শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৪৩, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

আরও শতাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয়

• নতুন শতাধিকসহ ৩৩৯ কিশোর গ্যাং • দলের সদস্য ১০ থেকে ১৫ জন, বেশির ভাগ মাদকাসক্ত • সঙ্গে থাকে ধারালো ছুরি, চাপাতি, আগ্নেয়াস্ত্র
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
আরও শতাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয়

দিনদুপুরে এক যুবককে ধাওয়া করে একদল কিশোর। তাদের হাতে চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্র। কয়েকজনের কোমরে ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্র। প্রাণভয়ে যুবক ‘বাঁচাও’ ‘বাঁচাও’ বলে চিৎকার করছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি রক্ষা পাননি। কিশোর সন্ত্রাসীরা এক পর্যায়ে তাঁকে ধরে ফেলে। তারপর অনেকটা ফিল্মি কায়দায় কুপিয়ে হত্যা করে।

গত শুক্রবার পুরান ঢাকার সূত্রাপুর এলাকার এই ভয়ংকর চিত্র থানার পুলিশের নথিভুক্ত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, তাজিয়া মিছিল থেকে দাবড়িয়ে ধরে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী যুবক জাকির হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এমন নৃশংস ঘটনা প্রকাশ্যে প্রায়ই ঘটছে।

অনেক ক্ষেত্রে ঘটনাস্থল থাকে জনাকীর্ণ স্থান বা সড়ক। আর এসব অপরাধে যারা জড়িত, তারা বেশির ভাগই কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। এদের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাবের ১৫টি ব্যাটালিয়ন কিশোর গ্যাংয়ের একটি হালনাগাদ তালিকা তৈরি করেছে।

র‌্যাবের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশে ৩৩৯টি কিশোর গ্যাং সক্রিয়। কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ে বিগত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে সারা দেশে ২৩৭টি কিশোর গ্যাংয়ের নাম উল্লেখ করা হয়।

অর্থাৎ নতুন তালিকায় ১০২টি গ্যাং যোগ হয়েছে। হালনাগাদ তালিকা ধরে এ ব্যাপারে অভিযান শুরু করেছে র‌্যাব।

এ ব্যাপারে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী গতকাল বুধবার বলেন, নতুন-পুরনো মিলিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের কয়েক হাজার সদস্য রয়েছে সারা দেশে। কিশোর গ্যাংয়ের হালনাগাদ তালিকা ধরে র‌্যাবের অভিযান চলছে। এরই মধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের অনেক সদস্য আটক হয়েছে। তবে সামাজিকভাবেও তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

বিভিন্ন কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা : একই পাড়া ও মহল্লার বখে যাওয়া কিশোর-তরুণরা একজোট হয়ে কিশোর গ্যাং তৈরি করছে। এর মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও রয়েছে। এরা বাহারি ও চটকদার নাম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৎপর হয়। রাজধানীতে মোহাম্মদপুর ও উত্তরায় তাদের তৎপরতা বেশি। একটি দলে ১০ থেকে ১৫ জন সদস্য থাকে, যাদের বেশির ভাগই মাদকাসক্ত। তাদের সঙ্গে থাকে ধারালো ছুরি, চাপাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র। আগ্নেয়াস্ত্র। পর্যায়ক্রমে তারা ভয়ংকর অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। তারা মূলত বড় ভাইয়ের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে নিজেদের ক্ষমতাবান মনে করে।

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে স্টার বন্ড, লাড়া দে, গ্রুপ টোয়েন্টি, ফিল্ম ঝিরঝির, দেখে ল, চিনে ল, লেভেল হাই, কোপাইয়া দে রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন নামে আরো নতুন কিছু গ্যাং যোগ হয়েছে। ধানমণ্ডিতে রয়েছে নাইন এমএম, একে ৪৭-এর সঙ্গে ফাইভ স্টার, ইলেভেন স্টার, সেভেন স্টারসহ আরো একাধিক গ্রুপ। তেজগাঁওয়ে জুম্মন গ্যাং, পাংকু গ্যাংসহ আরো অনেক গ্যাং রয়েছে। উত্তরায় একসময় বিল বস, নাইন স্টার, পাওয়ার বয়েজ, সুজন ফাইটার, ক্যাসল বয়েজ, ভাইপার, আলতাফ জিরো, ত্রিগোল, তুফান ও নাইন এমএম গ্রুপের দাপট ছিল। এখন তাদের সঙ্গে আরো অনেক গ্রুপ সক্রিয় রায়েছে। মিরপুর এলাকায় বিচ্ছু বাহিনী, রিপন গ্যাং, সুমন গ্যাংয়ের সঙ্গে বিভিন্ন নামে আরো অনেক নতুন গ্যাং রয়েছে। পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কোবরা গ্যাং, জুম্মন গ্যাং, বড় পোলা গ্যাংসহ আরো অনেক গ্যাং তৎপর। এর বাইরে সারা দেশে চটকদার অদ্ভুত নামের কিশোর গ্যাং ভয়ংকর হয়ে উঠছে। এরা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের অপরাধে জড়াচ্ছে। এরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে কাজ করছে। তাদের হাতে রয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র।

কিশোর গ্যাংয়ের নৃশংসতা : গত শুক্রবার রাতে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় প্রকাশ্যে একদল কিশোরকে সিগারেট খেতে বারণ করায় তারা ক্ষিপ্ত হয়। এই কিশোর সন্ত্রাসীরা পরে ছয়জনকে গুলি করে। সংকটাপন্ন অবস্থায় তারা এখন হাসপাতালে।

এর কয়েক দিন আগে পুরান ঢাকায় প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় একজনকে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এভাবে প্রতিদিন কিশোর গ্যাং সদস্যদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়েই চলেছে। এসব কিশোরের বেশির ভাগের বয়স ১৮ বছরের নিচে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সমাজে বর্তমানে সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কিশোর গ্যাং জড়িত থাকার বিষয়টি দেখা যাচ্ছে। এদের দমনে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, শিক্ষকসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

আইন-শৃৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রতিবেদনে তথ্য : আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সাম্প্রতিক একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করতে না পরলে সারা দেশে তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আরো বাড়তে পারে। কিশোর গ্যাং আরো বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে। তাদের কর্মকাণ্ড সমাজে আরো অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। কিশোর অপরাধীরা নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে। এদের নিয়ন্ত্রণ করতে হলে রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া থেকে তাদের বের করে আনতে হবে।

ধরাছোঁয়ার বাইরে পৃষ্ঠপোষক বা গডফাদাররা : কিশোর গ্যাং বেড়ে ওঠার নেপথ্যে থাকেন বড় ভাইয়েরা। তাঁরা অনেকে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা। তাঁদের ছাত্রচ্ছায়ায় ও উসকানিতে এসব কিশোর-তরুণ আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

তাদের সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন সময়ে কিশোর গ্যাং সদস্যরা গ্রেপ্তার হলেও বরাবরই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকেছেন পৃষ্ঠপোষক বা গডফাদাররা। এসব গ্যাং সদস্যের নেপথ্যের শক্তি বা আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে।

এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত কিশোরদের মধ্যে ‘হিরোইজমের’ চিন্তা-ভাবনা থেকে গ্যাং কালচার শুরু।

ডিএমপির একাধিক প্রতিবেদন যা বলছে : ডিএমপি সূত্র বলছে, রাজধানী থেকেই কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু। শুরুতে এদের তৎপরতা সম্পর্কে নানা তথ্য পাওয়া যায়। ২০২২ সালের শেষ দিকে পুলিশের একটি প্রতিবেদন তৈরি করে ডিএমপি। তখন ওই প্রতিবেদনে রাজধানীসহ সারা দেশে ১৭৩টি কিশোর গ্যাং থাকার তথ্য উঠে আসে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকায় ছিল ৬৬টি এবং চট্টগ্রামে ৫৭টি।  

পুলিশের অন্য এক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, বর্তমানে শুধু রাজধানীর আটটি ক্রাইম জেনের বিভিন্ন থানা এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে দেড় শতাধিক কিশোর গ্যাং রয়েছে।

ডিএমপি সূত্র বলছে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সাল-পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে বেশির ভাগ খুনের ঘটনায় কিশোর গ্যাং সদস্যদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের হালনাগাদ তালিকা আমাদের কাছে আছে। এদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।’

পুলিশের অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, যারা কিশোর, তাদের দেখভাল করা, বিশেষ করে সন্তানের জন্য মা-বাবারও দায়িত্ব রয়েছে। তারা কী করে, কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে, এগুলো দেখা প্রতিটি পরিবারের দায়িত্ব।

গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বর্তমানে কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ। কিশোর গ্যাং মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে। ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতেও তারা জড়িয়ে পড়ছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এর পরও এদের নিয়ন্ত্রণে আমরা চেষ্টা করছি।’

কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে সুপারিশ : কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া সরকারি একাধিক সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্তানদের পড়াশোনার পাশাপাশি সুষ্ঠু বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। ইন্টারনেটে কিশোরদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে—এমন অ্যাপ চিহ্নিত করে তা বন্ধ করতে হবে। এলাকাভিত্তক তালিকা তৈরি করে কিশোর গ্যাংয়ের ‘হটস্পট’ শনাক্ত করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে সমাজে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়ে আসছে। এ কারণে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ

এই বিভাগের আরও খবর
অভিন্ন প্রশ্নপত্রে সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু
অভিন্ন প্রশ্নপত্রে সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু
নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতন : জুনে শিকার ৩৩৩ জন, ধর্ষণের ঘটনাই বেশি
নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতন : জুনে শিকার ৩৩৩ জন, ধর্ষণের ঘটনাই বেশি
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার
আজ থেকে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
আজ থেকে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২ জুলাই)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২ জুলাই)
এক মাস পর জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিব, পার পিস ৫০ টাকা: উমামা ফাতেমা
এক মাস পর জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিব, পার পিস ৫০ টাকা: উমামা ফাতেমা
প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত
প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে ১০৫২ কোটি টাকার গম কিনবে সরকার
যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে ১০৫২ কোটি টাকার গম কিনবে সরকার
রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী
মাদারীপুরে এক অসহায় বৃদ্ধের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন
মাদারীপুরে এক অসহায় বৃদ্ধের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ডিএসসিসির সড়ক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ডিএসসিসির সড়ক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা
সর্বশেষ খবর
টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল ঘোষণা বাংলাদেশের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

লাইভ সংবাদ সম্মেলনের মধ্যেই বাবার মৃত্যুর খবর পেলেন কঙ্গোর কোচ
লাইভ সংবাদ সম্মেলনের মধ্যেই বাবার মৃত্যুর খবর পেলেন কঙ্গোর কোচ

৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের মাঝেই টেইলর সুইফট ঝড় উঠবে
বিশ্বকাপের মাঝেই টেইলর সুইফট ঝড় উঠবে

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অভিন্ন প্রশ্নপত্রে সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু
অভিন্ন প্রশ্নপত্রে সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকার বাতাসে আজ কতটা দূষণ?
ঢাকার বাতাসে আজ কতটা দূষণ?

২৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

সীমান্ত পাহারার চেয়েও সাইবার নিরাপত্তা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী
সীমান্ত পাহারার চেয়েও সাইবার নিরাপত্তা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী

২৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

১০০ মিলিয়ন পাউন্ডে টোনালিকে দলে টানছে টটেনহ্যাম
১০০ মিলিয়ন পাউন্ডে টোনালিকে দলে টানছে টটেনহ্যাম

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

৩১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে প্রায় আড়াই হাজার, নিখোঁজ ৫০ হাজার
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে প্রায় আড়াই হাজার, নিখোঁজ ৫০ হাজার

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসছে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ
আসছে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ

৩৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

ইনিংস ব্যবধানে হারের পর টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়েও পতন বাংলাদেশের
ইনিংস ব্যবধানে হারের পর টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়েও পতন বাংলাদেশের

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রভাবে চার মাসের সর্বনিম্নে তেলের দাম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রভাবে চার মাসের সর্বনিম্নে তেলের দাম

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ চলাকালেই সাইবারিকে দলে ভেড়ালো জার্মান জায়ান্ট
বিশ্বকাপ চলাকালেই সাইবারিকে দলে ভেড়ালো জার্মান জায়ান্ট

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতন : জুনে শিকার ৩৩৩ জন, ধর্ষণের ঘটনাই বেশি
নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতন : জুনে শিকার ৩৩৩ জন, ধর্ষণের ঘটনাই বেশি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’
‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর দুই এলাকায় পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার ৩৮
রাজধানীর দুই এলাকায় পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার ৩৮

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিভিন্ন অপরাধে ৬১ জন গ্রেফতার
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিভিন্ন অপরাধে ৬১ জন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আরব সাগরে মার্কিন হেলিকপ্টার জরুরি অবতরণ, ক্রু নিখোঁজ
আরব সাগরে মার্কিন হেলিকপ্টার জরুরি অবতরণ, ক্রু নিখোঁজ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
৫ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও শতাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয়
আরও শতাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয়

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ
এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আজকের নামাজের সময়সূচি, ২ ‍জুলাই ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২ ‍জুলাই ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিশ্বকাপে স্পেনের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বিশ্বকাপে স্পেনের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৬ জেলায় ঝড়ের আভাস
দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৬ জেলায় ঝড়ের আভাস

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বসনিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় যুক্তরাষ্ট্র
বসনিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় যুক্তরাষ্ট্র

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টিলম্যানের দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে ২-০ গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র
টিলম্যানের দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে ২-০ গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ থেকে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
আজ থেকে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা
ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা

২১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন
নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও
পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পেলেকে ছাড়িয়ে  নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন
পেলেকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা
হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!
৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের
পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি
মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন
আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘আমার শেখানোকে গুরুত্বই দেয়নি’, পদত্যাগের পর উরুগুয়ে কোচ
‘আমার শেখানোকে গুরুত্বই দেয়নি’, পদত্যাগের পর উরুগুয়ে কোচ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত
প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরে গিয়ে মস্তিষ্কে ৩৮ পরজীবী নিয়ে ফিরলেন নারী, অতঃপর…
ভারত সফরে গিয়ে মস্তিষ্কে ৩৮ পরজীবী নিয়ে ফিরলেন নারী, অতঃপর…

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এক মাস পর জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিব, পার পিস ৫০ টাকা: উমামা ফাতেমা
এক মাস পর জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিব, পার পিস ৫০ টাকা: উমামা ফাতেমা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মরুর দেশে রেল বিপ্লব, প্রথম জাতীয় ট্রেনসেবা চালু করলো আমিরাত
মরুর দেশে রেল বিপ্লব, প্রথম জাতীয় ট্রেনসেবা চালু করলো আমিরাত

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল
ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে: উর্মি
লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে: উর্মি

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক
বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা
জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম
প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি
পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল
ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?
ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশুকে চিড়িয়াখানার কুমিরের খাঁচায় নিক্ষেপ, অতঃপর…
শিশুকে চিড়িয়াখানার কুমিরের খাঁচায় নিক্ষেপ, অতঃপর…

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মিথ্যা বলছেন নেতানিয়াহু: সাবেক ইসরায়েলি সেনাপ্রধান
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মিথ্যা বলছেন নেতানিয়াহু: সাবেক ইসরায়েলি সেনাপ্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে : শিক্ষামন্ত্রী
রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে : শিক্ষামন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল
চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল

নগর জীবন

পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু
পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়
ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়

প্রথম পৃষ্ঠা

নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে  মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স
নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার
এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার

পেছনের পৃষ্ঠা

কালের সাক্ষী বলিহার হাউস
কালের সাক্ষী বলিহার হাউস

পেছনের পৃষ্ঠা

দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার
দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

নগর জীবন

পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের
পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত
গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত

প্রথম পৃষ্ঠা

ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি
ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আলু চাষ এখন গলার কাঁটা
আলু চাষ এখন গলার কাঁটা

নগর জীবন

অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা
অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা

রকমারি নগর পরিক্রমা

সেতুটি এখন গলার কাঁটা
সেতুটি এখন গলার কাঁটা

দেশগ্রাম

কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে
কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে

পেছনের পৃষ্ঠা

পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স
পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি
রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি

নগর জীবন

প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি

সম্পাদকীয়

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে
নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে

নগর জীবন

হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ
হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

খেলার সময়সূচি
খেলার সময়সূচি

মাঠে ময়দানে

গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক
গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক

শোবিজ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ

নগর জীবন

সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে
সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে

নগর জীবন

ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান
ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান

নগর জীবন

হলান্ড যেন গোলের গন্ধ পান
হলান্ড যেন গোলের গন্ধ পান

প্রথম পৃষ্ঠা