শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:২৯, রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২০

বাংলার মুকুটহীন সম্রাট শেরে বাংলা ফজলুল হক

বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
বাংলার মুকুটহীন সম্রাট শেরে বাংলা ফজলুল হক

২৭ এপ্রিল ২০২০, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৫৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। তার জন্ম ২৬ অক্টোবর ১৮৭৩, মৃত্যু ২৭ এপ্রিল ১৯৬২। রাজনৈতিক নেতার ওয়ারিশ হলো তার রাজনৈতিক সংগঠন। সাধারণত দলীয় উদ্যোগেই প্রয়াত নেতার স্মরণ সভা-সেমিনার ইত্যাদি হয়ে থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে শেরে বাংলার দলটাকে তার অনুসারীরা তার মৃত্যুর পর বেচা-কেনা করে কলঙ্কিতও করেছে আবার তামাদি করেও রেখে গেছে। অথচ দলটা অবিভক্ত বাংলায় ক্ষমতাসীন ছিল, শেরে বাংলা এই দলের নেতা হিসেবে অবিভক্ত বাংলার প্রিমিয়ারও ছিলেন।

প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়, মওলানা ভাসানীর দল ন্যাপেরও একই অবস্থা। তার মৃত্যুর পর মশিউর রহমান যাদু মিঞা উচ্চাকাঙ্ক্ষী সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমানের কাছে সিনিয়র মিনিস্টারের পদের লোভে ন্যাপকে বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন শেরে বাংলার কৃষকপ্রজা পার্টি আর মওলানা ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির অস্তিত্ব নেই। মওলানা ভাসানীর কিছু ভক্ত অনুসারী এখন বেতের টুপি মাথায় দিয়ে তোপখানা রোডে ঘুরাঘুরি করে তাদের শেষ অভিলাষ কী কে জানে।

এ কে ফজলুল হক বরিশাল পৌরসভার কমিশনার নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। রাজনৈতিক দক্ষতায় আর বাংলার মানুষের জন্য তার অবদান ক্রমেই সাধারণ মানুষের কাছে হয়ে উঠেন শেরে বাংলা বা বাংলার বাঘ। রাজনৈতিক মহলে 'হক সাহেব' নামে পরিচিত ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাঙালি কূটনীতিক হিসেবে পরিচিত হন। ১৯২২ সালে মহাত্মা গান্ধী অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুক হক খুলনা উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন। ১৯২৪ সালে খুলনা অঞ্চল থকে তিনি পুনরায় আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং এ সময় বাংলার গভর্নর ছিলেন লিটন, তিনি ফজলুল হককে বাংলার শিক্ষা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিয়োগ করেন। তিনি ছিলেন কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭ - ১৯৪৩), পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫), পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬ - ১৯৫৮)।  আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। বঙ্গবন্ধুও অল্প কয়েক দিন তার মন্ত্রীসভার সদস্য ছিলেন।

এমন কিছু ব্যক্তি আছেন যারা দলের ঊর্ধ্বে, কালের ঊর্ধ্বে। মহাকাল তাদের অস্তিত্বকে নিঃশেষ করতে পারে না। এরা কাল উত্তীর্ণ মহাপুরুষ। জাতিই তাদেরকে স্মরণ করে। বাঙালি জাতির কৃতজ্ঞতাবোধ কম। এখানেই সংকট। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কোনায় শেরে বাংলা ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী আর খাজা নাজিম উদ্দীনের কবর। তিনজনই অবিভক্ত বাংলার প্রিমিয়ার ছিলেন। সেখানে সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান তাদের কবরের ওপর সমাধি তৈরি করেছেন। যে অবকাঠামোতে সমাধি তৈরি করা হয়েছে তা দেখলে সমাধি বলে মনে হয় না। এই কাঠামো দেখতে কোনও জাদুঘরের কাঠামোর মতো।

এ উপমহাদেশে উৎকৃষ্ট সমাধি সৌধ হলো তাজমহল। অত-টাকা ব্যয় করে না হোক কম টাকা ব্যয় করে অনুরূপ সমাধি সৌধ বানানোই উত্তম ছিল। এখন কোনও অজানা লোক পাশে দিয়ে যাওয়ার সময় বুঝতে পারে না যে এখানে তিন মহান ব্যক্তি চিরনিদ্রায় শায়িত। শেরে বাংলা ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহারাওয়ার্দী, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এরা জাতির প্রেরণার স্থল। এদের সমাধি সৌধকে প্রেরণা জাগানো অবকাঠামোয় রাখা উচিৎ।

ব্রিটিশেরা এ উপ-মহাদেশের শাসনভার নিয়েছিলো মুসলমান শাসকদের হাত থেকে। বাংলা বিহার উড়িষ্যার নবাব ছিলেন সিরাজদ্দৌল্লাহ্, মাহীশুরের রাজা ছিলেন টিপু সুলতান, অযোধ্যার নবাব ছিলেন ওয়াজেদ আলী খাঁন। সারা ভারতেই ছিল মুসলিম শাসকদের অধীন। রাজ্য হারা মুসলমানেরা সহজে ব্রিটিশ রাজকে মেনে নেয়নি। মুসলমানেরা শত শত বার বিদ্রোহ করেছে ব্রিটিশের বিরুদ্ধে। বিদ্রোহী মুসলমান দীর্ঘদিন বিদ্রোহী থেকে শেষে হলো বিপর্যস্ত। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ কয় দশকে বিপন্ন মুসলমানদেরকে উদ্ধার করার জন্য যে কয়জন মনীষী এগিয়ে আসনে তারা ছিলেন নবাব আব্দুল লতিফ, জাস্টিস আমির আলী, স্যার সৈয়দ আহাম্মদ খাঁন দেহলভী, বিংশ শতাব্দীতে এসে যোগ দিলেন শেরে বাংলা ফজলুল হক, স্যার সিকান্দার প্রমুখ। এদের মাঝে স্যার সৈয়দ আহাম্মদ খাঁন দেহলভী ও শেরে বাংলা ফজলুল হক মুসলমানকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন তা ছিল ঐতিহাসিক এবং সফলকাম।

১৯২০ সালে যখন স্কুল কলেজ বয়কট করার আন্দোলন শুরু করেছিলেন ভারতীয় নেতারা তখন কিন্তু শেরে বাংলা ফজলুল হক ছাত্রদেরকে লেখাপড়া ছেড়ে আন্দোলনে যোগদান না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন বার বার। ভারতীয় নেতৃবৃন্দ ১৯২০ সালের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার আরমানিটোলা ময়দানে মিটিং করেছিলেন এবং এ মিটিংয়ে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ছিলেন মূল বক্তা। সভায় বক্তারা স্কুল কলেজ ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সভার শেষভাগে এসে শেরে বাংলা সব ছাত্রকে স্কুল কলেজ ত্যাগ না করার আহ্বান জানিয়ে বক্তৃতা দিলেন। তিনি মুসলমান ছাত্রদেরকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছিলেন মুসলমানেরা শিক্ষায় পিছিয়ে আছে তাদের স্কুল কলেজ বয়কট করার প্রশ্নই আসে না। বয়কট আন্দোলনের সময়েই শেরে বাংলা ১৯২৪ সালে ১ জানুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী হয়েছিলেন। মন্ত্রীত্ব দীর্ঘ সময় করতে পারেননি। কিন্তু স্বল্প সময়ের মন্ত্রীত্বেই তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু ইসলামিয়া কলেজের ছাত্র ছিলেন। ১৯১৬ সালে হক সাহেব কলকাতায় টেইলর হোস্টেল ও কারমাইকেল হোস্টেল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এ হোস্টেল দুটি স্থাপন করায় বাংলার বিভিন্ন জেলার মুসলিম ছাত্ররা এসে কলকাতায় লেখাপড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। তখনকার দিনে কলকাতায় আবাসিক সংকট ছিল।

শেরে বাংলা ছিলেন সব সময় কৃষক প্রজার অনুকূলে অবস্থান নেওয়া নেতা। যদিও বা তিনি একাধারে মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন আবার নিখিল ভারত কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন। কিন্তু নবাব জমিদারে ভরা উভয় দলে তার অবস্থানকে তিনি কখনও গরীব কৃষক-প্রজার অনুকূলে হীতকর কিছু করার উপযুক্ত পরিবেশ বলে বিবেচনা করেননি। তাই তিনি মনে মনে স্থির করেছিলেন কৃষক প্রজার স্বার্থ রক্ষার জন্য তিনি একটা সংগঠন গড়ে তুলবেন। তিনি তার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে কিছু কিছু প্রজা সম্মেলনও বিভিন্ন জেলায় করেছিলেন।

১৯২৬ সালে মানিকগঞ্জের ঘিওরহাটের সম্মেলন থেকে কৃষক প্রজা পার্টির যাত্রা শুরু। ঘিওরহাটের সম্মেলনের উদ্যোগতারা ছিলেন আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, মাহাবুব আলী খাঁন মজলিস, খাঁন বাহাদুর আওলাদ হোসেন, ইসহাক খাঁন মজলিশ, ডাক্তার তাফাজ্জল হোসেন, রেজাই করিম, আব্দুলস সামাদ মোক্তার, সুন্দর আলী গান্ধী, আব্দুল কাদের সর্দার, নইমুদ্দীন আহাম্মদ, আব্দুল হাকিম বিক্রমপুরী প্রমুখ। এ সম্মেলনে লক্ষাধিক কৃষক প্রজা উপস্থিত হয়েছিল। 

