শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০১৫

ভ্রমণে আলাপে স্বাধীনতা সংগ্রাম

অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত
অনলাইন ভার্সন
ভ্রমণে আলাপে স্বাধীনতা সংগ্রাম

অত্যন্ত ক্লান্ত। নিউইয়র্ক থেকে দোহা প্রায় ১২ ঘণ্টার দূরত্ব। কাতার বায়ুযান এর ভ্রমণ। ক্লান্তি এতই বেশি বোধ হচ্ছিল যে, দোহাতে আড়াই ঘণ্টার বিরতিতে কোনো ডিউটি-ফ্রি শপে যাওয়ার আনন্দও পাচ্ছিলাম না। মনটা খুব খারাপ। ছেলেকে কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির হোস্টেলে দিয়ে এসেছি। সব মিলে ষাটোর্ধ্ব একজন বাঙালির যা হওয়ার তাই। দোহা-ঢাকা বিমানে উঠার আগেই আবার একটু ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে নিলাম। বিমানে উঠেই ঘুমাব দৃঢ়সংকল্প। ভ্রমণের সময় রাত ১১টা থেকে ভোর ৪টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত। সুতরাং বাংলাদেশি হিসেবে নিবিড় ঘুমের সময়। বিপত্তি হলো, পাশের সিটের যাত্রী অত্যন্ত ভালোলোক। স্বাধীনতার পক্ষের লোক। নিজেকে একজন দক্ষ কর্মকর্তাই ভাবেন। কোনো দাম্ভিকতা নেই। আসনে বসেই জিজ্ঞেস করলেন, আপনি বাংলাদেশি? জবাবে হ্যাঁ বলতেই জিজ্ঞেস করলেন, নাম কী? নাম বলতেই বললেন, আপনার নাম অনেক শুনেছি। পরের প্রশ্নে ভদ্রলোকের প্রতি আমার শ্রদ্ধাবোধ আরও বেড়ে গেল। প্রশ্নটা ছিল, আপনার কি স্বাধীনতা যুদ্ধের কথা মনে আছে? আমি পরিচয় জানতে চাইলে তিনি জানালেন, ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনে (আইএফসি) কাজ করেন। সাত মাসের জন্য মিসরের কায়রোতে একটা অ্যাসাইমেন্টে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে বাড়ি ফিরছেন। বাবার চাকরির সুবাদে তার জন্ম ফরিদপুরে এবং সেখানেই বেড়ে ওঠা। আমার চেয়ে বয়সে অনেক ছোট। তাই স্বাধীনতার প্রতি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতি আগ্রহ। সাধারণত এই প্রজন্ম এ রকম শোনতে চাওয়া দূরের কথা, শুনাতে চাইলেও আগ্রহ নেই।

এখন আমার বলার পালা। বললাম, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় অর্থাৎ ১৯৭১ সালে আমি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। যেখানে ছাত্রলীগ ছিল একটি বলিষ্ঠ ও গরিষ্ঠ সংগঠন। তেমনি ইসলামী ছাত্রসংঘও (আইসিএস) মোটামুটি একটি শক্তিশালী সংগঠন ছিল। ছাত্রলীগের পরের অবস্থান ছিল অগ্রগামী নামক একটি সংগঠনের, তারপরেই ছিল আইসিএস-এর অবস্থান। চতুর্থ অবস্থানে ছিল ছাত্র ইউনিয়ন। ছাত্রলীগ শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে, স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী জাতীয় রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন হিসেবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের মধ্যে অনেক বেশি মুক্তিযোদ্ধার জন্ম হয়েছিল। তেমনি তুলনামূলকভাবে বেশ আলবদর সদস্য ও সৃষ্টি হয়েছিল, এই মেডিকেলের ইসলামী ছাত্র সংগঠনের কর্মীদের মধ্যে থেকে। এমবিএ করা এই ভদ্রলোক তীক্ষ্ন দৃষ্টি নিয়ে, একাগ্রচিত্তে আমার কথাগুলো শুনলেন। আমি যখন বললাম ঢাকা শহর ২৫শে মার্চ শেষ রাতে পাকিস্তানি বর্বরদের নিষ্ঠুর আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে, সান্ধ্যআইনের মাধ্যমে তাদের দখলে চলে যায়। ঠিক তেমনি ৩১শে মার্চ ভোর পর্যন্ত চট্টগ্রাম শহর (ক্যান্টনমেন্ট ছাড়া) স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দখলে ছিল। ভদ্রলোকের চেহারা দেখে মনে হলো তিনি তা জানতেন না। পঞ্চাশের কোঠায় যার বয়স তার এ বিষয়টি অজানা। তাও ভালো; বিকৃত ইতিহাস তো শিখেনি।

আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, মুজিববাহিনীর সদস্য বলতেই, উনার আগ্রহ আরও বেড়ে গেল। ভদ্রলোকের জানার আগ্রহ, আমাকে এতই বিমোহিত করল যেন, বহুদিন পরে একজন শ্রোতা এবং সত্যিকার স্বাধীনতাপ্রিয় ব্যক্তিকে পেলাম যে স্বাধীনতার গল্প শুনতে চায়। আমার বলার মধ্যেই ভদ্রলোক তার বড় ভাইয়ের এক ঘটনার কথা বললেন। তার বড় ভাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আশির দশকে। একবার বাড়িতে এসে, খাবার টেবিলে বসে, তার বাবার সামনে বললেন, আসলে ভারত পাকিস্তানকে যুদ্ধে পরাজিত করে এই ভূখণ্ডটি আলাদা করে দিয়েছে। ওই সময়ে কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবক এবং ভারতীয় এজেন্ট ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করে পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছে। এতে শুধু ভারতের লাভ হয়েছে। কথা শেষ না করতেই তার সাব ওভারশিয়ার বাবা, ভাত মাখা হাতে তার গালে সজোরে এক চড় বসিয়ে দেন এবং সভ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, চোঙ্গামার্কা জামা কাপড় পরে এই শিক্ষাই পেয়েছ? একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ওই বাবাকে আমি প্রণাম জানাচ্ছি। হাজার বার সালাম দিচ্ছি। কেননা, এ রকম বাবাই আমাদের প্রয়োজন ছিল। যারা স্বাধীনতা সংগ্রামে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাকে খাবার দিয়েছিলেন। রাতের অন্ধকারে আশ্রয় দিয়েছিলেন। বুদ্ধি এবং শারীরিক, মানসিক সহায়তা দিয়ে নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করে দিয়েছিলেন। এ রকম বাবা-মার ছেলে, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আশির দশকে স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে এমন ধারণা কেন পোষণ করলেন সেটাই বড় প্রশ্ন? এ জন্য দায়ী লে. জে. জিয়াউর রহমান। যিনি তৎকালীন ইসলামী ছাত্র সংঘ তথা ছাত্র শিবিরকে রাজনীতি করার জন্য সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সশস্ত্রশক্তি সৃষ্টিতে সাহায্য করেছিলেন। তাদেরকে স্বাধীনতাবিরোধী রাজনীতি করার জন্য অভয়ারণ্য সৃষ্টি করে দিয়েছিলেন। তাদের নেতাদের রাজনীতির ক্ষমতায় এনে পেঁৗছিয়ে দিয়েছিলেন। রাষ্ট্রীয় প্রশাসনযন্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা সামরিক এবং বেসামরিক লোককে হত্যা করে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতির বাধা দেওয়ার শক্তিকেও অপসারণ করে দিয়েছিলেন। যার ফলাফল তাকেও ভোগ করতে হয়েছে। পরে সহযাত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম, এখন আপনার ভাই কী করে? বাংলাদেশের প্রথম জেনারেশন ব্যাংক সিটি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে ব্যাংকিং ক্যারিয়ার করেছেন। বর্তমানে পরবর্তী জেনারেশনের একটা ব্যাংকে উচ্চ পদস্থ পদে কর্মরত আছেন।

জিজ্ঞেস করলাম, এখন কি আপনার ভাই স্বাধীনতা সংগ্রাম সম্পর্কে এরকম ধারণা পোষণ করেন? উনি কি স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত? তিনি জানালেন, আমরা সবাই আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বাপের এক থাপ্পড় এত সহজে একজনের ধোলাই মগজ পুনর্বিন্যস্ত করে দিতে পারে এ চিকিৎসা সম্পর্কে, চিকিৎসক হিসেবে আমার কোনো ধারণা ছিল না। তবে চিরন্তন বাক্য 'মাইরের উপর কোনো দাওয়াই নেই। আবারও সত্য প্রমাণিত হলো। একই রকম একটা ঘটনা আমার চোখের সামনে ঘটেছে। ওইখানে থাপ্পড় প্রয়োজন হয়নি, ধমকই যথেষ্ট ছিল। আমার এক সিনিয়ার ভাই, মুক্তিযোদ্ধা, এমবিবিএস ৩য় বর্ষের ছাত্র। একটি রাজনৈতিক আলোচনা সভায় বসে বলতে শুরু করেছিলেন, গণ্ডগোলের সময়...। এ পর্যন্ত বলতেই আমাদের প্রিয় নেতা শহীদ শেখ ফজলুল হক মণি ভাই বললেন, 'গণ্ডগোল নয়, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়।' 'স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়' এ কথাটা এত চিৎকারের সঙ্গে বলেছিলেন, জীবনে এ ভুল উনি আর কোনোদিন করেননি। সত্যিকার অর্থে আদর্শ পিতা বা নেতার আদর্শ, মগজের ভিতরে ঢুকতে বেশি সময় লাগে না। শুধু দরকার সময়োপযোগী সত্যিকার ইতিহাস শিক্ষা দেওয়া। ভুল ইতিহাস সংশোধন করা। বাঙালির ত্যাগের ইতিহাস তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস জানতে হলে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বাঙালির ভূমিকা এবং ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১-এর বিজয় পর্যন্ত আমাদের সংগ্রামী ইতিহাস, পাঠ্যপুস্তকে সন্নিবেশিত করাই বোধ হয় অপরিহার্য। এই বঙ্গভূমির, বঙ্গ সন্তানরা যে কত ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন তা প্রতিটি বাঙালির জানা উচিত, হৃদয়ে ধারণ করে লালন করা, মানুষ হিসেবে মনুষ্যত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য।

লেখক : সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়