শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৬ মে, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৫ মে, ২০১৮ ২৩:০১

ডেসটিনির অবসায়নে নির্দেশ কেন নয়

-------- হাই কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডেসটিনির অবসায়নে নির্দেশ কেন নয়

ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেড কোম্পানির অবসায়ন বা অবলুপ্তির বিষয়ে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে শোকজ নোটিশ জারি করেছে হাই কোর্ট। গতকাল বিচারপতি এম আর হাসানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে। আদালতে ডেসটিনির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান খান ও মাইনুল ইসলাম। জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ কে এম বদরুদ্দোজা। আদেশের পর বদরুদ্দোজা জানান, ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর রেজিস্টার্ড হওয়া কোম্পানিটি ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বছরগুলোর বার্ষিক সাধারণ সভা বিলম্বের মার্জনা চেয়ে ওই কোম্পানির পরিচালক লে জে (অব.) হারুন অর রশীদ ও পাঁচজন শেয়ার হোল্ডার হাই কোর্টে আবেদন করেন।

বদরুদ্দোজা বলেন, আইন অনুসারে প্রতি ইংরেজি পঞ্জিকা বছরে বার্ষিক সাধারণ সভা করতে হয়। এতে ব্যর্থ হলে কোম্পানির যে কোনো সদস্যের আবেদনক্রমে আদালত ওই কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা আহ্বান করতে অথবা আহ্বান করার নির্দেশ দিতে পারবেন। আদালত ওই সভা আহ্বান অনুষ্ঠান ও পরিচালনার জন্য যেরূপ সমীচীন বলে বিবেচনা করবে সেইরূপ অনুবর্তী ও আনুষঙ্গিক আদেশ দিতে পারবে। এ আইন অনুসারে তারা হাই কোর্টে আবেদন করেন। কিন্তু যে ছয়জন আবেদন করেছেন তাদের মধ্যে হারুন অর রশীদ শর্ত সাপেক্ষে জামিনে আছেন। জামিনের শর্ত ছিল তদন্ত পর্যন্ত তিনি এ কোম্পানির কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখবেন না। আবেদনে তদন্ত শেষ হয়েছে কিনা সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। ফলে তিনি আবেদন করতে পারেন কিনা সে বিষয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। তাদের এজিএমের আবেদনে উল্লেখ আছে, ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত কোম্পানির কোনো অডিট নেই। অডিট রিপোর্ট না থাকলে বার্ষিক সাধারণ সভা কীভাবে হবে? তিনি আরও বলেন, তাদের আবেদনে বলা হয়েছে দুদকের মামলায় সব সম্পদ জব্দ। সে সম্পদ তত্ত্বাবধানে তত্ত্বাবধায়কও নিয়োজিত আছেন। ফলে কার্যত কোম্পানি হিসেবে এর কোনো কর্মকাণ্ড নেই। এ ছাড়া সাত পরিচালকের মধ্যে ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে কোম্পানির পরিচালক রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসেন জেলে আছেন। চারজন পলাতক। এ ছাড়া তদন্ত চলাকালে অপর পরিচালক হারুন অর রশীদ এ কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করবেন না মর্মে শর্তে হাই কোর্ট থেকে জামিন নেন। দুদকের কারণে ছয় বছর ধরে কোম্পানির কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। এ অবস্থায় পরিচালক ছাড়া এজিএম কীভাবে হবে? এ কারণে আদালত এজিএমের বিষয়ে আদেশ না দিয়ে কোম্পানিটি অবসায়ন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের প্রতি শোকজ নোটিশ জারি করেছে বলে জানান আইনজীবী বদরুদ্দোজা।


আপনার মন্তব্য