১৯২৭ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বঙ্গীয় কৃষক প্রজা পার্টি’ গঠনের ঘোষণা প্রদান করেছিলেন। এ পার্টির সভাপতিও ছিলেন তিনি নিজেই। নেতা ছিলেন সৈয়দ নওশের আলী, নির্মল কুমার ঘোষ, আসাদ উদ্দৌলা সিরাজী, মওলানা আহাম্মদ আলী, পীর বাদশা মিঞা বিরাট চন্দ্র মশুল, রজীব উদ্দীন তরফতার, প্রভাতচন্দ্র লাহিড়ী, হাজী লাল মুহাম্মদ আবুল হোসেন সরকার, কাজী এমদাদুল হক, মাওলানা আব্দুল্লাহিল বাকী, আশরাফ উদ্দীন চৌধুরী, শাহেদ আলী, মাওলানা গোলাম সত্তার, মাওলানা মনিরুজ্জমান ইসলামবাদী প্রমুখ।

১৯৩৭ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগ এবং কৃষক প্রজা পার্টি সমান সমান আসন পেয়ে কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠন করেছিলেন। মন্ত্রী হয়েছিলেন নবাব হাবিবুল্লাহ বাহাদুর, স্যার নাজিম উদ্দীন, সৈয়দ নওশের আলী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, নবাব মোশারফ হোসেন, বাবু নলিনী রঞ্জন সরকার, স্যার বিপি সিং রায়, মহারাজ শীষ চন্দ্র নন্দী, মি. মুকুন্দ বিহারী মল্লিক এবং মি. প্রসন্ন দেব রায়কত।

বাংলার বিশেষ করে পূর্ব বাংলার কৃষকরা ছিল ঋণে জর্জরিত। জমিদারের খাজনার অত্যাচার আর মহাজনী ঋণ এ দুই সমস্যায় কৃষকেরা ছিল অস্থির। খাই খালাসী, জয়সুদী, পাট্টা, কবুলিয়ত কত রকমের ফাঁদ ছিল সুদী ব্যবস্থায় মহাজনদের। হক সাহেব সর্বপ্রথম মন্ত্রিসভা গঠন করে মহাজনদের হাত থেকে কৃষককে রক্ষার জন্য ঋণ সালিশি বোর্ড ও মহাজনী আইন করার উদ্যোগ নিলেন। এই আইনই বাংলার কৃষক সমাজকে সাইলকী প্রথা থেকে মুক্তি দিয়ে ছিল। এমন এক চক্রের মাঝে কৃষকেরা আবদ্ধ ছিল যে তার থেকে বের হওয়াই ছিল মুশকিল। হক সাহেব ছিলেন উকিল। আইনটি এমনভাবে প্রণয়ন করা হয়েছিলো যে সব সুবিধাই ছিল কৃষকের অনুকূলে। এ আইন কার্যকর হওয়ার পর সমগ্র বাংলাদেশে শেরে বাংলা কৃষকদের কাছে মুকুটহীন সম্রাট হয়ে উঠলেন। জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ করার কথা দিয়েছিলেন হক সাহেব। কোয়ালিশন মন্ত্রিসভায় জমিদারের সংখ্যাই বেশি তবুও তিনি বিষয়টি একটা সুশৃঙ্খল সমাধানের জন্য কমিশন গঠন করেছিলেন। কমিশনের চেয়ারম্যান করেছিলেন স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউডকে। জমিদারদের পক্ষে ছিলেন বর্ধমানের জমিদার স্যার বিজয় চাঁদ মাহাতাব, গৌরীপুরের জমিদার বীরেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী, কৃষক প্রজাদের পক্ষে ছিলেন খাঁন বাহাদুর হাসেম আলী খাঁন, খাঁন বাহাদুর আব্দুল মোমেন ও খাঁন বাহাদুর মোয়াজ্জেম হোসেন। ফ্লাউড কমিশন কাজ করেছিলেন অনেকদিন।

ভারতীয় উপমহাদেশে বসবাসকারী মুসলিমদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্রের দাবি জানানোর ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখেন শেরে বাংলা। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলীম লীগের অধিবেশনে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে মুসলিম লীগের পক্ষ হতে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের প্রারম্ভিক খসড়া তৈরি করেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী সিকান্দার হায়াত খান এবং প্রস্তাবটি উপস্থাপন করেন এ. কে. ফজলুক হক। 

শেরে বাংলা ফজলুল হকের জীবন এত দীর্ঘ ও এত ঐতিহাসিক কাজের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত যে তার পূর্ণাঙ্গ আলোচনা এবটি কলামে শেষ হওয়ার নয়। কয়েক খণ্ডে পুস্তক রচনা করতে হয়। এ কথাটা সত্য যে শেরে বাংলার মতো ব্রিটিশের সময়ে কোনও নেতাই কোনও প্রেসিডেন্সির প্রিমিয়ার হয়ে মানুষের এত উপকার করতে পারেননি।

লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক
[email protected]

বিডি-প্রতিদিন/শফিক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

৩৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

৪৩ সেকেন্ড আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

১১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

২৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৩৬ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৪১ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা