শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ মার্চ, ২০২১ ২৩:১৭

বাঙালি জাতির জীবনে স্বাধীনতা সড়কের গুরুত্ব অপরিসীম

-এলজিআরডি মন্ত্রী

মেহেরপুর প্রতনিধি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, বাঙালি জাতির জীবনে স্বাধীনতা সড়কের গুরুত্ব অপরিসিম। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল জাতীয় চার নেতা এ পথ দিয়ে এসে মুজিবনগর আম্রকাননে বাংলাদেশের প্রথম সরকারে শপথ গ্রহণ করেন। এ পথ দিয়েই পাকিস্তানের অত্যাচার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সারা বিশ্বের মানুষের জনমত সৃষ্টি করার জন্য মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ ভারতে গেছেন, তাই ভারতের সঙ্গে সড়কটি আমাদের সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করছে। মেহেরপুরের মুজিবনগরে স্বাধীনতা সড়ক পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত আমাদের অভূতপূর্ব সাহায্য করেছে, ১ কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে। আমাদের দুঃসময়ে যারা আমাদের পাশে ছিল তাদের আমরা স্মরণ করি। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষকী এবং স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২৬ মার্চ বাংলাদেশে আসবেন এবং ২৭ মার্চ রাস্তাটি উদ্বোধন করবেন। ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী আমাদের অংশের রাস্তা আমরা করব এবং তাদের অংশের রাস্তাটি তারা করবে। ইতিমধ্যে আমাদের অংশের রাস্তাটি আমরা শেষ করেছি। অল্প সময়ে রাস্তটি সম্পন্ন করার জন্য তিনি এলজিইডিকে ধন্যবাদ জানান।

এর আগে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এবং জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ  হোসেন  হেলিকপ্টারে সকাল সাড়ে ১১টার সময় মেহেরপুরে মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন এবং পর্যটন  মোটেলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। গার্ড অব অনার শেষে দুই মন্ত্রী মুজিবনগ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান ও মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার।

উল্লেখ্য, মুজিবনগর থেকে কলকাতা পর্যন্ত ‘স্বাধীনতা সড়ক’ নির্মাণ করছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। ১ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশের অংশের ৫০০ মিটার রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে।