শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:৫৮

আমদানি করা মাছের খাদ্যে শূকরের উপজাত রয়েছে কিনা চানতে চায় আপিল বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

আমদানি করা মাছের খাদ্যে শূকরের উপজাত রয়েছে কিনা চানতে চায় আপিল বিভাগ

মাছের খাদ্য হিসেবে আমদানি করা দ্রব্যে শূকরের উপজাত (বাই  প্রোডাক্ট) আছে কিনা, তা পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। চট্টগ্রাম কাস্টমসের ‘তত্ত্বাবধানে’ থাকা কয়েকটি (রিটকারী) কোম্পানির আমদানিকৃত দ্রব্য ঢাকার সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে সে ফলাফল চট্টগ্রাম কাস্টমসে দাখিল করতে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ গতকাল এ আদেশ দেয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস। অন্য পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ।

এর আগে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কিছু কোম্পানির (প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন) মাছের খাদ্য হিসেবে আমদানিকৃত চালানের উপাদান পরীক্ষা করে ফলাফল কোম্পানিগুলোকে দিতে চিঠি দেয়। এরপর ওই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ও পণ্য খালাস পেতে কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে হাই কোর্টে রিট করা হয়। সে রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ একটি কোম্পানির পণ্য খালাসের আদেশ দেয়। এ ছাড়া হাই কোর্টের আরেকটি অবকাশকালীন বেঞ্চেও এ বিষয়ের শুনানি হয়।

এদিকে একটি চালানের কিছু উপাদান এরই মধ্যে ঢাকার সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। টেস্টের ফলাফলে আমদানিকৃত দ্রব্যে শূকরের উপজাত আছে বলে উল্লেখ করা হয়। এই ফলাফলের বিষয়সহ চট্টগ্রাম কাস্টমসের তত্ত্বাবধানে থাকা সবগুলো কোম্পানির আমদানিকৃত দ্রব্যের চালানের স্যাম্পল ঢাকার সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য আপিল বিভাগে আবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এরপর আপিল বিভাগ আদেশ দেয়।


আপনার মন্তব্য