শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৪৪, রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বিএনপি ব্রিফিং ও ‘এলাহিভরসা’র দল!

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
বিএনপি ব্রিফিং ও ‘এলাহিভরসা’র দল!

বিএনপি কাউন্সিলের ভেন্যু জটিলতার এখনো অবসান হয়নি। এটা ভালো কথা নয়। গত সপ্তাহের লেখায় আশা প্রকাশ করেছিলাম যে, সমস্যাটির সমাধান হয়ে যাবে। না হওয়াটা দুঃখজনকই শুধু নয়, উদ্বেগজনকও বটে। বিএনপির মতো একটি বড় রাজনৈতিক দল তার জাতীয় কাউন্সিল করার জন্য প্রার্থিত ভেন্যুর সরকারি অনুমতি পাবে না কেন? এটা তো তাদের সাংবিধানিক অধিকার। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ ও ৩৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সমাবেশের ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। বিএনপি গঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ৩৮ বছর আগে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বরই ঘোষণা করা হয় যা দলটির ঘোষণাপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। আমাদের সংবিধানের ৩৮ নম্বর অনুচ্ছেদের নির্দেশের সঙ্গে বিএনপির ঘোষণাপত্রে উল্লিখিত অঙ্গীকার মোটেই সাংঘর্ষিক নয়। যদি তাই হতো স্বৈরাচার এরশাদের জাতীয় পার্টির শাসনামল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামল এবং মইন উদ্দিন-ফখরুদ্দীনের শাসনামলে সাংবিধানিকভাবে বৈধ একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিকে কেউ টিকিয়ে রাখত না। একটি বৈধ রাজনৈতিক দলকে তার জাতীয় কাউন্সিলের জন্য প্রার্থিত ভৈন্যুর অনুমতি না দেওয়ার অর্থ তার কাউন্সিল অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা। এতে সংবিধানের ৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদ যে লঙ্ঘিত হচ্ছে সেদিকে সরকার কেন নজর দিচ্ছে না তা বুঝতে পারি না। সরকার হয়তো বলবে, অনুমতি তো সরকার দেয় না দেয় পুলিশ বা কোনো সংস্থা। কিন্তু মানুষ কি এত বোকা আছে এখন? পুলিশ বলুন আর কোনো গোয়েন্দা সংস্থা বলুন, সবকিছুর নিয়ন্ত্রক তো সরকারই। বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলটি তাদের নির্দিষ্ট সময়ে যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত হোক, সরকার যদি তা আন্তরিকভাবে চায় তাহলে পুলিশ বিভাগ বা কোনো গোয়েন্দা সংস্থা অথবা ভেন্যুর নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ তাতে আপত্তি করবে বলে মনে হয় না। বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্র রাজনৈতিক দলকে অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেয় না বলে যুক্তি দেখিয়ে আবেদন নাকচ করেছে বলে বিএনপি যে অভিযোগ করেছে তা মোটেই ধোপে টেকে না। ২৩ ফেব্রুয়ারিই আওয়ামী লীগ সেখানে দলীয় কর্মসূচি পালন করেছে এবং দলীয় সভানেত্রী হিসেবে তাতে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অতীতের উদাহরণ দেওয়ার আর দরকার কি? সরকারের বৈরী আচরণের কারণে ভেন্যু না পাওয়ার ‘অজুহাতে’ বিএনপি যদি তাদের ঘোষণা অনুযায়ী ১৯ মার্চ জাতীয় কাউন্সিল করতে না পারে তাতে সরকার লাভবান হবে না। মানুষ মনে করবে, বিএনপির ভয়ে সরকার যেমন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সরকারি প্রভাবমুক্ত একটি ইনক্লুসিভ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চায় না, একইভাবে পুনর্জাগরণের ভয়ে আতঙ্কে বিএনপিকে নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় কাউন্সিলও করতে দিতে চায় না। এতে এটাও মানুষের কাছে স্পষ্ট হবে যে, সরকারের বিএনপি-ভীতিটা কোথায়? একটা ধারণা তো ইতিমধ্যেই জন্ম নিয়েছে যে, সরকার দিন দিন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। তাই তারা অতিরিক্ত পুলিশ ও প্রশাসননির্ভর হয়ে পড়েছে। প্রধান ও প্রবল, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপিকে দাবিয়ে রাখার জন্য পুলিশ, র্যাবসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যথেচ্ছ ব্যবহার এবং তাদের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ মানুষ এখন আর অবিশ্বাস করছে না। অবশ্য সম্প্রতি পরিস্থিতিটা কিছুটা সহনীয় হয়ে আসছিল। বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন ছাড়া বন্দী সবাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন, মিডিয়ায় প্রতিনিয়ত যাদের মুখ দেখা যায় তারাও বেরিয়ে এসেছেন কয়েদখানা থেকে। ধারণা করা হচ্ছিল, অন্তরালের কোনো সমঝোতা কিংবা সরকারের নতুন উদার দৃষ্টিভঙ্গির কারণে একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণার পরও পৌরসভা নির্বাচন এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে অংশগ্রহণে বিএনপির সম্মতি, এমনকি পৌরসভা নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ এবং ২৩৪ পৌরসভার মধ্যে মাত্র ২৫টি চেয়ারম্যান পদ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে বাধ্য হওয়ার পরও সেই নির্বাচনী ফলাফল মেনে নেওয়ায় একটা ধারণা জনমনে জন্ম দিয়েছিল যে, আগাম একটি অংশগ্রহণমূলক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে সমঝোতার ভিত্তিতেই বুঝি সবকিছু এগুচ্ছে। বাড়াবাড়ি করলে ‘সমঝোতা’ ভেঙে যেতে পারে আশঙ্কায় বোধহয় বিএনপি সব মেনে নিচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও একই লক্ষণ স্পষ্ট হচ্ছে পৌর নির্বাচনের মতো। প্রথম ধাপের ৭৩৮ ইউনিয়ন পরিষদের অর্ধশতাধিক চেয়ারম্যান পদে সরকারি দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থী নেই; তারা অপ্রতিদ্বন্দ্বী! ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার কথা কল্পনা করা যায়? বিএনপি অভিযোগ করেছে তাদের শতাধিক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দিতেই দেওয়া হয়নি। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষ থেকে এমন অসংখ্য অভিযোগ করা হয়েছে। মনে হচ্ছে প্রতিপক্ষকে দারুণ ভয় পাচ্ছে শাসক দলের প্রার্থীরা। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা হেরে গেলে তো তা সরকারের প্রতিই ‘নো-কনফিডেন্স’ হয়ে যায়। তাই কি ভোটের আগেই ফলাফল নিশ্চিত করার উদ্যোগ? মিডিয়ায় এমন খবরও এসেছে যে, দলীয় মনোনয়ন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যয়নপত্র পাওয়ার পরই অনেক জায়গায় উল্লাস হয়েছে। ভোটের আগে উল্লাসের অর্থ তো এভাবেই করা যায় যে, ভোটটা কেমন হবে এটা তারই আভাস। এরপরও বিএনপি নির্বাচনে আছে। নির্বাচনে থাকবে বলেই মনে হয়। যাই হোক, নির্বাচনে তাদের থাকা উচিত। ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূলে দলকে সংগঠিত করার ভালো একটা সুযোগ নিতে পারে তারা। দলীয়ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিএনপিকেই অধিক সুবিধা দেবে দল গোছানোর কাজে। পনেরো সালের জানুয়ারি-মার্চ তিন মাসের হটকারী কর্মসূচি দলের একেবারে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরও দুর্যোগে ফেলে দিয়েছিল। ঘরে থাকতে পারেনি অনেকে। নির্বাচন সামনে রেখে ধরপাকড় কমানো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। বাড়িঘরে যেতে পারছে প্রায় সবাই। দলীয় প্রতীকে চেয়ারম্যান, প্রতীকে না হলেও ওয়ার্ড সদস্যদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার মাধ্যমে দলের সাংগঠনিক পুনর্গঠনের কাজটাও সেরে নিতে পারে দলটি। আনুষ্ঠানিকভাবে যদিও পুনর্গঠন কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে, পুনর্গঠনের কাজটা অন্তত গুছিয়ে রাখতে পারে। তবে পুনর্গঠন কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত ঘোষণার পেছনে তৃণমূল পর্যায়েও দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল স্পষ্ট হয়ে গেছে। নিয়মতান্ত্রিক ও গণতন্ত্রসম্মতভাবে যদি একটি রাজনৈতিক দল পরিচালিত না হয়, কর্মচারী দিয়ে যদি দল চালানো হয়, নিবেদিতপ্রাণ সত্, পরিশ্রমী ও যোগ্যরা যদি কাজের স্বীকৃতি ও মর্যাদা না পায়, পকেট কমিটি আর পদ-পদবি বেচা-কেনার যদি হাট বসে তাহলে সাংগঠনিক বিরোধ এক সময় তীব্র কোন্দলে রূপ নিতেই পারে। বিএনপি এখন সে সমস্যায় আক্রান্ত। আর এ সুযোগটিই বোধহয় নিচ্ছে সরকার। জাতীয় কাউন্সিলের ভেন্যুর ব্যাপারে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার শক্তি, ক্ষমতা এখন বিএনপির নেই। বিএনপি এ শক্তি আহরণ করুক সরকার তা নাও চাইতে পারে তার স্বার্থে। নানা কৌশল প্রয়োগ করতে পারে। কাউন্সিলের জন্য ভেন্যুর অনুমতি এখনো পায়নি বিএনপি, কিন্তু তাদের কোনো ভেন্যুরই অনুমতি দেওয়া হবে না তেমন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও পুলিশ কর্তৃপক্ষ বা ভেন্যু কর্তৃপক্ষ বা সরকার নেয়নি। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, অল্প সময়ের ব্যবধানে হয়তো অনুমতিটা পাবে বিএনপি; যাতে কাউন্সিলের ব্যানার পোস্টারসহ অন্যান্য প্রচারসামগ্রী নিয়ে বেশিদিন তারা সাংগঠনিক তত্পরতা চালাতে না পারে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আগে এমন সাংগঠনিক সফর নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলবে অবশ্যই। এ ধরনের সাংগঠনিক সফরে কেন্দ্রীয় নেতারা যখন জেলা-উপজেলায় যান, জেলা-উপজেলার নেতারা যখন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে যান, তখন নেতাকর্মীরা উদ্দীপ্ত-উজ্জীবিত হয়। সংগঠনের ভিত মজবুত হয়। এ সুযোগ না দেওয়ার জন্যই বিএনপিকে ভোগানো হচ্ছে। শাসকদল আওয়ামী লীগেরও কাউন্সিল প্রায় কাছাকাছি সময়ে! হওয়ার কথা ২৮ মার্চ। ইউপি নির্বাচনের কারণে তারিখ পেছানোর কথা ভাবছে দলটি। কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে তারাও কিন্তু তৃণমূলে যাচ্ছে না। তাদের সংকট ভিন্ন। অভ্যন্তরীণ বিরোধ তাদেরও আছে। নিত্যই তো নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর আসে মিডিয়ায়। তাদের সংকটটার চরিত্র ভিন্ন। সেখানেও পকেট কমিটি, এমপি কমিটি, কেনা-বেচা কমিটির অভিযোগ আছে। সংকট আরও তীব্র হয়েছে হালুয়া-রুটির ভাগাভাগি নিয়ে। সরকারি দলে এসব সুযোগ-সুবিধা বেশি। ‘ভাইজান’ (নেতা) হতে পারলে এবং সেই ভাইজানের সঙ্গে থাকলে থানা-ইউনিয়ন পর্যায়ে যেসব সরকারি অফিস-দফতর আছে, যেখানে ‘বাণিজ্য’ ঠিকাদারি আছে সেখানে সমীহ পাওয়া যায়, পাওয়া যায় সুবিধা। ইউপি নির্বাচনের আগে পানি ঘোলা করতে চাচ্ছে না শাসকদল।

কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার বা ব্যালট বাক্স ছিনতাই বা সিল মারামারির প্রয়োজন হলে সবাইকে একসঙ্গে পাওয়া দরকার। কিন্তু জাতীয় কাউন্সিলের আগে থানা, ইউনিয়নের সম্মেলনের আয়োজন করলে যে তীব্র সাংগঠনিক বিরোধের সূত্রপাত হবে তাতে তৃণমূলে বহু খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যাবে দল। এর প্রভাব পড়বে ইউপি নির্বাচনে। তাই শাসক দল ঐক্যবদ্ধভাবে যাতে প্রশাসননির্ভর হয়ে ইউপি নির্বাচন সেরে নিতে পারে সে কৌশলই হয়তো নিয়েছে। সব শাসক দলেরই এ রকম ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা থাকে। সরকারদলীয় কোনো সিদ্ধান্ত মনঃপুত না হলেও তার বিরোধিতা করার সাহস সরকারি কর্মচারীদের থাকে না। কোনো সরকারের আমলেই আমাদের দেশে খুব একটা দেখা যায়নি এরশাদ আমলের কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া। সেই আমলেও ভোটের বাক্স ভরার কাহিনী আছে।

কিন্তু বিএনপি করছে কী? বৃহত্তর কোনো বিষয়ে পর্দার আড়ালে কোনো সমঝোতা হলেও সবক্ষেত্রে সরকার তাদের ছাড় দেবে এমন প্রত্যাশা বিএনপি করবে কেন? এরশাদ আমলে বিএনপি যেভাবে বিরোধী দলের রাজনীতি করেছে সংসদের বাইরে থেকেও, আওয়ামী লীগ আমলে যে তা তত সহজ হবে না বিএনপির তো তা বোঝা উচিত। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে মির্জা গোলাম হাফিজ, অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী, শেখ রাজ্জাক আলী, কে এম ওবায়দুর রহমান, ব্যারিস্টার সালাম তালুকদার, আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার মতো ঝানু রাজনীতিবিদ, জেনারেল (অব.) মাজেদুল হক, কর্নেল (অব.) মুস্তাফিজুর রহমান, কর্নেল (অব.) আকবর হোসেনের মতো কিছু অদম্য পুরুষ ছিলেন দলে যাদের কথা ও পরামর্শের মূল্য ছিল। শেখ হাসিনার প্রথম শাসনামলেও অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী, রাজ্জাক আলী, সালাম তালুকদার, মান্নান ভূঁইয়ার মতো প্রাজ্ঞ রাজনীতিকরা ছিলেন, যারা দলীয় সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করতে পারতেন। এখনো ক্যারিয়ার পলিটিশিয়ান দলে নেই তেমন নয়, তবে তাদের কণ্ঠ দুর্বল। সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় যারা আছেন, তাদের ভুল বা সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অক্ষমতা দলের অনেক ক্ষতি করেছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন। জাতীয় কাউন্সিল নিয়েও তারা কী করবেন বোধহয় বুঝতে পারছেন না। দলটি এখন যেন শুধুই ‘এলাহিভরসা’র দল। শুধু ‘ভেন্যু ভেন্যু’ নিয়ে ‘ব্রিফিংবাজি’ করছেন। পার্টি কাউন্সিল ঘিরে আরও অনেক সাংগঠনিক কাজ থাকে। সেসব কাজ বিএনপি করছে কই? বেশ কয়েকটি উপকমিটি করা হয়েছে। যারা খোঁজখবর রাখেন, তাদের অভিমত হচ্ছে ‘কাজির গরু কেতাবে আছে গোয়ালে নেই’-এর মতো কমিটি কাগজে আছে কাজে নেই। বড় বড় পদাধিকারী ‘জিন্দেগিতে’ ঢাকার বাইরে যাননি সংগঠনের কাজে। জেলার দায়িত্বপ্রাপ্তরা অধিকাংশই কাজ সেরেছেন ঢাকায় বসে। কাউন্সিল উপলক্ষেও বাইরে যেতে অনেকের ভয়। হঠাত্ ভেন্যু পাওয়ার চিঠি হাতে এলে কী করবে বিএনপি? বিপুল জনসমর্থিত একটি দল রাজনীতি, আদর্শ বিসর্জন দিয়ে শুধু ক্ষমতার কাঙ্গালিপনা আর মুষ্টিমেয় লোকের ‘অনৈতিক পন্থায় ভোগ-বিলাসের অবলম্বন হয়ে গেলে কী করুণ পরিণতি হয় বিএনপি তার একটি বাংলাদেশি উদাহরণ। দলটির ভাগ্য ভালো যে, এর জনসমর্থনে এখনো ভাটা পড়েনি। একমাত্র নেতৃত্বের ব্যর্থতার তা ক্যাশ করতে পারছে না। ওরা কেন এখনো ভাবছে না যে, বেগম খালেদা জিয়া গ্রেফতার হতে পারেন, অন্য সব নেতাকে ছেড়ে দিয়ে তাকে জেলে রেখে দেওয়া হতে পারে আইনি প্রক্রিয়াতেই। তারেক রহমানও দেশে আসতে পারবেন না অন্তত এ সরকারের আমলে। ডা. জোবায়দা এসে হাল ধরলে দলের ওপর বেগম জিয়ার পারিবারিক মালিকানা হয়তো অক্ষুণ্ন থাকবে, কিন্তু তিনি দল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। দলের প্রবীণ-নবীনদের সমন্বয়ে একটি যৌথ বিকল্প নেতৃত্ব কাঠামোই দলটিকে রক্ষা করতে পারে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন। তার আগে বিভিন্ন কমিটি ও পদ-পদবি এবং কোনো নির্বাচন এলে মনোনয়ন বেচা-কেনার পাইকারদের দল থেকে ঝেটিয়ে দূর করা উচিত বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা। গুলশান অফিসের দরজা উন্মুক্ত করে দিলে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাই এ পাইকারদের হদিস দিতে পারবেন। এ পাইকাররাই মহাসচিব পদসহ নানা বিষয়ে ক্লিকবাজি করছে বলে অভিযোগ দল সংশ্লিষ্টদের। বেগম জিয়া এবং তারেক রহমান কি কিছুই জানেন না এদের সম্পর্কে? এদের ছাঁটাই করে দিলে দলের উপরে নিচে এমনিতেই নিবেদিতপ্রাণ সত্-যোগ্যদের জন্য অনেক স্থান সৃষ্টি হয়ে যাবে। দল যদি গোছানো থাকে কাউন্সিল করার জন্য রাজধানীতেই ভেন্যু লাগবে কেন? রাজনৈতিক দলের কাউন্সিল ঢাকার বাইরে হওয়ার নজিরও তো আছে। বিএনপি কি কাউন্সিল করতে সক্ষম, নাকি ভেন্যুর অজুহাতে কাউন্সিল বাদ দিয়ে উমেদার, তোষামোদকারীদের দিয়ে ‘উড়াল কমিটি’ করতে চাচ্ছে?

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।

ই-মেইল : [email protected]


বিডি-প্রতিদিন/২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬/মাহবুব

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়