শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৪১, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০ আপডেট:

করোনার কারণে কার কী অবস্থান

হানিফ সংকেত
অনলাইন ভার্সন
করোনার কারণে কার কী অবস্থান

করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় আক্রান্ত সারা পৃথিবী। আক্রান্ত আমাদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। আর এই অদৃশ্য ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধাস্ত্র-সচেতনতা, সতর্কতা এবং ঘরে থাকা, পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকার নির্দেশিত নিয়মগুলো যথাযথভাবে মেনে চলা। এই রোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে আমাদের চোখ, নাক, মুখ রক্ষা করতে হবে। কারণ এ পথেই এই অদৃশ্য ভাইরাসটি আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। তাই তো বারবার হাত ধোয়ার আহ্বান। যাতে হাতের মাধ্যমে ভাইরাসটি আমাদের শরীরে ঢুকতে না পারে।

আসলে এই আগ্রাসী ভাইরাসে থমকে গেছে সারা পৃথিবী। কোনো যুদ্ধ নয় অথচ দেশে দেশে জারি করা হয়েছে কারফিউ, জরুরি অবস্থা, লকডাউন। স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত সব বন্ধ। উঁচু-নিচু, ধনী-গরিব, অর্থের দাপট, অস্ত্রের শক্তি, ক্ষমতার দম্ভ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, পারমাণবিক শক্তি কিছুই কাজে লাগছে না এই অদৃশ্য আণুবীক্ষণিক ভাইরাস প্রতিরোধে। বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোও আজ অসহায়। দেশে দেশে বন্ধ অর্থনীতির চাকা, বিশ্বজুড়ে আমদানি-রপ্তানির চেইন ভেঙে পড়েছে। এক দেশ থেকে অন্য দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মন্দার মুখে পড়েছে বিশে^র অনেক দেশই। হাত পাতছে বিশ্বব্যাংকসহ বিশ্বের বড় বড় সাহায্য সংস্থার কাছে। সব মিলিয়ে আমরা একটা জটিল সময় পার করছি। সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। আর এই মুহূর্তে যদি আমরা করোনার বিরুদ্ধে আমাদের সচেতনতা ও সতর্কতার নিয়মগুলো যথাযথভাবে পালন না করি তাহলে সামনে আরও বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কবিগুরু বলেছেন, ‘ব্যাধির চেয়ে আধিই হলো বড়’। অর্থাৎ রোগের চেয়ে দুশ্চিন্তাটাই বড়। সুতরাং চিন্তিত কিংবা আতঙ্কিত না হয়ে নিয়মানুবর্তী হতে হবে। নিজের জীবনের জন্যই করোনা প্রতিরোধক নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে।

তবে আজ আমার লেখার উদ্দেশ্য করোনা বা তার প্রতিরোধ নিয়ে নয়। কারণ এ বিষয়গুলো এখন অনেকেরই জানা। আমি আজ লিখতে চাইছি এই করোনার কারণে কার কী অবস্থান এবং করোনাকালের কিছু করুণ প্রতিভা নিয়ে। প্রথমেই আসি অবস্থান প্রসঙ্গে। ছোটবেলায় আমরা পড়েছি, ‘সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বাল্যশিক্ষার এ আদর্শকে ধারণ করে মানুষের সেবা করছেন। যাদের জীবন সাধনার নামই হচ্ছে জনকল্যাণ। করোনা দুর্যোগের এই ক্রান্তিকালে আমরা তেমনই কিছু মানুষকে দেখতে পেয়েছি, যারা তাদের সীমিত সামর্থ্য নিয়েও বিত্তহীন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। যেমন-নাটোরের বাঘাতিপাড়া উপজেলার জিয়াউর রহমান ও শিরিন আক্তার দম্পতি। জটিল রোগে আক্রান্ত স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য জমানো ১ লাখ টাকা যারা অসহায় মানুষের জন্য দিয়েছেন। ডা. নুরুল হাসান রাজধানীর উত্তরায় যিনি নিজে গিয়ে রিকশাচালকদের চাল, ডাল, লবণ, আলু ও সাবান বিতরণ করেছেন। পটুয়াখালীতে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ইতালিপ্রবাসীর বাসায় পুলিশ বাজার করে দিয়েছে। করোনায় শ্রমিক সংকট, তাই ধান কাটা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক। এ সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক স্থানীয় ছাত্র-জনতাকে নিয়ে কৃষকের ধান কেটে দিয়েছেন। এমনই অনেক আশা জাগানিয়া দৃষ্টান্ত আমরা দেখেছি। যা মানুষকে উদ্দীপ্ত করেছে, উদ্বুদ্ধ করেছে। সবচেয়ে মনে দাগ কেটেছে করোনাভাইরাসে অসহায় মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসা বৃদ্ধ ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিনের (৮০) সাহায্য দেওয়ার বিষয়টি শুনে। শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বৃদ্ধ নাজিমুদ্দিন তার ঘর মেরামতের জন্য ভিক্ষা করে জমানো ১০ হাজার টাকা স্থানীয় ইউএনওর হাতে তুলে দিয়েছেন। নাজিমুদ্দিনকে সশ্রদ্ধ সালাম।

পাশাপাশি ঘৃণা ও ধিক্কার জানাচ্ছি সেসব মানুষকে, যারা অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণসামগ্রী আত্মসাৎ করছেন। দুঃখজনক হলেও সত্য, এই চুরি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত জনগণের সেবক নামধারী কিছু জনপ্রতিনিধিও। এসব দুর্নীতিবাজ ছাড়াও আর এক দল রয়েছে যারা ত্রাণ দেওয়ার চাইতে ত্রাণ প্রচার কার্যক্রমে ব্যস্ত বেশি। এরা ত্রাণ দেয় এক পোঁটলা কিন্তু ক্যামেরার সামনে সেই পোঁটলা নিয়ে পোজ দেয় ৮-১০ জন। ফলে ছবি না তোলা পর্যন্ত বেচারা দিনমজুরকে পোঁটলা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় দীর্ঘক্ষণ, যা অমানবিক। শুধু তাই নয়, ছবি তোলার পর ত্রাণ ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এদের ত্রাণদস্যুও বলা যায়।

তবে কিছু কিছু মানুষের ত্রাণ কার্যক্রমের প্রচারণার প্রয়োজনও রয়েছে। যেমন-শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী ও জনপ্রতিনিধি। তবে এ সময় এদের অনেকের অনুপস্থিতির কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এদের নিয়ে অনেক বিরূপ মন্তব্য করা হচ্ছে। করা হচ্ছে ট্রল। কদিন আগে একটি টিভি চ্যানেলের টকশোয় এক সাংবাদিক একজন শিল্পীকে প্রশ্নও করেছিলেন, ‘নির্বাচনে বিজয়ের পর সরকারের ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের চারপাশে যেভাবে শিল্পীদের দেখা গেছে, এই দুর্যোগে সেভাবে এগিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে না কেন?’

আবার টিভিতে, পত্রিকায় অনেককেই ইদানীং বলতে শোনা যায়, আমি ব্যক্তিগতভাবে গোপনে ত্রাণ দিচ্ছি, প্রচার করতে চাই না। এ ধরনের কথা বলার পেছনেও অনেকের উদ্দেশ্য থাকে। এ কথা বলে অনেকে যেমন নীরবে ত্রাণ দিচ্ছেন, তেমনি আবার না দিয়েও অনেকে গোপনে দিয়েছি বলে পার পেতে চেষ্টা করছেন। আসলে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য, পরিচিত ও জনপ্রিয় মানুষের ত্রাণ কার্যক্রম গোপনে নয়, প্রকাশ্যে করা উচিত। তাতে অন্যরা উদ্বুদ্ধ হয়। প্রসঙ্গক্রমে বলছি, আমরা নিজেরাও ইত্যাদি পরিবারের পক্ষ থেকে এই দুর্যোগে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এসব পদক্ষেপে অংশগ্রহণ করেছেন ইত্যাদিতে বিভিন্ন সময়ে প্রদর্শিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরা। তারই ধারাবাহিকতায় চলতি এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই রাজধানীর ১৫টি পয়েন্টে ‘ইত্যাদি’ কর্মীদের মাধ্যমে ও সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা সদরের আলহাজ সিদ্দীক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতিতে ফেসবুকে সেবাদানকারী মামুন বিশ্বাসের মাধ্যমে কয়েক শ অসহায় ও অসচ্ছল পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩১ মার্চ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পুরোটাই চলেছে দেশব্যাপী সচেতনতা কার্যক্রম। ইত্যাদিতে প্রদর্শিত ছাদকৃষির প্রবর্তক গ্রিন সেভার্সের প্রধান আহসান রনির মাধ্যমে নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নাটোর, পাবনা ও পটুয়াখালীর সাত উপজেলার ৪৭টি ইউনিয়নে, রাজশাহীর ‘ওরা ১১ জন’-এর মাধ্যমে চারঘাট ও বাঘা উপজেলায়, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত হাজির হওয়া কতর্ব্যনিষ্ঠ শিক্ষক নূরুল ইসলামের মাধ্যমে কক্সবাজারসহ আরও অনেক স্থানেই সচেতনতামূলক মাইকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বর্তমানে ইত্যাদির উদ্যোগে ‘সিএসআর উইন্ডো’-এর কর্মীদের মাধ্যমে চলছে ‘পাশে আছি’ কার্যক্রম। এ কার্যক্রমে যে কোনো পরিবার অসহায় মানুষকে খাবার দিতে চাইলে এসব কর্মী তাদের বাড়ি থেকে কমপক্ষে ১০ জনের জন্য রান্না করা খাবার সংগ্রহ করে ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। এ সময় আরও অনেক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানই প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে মানুষের সেবায় এগিয়ে এসেছেন। কিছু প্রতিষ্ঠানকে দেখলাম রাস্তায় বিভিন্ন স্থানে সবজি স্তূপ করে রেখেছে, সেখান থেকে যার যা প্রয়োজন নিয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ ভাসমান মানুষের হাতে পৌঁছে দিচ্ছেন খাদ্যসামগ্রী। এসব কার্যক্রম মানুষকে উদ্বুদ্ধ করছে। এসব সাহায্য, সহযোগিতা, সহমর্মিতার কথা যত বেশি প্রচার হবে, ততই আলোকিত হবে বিবেকের চোখ। মানুষের পাশে এসে দাঁড়াবে মানুষ।

ত্রাণের পর এবার একটু সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে আসা যাক। করোনাকালের সংগীত ও কবিতা চর্চা। ফেসবুকের কল্যাণে ইতিমধ্যে কারও কারও সংগীত প্রতিভা দেখে কেউবা তৃপ্ত, কেউ ক্ষিপ্ত, কেউ ক্ষুব্ধ, কেউ হয়েছেন উদ্বুদ্ধ। এসব প্রতিক্রিয়ার কারণ করোনা দুর্যোগে ফেসবুকে প্রদর্শিত কিছু অদ্ভুত মোবাইল সংগীত। ভাগ্যিস এগুলোর লিরিক বা কথা পাশে লিখে দেওয়া হয়েছিল, নইলে এগুলোর মর্মকথা উদ্ধার করা কঠিনই ছিল। নববর্ষে হঠাৎ করে ইঙ্গ-বঙ্গ ভাষার মিশ্রণে শিল্পী, সাহিত্যিকদের অংশগ্রহণে এক উদ্ভট বৈশাখী সংগীত উদয় হলো ফেসবুকে। গানটিতে ইংরেজি শব্দদূষণে মনে হয়েছে নববর্ষে যেন বাংলা ভাষার আকাল পড়েছে। দেশের কজন বিখ্যাত শিল্পীও এসব গান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্বনামধন্য গীতিকার মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বাংলা নববর্ষ নিয়ে গানে, বাংলা শব্দের আকাল দেখে বুঝলাম ইংরেজরা স্বভাবে যা ঢুকিয়ে দিয়ে গেছে, ওটাতে এ জাতির তরুণ প্রজন্ম নতুন করে সুখ অনুভব করছে। বয়স্কদের কেউ কেউ সে সুখের জাবর কেটে কেটেও পুলক অনুভব করছেন।’ এ-জাতীয় গান সম্পর্কে ফেসবুকে অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘এই গান যে শ্রেণির মানুষ শোনে তারা অনেক আগে থেকেই সতর্ক আছে। যাদের পকেটে টাকা নাই কিন্তু পেটে ক্ষুধা আছে তাদের ঘরবন্দী রাখতে কিছু করুন। এই গান শুনে তারা সচেতনও হবে না। আর পেটের ক্ষুধাও মিটবে না।’ শেষে তিনি লিখেছেন, ‘নিজেদের বিনোদিত করা আর টিকিয়ে রাখার এ ধরনের প্রবণতা নোংরা মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।’

এবার কবিতা প্রসঙ্গ। একটি কবিতা হচ্ছে, ‘শঙ্খচিল’। কবিতাটি একটি জাতীয় দৈনিক চিত্রায়ণ করে অনলাইনে প্রচার করেছে। এ কবিতাটির লেখকের নাম দেওয়া হয়েছে কবি পার্থ মুখার্জি। ২৬ মার্চ ভারতের মঙ্গলকোট ডটকমে কবিতাটি প্রকাশিত হয় বলে পত্রিকান্তরে প্রকাশ। কিন্তু ১৭ এপ্রিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সায়ন দাস ফেসবুক লাইভে এসে জানালেন কবিতাটি তারই লেখা। ২৩ মার্চ রাতে কবিতাটি তার ফেসবুকে প্রকাশ করেন বলে পত্রিকান্তরে জানা যায়। কবিতাটির মূল লেখক সম্পর্কে এই লেখা পর্যন্ত সঠিক কোনো তথ্য পাইনি। এ তো গেল এক কবিতা কাহিনি। আর দুটি কবিতা হচ্ছে ‘এ যাত্রায় বেঁচে গেলে’ এবং ‘এবার বেঁচে গেলে’। যার শিরোনাম ভিন্ন হলেও বিষয়বস্তু কাছাকাছি। কবিতা দুটি নিয়েও চলছে পারস্পরিক দোষারোপ এবং দাবি করা হচ্ছে লেখকস্বত্ব। এদিকে প্রবাসী শিল্পী টনি ডায়েস ২১ জন প্রবাসী শিল্পীকে নিয়ে চিত্রায়ণ করেছেন ‘এ যাত্রায় বেঁচে গেলে’ কবিতাটি। কবির নাম লিখেছেন, সহস্র সুমন। আবার এরই মধ্যে সাংবাদিক সোহেল সানি কবিতাটি তার লেখা বলে দাবি করে লেখক হিসেবে তার নাম উল্লেখ না করায় অভিনেতা টনি ডায়েসের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছেন। তবে কবির নাম যা-ই হোক, ‘এবার বেঁচে গেলে’ কিংবা ‘এ যাত্রায় বেঁচে গেলে’ কবিতা দুটিতে যা যা করার কথা বলা হয়েছে, অনেকেই বলছেন তা তাদের আগেই করা উচিত ছিল। যেমন- ‘অন্যের হিসাব চুকিয়ে দেওয়া, নীড়ের ছানার খবর নেওয়া, ঋণী না হওয়া, অহংকারী না হওয়া, অসৎ পথে না চলা, গানের জন্য গলা সাধা’- এমনি আরও অনেক কথা রয়েছে যেগুলো সবার জীবনে করার সুযোগ ছিল কিন্তু কেন করেননি তা ভেবেও অনেকে কোনো জবাব খুঁজে পাচ্ছেন না। অনেকে সংশয় প্রকাশ করেছেন কেউ যদি এত বছরেও এ কাজগুলো না করে থাকেন, তবে ভবিষ্যতেও যে করবেন তার কি নিশ্চয়তা আছে? আবার কেউ কেউ বলছেন, এখনো এসব কাজ না করার জন্য যদি আক্ষেপ থেকেই থাকে, এখনো তো সময় আছে, করে ফেললেই পারেন। এখন ভাইরাল হওয়া এই কবিতাটি যে আসলে কার লেখা, কিংবা কে কার থেকে ধারণা নিয়ে লিখেছেন সে বিষয়ে এই লেখা পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্য আমার জানা নেই। ইদানীং মিডিয়ায় অনেকেরই সংগীত এবং এ-জাতীয় কবিতা প্রকাশের পর রাজনৈতিক নেতাদের মতো চামচা বাহিনী প্রশংসার ডালি নিয়ে বসে থাকে। চলে পারস্পরিক পিঠ চুলকানি। এ বলে তোমারটা ভালো, ও বলে তোমারটা। এই করোনাকালে ফেসবুক, ইউটিউবে এমনি অনেক মজার মজার জিনিস দেখা গেছে।

এবার একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি। এই করোনা দুর্যোগে অনেক প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরাই তাদের ন্যায্য মজুরি পাচ্ছেন না বলে শোনা যাচ্ছে; যা দুঃখজনক। তবে কষ্ট লাগে যখন দেখি দেশসেরা কোনো ক্রিকেটারের ফার্মের শ্রমিকরা চার মাস বেতন না পেয়ে আন্দোলনে নেমেছেন। অথচ সুদূর আমেরিকা থেকে সেই ক্রিকেটারই আমাদের নানান সচেতনতার কথা বলছেন। অথচ তারই ফার্মের শ্রমিকরা দীর্ঘ চার মাস বেতন না পেয়ে আছেন। সচেতন মানুষের এমন উদাসীনতা কাম্য নয়। শুনেছি বিষয়টি মিডিয়ায় প্রচার হওয়ার পর শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য বেতন পেয়েছেন।

এবার মানুষের কিছু অমানবিক আচরণ প্রসঙ্গে আসি। এই করোনা পরিস্থিতিতে কিছু কিছু স্থানে মানুষ তাদের কবরস্থানের সামনে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে লিখে রেখেছেন, ‘করোনায় মৃত কোনো ব্যক্তির লাশ এখানে কবর দেওয়া যাবে না।’ এলাকাবাসীর বাধার মুখে বাধাগ্রস্ত হয়েছে হাসপাতাল নির্মাণ। এলাকার হাসপাতালগুলোতেও যেন করোনা রোগীর চিকিৎসা না হয় সেজন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। করোনা আক্রান্ত রোগীকে বাড়িছাড়া করেছে কেউ কেউ। করোনার কারণে টাঙ্গাইলে মাকে ফেলে রেখে গেছে সন্তানরা। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই ঘটনা ঘটে সাভারে আরেক মায়ের সঙ্গে। আদরের সন্তানরা কীভাবে মাকে এভাবে ফেলে যায় তা দেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের অনেক মানুষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এসব দেখে মনে হয় মানুষের বিবেক, মনুষ্যত্ব, মূল্যবোধ দিন দিন লোপ পাচ্ছে। নিজের আত্মীয়স্বজনকে নিজেরাই কবর দিতে যাচ্ছে না ভয়ে। এসব ক্ষেত্রে যখন আমাদের মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় দেখছি, তখন একদল স্বেচ্ছাসেবীকে দেখছি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে এসেছেন নিজেদের উদ্যোগে সেই লাশ দাফন করতে। তাদের জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

তবে একটি কথা- করোনা দুর্যোগে যত দুর্ভোগই হোক না কেন, এর কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। এই করোনায় মানুষ আতঙ্কিত হয়েছে ঠিকই কিন্তু ঘরে আটকে থাকার কারণে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় হয়েছে। পরিবারের সবাই একসঙ্গে গল্প করছে, একসঙ্গে খাচ্ছে। এই ঘরবন্দী জীবন সেই সুযোগ করে দিয়েছে। একজন আরেকজনের খোঁজখবর নিচ্ছে। কারও কিছু লাগবে কিনা, কোনো সাহায্যের প্রয়োজন আছে কিনা, মুঠোফোনে খুদে বার্তা আদান-প্রদান করছে। বলা যায় এই করোনা আমাদের ভালোবাসা, হৃদ্যতা, সহযোগিতা সর্বোপরি সামাজিক একাত্মতাকে বাড়িয়েও দিয়েছে।

এই সময়ে পরিবেশের দিক থেকেও কিছু ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গাড়ি-ঘোড়া, যান্ত্রিক জীবন, কোলাহল, শব্দদূষণ সবকিছু থমকে যাওয়ায় বায়ুমন্ডলে কমে গেছে বায়ুদূষণ, কমেছে শব্দদূষণ। এমনকি পরিবেশ দূষণ আর পর্যটকের ভিড় ও কোলাহল নেই বলে বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে খেলছে ডলফিন। এই দূষণমুক্ত পরিবেশের জন্য বাতাসটাও মনে হচ্ছে নির্মল, বিশুদ্ধ। ভবিষ্যতে আমরা যেন এই সময়টাকে ভুলে না যাই, এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎকে সাজাই। পরিশেষে কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই সেসব মানুষ, সেসব চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, সংবাদকর্মী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য- যারা এই করোনার মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। ধন্যবাদ জানাই সেসব স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও মানুষকে যারা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আর মানুষের এই ইতিবাচক দিকগুলো আমাদের মানবিক মূল্যবোধকে আরও সমৃদ্ধ করবে। জাগ্রত হবে মনুষ্যত্ব।

পরিশেষে একটি কথা বলে শেষ করতে চাই। পত্রিকায় দেখলাম করোনাভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের সহায়তায় ১০ হাজার টাকা দান করা সেই ভিক্ষুক বৃদ্ধ নাজিমুদ্দিনকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিটেমাটি, পাকা বাড়ি ও একটি দোকান করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সহানুভূতি ও মহানুভবতায় কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতা।

লেখক : গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

৩৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

৪৩ সেকেন্ড আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

১১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

২৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৩৬ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৪১ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা