শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

আন্দোলন দমনের তুরুপের তাস!

মাহমুদুর রহমান মান্না
অনলাইন ভার্সন
আন্দোলন দমনের তুরুপের তাস!

এক. 'কি নিয়ে লিখব তাই ভাবছি অনেকক্ষণ। প্রায়শই এরকম হয় ভাবার সময় পাই না। কিন্তু আমি পছন্দ করি ভাবনাটাকে গুছিয়ে নিয়ে লেখা শুরু করতে। সেরকম একটি ভাবনা নিয়েই ছিলাম। কিন্তু সকালবেলার পত্রিকা ভাবনাগুলো এলোমেলো করে দিল। এক মাস হয়ে গেল খালেদা জিয়ার অবরোধ বা অফিস বাসা, 'অবরুদ্ধ-বিচ্ছিন্ন খালেদার দিনরাত।' এর পাশাপাশি 'পরীক্ষাকে আমলে নিচ্ছে না বিএনপি, বুধ-বৃহস্পতি ও শুক্রবার হরতালের চিন্তা।'

দুই. ২৪ জানুয়ারি বেগম জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মারা গেছেন মালয়েশিয়ায়। সেদিনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গিয়েছিলেন বেগম জিয়াকে সমবেদনা জানাতে। একদিন পর আমি গেছি। কিন্তু বেগম জিয়ার সঙ্গে দেখা হয়নি। তার অফিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন তিনি শোকে মুহ্যমান। তাকে ওষুধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। ড. কামাল তখন বিদেশ ছিলেন। দেশে ফিরলে ৩০ জানুয়ারি তিনি গিয়েছিলেন বেগম জিয়ার অফিসে। আমি গিয়েছিলাম সঙ্গে এবং সেই তখন আমি বেগম জিয়াকে দেখি।

বেগম জিয়াকে যেই সাজে আমি দেখেছিলাম এরকম বাংলাদেশের মানুষ তাকে কমই দেখেছে। কোনো মেকাপ ছিল না তার। আটপৌরে একটা শাড়ি ছিল পরনে। মুখমণ্ডলজুড়ে বেদনার ছাপ। আমরা সবশুদ্ধ সেখানে ১০-১২ মিনিট ছিলাম। এর মধ্যে ৪-৫ মিনিট তিনি কথা বলেছিলেন। কেবল তার পুত্রের স্মৃতি তর্পণ। এরকম সময় যারা থাকেন তাদেরও খারাপ লাগে। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা জোগায় না মুখে। আমাদেরও সেরকম হয়েছিল। পরে যখন বাইরে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন ড. কামাল তখন তিনি বিরাজিত রাজনীতির ওপর কথা বলতে রাজি হননি। কিন্তু তাতে কি সাংবাদিকরা ছাড়ে? এর পর অনেকে আমাকে ফোন করেছেন। আমিও একই রকম জবাব দিয়েছি। রাজনীতি বা চলমান আন্দোলন নিয়ে কোনো কথা হয়নি সেখানে। ওই কথা বলার পরিবেশ নয়। আমি আগে লিখেছিলাম, এখন আবার বলছি প্রধানমন্ত্রী যদি সেদিন ভিতরে যেতে পারতেন, তার সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার দেখা হতো সেখানেও কোনো রাজনৈতিক আলোচনা হতো বলে আমার মনে হয় না। টকশো '৭১ জার্নালেও এ প্রসঙ্গে কথা উঠেছিল। আমি একই রকম জবাব দিয়েছিলাম। সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খান বলেছিলেন, আপনারা তো দুই নেত্রীর জাতীয় সংলাপের কথা বলছেন, দুই নেত্রী তো আর এমনিতে সরাসরি কথা বলবেন না। তার জন্য অনুঘটক লাগবে। যিনি বা যারা উভয় পক্ষে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপনের ভূমিকা পালন করবেন। আপনারা কি সে ভূমিকা নিতে পারেন না?

পাঠক, কথা বলতে বলতে আমরা বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে প্রবেশ করলাম। এই লেখা লিখছি আমি ৩ ফেব্রুয়ারি। ৩-৪ জানুয়ারি দেশে অঘোষিত সরকারি অবরোধ ছিল। সেই হিসেবে দেখতে গেলে পুরো এক মাস পার হলো অবরোধের। এখন পর্যন্ত বিষয় নিষ্পত্তির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। বরং সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। জেদ বাড়ছে এবং তা ধীরে ধীরে চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে। বেগম জিয়ার অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ, ক্যাবল-ইন্টারনেট ও টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া এক ধরনের জেদাজেদি ছাড়া আর কি? হতে পারে সরকারি মহল ভাবেন বেগম জিয়াকে এভাবে বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারলে তিনি আন্দোলন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন এবং এতে করে আন্দোলন নিঃশেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকার যতই কঠোর, কৌশলী পদক্ষেপ নিয়েছে তার ফলাফল কি? আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ৬ জানুয়ারি টানা অবরোধ তাদের আগের দুই দিন থেকে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৪৬ জন। গতকাল রেলে ব্যাপক সহিংসতা, ট্রেন লাইনচ্যুত। ট্রেন ও বাসে পেট্রলবোমা হামলাসহ নাশকতা অব্যাহত আছে।

পাঠক, আন্দোলনটাকেও নিশ্চয়ই খেয়াল করছেন আপনারা। এটাকে কি আর গণআন্দোলন বলা যাবে? আমার এই প্রশ্নে সরকারি দল হয়তো উৎফুল্ল হবেন কিন্তু এই যে আন্দোলনের স্খলন, তার গণচরিত্র হারিয়ে ধীরে ধীরে সশস্ত্র সহিংসতায় রূপান্তরের জন্য দায়ী কে? অন্যত্র আমি লিখেছি, ১৯৭৪ সালে জাসদ যে 'গণআন্দোলনের ছেদ ঘটিয়ে সশস্ত্র আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং সশস্ত্র ইউনিট বিপ্লবী গণবাহিনী গড়ে তোলে তা কেন?' মজার ব্যাপার সেই জাসদের বিশিষ্ট অংশটি এখন সরকারের অংশ হয়ে এই সশস্ত্র সহিংসতার তীব্র বিরোধিতায় লেগেছে।

এই সন্ত্রাসবাদ, সহিংসতা, পেট্রলবোমার বিরোধিতা অবশ্যই করতে হবে কিন্তু একে কেবল সহিংসতা মনে করে আরও অধিক রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগ করে নির্মূল করা যাবে মনে করলে ভুল হবে। যারা কট্টর বিএনপি-জামায়াতবিরোধী তারাও এ সত্য উপলব্ধি করতে পারেন। গণজাগরণ মঞ্চ দাবি করেছিল সরকারকে রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করতে হবে। ইন্টারনেট জরিপে এর পক্ষে ভোট পড়েছে ৭৯.৪৯%। আর বিপক্ষে পড়েছে ১৭.৫২%। কিন্তু সরকার তার একচোখা নীতি পরিবর্তন করছে না। ফলে পরিস্থিতির অবনতি ছাড়া উন্নতি হচ্ছে না।

পত্রিকায় 'অবরুদ্ধ-বিচ্ছিন্ন খালেদার দিনরাত' শিরোনামের খবরটির কথা উল্লেখ করেছিলাম। একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, এখন মোবাইল ফোন, ডিশ ও ফোন, ফ্যাক্স ও ইন্টারনেটের সুবিধা পাওয়া থেকে তিনি বঞ্চিত রয়েছেন। তিন-তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও একটি বড় দলের প্রধানের প্রতি এটা কোন ধরনের আচরণ? সবচেয়ে বড় কথা কেন এসব হচ্ছে, কোন আইনে এসব হচ্ছে তার কোনো ব্যাখ্যা নেই সরকারের তরফে। বিদ্যুৎ সংযোগ কাটার দায়িত্বও কেউ নিচ্ছে না।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করার কোনো নির্দেশ তারা দেননি। মোবাইল ফোন অপারেটর সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিটিআরসি থেকে তারা একটি বিশেষ ঠিকানায় মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধের চিঠি পেয়েছেন। বিটিআরসির দাবি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরামর্শে তারা পদক্ষেপ নিয়েছে। আমাদের প্রশ্ন, এই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কারা, যারা স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অজ্ঞাতে বা তার নির্দেশনা ছাড়াই এ ধরনের পরামর্শ বিটিআরসিকে দিতে পারে।

সবাই দুঃখিত হয়েছিলেন ঘটনায়। বেগম জিয়া বলেছিলেন তিনি স্তম্ভিত। রবিবার বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ এক বিবৃতিতে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে ইন্টারনেট সুবিধা, টেলিফোন ও ডিশ ক্যাবল সংযোগ অবিলম্বে পুনঃস্থাপন করা না হলে অবিরাম হরতাল ও অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আজ যখন এ লেখা লিখছি তখন পর্যন্ত এগুলোর সংযোগ পুনঃস্থাপিত হয়নি। তবে কার্যালয়ের গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ সচল আছে। এই পরিস্থিতিতে আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবারও হরতালের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। পত্রিকায় লিখেছে এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে আজ। পত্রিকার সূত্র অনুযায়ী আগামী শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও হরতাল দেওয়ার কথা চিন্তা করছে ২০ দল। বোঝা যাচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা আমলে নেওয়া হচ্ছে না। মনে হচ্ছে আন্দোলনের একটা দাউয়ে পরিণত হয়েছে এসএসসি পরীক্ষাটা। সরকার পক্ষ চেষ্টা করছে যেভাবেই হোক পরীক্ষা অনুষ্ঠানের। তাতে বলা যাবে যে, বিএনপির আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে। আর ২০ দল চেষ্টা করবে যেন পরীক্ষা হতে না পারে। তাতে তারা বলতে পারবে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। ২ তারিখের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়াতে কিছুটা বলার জায়গা যেন তৈরি হয়েছে তাদের। আর শিক্ষামন্ত্রী তো অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেছেন হরতাল থাকলে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না। হায়রে কোমলমতি কিশোর পরীক্ষার্থীরা! রাজনীতি, ক্ষমতা এতই নিষ্ঠুর যে, প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ এখন বাজিতে উঠেছে। অবশ্য ঘটনা এই প্রথম নয়। ১৯৯৬ সালে এভাবে এসএসসি পরীক্ষা পিছাতে হয়েছিল দুই মাস। আমাদের অতীতের সব কিছুই গর্ব করার মতো রেখে আসিনি আমরা। কিছু আছে যা বোঝার মতো, এখন টেনে বেড়াচ্ছি। কিন্তু এতেও কি শেষ হবে এই দুঃসহ যাতনার? জেদ ছাড়বেন তারা। কথা বলবেন, সরাসরি অথবা মাধ্যম দিয়ে সমস্যার সমাধানের জন্য? অসহায় মানুষগুলোর তাকিয়ে তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর কি করার আছে?

লেখক : রাজনীতিক, আহ্বায়ক নাগরিক ঐক্য।

ই-মেইল : [email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা