শিরোনাম
প্রকাশ: ২১:২৩, রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২০

আপোষের রাজনীতির প্রেক্ষাপট থেকে মাহবুবুল হককে দেখা : স্মৃতি কথা, শরীফ নুরুল আম্বিয়া

অপু সরোয়ার
অনলাইন ভার্সন
আপোষের রাজনীতির প্রেক্ষাপট থেকে মাহবুবুল হককে দেখা : স্মৃতি কথা, শরীফ নুরুল আম্বিয়া

শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও মাহবুবুল হক মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, পূর্ব-পাকিস্তান ছাত্রলীগের অগ্রগামী চিন্তার ধারক, মুক্তিযুদ্ধে মুজিব বাহিনীর প্রশিক্ষক, স্বাধীনতার পরে দ্বিধাবিভক্ত ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ১৯৭২-১৯৭৩ সালে। জাসদ মুক্তিযোদ্ধা ও ছাত্র বিপ্লবীদের দল। এই দল গঠনের উভয়ই প্রধান ভূমিকা পালন করেন। শরীফ নুরুল আম্বিয়ার কলমে মাহবুবুল হক উঠে এসেছেন নানা আঙ্গিকে। পোশাকে চলনে প্রথা বিরোধী মাহবুবুবুল হক, সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি অবিচল মাহবুবুল হকের চিত্র। লেখাটি সত্যিকারের অর্থেই ছোট, লেখাটি পাঠ শেষে রবীন্দ্রনাথের ছোট গল্পের ধারণা চোখের সামনে ভেসে আসে।

"নাহি বর্ণনার ছটা ঘটনার ঘনঘটা,
নাহি তত্ত্ব নাহি উপদেশ।
অন্তরে অতৃপ্তি রবে সাঙ্গ করি মনে হবে
শেষ হয়ে হইল না শেষ।
জগতের শত শত অসমাপ্ত কথা যত, 

'বর্ষাযাপন' সোনারতরী কাব্যগ্রন্থ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শরীফ নুরুল আম্বিয়া লিখেছেন, এখনকার ছাত্রনেতাদের মতো তখন আমরা অত ফিটফাট থাকতাম না, থাকতে চাইতাম না। জৌলুসের প্রতি আমাদের কোনো আকর্ষণ ছিল না। ওটা ছিল বিপ্লবের যুগ। বিপ্লবের উপযুক্ত হওয়ার জন্য কম খরচে সাদাসিধে জীবনযাপন করা বিশ্বাসের অংশ ছিল। শ্রেণিচ্যুত হওয়ার একটা তাগিদ ছিল। আদর্শবাদী সংগঠন গড়ে তোলার প্রত্যয় ছিল আমাদের। মাহবুবের মুখে দাড়ি ছিল, মাথায় ঝাঁকড়া চুল ছিল এবং তা কেটে ছেঁটে রাখত না, অনেক সময় লুঙ্গি পরে মধুর ক্যান্টিন ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দলবলসহ চলাচল করত। তার এই বেশভূষা নিয়ে সমালোচনা হতো।" - সাধাসিধে জীবন যাপন ও শ্রেণিচ্যুতির ধারণা নিজ জীবনে প্রয়োগ করেছেন মাহবুবুল হক। যে কোন চিন্তা ও ধারণা বাস্তবে প্রয়োগের দার্শনিক- ও প্রায়োগিক সংকটকে মোকাবেলা করেই মাহবুবুল হককে অগ্রসর হতে হয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনে শ্রেণিচ্যুতির ধারণা প্রয়োগে মাহবুবুল হক সফল হয়েছেন কিন্তু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে হোঁচট খাওয়ার অনেক ঘটনাই রয়েছে। তবে হোঁচট খেয়ে পথ চলা বন্ধ করেননি তিনি, মরা মাছের মত স্রোতের অনুকূলে ভাসেননি। যেমনটা হাঁটছেন বা হেঁটেছেন শরীফ নুরুল আম্বিয়া, হাসানুল হক ইনু , রাশেদ খান মেননরা, ১৯৭২-৭৫ সালে হেঁটেছেন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বা সিপিবি, ১৯৮৩-১৯৯০ পর্যন্ত আ স ম রব, মির্জা সুলতান রাজা, শাহজাহান সিরাজ। মরা মাছের মত স্রোতের অনুকূলে ভাসা হচ্ছে সমাজতান্ত্রিক আদর্শকে বিকিয়ে দিয়ে ক্ষমতাসীন সরকারের সমর্থক হয়ে যাওয়ার পরেও বিপ্লবী ঘ্রাণ যুক্ত 'তালমিশ্রী' মার্কা রাজনৈতিক বক্তব্য অব্যাহত রাখা।

১৯৯০ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এর পতন এরপর দুনিয়া ব্যাপী সমাজতন্ত্র ত্যাগের হিড়িক পড়ে। বাংলাদেশে এর ব্যাতিক্রম ছিল। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী 'চীন পন্থী' কমিউনিস্ট গ্রুপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়নকে সামাজিক ‘সাম্রাজ্যবাদ’ হিসেবে চিত্রিত করে নিজেদের 'বিপ্লবী' সত্ত্বাকে জাহির করত। স্তালিন পরবর্তীতে ক্রুশ্চভ এর ক্ষমতা দখল ও স্তালিন বিরোধী কিছু কথাবার্তা মূলত 'চীন ও রুশ' পন্থা বামপন্থার জন্ম দেয়। ক্রুশ্চভ- স্টালিনীয় ধারার বহমানতা ও বিকাশ মাত্র। আমাদের অঞ্চলের দেশগুলোতে এর অন্ধ অনুকরণের হিড়িক পড়ে।

১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন এর শুরু। ১৯২৪ সনে লেলিনের মৃত্যু ও পরিবর্তী দশ বছর সোভিয়েত পার্টি নেতাদের বহিস্কার ও খুনের মধ্য দিয়ে স্তালিনের নেতৃত্বে আমলাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। অক্টোবর বিপ্লবের অর্জনগুলো ক্ষয়ে যেতে থাকে। ১৯৯০ সালে অক্টোবর বিপ্লবের যা কিছু অবশিষ্ট ছিল তা মাটি চাপা দিয়ে পুঁজিবাদী অর্থনীতির পথে পা বাড়ায়।

সোভিয়েত পতনের পায়ের আওয়াজ ১৯৮০ এর দশকের মাঝামাঝি থেকেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। এই অস্থিরতায় আমাদের দেশসহ নানান দেশে বামপন্থী দলগুলোর ঐক্যের 'হিড়িক' পড়ে। এই সব ঐক্যের রাজনৈতিক ভিত্তি ছিল দুর্বল এবং গোজামিলে ভরা। বাংলদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এই গোজামিলের ঐক্যের প্রথম 'ফসল' । 'ঐক্যবদ্ধ' ওয়ার্কার্স পার্টিতে শামিল হয়েছিল বিমল বিশ্বাসের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্থান কমিউনিস্ট পার্টির অংশ, যারা ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশকে 'পূর্ব পাকিস্তান' মনে করত, টিপু বিশ্বাস-আব্দুল মতিনের পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির একাংশ, সাম্যবাদী দলের একাংশ যারা জিয়াউর রহমানের সামরিক সামনের মধ্যে 'দেশ প্রেম' খুঁজেছিল, অমল সেনের নেত্বাধীন ওয়ার্কার্স পার্টির একাংশ যারা এরশাদের সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে ১৯৮৬ সালে গণআন্দোলনের মাঝ পথ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল।

জাসদেও এই জাতীয় ঐক্যের বিলম্বিত ঢেউ লাগে। ১৯৯০ সনের এরশাদ পতনের আন্দোলনে জাসদসহ তৎকালীন পাঁচ দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই দলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ভিত্তি ভূমি ছিল দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু ১৯৯১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বামপন্থীদের ভরাডুবি ঘটে। বামপন্থীরা কোনো আসন পেতে ব্যর্থ হয়। নির্বাচনে চাটখিল-নোয়াখালীতে মাহবুবুল হক ও চৌহালী, সিরাজগঞ্জে আব্দুল মতিন ভোটার ফলাফলের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। অন্য সব প্রার্থীর অবস্থা ছিল ভোটার ফলাফলের নিচের দিকে। ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল বামপন্থী দলের প্রার্থীরা 'গো' হারা হারেন। ভোটের রাজনীতির এই লেজে গোবরে অবস্থা জাসদকে (ইনু-আরিফ-আম্বিয়া) ওয়ার্কার্স পার্টি ধাঁচের গোজামিলের ঐক্যের পথে হাঁটতে বাধ্য করে। জাসদ(রব)-এরশাদ সামরিক সরকারের সমর্থক আর জাসদ (ইনু-আরিফ-আম্বিয়া) এরশাদ সামরিক সরকার বিরোধী ঐক্যবদ্ধ হয়। এই স্রোতে বাসদ (মাহবুব) এর একাংশ শামিল হয়। প্রসঙ্গত জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির 'ঐক্য' বেশি দিন টিকে থাকেনি। যতগুলো খণ্ড এক হয়েছিল, প্রায় ততোধিক খণ্ডে এই দল দুটো ভাগ হয়ে পড়েছে।

এই সময়ের মধ্যে শরীফ নুরুল আম্বিয়া সমাজতন্ত্রকে রাজনৈতিক আদর্শকে ঝেড়ে ফেলেছেন। জাসদ জন্মকালীন প্রতিশ্রুতি থেকে উল্টো পথে হাঁটা শুরু করেছেন। ১৯৯৭ সালে জাসদ একমাত্র সংসদ সদস্য নিয়ে আওমী লীগ নেতৃত্বে 'জাতীয় সরকার ' এ যোগ দেয়। এই সময়কালে শরীফ নুরুল আম্বিয়া 'ঐক্য' জাসদে মাহবুবুল হকে শামিল করার অভিপ্রায়ে বৈঠক করেন। আম্বিয়া এই বৈঠকের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন, ‘আমার ধারণা হয়েছিল, ৯০-এ সোভিয়েতের পতনের পর হয়তো তার চিন্তা-ভাবনার পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু তার চিন্তা-ভাবনার কোনো পরিবর্তন না দেখে আমি নিরাশ হয়েছিলাম।’ এখানে দেখা মেলে চির চেনা মাহবুবুল হক' এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি'। জনাব আম্বিয়া ১৯৭২ সনে রাজনৈতিক অবস্থান ছেড়ে অনেক দূরে অবস্থানের পরেও নির্মোহভাবে মাহবুবুল হককে মূল্যায়ন করে লিখেছেন, মেহনতি মানুষের মুক্তির সংগ্রামের ভবিষ্যৎ নিয়ে সে অনেক আস্থাশীল ছিল। আমৃত্যু বিপ্লব ও সমাজতন্ত্র আঁকড়ে পড়েছিল। মাহবুব যা বিশ্বাস করত তা-ই সততার সঙ্গে করার চেষ্টা করেছে, বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণা বা আপস করেনি।

শরীফ নুরুল আম্বিয়া তৎকালীন সময়ের রাজনীতি নিয়ে লিখতে গিয়ে ১৭ মার্চ ১৯৭৪ সনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও নিয়ে লিখেছেন, ‘১৭ মার্চে আমি ঢাকার বাইরে ছিলাম, যা ঘটেছে তাতে আমার কোনো ভূমিকা ছিল না।’ এ কথা কে সত্য ধরে নিয়েও প্রশ্ন জাগে তিনি ঢাকায় থাকলে যা ঘটেছে, তা কি ঘটতো না? জনশ্রুতি সেই মিছিলে লাখ খানেক লোক ছিল। এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণে শরীফ নুরুল আম্বিয়ার শারীরিক উপস্থিতি কতটুকু সফল হতো তা প্রশ্নবোধক। শরীফ নুরুল আম্বিয়া জাসদ উদোক্তাদের একজন। যেমন মাহবুবুল হক ছিলেন। এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে নিজের রাজনৈতিক দায়দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। ভুল-শুদ্ধ- ঠকারিতা যাই হোক জাসদের সকল রাজনৈতিক ঘটনার দায়দায়িত্ব কেন্দ্রীয় নেতাদের সকলের। আম্বিয়া-মাহবুবুল হক এই দায়িত্ব থেকে মুক্ত নন। নিজের শারীরিক অনুপস্থিতি আম্বিয়াকে দায়দায়িত্ব থেকে মুক্ত করে না। এই ঘটনার দায়দায়িত্ব থেকে আড়াল করার প্রচেষ্টার অপর দিক হচ্ছে এই বিক্ষোভ মিছিলে দলের যে সমস্ত নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন তাদের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখান। শরীফ নুরুল আম্বিয়া বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের অংশ। যদিও এই দলের কোন জাতীয় সংসদ সদস্য নেই। আওয়ামী লীগকে সন্তুষ্ট রাখার প্রচেষ্টায় এই উল্টো কথন কিনা তা ভেবে দেখার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে।

শরীফ নুরুল আম্বিয়া লিখছেন. ‘১৭ মার্চ ১৯৭৪ সালে জাসদ রাজনীতির পথ পরিবর্তিত হয়। ঢাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে রক্ষীবাহিনী গুলিবর্ষণ করে অনেক কর্মী মেরে ফেলেছিল। পরের দিন সরকার পক্ষ জাসদ অফিস জ্বালিয়ে দিয়েছিল, পরের এক সপ্তাহ সব জেলায় জাসদ নেতাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। রক্ষীবাহিনী ও অন্যান্য সরকার দলীয় বাহিনীর চাপে জাসদের নেতাকর্মীরা উন্মুক্ত তৎপরতা চালাতে পারছিলেন না। এ ঘটনার পর দলের অধিকাংশ নেতাকর্মী গা ঢাকা দেন। মেজর জলিল, আ স ম আব্দুর রবসহ অসংখ্য নেতাকর্মী সে দিন গ্রেফতার হন ঢাকায়। আমাদের একটা বড় ভুল হয়েছিল ওই দিন। সরকারের মধ্যে যে ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতির অবনতি চাচ্ছিল তারা সফল হয়েছিল, আমরা তাদের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছিলাম। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য উচ্চপর্যায়ে কথাবার্তা বলে অফিস খোলা হয়েছিল। শাজাহান সিরাজ ও জিকু ভাই কাজ শুরু করেছিলেন, কিন্তু কিছু দিন পর তারাও গ্রেফতার হয়ে গেলে স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়। স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরে আসার প্রচেষ্টা আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্রকারীরা ভ-ল করে দেয়। ১৭ মার্চে আমি ঢাকার বাইরে ছিলাম, যা ঘটেছে তাতে আমার কোনো ভূমিকা ছিল না।’ আম্বিয়া ১৭ মার্চ ১৯৭৪ সালের ঘটনার জন্য 'আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্রকারী ' দেরকে দায়ী করেছেন। ঘটনার চার দশক পরে কে বা কাহারা ' ষড়যন্ত্রকারী' তা বলতে অপারগতা রাজনৈতিক মেরুদণ্ডহীনতাকে সামনে নিয়ে আসে। এই জাতীয় 'তালমিশ্রী' মেশানো কথাবার্তা আম্বিয়ার বর্তমান আওয়ামী বন্দনাকে পরিপুষ্ট করবে মাত্র।

পঞ্চম কিস্তি : গ্রন্থ সমালোচনা 
যে জীবন জনতার, কমরেড আ ফ ম মাহবুবুল হক (স্মারকগ্রন্থ)

বিডি-প্রতিদিন/শফিক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

৩৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

৪৩ সেকেন্ড আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

১১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

২৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৩৬ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৪১ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা