শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:১৮, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০ আপডেট:

বেলা অবেলায় কেটে যায় জীবন

আরিফুর রহমান দোলন
অনলাইন ভার্সন
বেলা অবেলায় কেটে যায় জীবন

জীবন বড়ই বিচিত্র। জীবনের বাঁকে বাঁকে ঘটে বিচিত্র সব ঘটনা। হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, দুঃখ-সুখ, ভালো-মন্দে জীবন এগিয়ে চলে। খরস্রোতা নদীর মতো। কিংবা বুলেট ট্রেনের গতিতে এগোয় আমাদের জীবন। এরপর হুট করে পেছন থেকে টোকা মারেন টিকিট সুপারভাইজার। নির্দিষ্ট গন্তব্যের আসার কথা মনে করিয়ে দেন। অবশেষে থেমে যায় জীবন। কত সব অভিজ্ঞতা যে হয় জীবনে!

কাছের মানুষ মনে হয় যাদের তাদের কারো কারো থেকে আসে বিশ্বাসঘাতকতা। পর ভেবে যাদের দূরে ঠেলে দেওয়া হয় তারা পরিচয় দেন চরম বিশ্বস্ততার। 

বাঁচতে, একটু ভালো থাকতে কত কি-ই-না করি আমরা। হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম, প্রতিযোগিতা, যুদ্ধ, অনিয়ম, অসততা, কতকিছু। তবু কি শেষ পর্যন্ত মানুষ বাঁচতে পারে! চূড়ান্তভাবে ভালো থাকা যায়? শিশু, অতঃপর কিশোর, এরপর তরতাজা যুবক এবং পরিশেষে অশীতিপর বৃদ্ধ-বৃদ্ধা! দম ফুরিয়ে যায়। অবসান ঘটে জীবনের। এর আগে একের পর এক বসন্ত শেষ হয়। প্রত্যেকের জীবনে। 

ঠিক তেমনি নিজ জীবনের আরো একটি বসন্ত পেরিয়ে নতুন বসন্ত শুরু হবে আমার ১৪ মে। এদিন দুনিয়ায় আসা। তরতর করে ফুরিয়ে যাচ্ছে জীবনের সময়। বেঁছে থাকতে, টিকে থাকতে, এগিয়ে যেতে কত বহুমুখী অভিজ্ঞতার মুখোমুখি যে হয়েছি! 

নির্দিষ্ট ছকে বেঁধে চলা হয়নি জীবনের এই সময় পর্যন্ত। নিজের বৃত্ত নিজেই ভেঙেছি বারবার। একমুখী পেশাগত জীবন হয়েছে বহুমুখী পেশায় ভরপুর। সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজকর্ম। অতঃপর উদ্যোক্তা। এবং রাজনীতি। 

সাফল্য, ব্যর্থতা দুইই আছে। ভেঙে পড়িনি কখনো। মনোবল হারাইনি। সড়ক দুর্ঘটনায় সাক্ষাৎ হয়েছে মৃত্যুর সাথে, ২০১৬ সালের ২০ জানুয়ারি মরতে মরতে বেঁচে গেছি। ভেবে শিহরিত হই আজও। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকা, তালাবদ্ধ হয়ে যাওয়া গাড়ি আকস্মিক খুললোই বা কী করে! আর সাক্ষাৎ মৃত্যুদূত ফিরেই বা গেল কোন অলৌকিক ইশারায়। হাজারো মানুষের অপরিসীম ভালোবাসা পেয়েছি তখন এবং পরবর্তী সময়ে। আবার যাদের খুব কাছের ভাবতাম খোঁজও নেননি। দুঃখ পাইনি। মানুষকে চেনার, জানার, বোঝার চেষ্টা করেছি অবিরাম। 

স্কয়ার হাসপাতালের অবহেলায় ভুল চিকিৎসায় প্রায় পঙ্গুত্ববরণ করতে যাওয়া এই আমি আজও নিশ্বাস নেই, ছুটে বেড়াই অবিরাম আর নানা কাজে ডুবে থাকি এটা কম কথা নয়। সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের ডাক্তার জেফরি চিউয়ের প্রাণান্ত চেষ্টায় আমি সেরে উঠেছি ঠিকই। কিন্তু বা পায়ের গোড়ালির ক্ষত মনে করিয়ে দেয় অনেক কিছু। 

জীবন চলার পথে এমনি অনেক ক্ষত আছে। কিন্তু এসব সারিয়ে ছুটে চলেছি। বহুমুখী কাজের মাধ্যমে জীবনে বোঝার চেষ্টা করছি। চলার পথ কখনো মসৃণ, কখনো বন্ধুর ছিল। অফুরান স্নেহ, ভালোবাসা সমর্থন পেয়েছি অনেকের। তাদের কাছে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। আবার অকারণে ঈর্ষার পাত্রও হয়েছি কারো কারো। বিনা কারণে ঈর্ষাকাতররা নিন্দা করতে চেষ্টা করেছেন। ভাড়াটে নিন্দুক ব্যবহার করা হয়েছে। হয়েছে হামলা, মামলা, নির্যাতন। আবার ভালো কাজের স্বীকৃতি পেয়েছি। পুরস্কৃতও হয়েছি বিভিন্ন সময়। 

শত্রুতা থাকবে। ঈর্ষাকাতররা পিছু লেগে থাকবে। তাই বলে দমে যাবো? না। দমে যাওয়ার জন্য তো আসিনি। করবো, লড়বো, জিতবো। জনকল্যাণে বিলিয়ে দেবো নিজেকে। বাঁধা আসবে। আসুক। ঐক্যবদ্ধভাবে ভালোকে নিয়ে মন্দকে প্রতিহত করব।

জীবনের সবচেয়ে বড় অঘটন ঘটে গিয়েছে ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর। বাবাকে হারিয়েছি আকস্মিকভাবে। থাকা না থাকার পার্থক্যটা খুব বুঝি এখন। মা-বাবার একমাত্র সন্তান আমি। অফুরান স্নেহ, ভালোবাসা পেয়েছি সবসময়। সাথে কঠোরভাবে পারিবারিক শৃঙ্খলা পরায়ণতার শিক্ষা। পেশা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছে পূরণের শতভাগ স্বাধীনতা পেয়েছি সম্ভবত একমাত্র সন্তান হওয়ার কারণে। খানিকটা স্বাধীনচেতা, আজন্ম প্রতিবাদী স্বভাব উদ্বুদ্ধ করেছে পুরোমাত্রায় সাংবাদিকতায় আসতে। ছাত্রজীবনের বাংলাবাজার পত্রিকা, বিচিত্রা, অধুনালুপ্ত অন্বেষায় যুক্ত হয়েই মনে হয়েছে থিতু হবো এই পেশাতেই। ফরিদপুরের কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমী, আলফাডাঙ্গা এ জেড উচ্চ বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক, ঢাকা কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক আর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষার পর দেশে ফেরার পরেরদিন সাপ্তাহিক ২০০০ পত্রিকায় ফুলটাইম সাংবাদিকতা জীবনের শুরু। কোর্টচাঁদপুরের হুন্ডি কাজলের মুখোশ উন্মোচন কিংবা খুলনার কুখ্যাত এরশাদ শিকদারের গডফাদারদের স্বরূপ অনুসন্ধান করতে গিয়ে লোমহর্ষক সব অভিজ্ঞতার হাতেখড়ি। হুমকি-ধামকি যত পেয়েছি তত অনুপ্রাণিত হয়েছি। এরপর একদশক পেশাগত জীবন প্রথম আলোয়, যখন আজকের মতো ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যম বা নিউজ পোর্টালের জ্বলজ্বলে উপস্থিতি ছিল না। সারাদেশ ঘুরে ঘুরে গডফাদার, সন্ত্রাসী আর জঙ্গিবাদের সুলুক সন্ধান করতে হয়েছে ধৈর্য্য, নিষ্ঠা আর পরিশ্রমের সাথে। শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাইয়ের জেএমবির জঙ্গি কর্মকাণ্ড অনুসন্ধান করতে বারবার জীবনের ওপর হুমকি এসেছে। দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থীদের কর্মকাণ্ড অনুসন্ধানেও ঝুঁকি কম ছিল না। গডফাদারদের স্বরূপ সন্ধানে বহুবার রক্তচক্ষুর মুখোমুখি হয়েছি। হামলা হয়েছে, নির্যাতনের শিকারও হয়েছি। বিএনপি-জামায়াত সরকারের মন্ত্রী, মন্ত্রীপুত্রের প্রাণনাশের হুমকি মোকাবিলা করেছি। প্রভাবশালীদের রোষানলে পড়া যেন ডালভাতই হয়ে যায় এক সময়। বিচিত্র সব রূপ দেখি ক্ষমতাশালী আর প্রভাব বলয়ে থাকা ব্যক্তিদের। এরাই আবার ভিন্ন চেহারায় দেখা দেন ১/১১’র সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়। 

নিজ দলের শীর্ষ দুই নেত্রীকে সরিয়ে দিতে আওয়ামী লীগ, বিএনপির অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতার তৎপরতা দেখেছি খুব কাছ থেকে। রাজনীতি যে কতটা নিষ্ঠুর, ক্ষমতার খেলা যে কতটা নির্মম তা দেখে বারবার বিস্মিত হয়েছি। যোগ্যতাও যে এক ধরনের অযোগ্যতা আমাদের রাজনীতিতে তা বুঝতেও দেরি হয়নি। প্রথম আলো পত্রিকায় বিশেষ প্রতিনিধি, ডেপুটি চিফ রিপোর্টার, সিনিয়র রিপোর্টার, স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করে রাজনীতি, প্রশাসনের হাঁড়ির খবর তুলে আনার বহুমুখী কায়দা রপ্ত করতে কসরত কম করিনি। বাংলাদেশ প্রতিদিন- এর উপ-সম্পাদক, আমাদের সময় পত্রিকার উপ-সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাভিশন টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে উদ্যোক্তা হওয়ার। বাঁক খাওয়া পেশাগত জীবনে একই সঙ্গে ব্যবসায় থিতু হওয়ার চ্যালেঞ্জ নেওয়ার। সমান্তরালভাবে সমাজকর্মে যুক্ত থাকার। 

বিশেষত, জন্মস্থানের পিছিয়ে পড়া মানুষদের সমাজের সামনের কাতারে নিয়ে আসার ভিন্নমাত্রার এক চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে থাকি দেড় দশক আগে। প্রপিতামহের বহুমুখী সমাজকর্মের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য গঠন করি কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশন। পিছিয়ে পড়া মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান সুবিধার জন্য নিরন্তর কাজ করতে গিয়ে বিপরীতমুখী অভিজ্ঞতা হয়। একদল মানুষের সমর্থনের পাশাপাশি কাছের, দূরের কারো কারো চক্ষুশূল হয়ে উঠি। অকারণ সমালোচনায় মুখর হন এমন দু-একজন যারা নিজের সামর্থ্যের এতটুকু ব্যয় করেন না পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য। 

যে রাজনীতিকে পেশাগত জীবনে দেখেছি একভাবে বিস্ময়করভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে যাই সেই রাজনীতিতেই, পুরোমাত্রায়। সিদ্ধান্ত ভুল নাকি সঠিক সেটি সময়ই বলে দেবে। যদিও আমার বিবেচনায় বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সেবা আর উন্নয়নে রাজনীতির চেয়ে ভালো প্লাটফর্ম আর কিছু হতে পারে না। এক সময় বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বর্তমানে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে মূল রাজনীতিতে যে ভূমিকা রাখার সুযোগই হোক না কেন জন্মস্থান ফরিদপুর আর আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী, মধুখালীর তৃণমূল স্তরের মানুষের সঙ্গে যে নাড়ির সম্পর্ক তৈরি হয়েছে সে-ও এক বিরাট প্রাপ্তি। 

রাজনীতিতে এসে বুঝেছি যে প্রতিপক্ষ বিরোধী দলের রাজনৈতিক দর্শনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে টিকে থাকার যন্ত্রণার চেয়ে নিজ দলের প্রতিদ্বন্দ্বীর অকারণ শত্রুতা মোকাবিলা করা কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেশি কঠিন। ইতিবাচক কর্মসূচি নিয়ে মানুষের কাছে অধিক গ্রহণযোগ্য হয়ে গেলে নিজ দলের রাজনৈতিক প্রতিযোগীর বহুমুখী ষড়যন্ত্রের মধ্যে পড়া একালের রাজনীতির প্রবণতা কিনা জানিনা। কিন্তু এসব ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করার পাঠ আমার হয়েছে, হচ্ছে। দলের মধ্যে উপদল সৃষ্টি করে বিভক্তির মধ্যে ঠেলে দেওয়ার যে কূটকৌশল রাজনীতির একটা খেলা, সেই অভিজ্ঞতা যে কি সেটি এখন হাঁড়ে হাঁড়ে বুঝতে হচ্ছে। অতি পূজনীয় পিতৃকূল, মাতৃকূলকে অহেতুক বিতর্কিত করার অপচেষ্টার মাধ্যমে নিজ দলের সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক কর্মীকে চাপে রাখা যে এক শ্রেণির জনভিত্তিহীন রাজনৈতিক নেতার অপকৌশল তার মুখোমুখি হওয়ার সুযোগও হয়েছে। ভাড়াটে খুনির মতো ভাড়াটে নিন্দুক আর ভাড়াটে অভিযোগকারী পেছনে লাগিয়ে রাখাও যে প্রতিদ্বন্দ্বী, প্রতিযোগী রাজনৈতিক কর্মীর অনৈতিক আরেক খেলা সেটাও অল্পবিস্তর এখন জানার সুযোগ হয়েছে।

তবু সরল, সোজা, ইতিবাচক কর্মকাণ্ডকেই আমি আমার অবলম্বন মনে করি। তথাকথিত সাফল্যের জন্যে বাঁকা পথে যেতে চাইনা, যাবোনা-এটাই আমার অঙ্গীকার। 
গণমাধ্যম কর্মী, নির্মাণ, সরবরাহ, জনশক্তি রপ্তানি, ট্রাভেল এজেন্সি, মৎস ও কৃষি খাতের উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক কর্মী না-কি সমাজকর্মী? কোনটি আসলে আমার পরিচয়। মাঝেমধ্যে নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করি। হ্যাঁ, আমার পরিচয় আমি একজন মানুষ। ‘সবার ওপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই’ কবির এই আপ্ত বাক্যকেই মেনে জীবন চলতে চাই। 

গণমাধ্যম, রাজনীতি আর ব্যবসার মধ্যে ত্রিমুখী স্বার্থের দ্বন্দ্ব আছে। বিস্ময়করভাবে জাড়িয়ে আছি তিন ক্ষেত্রে। শুধু মিডিয়াকর্মী হিসেবে কি দিব্যি ছিমছাম পেশাগত জীবন কাটিয়ে দেওয়া যেতো না? এই প্রশ্নের উত্তরে বলবো, না যেতো না। অন্তত আমাদের দেশে যে দলকানা সাংবাদিকতার প্রবণতা সেখানে শুধু গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে টিকে থাকার বহুমুখী ঝুঁকিটাই আছে। না আছে আর্থিক নিরাপত্তা, না আছে স্বাধীনভাবে কাজ করার পেশাগত নিরাপত্তা। বৃহৎ ব্যবসায়ী শিল্পগোষ্ঠীর মন জুগিয়ে আর ক্ষমতা ও প্রভাবশালীদের মন ভুলিয়ে এবং দলীয় অঙ্গ, সহযোগী সংগঠনের মতো বিভক্ত সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য হয়েও কি খুব ভালো আছেন অধিকাংশ সংবাদকর্মী? টেলিভিশনের পর্দা কাঁপানো অতি পরিচিতি মিডিয়া হাউসের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীর বেতনও যখন মাসের পর মাস বকেয়া থাকে তখন বহুমুখী পেশার একজন মিডিয়া কর্মী হয়ে আমার কোনও খেদ নেই। বরং মনে হয় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হওয়ার চ্যালেঞ্জটা আরো আগে নিলেই ভালো হতো বৈ-কি। 

বৈচিত্রে ভরপুর জীবনটা এভাবেই এগোচ্ছে। প্রকৃতির নিয়মে নিশ্চয়ই একদিন থেমেও যাবে। করোনাকাণ্ডের মতো হয়তো আরও কতকিছুর মোকাবিলা করেই এগোতে হবে আমাদের। বেলা অবেলায় কাটবে জীবন। জন্মদিনে আমার প্রত্যয়-
‘আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে
আসে নাই কেহ অবনী পরে,
সকলের তরে সকলে আমরা
প্রত্যেকে মোরা পরের তরে’  

লেখক: সম্পাদক, দৈনিক ঢাকা টাইমস, ঢাকা টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং সাপ্তাহিক এই সময়। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

২২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

৭ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

১৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

২০ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

৩০ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৪২ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৪৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৪৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা