শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৫১, সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০

গণস্বাস্থ্যের কোভিড টেস্ট কিট কি গ্রহণযোগ্য না বর্জনীয়?

অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন
অনলাইন ভার্সন
গণস্বাস্থ্যের কোভিড টেস্ট কিট কি গ্রহণযোগ্য না বর্জনীয়?

রমজান মাস এলে ধর্মে-কর্মে একটু বেশি মনোযোগী হই, মা সহ প্রয়াত সকলের জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করি। কোন এক রোজার মাসের দুদিন আগে আমার মা মধ্যরাতে ঘুমের মধ্যে মারা যান। রমজান মাস এলে তাই আমি খুব বেশি এলোমেলো হয়ে যাই। এর মধ্যে সংসারের নিয়মিত কাজগুলো তো আছেই। ক্লান্তিও বেড়েছে কিছুটা আজকাল। স্বভাবতই অন্যান্য কাজগুলো একটু কমে যায়। এর মধ্যে শুরু হয়েছে গণস্বাস্থ্য উদ্ভাবিত র‌্যাপিড (rapid) কোভিড টেস্ট কিট নিয়ে দেশজুড়ে তুমুল বিতর্ক। আমার কাছে এই বিতর্কটিকে খুব অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। বিশেষ করে বিতর্কের সেই ভাষাটি যখন দেখি বিজ্ঞানকে পাশ কাটিয়ে অন্যান্য অযাচিত অঙ্গনে ঢুকে পড়েছে।

অনেকেই ফেসবুকের ইনবক্সে যোগাযোগ করে এই কিটটির ব্যাপারে আমার মন্তব্য জানতে চেয়েছেন। ব্যস্ততার অজুহাতে তাদের পাশ কাটিয়ে যেতে চেয়েছি। কিন্তু অবস্থা বর্তমানে এখন এমন পর্যায়ে পৌছেছে যে মনে হল, এসময়ে একজন সামান্য এপিডেমিওলজিস্ট হিসেবে আমার কিছু বলা উচিত।

বাস্তবতা হলো, বর্তমানের বৈশ্বিক করোনা মহামারীর প্রেক্ষিতে গণস্বাস্থ্যের গবেষকেরা মানবদেহে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করার জন্য একটি র‌্যাপিড টেস্ট কিটের উদ্ভাবন করেছেন। এই গবেষণা দলের প্রধান ড. বিজন কুমার শীল একজন আন্তর্জাতিক মানের গবেষক, তার গবেষণার অতীত রেকর্ডও খুব উজ্জ্বল এবং এ ধরণের কাজের জন্য প্রাসঙ্গিক। কিটটি উদ্ভাবন করার প্রক্রিয়ায় গবেষণাগারে তারা নিশ্চয়ই তাদের মত করে কিটটির সক্ষমতা যাচাই করেছেন। পত্রিকায় দেখলাম, তারা ইতিমধ্যে এই কিট সেন্টারস ফর ডিজিস কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনকেও (সিডিসি) হস্তান্তর করেছেন।

এখন প্রশ্ন হলো, মানবদেহে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করতে এই কিটটা আসলেই কার্যকর কি না? হলেও তা কতটুকু কার্যকর? এ ব্যাপারে লেখার আগে প্রাসঙ্গিক কিছু কথা বলে নেই। যে কোন আদর্শ পরিস্থিতিতে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে স্বভাবতই আমরা জানামতে সেরা টেস্টটিই করতে চাইব। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতিতে সেটা সবসময় সম্ভব হয় না। এই যে আমরা বাসায় বসে আঙ্গুলের ডগা থেকে রক্ত নিয়ে স্ট্রিপ দিয়ে ডায়াবেটিসের পরীক্ষা করি, তা কতটুকু সঠিক? কেন আমরা প্রতিদিন ল্যাবরেটরিতে গিয়ে রক্তের শর্করার পরীক্ষাটা করি না? এর কারণ হলো, সবার পক্ষে প্রতিদিন বা প্রায়শই ল্যাবরেটরিতে যাওয়া কষ্টকর। আপনি কি জানেন, ঘরে বসে আপনি যে ডায়াবেটিসের স্ট্রিপ টেস্টটি করছেন তা কতটুকু সঠিক? বা একটু ঘুরিয়ে বলি, ঘরে বসে করা আপনার এই স্ট্রিপ টেস্টটি শতভাগ সঠিক নয়।

কোন রোগে যখন মাঠ পর্যায়ে অনেক মানুষের টেস্ট করার প্রয়োজন হয় এবং দেশে ল্যাবরেটরিতে সেই পরিমাণ টেস্ট করা দু:সাধ্য বা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, তখন বিকল্প হিসেবে স্ক্রিনিং টেস্টের কথা ভাবা হয়। এই স্ক্রিনিং টেস্টের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, মাঠ পর্যায়ে এগুলো সহজে, স্বল্প সময়ে ও সুলভে করা যায়। অনেক অসুখের জন্যই স্ক্রিনিং টেস্ট পাওয়া যায়। পৃথিবীতে কোন স্ক্রিনিং টেস্টই শতভাগ সঠিক নয়, সে কিছু ফলস পজিটিভ ও ফলস নেগেটিভ রেজাল্ট দেবেই। অর্থাৎ, কিছু লোককে সে বলবে করোনা পজিটিভ অথচ তাদের দেহে করোনা ভাইরাস নাই (ফলস পজিটিভ)। আবার কিছু লোককে সে বলবে করোনা নেগেটিভ অথচ তাদের শরীরে করোনা ভাইরাস আছে (ফলস নেগেটিভ)। মাঠ পর্যায়ে কোন স্ক্রিনিং টেস্ট কতটা কার্যকর তা নির্ধারণ করার জন্য আমরা সাধারণত ভাল কোন ল্যাবরেটরি টেস্টকে ‘গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড’ হিসেবে নির্ধারণ করি। গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড টেস্টকে সঠিক বিবেচনা করে সেই তুলনায় স্ক্রিন টেস্টটা কতটা সঠিক সেটা নির্ধারণ করেই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, স্ক্রিন টেস্টটা আমরা ব্যবহার করবো কি না? এভাবে স্ক্রিন টেস্ট মূল্যায়নের জন্য এপিডেমিওলজিতে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতির বর্ণনা করা হয়েছে যার মাধ্যমে আমরা প্রস্তাবিত স্ক্রিনিং টেস্টটির মূল্যায়ন করতে পারবো। মূল্যায়ন অর্থাৎ কিটটির সেন্সিটিভিটি, স্পেসিফিসিটি ক্যালকুলেট করতে হবে। সাথে পজিটিভ ও নেগেটিভ ভ্যালুও ক্যালকুলেট করা যায়। এ থেকে প্রয়োজনে রিসিভার অপারেটিং ক্যারেক্টারিস্টিক কার্ভ বা আরওসি কার্ভ তৈরী করেও কিটটির সক্ষমতা নির্ধারণ করা যায়। শেষের কথাগুলো একটু টেকনিক্যাল হয়ে গেলো, হয়তো বুঝতে অনেকেরই একটু কষ্ট হবে। তবে এর চেয়ে আর সহজ করে বলতে পারছি না বলে দু:খিত।

এখন আসি মূল কথায়। গণস্বাস্থ্য একটি কোভিড টেস্ট কিট তৈরী করেছে, এখন এটা কার্যকর কি না তা পরীক্ষা করার দরকার। বর্তমানের বৈশ্বিক মহামারীর প্রেক্ষিতে এই দায়িত্ব কার? আমার মতে, এটা যে কোন ভাল জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠানই করতে পারে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা মন্ত্রণালয়ও উদ্যোগ নিয়ে করতে পারে। তবে আমি চাইব না গণস্বাস্থ্য এই কিটসের মূল্যায়ন করুক। কারণ এই ধরণের মূল্যায়ন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমেই করা উচিত, তাতে মূল্যায়নটি পক্ষপাতমুক্ত হয়।

যদি আমরা কিটটি মূল্যায়ন করবার ব্যাপারে একমত হই, তাহলে এটি করতে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ সময় লাগবে। গবেষণার শুরুতেই একটা রিসার্চ প্রোপোজাল লিখতে হবে যেখানে মূল্যায়ন পদ্ধতিটি বিস্তারিত লেখা থাকবে। এক্ষেত্রে গণস্বাস্থ্যকে তাদের উদ্ভাবিত কিট সম্পর্কে সকল তথ্য প্রদান করতে হবে যা প্রোটোকলে লেখা থাকবে। পুরো প্রোপোজালটা লিখতে একবেলা, বড় জোর একদিনের বেশী সময় লাগার কথা না। যেহেতু এই গবেষণায় মানবদেহের স্যাম্পল ব্যবহৃত হবে, তাই যে কোন একটা রিসার্চ এথিক্স কমিটির অনুমতি নিতে হবে। বর্তমানের জরুরী পরিস্থিতিতে এই অনুমতি একদিনে পাবার ব্যবস্থা করা সম্ভব। সেটা বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি) বা বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ এথিক্স কমিটিই দিতে পারে। এই দুটো ধাপ পেরোনোর পরে আমরা গবেষণার উপাত্ত সংগ্রহের কাজটা শুরু করতে পারি। আমার হিসেব মতে স্যাম্পল সাইজ দুইশত হলেই যথেষ্ট। অর্থাৎ, দুইশত মানুষের প্রত্যেকের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে একই ব্যক্তির একটি নমুনা (গলার ভেতর থেকে নেওয়া নমুনা) আমরা পিসিআরে পরীক্ষা করবো এবং একই ব্যক্তির রক্তের নমুনা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে গণস্বাস্থ্য উদ্ভাবিত কিট দিয়ে পরীক্ষা করবো। পরীক্ষা শেষে দুটোর ফলাফলই আমরা লিখে রাখবো। এক্ষেত্রে আমার প্রস্তাবনা হবে, একদিনে আইইডিএসআরে এবং বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পিসিআরে পরীক্ষার জন্য যত ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হবে, তাদের প্রত্যেকেরই কাছ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিকভাবে গণস্বাস্থ্য প্রণীত কিট দিয়েও করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষা করে দেখা হবে। সেক্ষেত্রে দুশোর বেশী মানুষ হলে ক্ষতি নেই, বরং আরো ভালো হবে। যেহেতু গবেষণার অংশ হিসেবে পরীক্ষাগুলো করা হবে, তাই পর্যাপ্ত সংখ্যক মানুষকে দুয়েকদিনের জন্য তদারকি কাজে নিয়োজিত রাখতে হবে। গবেষণার উন্নত মান নিশ্চিত করাটাও জরুরী। পরীক্ষার ফলাফল হাতে পেলে তা কম্পিউটারে ঢুকিয়ে দ্রুততম সময়েই সেন্সিটিভিটি, স্পেসিফিসিটি ও অন্যান্য সূচকগুলো ক্যালকুলেট করা সম্ভব। আমার মতে, প্রস্তাবিত কিটটির যদি ৮০% সেন্সিটিভিটি ও ৯০% স্পেসিফিসিটি থাকে, তাহলেই মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক মানুষের দেহে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি সনাক্তকরণে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

আমরা কেন স্ক্রিনিং মূল্যায়নের বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত এই পথে হাঁটছি না? গুগলে খোঁজ করে দেখেন, অন্যদেশে ইতিমধ্যে কয়েকজন গবেষক কোভিড কিটের কার্যকারিতা মূল্যায়নে এই পদ্ধতির ব্যবহার করেছেন। এই গবেষণাটি খুব কঠিন কিছু নয়, চাইলে বিদেশে বসেও আমরা পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করতে পারি।

বিজ্ঞানের জগতে বৈজ্ঞানিক ভাষায় কথা বলাই কাম্য, কাঁদা ছোড়াছুড়ি নয়।

লেখক: এপিডেমিওলজিস্ট এবং চেয়ারম্যান, ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস এন্ড রেসপন্সিবিলিটিজ (এফডিএসআর)।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

২২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

৭ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

১৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

২০ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

৩০ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৪২ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৪৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৪৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা