শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৩৩, রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০ আপডেট:

মুজিববর্ষে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন উচ্চতার জন্য প্রস্তুত

গৌতম লাহিড়ি
অনলাইন ভার্সন
মুজিববর্ষে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন উচ্চতার জন্য প্রস্তুত

করোনাভাইরাস সৃষ্ট মহামারির ভীতিকর হুমকি সত্ত্বেও ‘মুজিববর্ষ’ উদ্যাপনকালে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অন্য উচ্চতায় উন্নীত করার লক্ষণ এখন স্পষ্টভাবে প্রমাণিত। উভয় দেশ কভিড-১৯-পরবর্তী একটি ধারাবাহিক চুক্তির পরিকল্পনা করেছে, যা দুই দেশের জনগণের জন্য একটি ফলপ্রসূ পরিস্থিতি তৈরি করবে এবং অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্নপূরণে কৌশলগত বাস্তবতার বাইরেও বাস্তব সম্পর্ক প্রদর্শন করবে। বাংলাদেশের প্রয়োজনের সময়টিতে তাঁর স্বপ্ন পূরণ করতে একজন বন্ধু এবং প্রভাবক হিসেবে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সড়ক-রেল-নৌপথ যোগাযোগের মতো চিরাচরিত কাজের পাশাপাশি ভারত-বাংলাদেশ উচ্চ প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন দৃষ্টান্ত তৈরির জন্য প্রস্তুত। গত ছয় বছরে উভয় দেশের উচ্চ পর্যায়ের সফরকালে কমপক্ষে ৯০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এখন আগামী বছরগুলোতে মহাকাশ, তথ্য-প্রযুক্তি, বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা, শিপিং, ইলেকট্রনিকস এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত অত্যাধুনিক উচ্চ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা সমঝোতাগুলো কার্যকর হবে। এই প্রেক্ষাপট জানার পরও এই দুই দেশের বন্ধুত্ববিরোধী শক্তিগুলো যুদ্ধের দিকে তাদের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তারা অশুভ পরিকল্পনার মাধ্যমে কিছু সংবেদনশীল অমীমাংসিত বিষয়কে ব্যবহার করে উভয় দেশের জনগণের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ভুল-বোঝাবুঝি তৈরি করতে চলেছে।

ন্যায়সংগতভাবে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বৈধ দাবি সম্পর্কে নয়াদিল্লি সচেতন এবং এটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমাধান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিবন্ধকতার পেছনের কারণটি সবার জানা। তিস্তার সমাধান স্থগিত থাকার কারণে ভারত এরই মধ্যে অন্য ছয়টি সাধারণ নদীর পানি ভাগ করে নিতে সম্মত হয়েছে; একটি প্রাথমিক সমাধান এই বছর আশা করা হচ্ছে। তবু একটি মহল এ বিষয়ে ঘোলা পানিতে মাছ ধরার চেষ্টা করছে।

তারা জনগণের মন থেকে স্মৃতি মুছে ফেলার চেষ্টা করে যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে দীর্ঘকাল ঝুলে থাকা ভারত-বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়েছিল। এবং দীর্ঘ ৪৫ বছরের বিরোধের পরে ইন্দিরা-মুজিব স্থলসীমান্ত চুক্তি এবং ছিটমহলগুলোর সফল বিনিময় ঘটেছিল। ভারত সরকার এই আবেগমূলক বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য তৈরির জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিল। কোনো রাজনৈতিক দল এই চুক্তিগুলোর বিষয়ে আপত্তি জানায়নি, যদিও চূড়ান্ত আলোচনায় ভারত কিছু স্থলভূমি ও জলসীমা হারিয়েছিল।

নেতিবাচক শক্তি জনগণকে স্মরণ করিয়ে দেয় না যে ঐতিহাসিক স্থলসীমান্ত চুক্তি ১১১টি ছিটমহল ভারত থেকে বাংলাদেশে স্থানান্তর করতে সহায়তা করেছিল, যা বাংলাদেশে ১৭১৬০.৬৩ একর পর্যন্ত স্থলভূমি যুক্ত করে। এর পরিবর্তে ভারত ৫১টি ছিটমহল পেয়েছিল এবং বাংলাদেশের কাছে প্রায় ১০ হাজার একর লোকসান দিয়ে মাত্র ৭১১১.০২ একর স্থলভূমি পায়। পৃথিবীতে এমন কোনো উদাহরণ রয়েছে যে দীর্ঘকালীন সীমান্ত বিবাদ মীমাংসার জন্য তথাকথিত ‘বড় দেশ’ একটি তথাকথিত ‘ছোট্ট দেশ’কে জমি দিতে স্বীকার করে? দুই দেশের মধ্যে সমুদ্র বিরোধ নিষ্পত্তি করতেও একই রকম ঘটনা ঘটেছে। ২০১৪ সালের জুলাইয়ে হেগভিত্তিক আন্তর্জাতিক আদালত বঙ্গোপসাগরের ২৫ হাজার ৬০২ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে বাংলাদেশকে ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলোমিটার দেওয়ার মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করেছেন। এই রায়ের পর ভারত কখনোই রায়টি নিষ্পত্তি করতে যায়নি। যদি কেউ তখনকার সংবাদ প্রতিবেদনগুলোর কথা স্মরণ করে, তবে দেখতে পাবে যে কিভাবে বাংলাদেশ ভারত থেকে তাদের প্রাপ্য পাওয়ার জয় উদ্যাপন করেছে। মূলত বর্তমানে সহযোগিতার একটি নতুন ক্ষেত্র হচ্ছে সামুদ্রিক অর্থনীতি, যা নিয়ে উভয় দেশই তাদের পারস্পরিক সুবিধার জন্য আলোচনা করছে।

