শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:১০, শুক্রবার, ১৮ মার্চ, ২০১৬

রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প ও পরিবেশ ভাবনা

হায়দার আকবর খান রনো
Not defined
অনলাইন ভার্সন
রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প ও পরিবেশ ভাবনা

তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ মজুদ রক্ষা জাতীয় কমিটি ঢাকা থেকে রামপাল অভিমুখে দীর্ঘ পাঁচ দিনের লংমার্চ করেছে। ১০ মার্চ এ লংমার্চ শুরু  ও  ১৪ মার্চ শেষ হয়। দীর্ঘ পথযাত্রা আসলে প্রতিবাদের একটি ফর্ম। কয়েকশ মানুষের এ দীর্ঘ মিছিল পথে পথে থেমেছে এবং পথসভা-জনসভা করেছে। কোনো কোনো স্থানে স্থানীয় প্রশাসন সভা করতে দেয়নি। ছোট-বড় নানা ধরনের সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় কমিটি রামপালের বিদ্যুৎ প্রকল্পের অপকারিতা ও ভয়ঙ্কর ক্ষতির দিকটি তুলে ধরেছে।  রামপাল অভিমুখী লংমার্চ নতুন নয়। আগেও হয়েছে কয়েকবার। ‘সুন্দরবন বাঁচাও’ নামেও কমিটি গঠিত হয়েছিল। তারাও প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। কিন্তু সরকার অটল। কোনো প্রতিবাদ, কোনো সমালোচনা তাদের কর্ণকুহরে পৌঁছবে না। তারা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প করবেই এবং তা সুন্দরবনের গা-ঘেঁষে রামপালেই।

এ পর্যন্ত অনেক বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী প্রতিবাদ জানিয়েছেন। পরিবেশবাদীরা তো সোচ্চার আছেনই। ১০ মার্চ কালের কণ্ঠের পাতায় বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ডা. আহমদ রফিক লিখেছেন একটি নিবন্ধ যার শিরোনাম হচ্ছে ‘রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প ও বিকল্প ভাবনা’। সেই নিবন্ধের এক জায়গায় তিনি লিখেছেন, ‘পরিবেশ দূষণ রোধে সুস্থ পরিবেশ রক্ষার তাগিদে বাংলাদেশেও তত্পর পরিবেশবান্ধব সংগঠন। নদীদূষণ, বায়ুদূষণ, গাছপালা নিধনের মতো নানা প্রকৃতিবিরোধী, জনস্বাস্থ্যবিরোধী উপদ্রব ও উৎপাতের বিরুদ্ধে তারা সোচ্চার। কখনো কখনো বিষয় বিচারে তা জনস্বার্থের দেশস্বার্থের আন্দোলনে পর্যবসিত। তেমন একটি বিষয় সুন্দরবনের সান্নিধ্যে রামপাল তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ। এর মূল কথা যেমন জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা, তেমন বাংলাদেশ উপকূলের মহামূল্যবান প্রকৃতি সুন্দরবন রক্ষা। মুক্তপ্রাণ সুন্দরবনের স্বাস্থ্য হুমকির মুখে বলেই এ আন্দোলন।’ সরকার বলছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এ প্রকল্প দরকার। পরিবেশবাদীরা যখন সুন্দরবনের গা-ঘেঁষে তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরোধিতা করছিলেন তখন গত বছর প্রধানমন্ত্রী তার স্বভাবসুলভ কৌতুকের ভঙ্গিতে বলেছিলেন, ‘আন্দোলনকারীরা মানুষ রক্ষা না করে কেবল পশুপাখি রক্ষার আন্দোলনে নেমেছে।’ আসলে মানুষ রক্ষা করার জন্যই প্রকৃতিকে রক্ষা করা দরকার। প্রকৃতির মধ্যে পশুপাখিও অন্তর্ভুক্ত। প্রধানমন্ত্রী মস্কোয় অনুষ্ঠিত ‘বাঘ রক্ষা’র আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গিয়েছিলেন। বাঘের সংখ্যা ক্রমাগত কমে আসছে। শোনা যায়, এখন সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা মাত্র একশর মতো।

জীববৈচিত্র্যকে ধরে রাখা দরকার। এমনকি বাঘের মতো প্রাণীকেও। সেই প্রসঙ্গ বাদ দিলেও সুন্দরবন হচ্ছে ইউনেস্কো ঘোষিত প্রাকৃতিক ঐতিহ্যসমৃদ্ধ এলাকা। তা ছাড়াও সুন্দরবন সিডর ও আইলার মতো বড় ঝড়-তুফান থেকেও জনপদকে রক্ষা করে। সুন্দরবনের বনজ সম্পদ, সুন্দরবনের মত্স্য সম্পদ সরাসরি আমাদের কাজে লাগে। মোট কথা সুন্দরবন ধ্বংস হোক তা আমরা কোনোক্রমেই চাইতে পারি না। সুন্দরবনের গা-ঘেঁষে রামপালে ভারতের একটি কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশ সরকার কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে হাত দিয়েছে। ভারতীয় কোম্পানিটির নাম ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানি। কয়লা আসবে ভারত থেকে অথবা অন্য কোনো জায়গা থেকে। আসবে সুন্দরবনের ভিতরের নদী দিয়ে জাহাজে করে। এ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উত্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনের আরও কাছে মংলা বন্দরের পাশেই ওরিয়ন নামে আরেকটি বাংলাদেশি কোম্পানিকেও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তারা উৎপাদন করবে ৬২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বিদ্যুৎ আমাদের দরকার। বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরুদ্ধে আমরা নই। কিন্তু প্রশ্ন এখানে দুটি। প্রথমত, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের বিকল্প আছে কি? কারণ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় দারুণভাবে। দ্বিতীয়ত, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সুন্দরবন ছাড়া আর কি কোনো জায়গা নেই? এ ছাড়াও ভারতের কোম্পানির সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের লাভ-লোকসানের বিষয়টিও ভেবে দেখা দরকার। যেসব উপাত্ত দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, তার মধ্যে কয়লা সবচেয়ে বেশি বাতাসকে দূষিত করে এবং সবচেয়ে বেশি বিষাক্ত বর্জ্য কয়লা থেকেই উদ্গীরিত হয়। সে জন্য এখন উন্নত দেশগুলো ক্রমাগত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বাতিল করে দিচ্ছে। অবশ্য এখনো ২৬.৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ কয়লা থেকেই উৎপাদন হয় সারা বিশ্বে। মোট উৎপাদনের পরিমাণ ৩৮,৪৯৭–১০৩ গিগাওয়াট ঘণ্টা। সে তুলনায় ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের ব্যবহার অনেক বেশি। শতকরা ৩৩.৫০ শতাংশ। প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার হয় ২০.৯০ শতাংশ। নিউক্লিয়ার পাওয়ার ব্যবহার হয় অনেক কম এবং তা বিপজ্জনকও বটে। উন্নত দেশে সমুদ্র, পাহাড়ি নদী, বাতাস ইত্যাদিকে অধিক পরিমাণে ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে জার্মানিতে বাতাসকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রচলন সম্প্রতি খুব বেশি হয়েছে। এমনকি বিশেষজ্ঞ বিডি রহমত উল্লাহ এক লেখায় জোরের সঙ্গে জানিয়েছেন যে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার বিকল্প আছে। তিনি বলেছেন, ‘... আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে গেলে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ দরকার তা কি কয়লা বাদে অন্যান্য জ্বালানি দিয়ে সম্ভব? অবশ্যই সম্ভব এবং অনেক সাশ্রয়ী ও টেকসইভাবে সম্ভব।’ তিনি অভিযোগ করেন, সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো নিজস্ব মুনাফার স্বার্থে তা করতে দিচ্ছে না এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল সরকারগুলোর মাধ্যমে ‘আমাদের টেকসই পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাধা দিয়ে পরিবেশ ধ্বংসকারী জ্বালানি প্রকল্প গ্রহণ করাচ্ছে। ফলে আমরা যেমন ব্যয় করছি, তেমন আবহাওয়ারও বিপর্যয় ঘটাচ্ছি।’ দ্বিতীয় যে প্রশ্নটি আসছে খুবই গুরুতরভাবে তা হলো এত জায়গা থাকতে সুন্দরবনের ভিতরে অথবা পাশে কেন বিদ্যুৎ প্রকল্প? তাও আবার কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ? এর একটা কারণ এই যে, কয়লা আসবে বাইরে থেকে। নদীপথে কম খরচে কয়লা আনার জন্য সুন্দরবনের উপকূল ও নদী ব্যবহার করতে হবে। মুনাফার লালসা এতই বেশি যে, এর জন্য সুন্দরবনের যে ক্ষতি হবে তা কোনো বিবেচ্য বিষয়ই নয়। আর্থিক লাভ-লোকসানের দিকটা প্রথমে দেখা যাক। তারপর আমরা পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ করব, যদিও সেটাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। রামপালের প্রকল্পটি যৌথভাবে ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানি (এনটিপিটি) ১৫ শতাংশ এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পিডিবি ১৫ শতাংশ খরচ বহন করবে। বাকিটা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সংগ্রহ করা হবে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ভারতই ১৪ শতাংশ চড়া সুদে টাকা ঋণ দেবে এবং অবকাঠামো ইত্যাদি নির্মাণের কাজে ঠিকাদারি ও সরবরাহকারীর কাজ পাবে ভারতের বিভিন্ন কোম্পানি। অর্থনৈতিক বিবেচনায়ও এ প্রকল্প আমাদের জন্য সুবিধাজনক নয়।

এবার আসা যাক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশসংক্রান্ত বিষয়ে। আগেই বলা হয়েছে, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বিভিন্ন উন্নত দেশে বাদ দেওয়া হয়েছে। উপরন্তু মারাত্মক পরিবেশ দূষণের আশঙ্কায় সংরক্ষিত বনভূমি ও বাসভূমির ১৫ থেকে ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করতে দেওয়া হয় না। এমনকি ভারতেও তাই। ভারতের ‘তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনসংক্রান্ত গাইডলাইন ১৯৮৭’, ‘ভারতের ওয়াইল্ড লাইফ প্রটেকশন অ্যাক্ট ১৯৭২’ এবং ভারতের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় প্রণীত ‘পরিবেশ সমীক্ষা গাইডলাইন ম্যানুয়াল ২০১০’ অনুযায়ী বনাঞ্চল, বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য জীববৈচিত্র্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান জাতীয় উদ্যান ইত্যাদি এলাকার ২০ কিলোমিটারের মধ্যে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করা যাবে না। এ জন্য ভারতেই পরিবেশগত কারণে কর্ণাটক, তামিলনাড়ু ও মধ্যপ্রদেশে তিনটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করা হয়েছিল ২০১৪ সালে। একই কোম্পানি এনটিপিটি পশ্চিমবঙ্গে সুন্দরবনের কাছে প্রকল্প নির্মাণের অনুমতি পায়নি। তারপর তারা চলে এসেছে বাংলাদেশে, যেখানে খুব সহজেই সুন্দরবনের গা-ঘেঁষে (১ থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যেই) কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমতি পেয়ে গেছে। বাফার জোন হিসেবে নিলে দূরত্ব আরও কম। এ একই কারণে পরিবেশসচেতন নরওয়ে এই ভারতীয় কোম্পানি থেকে ৪৩০ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

আমাদের বলা হচ্ছে যে, এখানে এমন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে যাতে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না। কথাটা সত্য নয়। বড়জোর ১০ শতাংশ ক্ষতি কমানো সম্ভব। এ প্রকল্প থেকে যে বিষাক্ত ছাই ছড়িয়ে পড়বে, তাতেও তো বনাঞ্চল দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে এই যে, সিলেটের সিমেন্ট ফ্যাক্টরিগুলো বলছে, ওই ফ্ল্যাইং অ্যাশ তাদের সিমেন্ট উৎপাদনে কাজে লাগবে। হয়তো লাগবে।  কিন্তু তার আগে যে বনের গাছপালা, পশুপাখির ক্ষতি হবে, সে হিসাব কে দেবে?

উপরন্তু নদী দিয়ে জাহাজ যাতায়াত করবে। ৯ ডিসেম্বর, ২০১৪ সালে সুন্দরবনের ভিতরে জাহাজডুবিতে যে বিরাট পরিবেশগত ক্ষতি হয়েছিল, সে কথাও ভুললে চলবে না। সব শেষে যে কথা বলতে চাই তা হলো, বাংলাদেশে কি আর কোনো জায়গা নেই যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করা যায় না? সুন্দরবনেই করতে হবে কেন! আর কয়লাভিত্তিক প্রকল্পের অনেক বিকল্প থাকা সত্ত্বেও সেই পথে আমরা যাচ্ছি না কেন?  এর সদুত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ দরকার। কিন্তু পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটিয়ে যে উন্নয়ন তা আদৌ উন্নয়ন কিনা তা ভেবে দেখতে হবে।

     লেখক : রাজনীতিক।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়