শিরোনাম
প্রকাশ: ২২:৩৫, শুক্রবার, ০৮ মে, ২০২০

মতপ্রকাশের নামে সরকারি কর্মকর্তারা তো গুজব ছড়াতে পারেন না!

ড. কাজী এরতেজা হাসান
অনলাইন ভার্সন
মতপ্রকাশের নামে সরকারি কর্মকর্তারা তো গুজব ছড়াতে পারেন না!

মুদ্রণ যন্ত্রের আবিষ্কার ইউরোপে নবজাগরণের সূচনা ঘটিয়েছিল। উনিশ শতকে বিজ্ঞানের এ অর্জন সংবাদপত্রের ইতিবৃত্তে আধুনিকতার উদ্বোধন ঘটায়। চীনে হাতে লেখা খবরের কাগজের চল থাকলেও ইউরোপ-আমেরিকা এমনকি ভারতবর্ষেও সংবাদপত্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে এ শতকেই।

সংস্কৃতি ও সভ্যতার বিকাশে সংবাদপত্র নতুন যুগের সূচনা ঘটায়। মানুষের ভাবনা, চিন্তা, ধর্ম, রাজনীতি, আদর্শের বাহনে পরিণত হয় এ প্রিন্ট মিডিয়া। ‘মুক্তচিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা’ শব্দবন্ধটি নতুন ব্যঞ্জনা লাভ করে। 

বিশ্বের সকল দেশেই মত প্রকাশের স্বাধীনতা আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য। ফলে রাষ্ট্র এটা রক্ষায় ব্যর্থ হলে বলতে হয়, সে নিজের প্রধান কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

মত প্রকাশের স্বাধীনতার আবার বহু রকমফের আছে। যেমন রাজনৈতিক মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক মত প্রকাশের স্বাধীনতা, পারিবারিক মত প্রকাশের স্বাধীনতা। রাজনৈতিক মত প্রকাশ করতে গিয়ে আমি রাষ্ট্রের ক্ষতি হয় এমন মত প্রকাশ করব কি না? 

সাংস্কৃতিক মত প্রকাশ করতে গিয়ে অন্যের সংস্কৃতিকে কটাক্ষ করব কি না? পারিবারিক মত প্রকাশ করতে গিয়ে আমি আমার বাবার বিরুদ্ধে বা মায়ের বিরুদ্ধে বলব কি না। এগুলো আদৌ বলা যায় কিনা? মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলতে এগুলো বোঝায় কি না? আমি তো মনে করি বোঝায় না।

তার মানে মত প্রকাশের স্বাধীনতার অপার সীমানা যেমন আছে, একই সঙ্গে সীমাবদ্ধতাও কিন্তু আছে। তা না হলে মানুষের পক্ষে সমাজে বসবাস করা সম্ভব হতো না। মানুষ যদি সবাই সম্পূর্ণ স্বাধীন হতো তাহলে সেটা হতো স্বাধীনতার নামে যথেচ্ছাচার। 

এই যথেচ্ছাচার থাকলে মানুষের সমাজই গঠিত হতে পারবে না। কোনো না কোনোভাবে মানুষকে তার স্বাধীনতার একটা গণ্ডি টানতেই হয়। মানুষ কোনোদিনও পরিপূর্ণ স্বাধীন ছিল না, বর্তমানেও নেই।

স্বাধীনতা বিষয়ে একটা গল্প প্রচলিত আছে। বাসে দুজন যাত্রী পাশাপাশি বসেছে। একজন খুব হাত নাড়ছিল। তখন দ্বিতীয়জন বলল যে, আপনার হাত নাড়ানোর স্বাধীনতা আছে, কিন্তু আমার নাকের ডগার ঠিক বাইরে। আমার নাকের ডগায় হাত নাড়ানোর অধিকার আপনার নেই। 

এই গল্প থেকে একটা কথা বোঝা যায় যে, প্রকৃত ব্যক্তিস্বাধীনতা হচ্ছে প্রকৃত স্বাধীনতার সীমাবদ্ধতার ধারণা। অর্থাৎ এই সীমার বাইরে যাওয়া যাবে না। আমার স্বাধীনতার নামে অন্যের নাকে আঘাত করতে পারব না।

মানুষের মৌলিক দাবির মধ্যে ব্যক্তি-স্বাধীনতা একটি। রাইট টু লাইফ, রাইট টু প্রোপাট্রিজ, রাইট টু ফ্রিডম ওপেনিয়ন’ এ তিনটিই কিন্তু আধুনিককালের। এখন ব্যক্তিস্বাধীনতা নেই, একথা বলাটা প্রায় অচল হয়ে গেছে।

মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে আমার ব্যক্তিগত মত রাষ্ট্রের মৌলিক অস্তিত্বের বিরুদ্ধে দিতে পারি না। আমি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করতে পারি না। 

বাংলাদেশে ব্যক্তিস্বাধীনতা আছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে, কাজ করার স্বাধীনতা আছে। আমার জীবনটাকে কীভাবে কাটাব না-কাটাব তার অধিকার আমার আছে। আবার প্রতিটি জায়গায় তার সীমানাও টানা আছে। আমি যা খুশি তাই করতে পারি না। 

পরিবারের ওপর আমার স্বাধীনতা আছে, কিন্তু আমার সন্তানকে আমি হত্যা করতে পারি না। ঠিক তেমনি করে আমার প্রতিবেশীর ব্যাপারেও আমার স্বাধীনতা আছে। কিন্তু তার কোনো জমি আমি দখল করতে পারি না, তার বাড়িতে আমি জোরপূর্বক ঢুকতে পারি না। আমার ব্যক্তিগত বাড়িতে বিনা অনুমতিতে কাউকে ঢুকতে দেওয়া না দেওয়ার অধিকার আমি রাখি।

আমার জন্য বিপদ নিয়ে কেউ যদি আমার বাড়িতে ঢোকে, তাহলে তাকে আমার বাড়ির সীমানার মধ্যেই হত্যা করতে পারি, যদি আমি বিচারকের সামনে প্রমাণ করতে পারি যে, আমি তাকে হত্যা না করলে সে আমাকে অবশ্যই হত্যা করত। আমি আত্মরক্ষার্থে তাকে হত্যা করেছি। 

ব্যক্তি স্বাধীনতার বিষয়টাকে তাত্ত্বিকভাবে আলোচনা করা যায়। গড়পড়তাই আমরা বলি ব্যক্তি স্বাধীনতা আছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। কিন্তু একটা সীমানা টানা থাকবে।

স্বাধীনতা বলতে স্বেচ্ছাচারিতা করা যাবে না। এই স্বেচ্ছাচারিতার স্বাধীনতা কোনো ব্যক্তির তো নেই-ই, সরকারেরও নেই, যতক্ষণ পর্যন্ত না রাষ্ট্রের তরফ থেকে সেটা প্রয়োজনীয় বলে প্রমাণ করতে না পারছে। যেমন কেউ খুন করলে বিচার বিভাগ তাকে মৃত্যুদন্ড দেবে। এটা বিচারকের স্বাধীনতা। 

এই স্বাধীনতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা আমাদের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় নেই। আমাদের কারোরই নেই। এই থেকে বোঝা যায় যে, আমার ব্যক্তিস্বাধীনতা আছে, কিন্তু অপরের স্বাধীনতা আমি কোনোক্রমেই ক্ষুণ্ণ করতে পারি না। আমার স্বাধীনতা আমি অন্যের জন্য ক্ষতিকারক করে তুলতে পারি না। সোজা কথায় স্বেচ্ছাচারিতা করতে পারি না।

আমাদের দেশের প্রায় সবাই বলে থাকেন (১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা বা মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা হচ্ছে- গণতন্ত্র। (২) আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোতে গণতন্ত্রের অনুশীলন না থাকার কারণে সামাজিক বা রাজনৈতিক সমস্যাসমূহের সমাধান করা যাচ্ছে না। (৩) আমাদের সমাজের মূল সমস্যা গণতন্ত্রহীনতা। এ কথাগুলোর কোনোটাই সর্বাংশে সত্য নয়। উপরোক্ত বিষয়সমূহ বিস্তারিতভাবে আলোচনার দাবি রাখে।

প্রথমেই দেখতে হবে-গণতন্ত্র বলতে আমরা কি বুঝি? বাক-স্বাধীনতা বা গণতন্ত্র হচ্ছে- ‘একটা নির্দিষ্ট সময়ের’ এবং ‘নির্দিষ্ট মানব সমাজের’ প্রতিষ্ঠিত বা প্রচলিত সামাজিক আইনকানুন বা নিয়ম মান্য করার বাধ্যবাধকতা, অন্যের অধিকারের বিষয়ে সচেতনতা, উপলব্ধি এবং দায়িত্ববোধও।

অন্যভাবে বললে গণতন্ত্র হচ্ছে- পরিমাপক বা দাঁড়িপাল্লা। সমাজ-পরিমাপক বললে বিষয়টি বুঝতে সহজ হবে। আমাদের দেশের প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী ‘গণতন্ত্র বলতে’ বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে বুঝায়। এখানেই আমার প্রশ্ন- সবার বলার স্বাধীনতা থাকতে হবে। 

স্বাধীনতা দিলাম কিন্তু ‘কি বিষয়ে বলবেন’ এবং ‘কতটুকু বলবেন’? অর্থাৎ প্রথমে আপনাকে বলার ‘বিষয়বস্তু’ ঠিক করতে হবে, আপনি ইচ্ছা করলেই যে কোনো বিষয়ে বলতে পারবেন না। বিষয়বস্তু ঠিক হওয়ার পর ওই বিষয়ে আপনি কতটুকু বলবেন বা বলতে পারবেন? ইচ্ছা করলেই আপনি ‘যা খুশি তা’ বলতে পারেন না।

আমরা জানি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা, অর্থনৈতিক সমতাভিত্তিক ও মৌলিক মানবাধিকার সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য। 

আপনি যদি বলতে থাকেন বা বলতে চান- বাংলাদেশ হচ্ছে মুসলিম জাতীয়তাবাদী-ইসলামিক প্রজাতন্ত্র, তাহলে কি আপনার বলার অধিকার তথা বাক-স্বাধীনতা থাকবে? নাকি থাকা উচিত হবে? তাহলে বিষয়টি কি দাঁড়ালো? আপনি ‘চলার বা বলার’ অধিকার ভোগ করবেন- এটা এক ধরনের বায়বীয় বিষয়। 

মূল বিষয় হচ্ছে- আপনি কোন বিষয়ে বলবেন বা বলতে পারবেন এবং কতটুকু বলবেন বা বলতে পারবেন- এটা আগে ঠিক করে নিতে হবে। তারপর অধিকারের বা প্রয়োগের বিষয়টি আসবে।

ধরুন, আপনি রাস্তা দিয়ে হাঁটবেন-এটা আপনার গণতান্ত্রিক এবং নাগরিক অধিকার। কিন্তু আপনি যে সমাজের বা দেশের রাস্তা দিয়ে হাঁটবেন, সে সমাজের বা দেশের রাস্তা দিয়ে হাঁটার কিছু নিয়মকানুন থাকে-অবশ্যই আপনাকে তা মেনে হাঁটতে বা চলতে হবে। 

কোনোভাবেই আপনি নিয়ম না মেনে হাঁটতে বা চলতে পারবেন না। যদি তা করেন বা করার চেষ্টা করেন- তাহলে হয় দুর্ঘটনা ঘটবে- নতুবা অন্যের অসুবিধা হবে। 

এখানে স্বাধীনতা বা গণতন্ত্র হচ্ছে আপনি যে দেশের রাস্তা দিয়ে হাঁটবেন সে দেশের রাস্তা দিয়ে হাঁটার নিয়মকানুন মেনে চলার দায়িত্ববোধ। ঠিক একইভাবে আপনি কথা বলবেন বা সমালোচনা করবেন বা আদেশ-উপদেশ দেবেন- কিসের ভিত্তিতে।

যদি প্রশ্ন হয়- কি কি কারণে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল-অর্থাৎ জন্মের উল্লেখযোগ্য কারণগুলো কী কী? সংক্ষেপে এবং সংবিধান অনুযায়ী এখানে উত্তর হবে-বাঙালি জাতীয়তাবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা, অর্থনৈতিক সমতাভিত্তিক ও মৌলিক মানবাধিকার সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য।

তাহলে আমরা কি উপরোক্ত বিষয়গুলো মেনে ‘চলা-বলার’ কাজটি করেছিলাম বা বর্তমানেও করছি? এখানে আমার উত্তর হবে- ১৯৭৫ সালের পর থেকে আমরা এর ‘উল্টোটাই’ করে এসেছি এবং বর্তমানেও করে যাচ্ছি।

পুরো পৃথিবীই আজ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। মরণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না কিছুতেই। এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিয়ে নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার এক পরিপত্র জারি করে এই নির্দেশনা দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সরকারি কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনো পোস্ট দেয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এমনকি এ ধরনের পোস্টে কমেন্ট, লাইক ও শেয়ার করলেও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই পরিপত্র জারি নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুরক্ষা দিতেই সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে। কেননা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব বা অশালীন কিছু লেখার জন্য যদি চাকরিটিই চলে যায়, তাহলে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর জীবনযাপন করাই কঠিন হয়ে পরবে। চাকরির বাজারে সোনার হরিণ হিসাবে পাওয়া সরকারি চাকরিটি হারালে আপনার কি অবস্থা হবে, আপনার পরিবারের কি অবস্থা হবে সেটা একবার ভেবে দেখেছেন কি? সরকারের চাকরি করে সরকারের সমালোচনা গঠনমূলকভাবে করতেই পারেন, তবে সেটা যেন রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে আঘাত না করে সেই কারণেই ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ এ কর্মচারীদের আরো একগুচ্ছ বিধি নিষেধ উল্লেখ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক পরিপত্রে সতর্কতা উচ্চারণ করা হয়েছে বলে মনে করি।

এই পরিপত্র জারির পর থেকেই দেখছি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কিছু অংশ এর বিরোধিতা করছেন। আসলে তারা বিষয়টি বুঝতেই পারছেন না। কেননা, সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়ে সরকার সুরক্ষা দিচ্ছেন। কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করে, রাষ্ট্রের বিরোধী কিছু লিখলে এমনিতেই আপনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে। সে অবস্থায় আপনাদের আগে থেকেই সতর্ক করে দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরং উপকারই করে দিয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়-‘জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন সার্ভিস বা পেশাকে হেয় প্রতিপন্ন করে’ এমন কোন পোস্ট দেয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারি কর্মচারীদের অনুরোধ করা হচ্ছে। এতে‍ ‘অন্য কোন রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য’ সম্বলিত কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট লাইক বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে সরকারি কর্মচারীদের বলা হয়েছে। এ পরিপত্রে সরকারের সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, বিভিন্ন দপ্তর বা সংস্থার কর্মচারীদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়।

এতে বলা হয়, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ একাউন্টের ক্ষতিকারক কন্টেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী নিজে দায়ী হবেন’ - এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরিপত্রটিতে মোট আটটি নির্দেশনা রয়েছে - যাতে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণকারী, জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী, ধমীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী, লিঙ্গ বৈষম্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টিকারী, জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টিকারী, বা ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল – এমন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করোনাভাইরাস নিয়ে এবং সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে একজন কার্টুনিস্ট এবং একজন লেখককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশে অবস্থানকরা কয়েকজন ব্লগারের বিরুদ্ধেও তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা হয়েছে। 

আমরা এর আগেও ২০১৯ সালে ৬ জুলাই মাসে দেখেছি, সরকারের পক্ষ থেকে জনগণের জন্য একই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। কিন্তু বিষয়টিকে তেমনভাবে আমলে নেননি সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা।  তখন বাংলাদেশের সরকারি প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক, পুলিশ বাহিনীর সদস্য, বিভিন্ন দেশে কর্মরত কূটনীতিকদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা মানছেন না বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। তাদের অনেকেই সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিজেদের ফেসবুক ওয়ালে স্ট্যাটাস দিচ্ছিলেন। অন্যের স্ট্যাটাসে কমেন্ট বা মন্তব্য করেছেন। যা সরকার এবং সরকারের কর্মকাণ্ডকে বিব্রত ও প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রয়াস ছিল। মূলত এই পক্ষটিই এখনো পর্যন্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রটির বিরোধিতা করছেন। 

দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যারা এই পরিপত্রের বিরোধিতা করছেন তারা আদতে সরকার বিরোধী এবং সরকারের মধ্যে থাকা জামায়াত-বিএনপির আদর্শপুষ্ট। কেননা তারা চান রাষ্ট্রীয় এই দুর্যোগের সময়ও দেশের ক্ষতি করতে। তা না হলে তারা নিশ্চিতভাবে সরকারি চাকরি করেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা , জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্মানহানি করা, জনমনে অসন্তোষ ছড়ানো যাবে, ভিত্তিহীন অসত্য তথ্য প্রচার করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই চরিতার্থ করতে যাচ্ছেন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যদি এমন কাজে লিপ্ত হন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে তো অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন হয়ে পরবে। কেননা, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। তাই সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই পরিপত্রের নির্দেশনা মেনে চলে দেশকে এই দুযোর্গ মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তাহলেই আমরা করোনা মোকাবিলায় সফল হতে পারবো, ইনশাল্লাহ।

লেখক: সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক ভোরের পাতা ও ডেইলি পিপলস টাইম। পরিচালক, এফবিসিসিআই।


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

৩৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

৪৩ সেকেন্ড আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

১১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

২৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৩৬ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৪১ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা