শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার
ফাইল ছবি

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, বৈশ্বিক সমস্যা এখন সকলের- এটা কোন ভৌগলিক সীমারেখায় আবদ্ধ নয়। জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাস, উদ্বাস্তু প্রভৃতি সমস্যার আশু সমাধানে বিশ্বকে একসাথে কাজ করতে হবে। সকলের একতাবদ্ধ প্রচেষ্টায় আইন শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাম্যের ভিত্তিতে টেকসই ও শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশ শান্তিকে প্রাধান্য দেয় বলেই জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সর্বোচ্চ অবদান রাখছে। এসময় বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেন। 

আজ কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে চলমান এশিয়া প্যাসিফিক সামিট-২০১৯-এর একটি অধিবেশনে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, ‘এডড্রেসিং দ্যা ক্রিটিক্যাল চ্যালেঞ্জেস অব আওয়ার টাইম: পিস, রিকনসিলিয়েশন, ইন্টারডিপেনডেন্স, মিউচুয়াল প্রসপারিটি এ্যান্ড ইউনিভার্সাল ভ্যালুজ’ শীর্ষক সেশনের কীনোট স্পিকার ছিলেন তিনি। 

সামিটের উদ্বোধন করেন কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী সামদেক আকিক মহাসেনা পাদেটেকো হুন সেন। এতে আরো বক্তব্য রাখেন মিয়ানমারের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ইউ হেনরি ভেন থিও, ইউনিভার্সাল পিস ফেডারেশনের কো-ফাউন্ডার হাক জা হান মুন, রিপাবলিক অব পালাউ-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট রেনল্ড ওইলচ, ইন্দোনেশিয়ার ভাইস-প্রেসিডেন্ট জাসুফ কালা।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আরও বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বাস করতেন শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় যেকোন সমস্যার সমাধান সম্ভব। ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরীতা নয়’- এই নীতিকে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে। যুদ্ধ বিরতিই শান্তির মাপকাঠি নয়, বরং বাধা বিপত্তি অতিক্রম করার নিত্য প্রক্রিয়াই শান্তি।

বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, অসমতা, বৈষম্য, বেকারত্ব ও দরিদ্রতার মতো জটিল বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নিয়েই গণতন্ত্র বিকাশ লাভ করে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে উন্নয়ন বিস্ময়। দারিদ্র্য, বৈষম্য ও অসমতা দূর করে সন্ত্রাসমুক্ত শান্তির মডেল উপহার দিয়েছেন তিনি। বিগত এক দশকে দারিদ্র্য ৪০ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে নেমে এসেছে, দেশের ৯৫ ভাগ এলাকা বিদ্যুতের আওতায় এসেছে, ১০০টি বিশেষায়িত ইকোনমিক জোন এবং ধারাবাহিকভাবে জিডিপি ৮ শতাংশ অর্জিত হচ্ছে। 

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার


আপনার মন্তব্য