শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ আগস্ট, ২০১৯ ০১:৫৮

বিদ্যুৎ লাইন কাটার পরই ন্যামফ্ল্যাট ছাড়েন মন্ত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

দুজন মন্ত্রী, পাঁচজন প্রতিমন্ত্রী ও একজন উপমন্ত্রীর বাসার বিদ্যুৎ লাইন কাটার পরই তারা শেষ পর্যন্ত খালি করে দিয়েছেন ন্যাম ভবনের সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটগুলো। এর আগে লাল চিঠি ইস্যুসহ বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটগুলো খালি করে দিচ্ছিলেন না তারা। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তারপরই সেসব ফ্ল্যাটের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় সংসদ কমিটি। ফলে অনেকটা বাধ্য হয়েই তারা বাসা ছেড়েছেন। এ নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

গতকাল সংসদ সচিবালয়ের গণপূর্ত সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সূত্রমতে ‘সংসদ কমিটি’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মানিক মিয়া এভিনিউর ৪ নম্বর ভবনের ৪০১, ২ নম্বর ভবনের ৯০৩, ৬ নম্বর ভবনের ৯০২ নম্বরসহ ন্যাম ভবনের কয়েকটি ফ্ল্যাটের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এরপর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা তাদের দখলে থাকা ওই সব ফ্ল্যাটের চাবি সংসদ সচিবালয়ের হোস্টেল শাখাকে বুঝিয়ে দেয়। তবে এখনো একজনের ফ্ল্যাটের চাবি পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।

কমিটি সূত্রে জানা যায়, গত ডিসেম্বর নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকারের নতুন মন্ত্রিপরিষদে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর অনেকে মন্ত্রী পাড়ায় বাসা নিলেও এমপি হোস্টেলের বাসা দখলে রাখেন। কিন্তু বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও নতুন বাসা পাওয়া যাচ্ছে না অজুহাতে তারা ফ্ল্যাটগুলো খালি করে দিচ্ছিলেন না। এ বিষয়ে গত ১১ জুলাই সংসদ অধিবেশন শেষে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে বাসা দখলে রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তাদের চূড়ান্ত নোটিসও দেওয়া হয়। সর্বশেষ ফ্ল্যাটগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

আইন প্রণেতাদের আবাসস্থল হিসেবে মানিক মিয়া এভিনিউর ন্যাম ৬টি ভবনে ২১৬টি ফ্ল্যাট ও নাখাল পাড়ার পুরনো এমপি হোস্টেলের  ৪টি ভবন ৯১টি ফ্ল্যাট রয়েছে। সেখানে ছোট-বড় দুই ধরনের ফ্ল্যাটের মধ্যে প্রথমবার নির্বাচিতদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় এক হাজার ২৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট ও একাধিকবার নির্বাচিতদের  দেওয়া হয়, এক হাজার ৮০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট। এ ছাড়া রাজধানীর মন্ত্রী পাড়ায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের জন্য পৃথক আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর