শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:১৯, সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৫

গুডবাই দাঁড়িপাল্লা : টেক কেয়ার নৌকা

ড. তুহিন মালিক
অনলাইন ভার্সন
গুডবাই দাঁড়িপাল্লা : টেক কেয়ার নৌকা

এক. দলীয়ভাবে ও দলের প্রতীক নিয়ে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন করতে হবে এবার। গত সোমবার এভাবেই স্থানীয় সরকার আইনকে সংশোধন করে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। কিন্তু আমাদের দেশে অনেক আগে থেকেই এসব নির্বাচন প্রকাশ্যে দলীয়ভাবেই হতো। শুধু দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যেত না। দলের মনোনয়নের বদলে শুধু ‘সমর্থন’ শব্দটা জুড়ে দেওয়া হতো। তা ছাড়া দলের প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা থেকে শুরু করে মিটিং-মিছিল সবই দলীয়ভাবে হতো। কিন্তু হঠাত্ করেই এবার জরুরি ভিত্তিতে এ আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল কেন? সংশোধিত আইনে এখন থেকে দলীয়ভাবে ও দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন করতে চাইলে শুধু নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৪০টি দলের প্রার্থীই তাদের দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবে। ইতিমধ্যে হাইকোর্টে একটি রিট মামলার রায়ে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও অ্যাপিলেট ডিভিশনের চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি, তবুও সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের কর্মপন্থার আলোকে বোঝা যায় আগামী সব নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের গুডবাই মোটামুটি নিশ্চিত। তবে এতে নৌকারও যে টেক কেয়ারের প্রয়োজন লাগবে তা-ও হয়তো নিশ্চয়ই মনে করিয়ে দিতে হবে না। কারণ ভুলে গেলে চলবে না যে, ধানের শীষকে দাঁড়িপাল্লায় রাখা গেলেও নৌকাকে কিন্তু দাঁড়িপাল্লায় আঁটানো সম্ভবপর নয়। দাঁড়িপাল্লা বা জামায়াত যেই নিষিদ্ধ হোক না কেন তাদের ভোটগুলো কিন্তু দিনশেষে ঠিকই আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির বাক্সেই পড়বে। তাই বিএনপি থেকে জামায়াতকে বিচ্ছিন্ন করার সরকারের এতদিনের সব চেষ্টা-তদবির এখন বিফলে গিয়ে উল্টো বরং জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তিগুলোর সব ভোট এবার একাট্টা হয়ে বিএনপির বাক্সকেই পরিপূর্ণ করে তুলবে।

দুই. অনেকেই হয়তো বলতে পারেন, দাঁড়িপাল্লা নেই তো কী হয়েছে, জামায়াতের প্রার্থীদের তো স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় কোনো বাধা নেই। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচনেও যে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ সমর্থক ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিতে হবে বলে আইন পাস করা হবে না তা কে বলেছে? আরও হয়তো বলতে পারেন যে, ১ শতাংশ সমর্থক তো জামায়াতের আছেই। কিন্তু সেই ১ শতাংশ সমর্থকের স্বাক্ষর তো দূরের কথা এ ১ শতাংশের মধ্যেও যে কত শতাংশ সমর্থককে খুঁজে পাওয়া যাবে না তা হয়তো কারও অজানা থাকার কথা নয়। আসলে জামায়াতের মতো দলে সমর্থক যতজন ভোটারও ততজন, আবার কর্মীও তারা সবাই। এখন এদের অধিকাংশই হয় জেলে, না হয় হাসপাতালে, না হয় পলাতক। হাতে গোনা যে কজন মুক্ত আছেন তারা দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নির্বাচন কমিশনে নাম স্বাক্ষর জমা দেওয়ার ঝুঁকি নেবেন কিনা সন্দেহ আছে। তাই এ যাত্রায় দেশের সব পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, জেলা, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে শুধু দাঁড়িপাল্লা একা নয়, আসলে জামায়াতে ইসলামীরও গুডবাই হয়ে যাচ্ছে।

তিন. এতদিন মন্ত্রী-এমপি থেকে শুরু করে সরকারি সুবিধাভোগীরা কেউ কখনো স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচনে প্রচার চালাতে পারতেন না। এখন যেহেতু আইনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে তাই ধরেই নেওয়া যাচ্ছে যে, এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো বাকি সব নির্বাচনেও সরকারি সুবিধাভোগীরা প্রচার-প্রচারণা ও প্রভাব বিস্তার প্রকাশ্যেই করতে পারবেন। তবে সরকারি গাড়ি, সার্কিট হাউস, ডাকবাংলো থেকে শুরু করে ইসি, প্রশাসন ও পুলিশকে এবার রাখঢাক না করে খোলামেলাভাবে প্রচারণায় আনা হবে কিনা তাও কিন্তু দেখার বিষয়। কারণ বিগত নির্বাচনগুলোতে এরা যেভাবে দলীয় বাহিনীর মতো কাজ করেছে তাতে আর লুকোচুরি করে কী লাভ হবে? আগামী নির্বাচনগুলোতে জামায়াত ছাড়াও অন্যান্য রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিএনপিকে রাস্তায় দাঁড়াতে দেওয়া হবে, তারও বা গ্যারান্টি কোথায়? যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা সিটি নির্বাচনে খালেদা জিয়ার মতো একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে পর্যন্ত যেভাবে নির্বাচনী প্রচারে বাধা দিয়ে পুলিশের সামনেই অনবরত হামলা করা হলো তাতে আগামীতে নৌকা ছাড়া অন্যসব প্রতীকেরও বা কী অবস্থা দাঁড়াবে বলা মুশকিল। তা ছাড়া দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের আইন পাসের পর আবারও যে গমের শীষের উদ্ভব ঘটানো হবে না সে নিশ্চয়তাটুকুই বা আমাদের নির্বাচন কমিশন কী করে দেবে?

চার. সংশোধিত এ আইনটি অনুমোদনের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের জানালেন, যেহেতু আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বেশ কিছু নির্বাচন হতে যাচ্ছে তাই এটা জরুরি ভিত্তিতে অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হতে পারে। আসলে সংসদেই সব আইন পাস করার কথা। একমাত্র সংসদ অধিবেশন না থাকলেই এবং অতি জরুরিভাবে কোনো আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলেই রাষ্ট্রপতি তখন সংবিধানে প্রদত্ত তার ক্ষমতাবলে জরুরি ভিত্তিতে কোনো অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। কিন্তু স্থানীয় নির্বাচন দলীয়ভাবে এবং দলের প্রতীকে করতে হবে— এ মুহূর্তে এমন একটা আইন প্রণয়ন করা এতটা জরুরি কেন হয়ে গেল? রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বহুদলীয় গণতন্ত্রের এ দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনোরকম কথাবার্তা না বলে হঠাত্ করেই এ রকম গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় সরকার কাঠামোতে নির্বাচনী ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনাটা মোটেই কাম্য ছিল না। যাদের সঙ্গে খেলতে যাবেন সেই দলগুলোকে না জানিয়ে, তাদের ছলনা করে খেলার মাঠ থেকে দূরে সরিয়ে রেখে একতরফা বিজয়ী হওয়ার মধ্যে তো কোনো গৌরব থাকতে পারে না। রংধনুর সব রঙের মধ্যেই যে গণতন্ত্রের মহিমা লুকিয়ে থাকে। রাজনীতির সবচেয়ে ছোট দলটিরও কিছু বলার থাকতে পারে। জনগণ তাদের কথা শুনবে কি শুনবে না তা কেউ একজনের ঠিক করে দেওয়াটাও গণতন্ত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংবিধানে এ ক্ষমতা তো শুধু জনগণকেই দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সরকার পঞ্চদশ সংশোধনী করে জনগণের এ মতপ্রকাশের মাধ্যম গণভোটের অধিকারকেও বাতিল করে দিয়েছে।

পাঁচ. অন্যদিকে হঠাত্ করে এ আইন পাসে বিপদেই পড়বে নির্বাচন কমিশন। এত কম সময়ের মধ্যে স্থানীয় পর্যারের মতো বিশাল প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক বিবেচনায় নির্বাচনী উদ্যোগ গ্রহণ করা তাদের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জের বিষয়। রাজনৈতিক প্রতীকের পাশাপাশি অসংখ্য স্বতন্ত্র প্রতীক ও প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে প্রতিটি এলাকার জন্য আলাদাভাবে বিপুলসংখ্যক ব্যালট পেপার ছাপানো একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। দেশের মোট ৩২৩টি পৌরসভার মধ্যে এখন ২৭৮টির নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ২৪৫টির নির্বাচন তো করতেই হবে। সেই সঙ্গে ৪ হাজার ৫৫৩টি ইউনিয়ন, ৪৮৮টি উপজেলা, ১১টি সিটি করপোরেশন এবং ৬৪টি জেলা পরিষদের নির্বাচনও তাদের অল্প সময়ের মধ্যে দলীয়ভাবেই করে দেখাতে হবে। শুধু ইউপি নির্বাচনেই প্রায় ৬০ হাজার ধরনের ব্যালট পেপার ছাপাতে হবে। দলীয় প্রার্থী পরিবর্তন ও নির্বাচনী মামলার কারণে ভোট গ্রহণের আগমুহূর্ত পর্যন্ত প্রার্থীর সংখ্যা যোগ-বিয়োগ হলে নতুন করে এতসংখ্যক ব্যালট ছাপানো প্রায় দুষ্কর হয়ে পড়বে। সব মিলিয়ে ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচনে ২৫ কোটিরও বেশি ব্যালট পেপার ছাপাতে হবে এ অল্প সময়ের মধ্যে। এখনো কোনো আইন ও বিধিমালা কিছুই পাস করা হয়নি। আইন সংশোধন করে গেজেট প্রকাশের পর প্রতিটি নির্বাচনের জন্য অন্তত দুটি নির্বাচনী বিধিমালা তৈরি করে সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ দেড় মাস সময় পাবে ইসি। তাই ইসির সঙ্গে চ্যালেঞ্জটা সরকারকেও নিতে হবে।

ছয়. কিন্তু প্রশ্ন হলো, আওয়ামী লীগ সরকার আসলেই কি স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিশ্বাস করে? কারণ কোনোরকম নির্বাচন না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় ব্যক্তিদের দিয়ে জেলা পরিষদগুলো পরিচালনা করানো হচ্ছে। সরকার যাদের এমপি-মন্ত্রী করতে পারেনি এমন ব্যক্তিদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্যই জেলা পরিষদগুলোয় বসিয়ে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে গত সপ্তাহে পত্রিকায় দেখলাম ঢাকার জেলা পরিষদের প্রশাসকের বিরুদ্ধেই ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের খবর। অন্যদিকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনার ব্যাপারেও সরকার সংবিধানের মূল জায়গায় আঘাত হেনেছে। আমাদের সংবিধানের  ৫৯(১) অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক একাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার এতদিন এগুলোর কিছুই করেনি। তার বদলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত প্রতিটি স্থানীয় সরকারের কাঠামো ধ্বংস করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জেলে দিয়ে অনির্বাচিত প্রশাসকদের বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেশের কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের নির্বাচন এতদিন ধরে কেন দেওয়া হচ্ছে না? মন্ত্রীদের ওপর খবরদারির জন্য অনির্বাচিত উপদেষ্টাদের দিয়ে কেন মন্ত্রণালয়গুলো চালানো হচ্ছে? উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট জেলার মন্ত্রী-এমপিদের হাতে এতটা অসহায় কেন? নির্বাচিত নারী জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতায়ন কেন হচ্ছে না? আসলে কেন্দ্রীয় সরকার কখনই স্থানীয় সরকারের সঙ্গে ক্ষমতার ভাগাভাগি করতে নারাজ। আর এবার দলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়নকে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতের মুঠোয় পুরোপুরি নিয়ে নেওয়া হলো।

সাত. আসলে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেই কোনো গণতন্ত্র নেই। নির্বাচনী মনোনয়ন কেনাবেচায় কোটি কোটি টাকার বাণিজ্যের সংস্কৃতি আমাদের দীর্ঘদিনের। এ কারণেই হয়তো তৃণমূল পর্যায়ে মনোনয়ন বাণিজ্যের বদলে যোগ্য নেতৃত্ব তৈরির আশায় এতদিন আমরা স্থানীয় নির্বাচনকে  দলীয় রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চেয়েছিলাম। তার পরও যে দল সরকারে থাকে স্থানীয় নির্বাচনে সেই দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ছড়াছড়ি, অন্তঃকোন্দল, খুনোখুনিতে শাসক দলকে চরম বিশৃঙ্খল ও ব্যতিব্যস্ত করে রাখে। কিন্তু আইন সংশোধন করে দলীয় মনোনয়ন আর প্রতীক দিলেই কি এবার এসব খুনোখুনি আর দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব বন্ধ হবে? দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেও কি এদের ঠেকানো সম্ভবপর হবে? এতে নিশ্চিত করে দল আরও দুর্বলই হবে। নির্বাচনী মনোনয়নের দৌড়ে হেরে যাওয়া নেতা-কর্মীরা গ্রুপ-পাল্টা গ্রুপে বিভক্ত হয়ে আরও অসংখ্য প্রার্থীর জন্ম দেবেন। এতে একদলীয় প্রার্থীর সংখ্যা বেড়ে গিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকেই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থনে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জোগাড় করতে করতে আওয়ামী লীগের কত শতাংশ ভোটার যে দলের বাইরে চলে যাবে তা কি খেয়াল করেছেন? নির্বাচনী সহিংসতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হুড়হুড় করে বেড়ে যাবে নির্বাচনকেন্দ্রিক মামলার সংখ্যাও। যে এলাকায় যে গ্রুপ শক্তিশালী সেখানকার ব্যালট তার অধীনেই থাকবে। নিজেদের সব লোককে সামাল দিতে প্রশাসন পড়বে তখন মহাবিপদে। দলের চেইন অব কমান্ডের সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনের কমান্ডও ভেঙে যাবে। কতজনকে সামাল দেবেন? কতজনকে বহিষ্কার করবেন? বিদ্রোহীদের পোস্টার, লিফলেটে নৌকা প্রতীক না হয় ব্যবহার করতে দেবেন না, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা আর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ করবেন কোন আইনে?


লেখক : সুপ্রিমকোর্টের আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ


বিডি-প্রতিদিন/ ১৯ অক্টোবর, ২০১৫/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়