শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ মে, ২০২০ ২০:২৪
প্রিন্ট করুন printer

জাতীয় ঈদগাহে নয়, বায়তুল মোকাররমে ঈদের ৫ জামাত

অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় ঈদগাহে নয়, বায়তুল মোকাররমে ঈদের ৫ জামাত

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৪ বা ২৫ মে ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ঈদের নামাজের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে করোনাভাইরাসের কারণে এবার জাতীয় ঈদগাহে জামাত হচ্ছে না।

এদিকে আগামীকাল শনিবার ১৪৪১ হিজরি সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার সন্ধ্যায় (বাদ মাগরিব) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভা কক্ষে সভার সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা শায়লা শারমীন বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাতের এ তথ্য জানিয়েছেন।

বায়তুল মোকাররমের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায়। এতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। মুকাব্বির হবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের মোয়াজ্জিন হাফেজ কারী কাজী মাসুদুর রহমান।

দ্বিতীয় জামাত: সকাল ৮টায়

ইমাম: হাফেজ মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী, পেশ ইমাম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ। মুকাব্বির: হাফেজ কারী হাবিবুর রহমান মেশকাত, মোয়াজ্জিন, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ।

তৃতীয় জামাত: সকাল ৯টায়

ইমাম: হাফেজ মাওলানা এহসানুল হক, পেশ ইমাম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ। মুকাব্বির: মাওলানা ইসহাক, মোয়াজ্জিন, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ।

চতুর্থ জামাত: সকাল ১০টায়

ইমাম: মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম, পেশ ইমাম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ। মুকাব্বির: মো. শহীদুল্লাহ, চিফ খাদেম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ।

পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত: সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে

ইমাম: হাফেজ মাওলানা ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুহাদ্দিস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন। মুকাব্বির: হাফেজ মো. আমির হোসেন, খাদেম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ।

উপরোক্ত পাঁচটি জামাতে কোনো ইমাম অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মুফতি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

এর আগে, ধর্ম মন্ত্রণালয় করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে এবার ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে ঈদুল-ফিতরের নামাজের জামাত নিকটস্থ মসজিদে মাস্ক পরে আদায় করার জন্য অনুরোধ করে।


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩৫
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অবশেষে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার পর রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে তিনি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এরপরই নিবন্ধনের জন্য অনলাইন ‘সুরক্ষা’ প্ল্যাটফর্ম খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন দেশব্যাপী ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে আর বাধা থাকলো না। ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে দেশব্যাপী ব্যাপকহারে এ কার্যক্রম চলবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর প্রথম টিকা নেন হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু বেরোনিকা কস্তা। এরপর পর্যায়ক্রমে চিকিৎসক হিসেবে প্রথম টিকা নেন মেডিসিন কনসালট্যান্ট ডা. আহমেদ লুৎফর মবিন, তারপর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, ট্রাফিক পুলিশের সদস্য দিদারুল ইসলাম এবং সেনা বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরান হামিদ।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। যখন অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা আসলো, আমরা বললাম যত দ্রুত এই টিকা নেওয়া যায়। আমি ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছিলাম ভ্যাকসিন কেনার জন্য।

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু মানুষ ভালো না লাগা রোগে ভোগে। তার বলে দেশে ভ্যাকসিন আসবে কি না, এই টিকা কার্যকর হবে কি না। দেশে সমালোচনার লোক দরকার আছে। তারা যত সমালোচনা করেছে আমরা তত অনুপ্রাণিত হয়েছি।’

যারা ভ্যাকসিন নিতে এসেছেন তাদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আমরা আশা করি এর মাধ্যমে করোনা ভাইরাস থেকে দেশের মানুষ রক্ষা পাবে। দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ তারা এগিয়ে না আসলে এত কিছু করা সম্ভব হতো না। যারা করোনায় মারা গেছেন তাদের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করছি।’

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৫৩
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩৯
প্রিন্ট করুন printer

এইচএসসি’র ফল: শিক্ষা বোর্ডগুলোকে ক্ষমতা দিয়ে গেজেট প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক

এইচএসসি’র ফল: শিক্ষা বোর্ডগুলোকে ক্ষমতা দিয়ে গেজেট প্রকাশ

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে গত বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এ কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত, প্রকাশ ও সনদ বিতরণের ক্ষমতা শিক্ষা বোর্ডগুলোকে দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।

মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে তিনটি গেজেট জারি করা হয়।

এর মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ পরামর্শক কমিটির সুপারিশ মোতাবেক নয়টি সাধারণ বোর্ডের সঙ্গে মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডকে এই ক্ষমতা দেয় সরকার।

এতে বলা হয়েছে, চলমান বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ ভাইরাসজনিত কারণে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব না হওয়ায় এ সংক্রান্ত আইনগুলো সংশোধন করা হয়েছে।

ওইসব সংশোধিত আইনের ক্ষমতাবলে এ সংক্রান্ত গঠিত পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বোর্ডগুলোকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, ফলাফল প্রস্তুত আছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে ফলাফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।

পরীক্ষা ছাড়া উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করতে ‘ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২১’ ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১’, ‘বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১’ গেজেট আকারে জারি করে সরকার।

আইনগুলো সংশোধন হওয়ায় এখন বিশেষ পরিস্থিতে মহামারী, দৈব দুর্বিপাকের কারণে বা অনিবার্য পরিস্থিতিতে কোনও পরীক্ষা গ্রহণ, ফল প্রকাশ এবং সনদ করা সম্ভব না হলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দিয়ে কোনও বিশেষ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই বা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নিয়ে প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন এবং সনদ দেওয়ার নির্দেশ জারি করতে পারবে।

গত বছরে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল।

প্রতিবছর ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এবার করোনা মহামারীর কারণে বাতিল করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসির ফলাফলের গড় করে ২০২০ সালের এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে। জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষিত হবে এবারের ফল।

অন্যদিকে, আইনে পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশের বিধান থাকায় তা সংশোধন করে বিশেষ পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ছাড়াই ফল প্রকাশের বিধান যুক্ত করতে হয়েছে। গত রবিবার জাতীয় সংসদে তা পাস হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির সম্মতিও আসে ওই দিন রাতে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:০১
প্রিন্ট করুন printer

করোনার টিকা পাবে ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

করোনার টিকা পাবে ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ: প্রধানমন্ত্রী
ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ বা ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা পাবে। বিতরণ কার্যক্রমের প্রথম পর্যায়ে দেশের ১ কোটি ৫০ লাখ মানুষ দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা পাবে।

বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটুর লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সংসদ নেতা বলেন, যথাসময়ে করোনাভাইরাসের টিকা প্রাপ্তির বিষয়ে সরকার শুরু থেকেই উদ্যোগ নেয়। সরকার ইতোমধ্যে সেরাম ইনস্টিটিউট ইন্ডিয়া এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ টিকা কোটি বা ততোধিক ডোজ ক্রয় করার ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছে। এসব টিকা জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহেই দেশে আসবে বলে আশা করা যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৬৪ জেলা ও ৪৮৩টি উপজেলা ইপিআই স্টোরে এসব টিকা সংরক্ষণ করা হবে। চুক্তি অনুযায়ী কোটি বা ততোধিক ডোজ টিকা ৬টি ধাপে সরাসরি বাংলাদেশের ৬ জেলায় নির্ধারিত ইপিআই কোল্ডস্টোরসমূহে পৌঁছানোর দায়িত্ব পালন করবে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। উপহারের ২০ লাখ এবং ক্রয়কৃত ৫০ লাখ ডোজ টিকা সংরক্ষণ ও বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যে সব টিকা পাওয়া যাবে। এর বাইরে প্রয়োজনে আরও টিকা ক্রয় করা হবে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৩৬
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৪৩
প্রিন্ট করুন printer

চট্টগ্রামে আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন চলছে: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন চলছে: রিজভী
রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি

চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ইসির যৌথ প্রযোজনায় আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার সকালে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে শীতবস্ত্র বিতরণকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, চসিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে পুলিশি তাণ্ডব চলেছে। সেখানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একদিন আগে মিটিং করে নির্দেশনা দিয়েছেন, কীভাবে বিএনপি নেতাদের গ্রেফতার করে, এজেন্টদের গ্রেফতার করে বিএনপিকে এলাকাশূন্য করে ভোট ডাকাতি করা যায়। তারা তাই করছেন। এ নির্বাচন প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়।

তিনি বলেন, বুধবার প্রভুদের খুশি করতে বাংলাদেশে করোনার টিকার ট্রায়াল শুরু হচ্ছে। মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে।

বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপুর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ধীরন, সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভাইস চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন খান, ছাত্রদল নেতা মুন্নাসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:৪৮
প্রিন্ট করুন printer

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি চলাচল শুরু

অনলাইন ডেস্ক

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি চলাচল শুরু
ফাইল ছবি

টানা ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর বুধবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ঘন কুয়াশার কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ওই নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাট ম্যানেজার মহিউদ্দিন রাসেল।

তিনি জানান, গত কয়েকদিন ধরে ঘন কুয়াশার কারণে প্রায় প্রতিরাতেই ফেরি চলাচল বন্ধ থাকছে। মঙ্গলবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। সন্ধ্যার পর থেকেই নদীতে কুয়াশা পড়তে থাকে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে এর তীব্রতা বেড়ে গেলে নৌ চ্যানেলের বিকন বাতি ও মার্কিং পয়েন্ট দেখা যাচ্ছিল না। ফলে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কুয়াশা কেটে গেলে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

এদিকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া উভয় প্রান্তে নৈশকোচসহ কয়েকশ যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় আটকা পড়ে। 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর