শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০১৫

ছোট্ট একটি আয়াতের সংক্ষিপ্ত তাফসির

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
ছোট্ট একটি আয়াতের সংক্ষিপ্ত তাফসির

পবিত্র কোরআনের ছোট্ট একটি আয়াত। সেখানে বাক্য মাত্র দুটি, তাও আবার সংক্ষিপ্ত। অথচ অর্থ ভাবগাম্ভীর্য এবং বিষয়বস্তুর গুরুত্বের কথা চিন্তা করলে মাথা খারাপ হয়ে যায়। আয়াতটিতে আল্লাহপাক মানুষের রুহ এবং বুদ্ধি সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। সূরা বনি ইসরাইলের ৮৫ নম্বর আয়াতের বাংলা তর্জমায় বলা হয়েছে- 'তারা আপনাকে রুহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে; বলে দিন- রুহ আমার রবের নির্দেশ মাত্র। তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই প্রদান করা হয়েছে; ব্যস এটুকুই- অথচ আয়াতটির গভীরতা প্রশান্ত মহাসাগরের অতলান্ত পেরিয়ে চলে যাবে অসীমের পানে। আবার যদি একে উচ্চতায় তোলা হয় তবে আকাশ-বাতাস, চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-তারা ভেদ করে পৌঁছে যাবে আদি ঠিকানায়- অর্থাৎ আরশে আজিমের সংরক্ষিত লোহ মাহফুজে।

আয়াতটির তাফসিরে প্রবেশের আগে সূরা বনি ইসরাইল সম্পর্কে কিছু বলে নিই। এটি আল কোরআনের ১৭ নম্বর সূরা। এটিকে যেমন সূরা বনি ইসরাইল বলা হয় তেমনি সূরা আল ইসরা নামেও রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। আল ইসরা শব্দের অর্থ, রাত্রিকালীন ভ্রমণ বা The night journey অন্যদিকে; বনি ইসরাইল শব্দের অর্থ হলো ইসরাইলের সন্তানগণ বা Children of Israel. সূরাটির ১১১টি আয়াত রয়েছে। এটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছিল হিজরতের ঠিক এক বছর আগে। সূরাটিতে পবিত্র মেরাজের ঘটনা বর্ণিত হলেও এটির মাধ্যমে মুসলমানগণ সর্বপ্রথম দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্দেশনা পায়। এর বাইরে সূরাটিতে ব্যভিচার নিষিদ্ধকরণ, পিতামাতার প্রতি ভক্তি ও আনুগত্য প্রদর্শন এবং তৎকালীন সময়ে মুসলমানদের দৈন্যদশার বিপরীতে মহান আল্লাহর প্রতি নির্ভর করে ধৈর্যশীল হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

ইমাম আল হাফিজ আবু আবদুল্লাহ বিন ইসমাইল আল বুখারি হজরত ইবনে মাসউদ (রা.)-এর রেওয়াতে বর্ণনা করেন- 'সূরা বনি ইসরাইল, সূরা কাহফ এবং সূরা মারিয়াম সর্বাপেক্ষা সুন্দরতম সূরা এবং এগুলো হলো আমার কাছে মহামূল্যবান স্বর্ণখনি; অন্যদিকে ইমাম আহম্মদ ইবনে হাম্বল মা আয়েশা সিদ্দিকা (রা.)-এর রেওয়াতে বলেন, আল্লাহর রসুল (সা.) কখনো কখনো কোনো বিরতি না দিয়ে এমনভাবে রোজা রাখতেন যখন মনে হতো- তিনি হয়তো রোজা ভাঙবেন না। আবার কখনো কখনো অনেক দিন একনাগাড়ে এমনভাবে রোজা রাখতেন না যখন মনে হতো তিনি হয়তো আর রোজা রাখবেন না। তার নিত্যকার জীবনধারায় এই ব্যতিক্রমের মধ্যেও তিনি প্রতিরাতে নিয়ম করে সূরা বনি ইসরাইল এবং সূরা আজ-যুমার তেলাওয়াত করতেন।

মূল সূরার বিস্তারিত বর্ণনা বাদ দিয়ে এবার আমরা সরাসরি প্রসঙ্গে চলে যাই। ৮৫ নম্বর আয়াত নাজিলের শানে-নজুল বর্ণনা করতে গিয়ে ইমাম বুখারি (রহ.) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)-এর রেওয়াতে বর্ণনা করেন, আমি একদিন আল্লাহর রসুল (সা.) সঙ্গে একটি খামারবাড়িতে ছিলাম। রসুল (সা.) একটি তালপাতার বোনা বিছানায় বসে আরাম ফরমাচ্ছিলেন। এমন সময় সেখান দিয়ে কয়েকজন ইহুদি যাচ্ছিল। তাদের মধ্যে একদল অন্যদলকে বলল, তাকে (হুজুর (সা.)-কে রুহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা কর তো! একদল বলল, কী দরকার জিজ্ঞাসা করার! কারণ সে হয়তো এমন জবাব দেবে যা শুনে তোমাদের একদম ভালো লাগবে না। অন্যদল বলল, আচ্ছা ঠিক আছে দেখি না কী বলে। শেষমেশ তারা একত্র হয়ে আল্লাহর রসুল (সা.)-কে রুহ সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। হুজুর (সা.) তাদের প্রশ্ন শুনে চুপচাপ রইলেন এবং কোনো উত্তর দিলেন না। আমি বুঝলাম হুজুরের প্রতি ওহি নাজিল হচ্ছিল। সুতরাং আমি তার কাছ থেকে একটু দূরে অবস্থান নিলাম। ওহি নাজিল সম্পন্ন হলে রসুল (সা.) নিম্নোক্ত আয়াতটি তেলাওয়াত করে ইহুদিদের শুনিয়ে দিলেন- 'তারা আপনাকে রুহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে; বলে দিন রুহ আমার রবের নির্দেশ মাত্র। তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই প্রদান করা হয়েছে।'

এবার আমরা রুহ নিয়ে আলোচনা করব। একই সঙ্গে এ কথাও আলোচনা করব যে, মহান রব কেন রুহ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে আমাদের হুঁশিয়ার করে দিলেন, আমাদের জ্ঞানের দৈন্য সম্পর্কে। আধুনিক বিজ্ঞানকে যদি বলা হয়, রুহ, আত্মা, মন, নফস, ইচ্ছাশক্তি সম্পর্কে কিছু বলার জন্য তবে বিজ্ঞান মাহরুম হয়ে পড়বে। তাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, কেন একজন মানুষ ইচ্ছে করার সঙ্গে সঙ্গে তার পায়খানা এবং প্রস্রাবের দরজা খুলে যায় এবং ইচ্ছে না করলে কেনইবা তা বন্ধ হয়ে যায়। মানব শরীরের এই প্রক্রিয়াটি কীভাবে হয় এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিজ্ঞান ইনিয়ে-বিনিয়ে নানা কথা বলবে কিন্তু প্রকৃত ঘটনার ধারেকাছেও যেতে পারবে না। অন্যদিক মানুষের মনটি আসলে কোথায়! এটা দেখতে কেমন, ওজনইবা কতটুকু? বড় মনের আকার কেমন আর কিপটে মনের আকৃতিবা কতটুকু- এসব কথা বললে বিজ্ঞান প্রশ্নকারীকে এড়িয়ে যাবে নয়তো বলবে লোকটি পাগল হয়ে গেছে। অন্যদিকে রুহ, আত্মা ও নফস নিয়ে লোকজন হাজার হাজার বছর ধরে কেবল গবেষণাই করে যাচ্ছে কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি। আর এ কারণেই আল্লাহ বললেন, ওয়ামা উতিতুম মিনাল ইলাম ইল্লা কলিলা। অর্থাৎ তোমাদের খুব সামান্যই জ্ঞানদান করা হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হলো- মানুষের সহজাত জ্ঞান বুদ্ধিতে যদি রুহ সম্পর্কে বিস্তারিত না জানা যায় তবে করণীয়টা কী? এক্ষেত্রে জবাব হলো- প্রথমত, নিজেদের চিন্তাচেতনাকে সীমিত করা এবং দ্বিতীয়ত, ঐশী জ্ঞান বা এলমে মারেফতের সন্ধান করা। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে রুহ সম্পর্কে যতটুকু জেনেছি তাতে মনে হয়েছে এটি একটি বায়বীয় বস্তু যা কিনা আল্লাহর হুকুমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে এবং নির্দিষ্ট সময়ে আল্লাহর হুকুমে মানুষের শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এটি যতক্ষণ শরীরে থাকে তখন শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং ইন্দ্রিয়সমূহ একে অপরের সঙ্গে মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। বিজ্ঞান একে মানব কোষের প্লোটোপ্লাজম নামক এক ধরনের পদার্থের ক্রিয়া-বিক্রিয়াকে বুঝিয়েছে। এই ক্রিয়া-বিক্রিয়া যতক্ষণ সচল থাকে ততক্ষণ মানব শরীরে এক ধরনের চৌম্বক শক্তি তৈরি হয়, যা কিনা একদিকে শরীরের হাড়সমূহকে একটির সঙ্গে অপরটিকে সংযুক্ত রাখে- অপরদিকে শরীরকে মাটির সঙ্গে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মাধ্যমে আটকে রাখে এবং অপরদিকে মহাকর্ষণ শক্তির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্রসমূহের সঙ্গে শরীরের সম্পর্ক তৈরি করে দেয়। ফলে মানুষ ভারসাম্য রক্ষা করে জমিনের বুকে চলাফেরা করতে পারে, প্রয়োজন মতো লাফ দেয় কিংবা সাঁতার কাটে এবং বাতাসের মাধ্যমে শব্দ শুনতে পারে। মানুষের দেহ থেকে আল্লাহর নির্দেশে রুহ চলে যাওয়ার পর শরীরের মধ্যকার চৌম্বক শক্তি কাজ করে না- প্লোটোপ্লাজমের ক্রিয়া-কর্ম বা বিক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দেহ মাটি, পানি, আকাশ, বাতাস, গ্রহ-নক্ষত্র প্রভৃতির সঙ্গে সংযোগ হারিয়ে ফেলে এবং পচতে পচতে তার আদিরূপ মাটির সঙ্গে মিশে যায়।

রুহের মতো মন, নফস এবং আত্মাও বায়বীয় আকারে মানব শরীরে থাকে। রুহ হলো মানব শরীরের প্রধান উপকরণ। এটি আল্লাহর হুকুম হওয়ার কারণে এটির মর্যাদা বা কর্তৃত্ব সবার ওপরে। ইংরেজিতে রুহকে বলা হয় Sprit. অন্যদিকে মনের প্রতিশব্দ হলো Mind আর আত্মাকে বলা হয় Soul. নফসকে বলা হয় Self রুহের কারণে মন, নফস এবং আত্মার সৃষ্টি হয়। রুহের ওপর মানুষের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। কিন্তু মন নফস এবং আত্মার উন্নতি এবং ধ্বংস সাধন সম্পূর্ণরূপে মানুষের ইচ্ছেশক্তি এবং কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করে।

মানুষের মন- মনের গতি-প্রকৃতি ভালো মন, মন্দ মন ইত্যাদি নিয়ে এখানে আলোচনার দরকার আছে বলে আমার মনে হয় না। কারণ মন সম্পর্কে কমবেশি সবাই জানে। তার চেয়ে বরং Soul বা আত্মা নিয়ে দু-চার কথা বলে নফস প্রসঙ্গে চলে যাই। মানুষের ব্যক্তিত্ব, কর্মশক্তি, সফলতা ইত্যাদির ধারককে বলা হয় আত্মা। মানুষের আত্মা অমর। রুহ এমন- কেবল একটি খোদায়ী হুকুম। তেমনি আত্মা খোদায়ী হুকুম না হলে এটি মানুষের কর্মকাণ্ড ধারণ করার জন্য একটি অমর বায়বীয় পাত্র। মানুষ জীবিত অবস্থায় এটি জমিনে অবস্থান করে। অন্যদিকে মৃত্যুর পর আত্মার গন্তব্য মানুষের কর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। কোনো কোনো আত্মা বাতাসের সঙ্গে জমিনে ভেসে বেড়ায় আবার প্রশান্ত আত্মা চলে যায় ঊর্ধ্বালোক।

এবার আমরা নফস সম্পর্কে কিছু আলোচনার চেষ্টা করব। মূলত মানুষের অভ্যন্তরীণ সব উন্নয়ন এবং অধঃপতন হয়ে থাকে নফসের কারণে। মানুষ যদি ইচ্ছে করে তবে সে নফসকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং এটির উন্নয়ন ও শ্রীবৃদ্ধি ঘটাতে পারে। অন্যদিকে মানুষ যদি বেখেয়াল হয় তবে নফসই মানুষ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মানুষের অধঃপতন এবং ধ্বংস ডেকে নিয়ে আসে। নফস চার প্রকার- নফসে আমমার, নফসে লাওয়ামা, নফসে মূলহাসাহ এবং নফসে মুতমাইন্না। দুর্বল মানুষ সবসময় নফসে আমমার দ্বারা পরিচালিত হয়ে কুকর্ম, নাফরমানী এবং জুলুমে শয়তানকে ছাড়িয়ে যায়। অন্যদিকে প্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকলে মানুষ এই ধ্বংসাত্মক নফসটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে করতে এক সময় নফসে লাওয়ামার অধিকারী হয়ে যায়। বান্দা তখন তার জীবনের সব কুকর্মের জন্য প্রতিনিয়ত অনুশোচনা করতে থাকে এবং আল্লাহর দরবারে তওবা করে অধিক ভালো কাজের মধ্যে নিজেকে ডুবিয়ে রাখে। এরূপ চেষ্টার ফলে মানুষ একদিন উন্নত নফস বা নফসে মূলহামার অধিকারী হয়ে যায়। বান্দা তখন ইচ্ছে করেও মন্দ কাজ করতে পারে না। আল্লাহর রহমতের চাদরে আবৃত থেকে মানুষ এক সময় সর্বোচ্চ মাকাম অর্থাৎ নফসে মুতমাইন্নার হালতে পৌঁছে যায়। এই অবস্থার মানুষকে বলা হয় প্রশান্ত আত্মার অধিকারী যারা দুনিয়াতে থেকে বেহেশতী সুখ-শান্তি এবং সুগন্ধ লাভ করে।

রুহ যেমন আল্লার একটি নির্দেশ তেমনি মানুষের পদমর্যাদা মানসম্মান এবং সম্ভ্রমও কিন্তু আল্লাহর নির্দেশ। মহান আল্লাহর হুকুমে মানুষ এগুলো লাভ করে। আবার আল্লাহ তার হুকুম উঠিয়ে নিয়ে গেলে মানুষ সব কিছু হারায়। মানুষ যখন ওগুলো লাভ করে তখন কৃতজ্ঞচিত্তে তা সংরক্ষণ, পরিচর্যা করতে হয়। আমরা আজকের প্রসঙ্গের একদম শেষ পর্যায় চলে আসছি। এখন বলব কেন আল্লাহ রুহ প্রসঙ্গে খুব সংক্ষেপে বললেন এটি আল্লাহর একটি নির্দেশ মাত্র এবং পরবর্তী বাক্যে বললেন তোমাদেরকে খুব সামান্যই জ্ঞানদান করা হয়েছে!

মানুষকে চিন্তার জগতে একচ্ছত্র স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। দুনিয়াতে কোনো কাজ করতে গেলে মানুষকে হাজারো বাধাবিপত্তি অতিক্রম করতে হয়। কিন্তু চিন্তার জগতে সে যা ইচ্ছে তাই করতে পারে এবং এই কাজ করতে গিয়ে সে প্রায়ই সীমা অতিক্রম করে। চিন্তার জগতে সীমা অতিক্রমের ফলে মানুষ ব্যক্তিগত ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলে। প্রথমে সে নিজেকে ধ্বংস করে এবং পরে তার ধ্বংসলীলা পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের মাঝে ছড়িয়ে দেয় মহামারী রূপে। কাজেই মানুষের উচিত নয় সেই সব বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত ঘাঁটাঘাঁটি করা, যা কিনা তার মন-মস্তিষ্ক এবং চিন্তাচেতনা জিন্দেগীভর চেষ্টা করেও জয় করতে পারবে না। রুহ তেমনি একটি বিষয় যা মানুষের চিন্তা দিয়ে পরিপূর্ণরূপে আবিষ্কার করা অসম্ভব। আর তাই ওটা যে মানব শরীরে আল্লাহর একটি নির্দেশ হিসেবে কাজ করে সে ব্যাপারে চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করার মধ্যেই সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল।

আল্লাহ মানুষকে অতি অল্প জ্ঞানদান করেছেন। এই অল্প জ্ঞানের একটি মারেফতি এবং একটি শরিয়তী উদাহরণ দিয়ে আজকের লেখা শেষ করব। প্রথম ঘটনাটি বহু হাজার বছরের পূর্বেকার ঘটনা, যখন জমিনের একটি এলাকার লোকজন জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চায় খুবই পারদর্শী হয়ে উঠল। তারা তাদের বিদ্যাবুদ্ধির জন্য বড়াই করত এবং কথায় কথায় দাম্ভিকতা করে আল্লাহর সঙ্গে শিরক করত, আল্লাহ সিদ্ধান্ত নিলেন এই জনপদ ধ্বংস করে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার জন্য। এই সময়ের কিছুদিন আগে হজরত জিবরাইল (আ.) ওই জনপদ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি দেখলেন ৮-১০ বছরের একটি বালক পথের ধারে বসে ধুলোবালি নিয়ে খেলছে। জিবরাইল (আ.) কৌতূহলবশত বালকটির কাছে গেলেন এবং বললেন- আচ্ছা বলত জিবরাইল কোথায় আছে। বালক উত্তর করল- দাঁড়ান বলছি। এই কথা বলে সে সামান্য সময়ের জন্য চোখ বুঝল এবং একটু পর চোখ খুলে বলল- আমি আসমান-জমিনের সর্বত্র তন্নতন্ন করে জিবরাইলকে খুঁজলাম কিন্তু কোথাও পেলাম না। আমার মনে হচ্ছে, আমাদের দুজনের মধ্যে কেউ একজন জিবরাইল হবেন- হয়তো আপনি, নয়তো আমি!

দ্বিতীয় ঘটনাটি হাল আমলের একটি বৈজ্ঞানিক উদাহরণ। পৃথিবীর মানুষ মঙ্গলগ্রহে পাথফাইন্ডার নামের একটি নভোযান পাঠালো ১৯৯৬ সালের ৪ ডিসেম্বর। পৃথিবী থেকে মঙ্গলের দূরত্ব প্রায় ৫০ লাখ মাইল। নভোযানটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৬০০ মাইল গতিতে ছুটতে ছুটতে মঙ্গলে পৌঁছল ১৯৯৭ সালের ৪ জুলাই বিকাল ৪টা ৫৬ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড সময়ে। ৫০ লাখ মাইল দূরে বসে পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা পাথফাইন্ডার নামক নভোযানটি নিয়ন্ত্রণ করতে থাকলেন। নভোযানের মধ্য থেকে সোজারনার নামক ছয় চাকার একটি রোবট গাড়ি মঙ্গলের মাটিতে লাফিয়ে পড়ল। রোবটটি মঙ্গলের মাটিতে ঘোরাফেরা শুরু করল এবং একটির পর একটি ছবি তুলে মুহূর্তের মধ্যে পৃথিবীতে পাঠাতে থাকল। এ কাজ করতে গিয়ে রোবটটি হঠাৎ একটি পাথরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে গেলে পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা ৫০ লাখ মাইল দূরে বসে কম্পিউটারের সাহায্যে সোজারনারকে উল্টানো অবস্থা থেকে সোজা করল এবং নতুন করে ছবি তোলার পর্যায়ে নিয়ে এলো।

এই যদি হয় মানুষের অতি সামান্য জ্ঞানের বহর এবং ক্ষমতা তাহলে মহাবিশ্বের মালিক এবং সব জ্ঞানের জন্মদাতা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জ্ঞানের বিশালত্ব কিরূপ হতে পারে- এমন প্রশ্নের উত্তরে আমরা কেবল বলতে পারি- সুবহানাল্লাহে বিহামদিহি! সুবহানাল্লাহিল আজিম! রব্বানা লাকাল হামদ! হামদান কাসিরান! তৈয়্যেবান! মুবারাকান ফিহে!

লেখক : কলামিস্ট

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা