শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৫

রাজতন্ত্র ও বাংলাদেশের রাজনীতি

সুমন পালিত
অনলাইন ভার্সন
রাজতন্ত্র ও বাংলাদেশের রাজনীতি

মিসরের ক্ষমতাচ্যুত রাজা ফারুক বলেছিলেন, ভবিষ্যতে পৃথিবীতে মাত্র দুজন রাজার অস্তিত্ব থাকবে। এর একটি ব্রিটেনের আরেকটি তাসের রাজা। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধের পর থেকে বিশ্বজুড়ে প্রজাতন্ত্রের যে হাওয়া বইছে তাতে রাজা ফারুকের ভবিষ্যদ্বাণীটি প্রায়ই স্মরণ করা হয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ নেপাল ছিল এক সময়ে রাজতান্ত্রিক দেশ। রাজাকে ঈশ্বরের অংশ মনে করা হতো। বিষ্ণুর অবতার- এই মহিমায় রাজা পূজিত হতেন জনগণের কাছে। ২০০১ সালের ১ জুন নেপালের রাজপ্রাসাদে ঘটে এক রহস্যজনক হত্যাকাণ্ড। রাজপ্রাসাদের এক নৈশভোজ সভায় রাজা বীরেন্দ্রসহ রাজপরিবারের ১০ সদস্য নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। লক্ষণীয়, রাজপরিবারের এ ভোজসভায় অনুপস্থিত ছিলেন রাজা বীরেন্দ্রের ভাই জ্ঞানেন্দ্র এবং তার পুত্র পরশ। রাজা বীরেন্দ্রর হত্যাকাণ্ডের পর রাজ সিংহাসনে বসেন জ্ঞানেন্দ্র। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটির রিপোর্টে বলা হয়, ক্রাউন প্রিন্স দীপেন্দ্র নিজেই তার বাবা-মাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যা করেন, তারপর তিনি হয়তো নিজে আত্মঘাতী হন কিংবা অন্য কোনো ঘাতক তাকে হত্যা করে।

তদন্ত কমিটির এ রিপোর্টকে 'বানানো গল্প' বলে মনে হয়েছে অনেকের কাছে। নেপালি জনগণের সন্দেহের তীর ছিল জ্ঞানেন্দ্রর দিকে। ভগবানের অবতারের বদলে রাজা জ্ঞানেন্দ্রকে নেপালি জনগণ দেখতে শুরু করে অপদেবতা হিসেবে। ২০০৬ সালের নভেম্বরের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় মাওপন্থিরা। ২০০৭ সালের ১৫ জানুয়ারি রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয় আনুষ্ঠানিকভাবে।

রাজা ফারুক ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নিজের দুঃখ ভুলতে রাজতন্ত্র সম্পর্কে যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তা অক্ষরে অক্ষরে কোনো দিন প্রতিফলিত হবে কিনা সময়ই বলে দেবে। তিনি ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের অমরতা নিয়ে যে কথা বলেছিলেন তা কিন্তু সংশয়ের ঊর্ধ্বে নয়। ক্রাউন প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে প্রিন্সেস ডায়ানার দাম্পত্য কলহ এবং তার পরিণতিতে প্রেমিকসহ দুখিনী রাজবধূর মৃত্যু সাধারণ মানুষের কাছে ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের গ্রহণযোগ্যতায় ধস এনে দেয়। ক্যামেলিয়ার সঙ্গে প্রিন্স চার্লসের পরকীয়া এবং শেষাবধি তাকে বধূ হিসেবে গ্রহণকেও ব্রিটিশদের অনেকেই মেনে নিতে পারেনি। সে দেশের রাজতন্ত্র টিকে আছে ঐতিহ্যের প্রতি ব্রিটিশদের মোহের কারণে। কালের বিবর্তনে ব্রিটিশ রাজতন্ত্র এখন রাজকীয় প্রতিষ্ঠান মাত্র। সম্মান থাকলেও তাদের কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।

বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ কিংবা একবিংশ শতাব্দীকে যদি রাজতন্ত্র পতনের যুগ বলে ভাবা হয়, তবে এ যুগেও দাপটের সঙ্গে টিকে আছে জাপানি রাজতন্ত্র। জাপানের বর্তমান রাজবংশ আড়াই হাজার বছরেরও বেশি দিন ধরে সে দেশ শাসন করছে। জাপানি ইতিহাসে উত্থান-পতনের ঘটনা কম হয়নি। যুদ্ধবিগ্রহ এমনকি পারমাণবিক ধ্বংসলীলার ধকলও জাপানকে সহ্য করতে হয়েছে, যা দুনিয়ার আর কোথাও ঘটেনি। তারপরও রাজতন্ত্র টিকে আছে অক্ষয় মহিমায়। রাজার প্রতি জাপানিদের ভালোবাসা প্রায় শতভাগের কাছাকাছি।

জাপানে রাজতন্ত্র যে কতটা জনপ্রিয় তার প্রমাণ পাওয়া যায় রাজপরিবারের এক ঘটনায়। সংবিধান অনুযায়ী সে দেশে কেবল পুত্র সন্তানই সিংহাসনের উত্তরাধিকার হওয়ার যোগ্য। অথচ ২০০৬ সালের আগে ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জাপানি রাজপরিবারে কোনো পুত্র সন্তান জন্ম নেয়নি। জাপানের সম্রাট আকিহিতোর পর ক্রাউন প্রিন্স নারুহিতো দায়িত্ব নেবেন। তারপর কে বসবেন জাপানি রাজ সিংহাসনে? যুবরাজ নারুহিতো নিঃসন্তান। তিনি মারা গেলে ছোটভাই আকিশিনো সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হবেন। কিন্তু তারপর? তাদের বোন প্রিন্সেস সায়াকো একজন সাধারণ জাপানিকে বিয়ে করায় তার পুত্র রাজ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হতে পারবেন না। প্রিন্স আকিশিনোর পুত্রসন্তান লাভে সে সংশয়ের অবসান ঘটে। জাপানিরা কর্মপ্রিয় জাতি। অযথা মাতামাতি তাদের ধাতে নেই। তারপর ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর জাপানি সিংহাসনের আরেক সম্ভাব্য উত্তরসূরি জন্মলাভের ঘটনায় উৎসবে মেতে উঠেছিল সারা দেশ।

জাপানেও এক সময় রাজাকে ঈশ্বরের অবতার হিসেবে ভাবা হতো। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সে অবতার তত্ত্বের অবসান ঘটে। কিন্তু তারপরও জাপানি রাজতন্ত্রের মর্যাদা সাধারণ মানুষের কাছে অসামান্য। সে দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ যে কোনো নাগরিক রাজাকে যে সম্মান দেখান তা এক কথায় অতুলনীয়।

এশীয় দেশ থাইল্যান্ডেও রাজার জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। একসময় থাইল্যান্ড ছিল সামরিক অভ্যুত্থানের দেশ। কয়েক দিন অন্তর সেখানে শাসকের বদল হতো। কিন্তু রাজার মর্যাদা ও ক্ষমতা সে অবস্থায়ও ছিল প্রশ্নাতীত। ডাকসাইটে জেনারেলরা রাজপ্রাসাদে এসে রাজার কাছে নতজানু হয়ে অভ্যুত্থানের জন্য ক্ষমা চাইত। তারপর ক্ষমার পাশাপাশি মিলত দেশ শাসনের ভার। রাজার সিদ্ধান্তে সম্মান দেখাবে না এমন কাউকে থাইল্যান্ডে খুঁজে পাওয়া কঠিন।

আমাদের প্রায় বাড়ির কাছের দেশ ভুটানেও রাজতন্ত্র চালু রয়েছে বহুকাল ধরে। ভুটানের ক্ষমতাত্যাগী রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুক মাত্র ১৮ বছর বয়সে ক্ষমতায় বসেন। যৌবনে পদার্পণের আগেই তার হাতে আসে রাজদণ্ড। অপরিণত বয়সে ক্ষমতা লাভ মানুষকে নাকি স্বেচ্ছাচারী করে। কিন্তু ওয়াংচুকের ক্ষেত্রে তা হয়নি। জনগণের জন্য নিবেদিত এই রাজাকে বাদ দিয়ে ভুটানিরা কোনো কিছু ভাবতেও নারাজ ছিল। তারপরও ওয়াংচুক নিজে থেকে রাজার ক্ষমতা হ্রাস করেন। দেশবাসীর আপত্তি সত্ত্বেও তিনি স্বেচ্ছায় ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন। বলেন, রাজা নিয়োগে সে দেশের সংসদের ক্ষমতা থাকবে। ভুটানে এখন ওয়াংচুকের তরুণপুত্র জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক সিংহাসনে। বাবার অনুসৃত পথেই চলছেন তিনি।

রাজতন্ত্রের এই পতনের যুগেও আফ্রিকার ক্ষুদ্র দেশ টোঙ্গোর রাজা চতুর্থ তপু জনপ্রিয়তার মাইলফলক রচনার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। ২০০৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ৮৮ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান টোঙ্গোর রাজা। দীর্ঘ ৪১ বছর ধরে তিনি শাসন করেন এই ক্ষুদ্র দেশটি। তারপরও রাজার জনপ্রিয়তায় কখনো ছেদ পড়েনি। টোঙ্গো সরকার রাজার মৃত্যুতে মাত্র এক লাইনের একটি রাজকীয় বিবৃতি প্রচার করে। তাতে লেখা ছিল- 'টোঙ্গোর সূর্য অস্তমিত হয়েছে।' ক্রাউন প্রিন্স তুপুউতোরা ১০ সেপ্টেম্বর ক্ষমতায় বসেন। তিনি তার বাবার ঐতিহ্য বজায় রাখার কথা বলেছেন।

দুনিয়া থেকে একের পর এক রাজতন্ত্রের অবসান ঘটলেও অলিখিত রাজতন্ত্র আমাদের এই উপমহাদেশের দেশগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে রয়েছে। ভারতের নেহরু গান্ধী পরিবারকে সে দেশের অলিখিত রাজপরিবার বলে ভাবা হয়। এ পরিবার জাতিকে তিনজন প্রধানমন্ত্রী উপহার দিয়েছে। মতিলাল নেহরু এ পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা। তার পুত্র জওহরলাল নেহরু ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। নেহরুকন্যা ইন্দিরা গান্ধীকে বিশ্বের এযাবৎকালের শ্রেষ্ঠ মহিলা রাজনীতিক বলে ভাবা হয়। তিনিও প্রধানমন্ত্রী পদে দীর্ঘদিন অধিষ্ঠিত ছিলেন। অাঁততায়ীর হাতে নিহত হওয়ার পর তার পুত্র রাজীব গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন। তিনিও প্রাণ হারান অাঁততায়ীর হাতে।

এ ট্র্যাজেডির কারণেই রাজীব পত্নী সোনিয়া গান্ধী দলীয় নেতা-কর্মীদের দাবির মুখেও রাজনীতিতে আসেননি। পরবর্তীতে তিনি কংগ্রেসের হাল ধরেন। ২০০৪ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট জয়ী হয়। দল ও জোটের দাবি সত্ত্বেও সোনিয়া প্রধানমন্ত্রী পদে বসেননি। দল ক্ষমতায় থাকাকালে নেহরু গান্ধী পরিবারের জাদুর কারণে সোনিয়া গান্ধীকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু বলে ভাবা হতো। বিরোধী দলে যাওয়ার পর সোনিয়া গান্ধীকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে কংগ্রেসী রাজনীতি। মনে করা হয় অদূরভবিষ্যতে ভারতে কংগ্রেস বা কংগ্রেসী জোট ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রী হবেন রাজীব ও সোনিয়ার পুত্র রাহুল গান্ধী। পাকিস্তানে ভুট্টো পরিবারও প্রায় একই মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। এ পরিবারের প্রাণপুরুষ জুলফিকার আলী ভুট্টো দুই দশক ধরে পাকিস্তানের রাজনীতিতে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে বিরাজ করেছেন। প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন তিনি। তার কন্যা বেনজির ভুট্টোও অলঙ্কৃত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পদ। শ্রীলঙ্কার বন্দরনায়েক পরিবার সে দেশকে তিনজন প্রধানমন্ত্রী উপহার দিয়েছে। দুজন রাষ্ট্রপতি এসেছেন এ পরিবার থেকে। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের অং সান সুকি পরিবারও জনগণের হৃদয় সিংহাসন দখল করে আছে স্বাধীনতার পর থেকে। এ পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা মিয়ানমারের স্বাধীনতা আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা অং সান। বঙ্গবন্ধু এবং মহাত্মা গান্ধীর মতো অং সান প্রাণ হারিয়েছেন অাঁততায়ীর হাতে। ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই মিয়ানমারের স্বাধীনতার ছয় মাস আগে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তিনি। স্বাধীনতার আগে মিয়ানমার ছিল এ অঞ্চলের সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ। ১৯৬২ সালে জেঁকে বসে সামরিক শাসন। যে শাসনের পরিণতিতে মিয়ানমার সবচেয়ে গরিব দেশে পরিণত হয়। অং সানের কন্যা অং সান সুকি ১৯৮৮ সালে ব্রিটেন থেকে স্বদেশে ফিরে গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন শুরু করেন। দীর্ঘ ১৫ বছর তাকে গৃহবন্দী রাখে সামরিক জান্তা। ২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর গৃহবন্দিত্বের অবসান হয়। কিন্তু বন্ধ হয়নি ষড়যন্ত্র। সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশভাবে জয়ী হওয়া সত্ত্বেও তার দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়নি। বিদেশিকে বিয়ে করেছেন এই অজুহাত তুলে সামরিক জান্তা নোবেল জয়ী এই নেত্রীর প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে আইনগত বাধা সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু ও শহীদ জিয়ার পরিবারও একই মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। বঙ্গবন্ধু আর বাংলাদেশ সমার্থক শব্দ হিসেবে বিবেচিত। বাঙালির হাজার বছরের সেরা অর্জন স্বাধীনতা। এ স্বাধীনতার নেতৃত্বে ছিলেন বাঙালির এই অবিসংবাদিত নেতা। ইতিহাসে তিনি অমরত্বের দাবিদার বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে। নব্য মীর জাফরদের ষড়যন্ত্রে স্বাধীনতার সাড়ে তিন বছর পর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধু। তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান ভাগ্যগুণে। কৃতজ্ঞ জাতি শেখ হাসিনাকে তিনবার প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছে বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে।

মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন সে দিনের তরুণ মেজর জিয়াউর রহমান। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার এবং জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের অভ্যুত্থানকারীরা সে দিনের বন্দী জিয়াকে ক্ষমতায় বসান। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে প্রাণ হারান তিনি। তার মৃত্যুর পর বিএনপির নেতৃত্বে আসেন তার বিধবা স্ত্রী কুলবধূ বেগম খালেদা জিয়া। তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন তিনি। বঙ্গবন্ধু ও জিয়া পরিবারের জনপ্রিয়তা তাদের জন্য বারবার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনগণের হৃদয় থেকে এ দুই পরিবারের নাম মুছে দিতে বারবার হয়েছে ষড়যন্ত্র। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে চলেছে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা। তার আগে গোপালগঞ্জে বিস্ফোরক পুঁতে রেখে হত্যার অপচেষ্টা চালানো হয়। ২০০৬ সালে তথাকথিত ওয়ান-ইলেভেনের পর দেশের রাজনীতি থেকে বঙ্গবন্ধু ও জিয়া পরিবারের সদস্যদের উৎখাত করতে যে ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেওয়া হয়েছিল তা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। আমাদের এই প্রজাতান্ত্রিক দেশের মানুষের হৃদয় সিংহাসনে এ দুটি পরিবারের সদস্যরা যেভাবে অধিষ্ঠান পেয়েছেন তা কোনো অংশেই কম রাজকীয় নয়।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়