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বীরত্বপূর্ণ মুক্তিযুদ্ধ স্মরণ করার একটি আদর্শ সময় হচ্ছে মুজিববর্ষ উদ্যাপন, যেখানে ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং অত্যাচারী পাকিস্তানি শাসকদের খপ্পর থেকে প্রতিবেশী দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারত তার সেনাদের শহীদ হওয়ার অনুমতি দিয়েছিল। হাজার হাজার মাইল দূরে অবস্থিত কোনো দেশ কিভাবে একই আন্তরিকতা দাবি করতে পারে, যখন তাদের পাকিস্তান এবং শক্তিধর পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে মিলিত হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে নাশকতার প্রমাণ ইতিহাসে নথিভুক্ত রয়েছে। নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর বার্তা প্রচারের সময় এখন এসেছে। উভয় দেশের তরুণদের সঙ্গে সেই ইতিহাস উদ্যাপন করার জন্য ভারত ও বাংলাদেশের মহাপরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য চীন সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের প্রতি ঢাকার মনোভাবের এক নতুন পরিবর্তন হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে—যার কোনো ভিত্তি নেই। যেকোনো দেশের সঙ্গে ব্যবসা করা বাংলাদেশ সরকারের সার্বভৌম অধিকার, তা যদি লাভজনক হয়। তদুপরি ভারত এই বিষয়ে সচেতন যে ভারত ও চীন উভয় দেশ যখন বিতর্কিত লাদাখ অঞ্চলে গুরুতর সামরিক বিবাদে জড়িত তখন চীন বন্ধুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বাড়ানোর সব উপায় খুঁজবে। এই সময়ে কোনো ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সাম্প্রতিক বাণিজ্য সম্পর্কের বিষয়ে কোনো আপত্তি উত্থাপন করেননি। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো এখানে কী ঘটছে তা তাদের মতো করে ব্যাখ্যা করতে পারে (কোনো আঞ্চলিক গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পরিপূরক নয়)। চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কে বাংলাদেশ সংবাদমাধ্যমগুলোর একটি অংশের ভিন্ন আঙ্গিকের প্রতিবেদনও ভারত সরকার গ্রহণ করেনি।

ভারত ২০১১ সালে বাংলাদেশে সব পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা বাড়িয়েছে। প্যারা শুল্ক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে কিছু নির্দিষ্ট সমস্যা রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পর্যায়ে সমাধান করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর ডাম্পিং শুল্ক নিরসনের ব্যাপারে উপযুক্ত আপিল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি স্থগিত করে দিয়েছে। দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জনসমক্ষে মন্তব্য করে কোনো অশান্তি তৈরি না করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে, যা অপ্রয়োজনীয় সমস্যা সৃষ্টি করে। ভারতেরও নির্দিষ্ট জাতীয় বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং উভয় দেশের স্বার্থ ও পারস্পরিক সুবিধার জন্য একত্র হওয়া উচিত।

নেতিবাচক শক্তিদের মনে রাখতে হবে, ভারতের এলওসিতে সুদের হার মাত্র ১.২ শতাংশ, যখন চীন প্রকল্পের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে ২-৩ শতাংশ বা তার বেশি হার আরোপ করে। এটিও সত্য যে ভারত চীনের চেয়ে দরিদ্র দেশ। ভারত ৬৪টি দেশে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এলওসি বাড়িয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ আট বিলিয়ন মার্কিন ডলার গ্রহীতা, যা মোট বরাদ্দের ২৬ শতাংশ। বাংলাদেশের রপ্তানি ভারতে এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে, যা এশিয়ায় জাপানের পরে দ্বিতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার।

সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং ক্রমবর্ধমান উগ্রবাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক, যা ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের চারদিকে ঘুরপাক খায় এবং উভয় দেশের চমৎকার সহযোগিতা প্রক্রিয়া রয়েছে, যেখানে নিয়মিত তথ্য বিনিময় হয়। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একাংশের মৌলবাদ সম্পর্কে গোয়েন্দা শাখার সাম্প্রতিক তথ্য উভয় দেশের জন্যই উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশকে এই দিকগুলো সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে। কারণ সহিংসতার কিছু ঘটনা গুরুতর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে আরো দ্রুত নিবিড় সহযোগিতা হওয়া প্রয়োজন। পক্ষান্তরে দুই দেশের মধ্যে কিছু বিরক্তিকর তুচ্ছ সমস্যা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে না।

মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে মনে রাখা উচিত, ভারত বাংলাদেশিদের জন্য ১.৭ মিলিয়ন ভিসা দিয়েছে, যা বিশ্বের বৃহত্তম ভিসা অপারেশন। ভারতীয় নেতৃত্ব ও জনগণ সর্বদা বাংলাদেশকে বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করেছে এবং সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে সমর্থন করেছে। সর্বোচ্চ নেতৃত্বের মধ্যে বোঝাপড়া ও সম্পর্ক একটি নতুন দিক ও ভিত্তি তৈরি করেছে। দুই দেশের মধ্যে একটি আবেগপ্রবণ যোগসূত্র রয়েছে, যা ১৯৭১ সাল থেকে মানুষের মনে বিদ্যমান। এই সম্পর্কের মধ্যকার নেতিবাচকতা শুধু একটি কায়েমি স্বার্থের অস্তিত্ব দ্বারা চালিত হয়।

লেখক : ভারতীয় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

১৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৩০ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৩৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৩৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

৫৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

৫৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা