শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:১২, রবিবার, ০৮ মে, ২০২২

যানজটে জান যায়

হানিফ সংকেত
অনলাইন ভার্সন
যানজটে জান যায়

ছোটবেলায় একটি কবিতা পড়েছিলাম, ‘লেখাপড়া করে যে গাড়িঘোড়া চড়ে সে’। ঢাকার যানজট কেন্দ্র করে শিক্ষণীয় এ বাক্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন অন্যরূপে ভেসে বেড়াচ্ছে। কিছুটা ব্যঙ্গ করে লেখা হয়েছে- আমরা এত লেখাপড়া করেছি যে দিনের অর্ধেক সময়ই আমাদের গাড়ি-ঘোড়াতেই কাটে। অর্থাৎ যানজটে। রাজধানী ঢাকায় একটি জটই প্রতিদিন পাকায় তা হলো যানজট। এ যানজটে জান ছটফট করলেও ঝট করে জট খুলবে না তা পরীক্ষিত সত্য। আর তাই তো এখন অনেকেই গাড়ি-ঘোড়া চড়ার উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে, তবে যার অনেক গাড়ি আছে তার উৎসাহের কমতি নেই। সে টাকা কামাচ্ছে আর নতুন গাড়ি নামাচ্ছে।

কবিতায় পড়েছি, ‘ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না একলা জেগে রই-

... বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই’।
ঢাকার রাস্তায় বাঁশবাগান না থাকলেও বাসবাগান আছে। যানজটের জটিলতার জটলায় জট পাকিয়ে থাকা বাস-ট্রাক-কার-টেম্পু-অটোরিকশা-রিকশার বাগানে দীর্ঘ সময় বসে থাকতে থাকতে সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করতে না পেরে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, কেউ ঘুমিয়ে যাচ্ছেন, কারও পায়ে পানি এসে যাচ্ছে, কেউ এর কোনো সমাধান না পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। আর কেউবা হেঁটেই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিচ্ছেন। তাদের ধারণা, গাড়ির চেয়ে পদব্রজই উত্তম। যানজট মুক্ত হয়ে ক্লান্ত পদযাত্রার ভদ্রলোক হয়তো ঠিকমতো অফিসে পৌঁছুতে পারবেন কিন্তু যানজটভুক্ত হয়ে যারা আটকে আছেন তাদের অবস্থাটা কী হচ্ছে একবার ভাবুন। তাদের বিরক্ত এবং তিক্ত অবস্থার সঙ্গে অতিরিক্ত যুক্ত হয়েছে আরও নানান উৎপাত। টাওয়েল, লুসনি, শসা থেকে শুরু করে নানান দ্রব্য বিক্রির প্রস্তাব। গাড়ির কাচের ওপর ঠকঠক আওয়াজ আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ না করা পর্যন্ত চলবে। এরপর এসেছে ঈদ, এ উপলক্ষে দূরদূরান্ত থেকে রাজধানী ঢাকায় আগমন ঘটেছে নিম্নবিত্ত মানুষের। যানজট কারও কাছে অভিশাপ হলেও তাদের কাছে আশীর্বাদ। গাড়ির লাইন যত দীর্ঘই হোক না কেন তাদের সমস্যা নেই। সরকার-ঘোষিত ভিক্ষুকমুক্ত এলাকায়ও এদের বিচরণ রয়েছে। তাদের প্রতি আপনি কখনো সদয় হচ্ছেন, কখনো নির্দয়। সবুজ বাতি জ্বললেও এদের কারণে গাড়ির গতি বাড়তে পারে না। কারণ তারা নিরাপদে রাস্তার পাশে না যাওয়া পর্যন্ত আপনাকে ধীরগতিতে চলতে হবে। সুতরাং এ যানজট যে শুধু যানবাহনের কারণেই ঘটে তা কিন্তু নয়, অনিয়ম যান চলাচলের পাশাপাশি রাস্তা পারাপারের জন্য ফুটওভার ব্রিজ থাকলেও বাস-মাইক্রোবাস-ট্রাক-মিনিট্রাক-কাভার্ড ভ্যান এসব চলমান যানবাহনের মধ্য দিয়ে দৌড়ে, থেমে, ছুটে, হেঁটে, কখনো লাফিয়ে-ঝাঁপিয়ে চলা, রাস্তার পাশে দেওয়া ইস্পাত রেলিং ডিঙিয়ে কিংবা কোথাও রেলিং ভেঙে সার্কাসের ক্রীড়াবিদের মতো মাথা গলিয়ে রাস্তায় উঠে পারাপার হওয়ার কারণেও জট হয়। ‘ইত্যাদি’তে আমরা একবার দেখিয়েছিলাম দীর্ঘ সময় যানজটের কারণে অনেকে ভাতও বিক্রি করছেন। যাদের নিয়ম করে সময়মতো খেতে হয় তারা যদি নির্দিষ্ট সময় পরে বাসা থেকে অফিসে কিংবা অফিস থেকে বাসায় গিয়ে খাবেন চিন্তা করে আসেন, আর হঠাৎ যদি তাদের সামনে এ অনাকাক্সিক্ষত জট পড়ে, তাদের অসুস্থতা বাড়বে। তাদের জন্যই এ স্ট্রিটফুডের ব্যবস্থা। সুতরাং যানজটের জটিল জটে আটকে গেলে কার কী অবস্থা হয় তা ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। আর এ জট নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যেসব সিগন্যালের লাল-সবুজ আলোক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে তা-ও নিয়ন্ত্রণহীন। কোন আলো জ্বললে কী হবে, থামবে না চলবে- সেটাই এখন অনেকে ভুলে গেছেন। বিদেশিরা এ দেশে এসে এসব দৃশ্য দেখে বেশ অবাকই হন।

রাস্তার কোথাও লেখা আছে, ‘এখানে বাস স্টপেজ নাই’। তার পরও আমরা রাস্তার যে কোনো স্থানেই স্টপেজ বানাই-গাড়ি থামাই-যাত্রী ওঠাই এবং নামাই। কী লেখা আছে তা নিয়ে কেউ মাথা ঘামাই না, উদ্দেশ্য কামাই। কোথাও লেখা, ‘এখানে গাড়ি থামাবেন না’। কিন্তু যারা থামাচ্ছেন তারা জানেন কেউ তাদের ধরবে না। এ বিশ্বাস থেকে কিছুক্ষণ রাস্তার ওপর যাত্রী নামিয়ে, যাত্রী ভরে চলছে গাড়ি। লেখা থাকলেই কী আর না থাকলেই বা কী। এ ঢাকা শহরে ‘আইন’ মানা নিয়ে এ রকম অনেক সাইনবোর্ড আছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন ট্রাফিক আইন করতেও শোনা যায়। ট্রাফিকব্যবস্থা নিয়ে নানাবিধ আইন থাকলেও তার প্রয়োগ নেই। তাই এসব ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের ওপর দিন দিন আস্থা কমছে সাধারণ মানুষের। এই তো কদিন আগে আইন হলো সিটবেল্ট বাঁধতে হবে, পুরনো গাড়ি রাস্তায় চলবে না, গাড়ি থেকে কালো ধোঁয়া বের হওয়া যাবে না, যেখানে সেখানে গাড়ি থামানো যাবে না, পথচারীরা রাস্তায় বিক্ষিপ্তভাবে চলতে পারবে না- ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করতে হবে। আইন ভাঙার ফাইন আছে তা জেনে এবং মেনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সামনেই এসব আইন ভঙ্গ করছে অনেকে। কেউ ফাইন দিচ্ছে, কেউ দিচ্ছে না। ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে যত্রতত্র বিশৃঙ্খল যান চলাচলও যানজটের অন্যতম কারণ। আর এর ফলেই জনভোগান্তি। এ ভোগান্তিতে অনেকের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে। অথচ এর জন্য যারা দায়ী তাদের সামান্য কিছু ফাইনের আইন যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় এ জট কমার চাইতে দিন দিন বেড়েই চলেছে। কেউ বলেন যানজট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঢাকা শহরকেও তিন স্তরের নিরাপত্তার চাদরের মতো কয়েক স্তরের উড়ালসড়কের চাদরে ঢেকে দিতে হবে। আমাদের দেশে সড়কে দৃশ্যমান অনেক উন্নতিই হয়েছে। উড়ালসড়কসহ কোথাও কোথাও চার থেকে আট লেনের রাস্তা হয়েছে। ঢাকা শহরের কিছু কিছু এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় ওপরের দিকে তাকালে মনে হয় বাড়িঘরের মধ্যেই আছি, কারণ ওপরে পুরোটাই উড়ালসড়কের ছাদ। মেয়র সাহেবদ্বয়ের এ জট নিয়ে কথার জট চলছেই। কিন্তু খুলছে না জট। কমছে না মানুষের ভোগান্তি। এরপর আছে রাস্তাঘাট সমন্বয়হীন খোঁড়াখুঁড়ি। বর্ষার যানজটে রাস্তা ডুবছে, ঈদে যানজটে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে, ইদানীংকালে যানজট এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

এআরআইয়ের তথ্যানুযায়ী গত ঈদে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি দুর্ঘটনা হয়েছে। এবার দ্বিগুণ মানুষের গ্রামে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এবং সড়ক ও যানবাহনের সে সক্ষমতা না থাকায় দুর্ঘটনা আরও বেশি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে সড়ক ব্যবস্থাপনাই নাকি কোমায় চলে গেছে। লাইফ সাপোর্ট দিয়ে শুধু বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।

এর কারণ আমাদের রাস্তাগুলো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অধিকাংশ পুরনো গাড়ি। বিদেশে একটি নির্দিষ্ট সময়ান্তে গাড়িগুলো রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। আর আমরা গাড়ি মালিকের ভয়ে ২০-৩০ বছরের পুরনো ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো লালন করি। যেগুলো অধিকাংশ মহাসড়কে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। এরপর যারা চালাচ্ছেন তারাই বা কতটুকু দক্ষ? দুর্ঘটনার কারণে ধরা পড়া যেসব চালককে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে সগর্বে হাজির করেন, কেউ কি জিজ্ঞেস করেন এই কিশোর কিংবা ব্যক্তিটি লাইসেন্স পেয়েছেন কী করে? আবার বলা হয় সে হেলপার। হেলপার এত দিন ট্রাফিক পুলিশের সামনে গাড়ি চালালেন কী করে?

হেলপারের ড্রাইভিংয়ের সেন্স না থাকলেও যখন লাইসেন্স পেয়ে যান, হেল্প করার বদলে যখন সেলফ ড্রাইভিংয়ে বসে যান- তখনই প্রশ্ন আসে, একে লাইসেন্স দিয়েছেন কোন ননসেন্স? এতসব কিছু জেনেও মানুষ গাড়িতে চড়ে, দুর্ঘটনায় পড়ে, যথারীতি টকশোয় কথা বাড়ে, এরপরে কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে। অর্থাৎ, ‘চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে’। ততক্ষণে অনেক জীবন ঝরে পড়ে। যে কারণে আমাদের দেশের লাইসেন্স প্রদান পদ্ধতিরও পরিবর্তনের কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেই লক্ষ্য করা গেছে সড়ক ব্যবস্থাপনাও নিরাপদ নয়। অবৈধ হাটবাজার, দোকানপাট বসছে রাস্তার পাশেই। যেগুলো নিরাপদ দূরত্বে থাকা প্রয়োজন। ধর্মঘট কিংবা অবৈধ দখলদারদের সংঘবদ্ধ প্রতিবাদের ভয়ে এসব অবৈধ ব্যবসা কেন্দ্রও সরানো হচ্ছে না। জটের আর একটি কারণ হচ্ছে অবৈধ পার্কিং। ঢাকা শহরের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পার্কিংব্যবস্থা নেই। আর তাই তারাও যেখানে সেখানে গাড়ি পার্ক করে রাখছেন। আসলে বিদ্যমান এসব ব্যবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। নইলে শুধু নতুন নতুন নির্মাণে সমস্যা সমাধান হবে না। সড়কে দোকান বসানো ও অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং করাকে যানজটের জন্য দায়ী করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামও বেশ জোরালোভাবে বলেছেন, ‘এগুলো বন্ধে পুলিশকে আরও কঠোর হতে হবে’। কিন্তু সবাই কি কঠোর হচ্ছে?

আসছে ঈদ অপেক্ষা করছে ভোগান্তি। এ রমজানে রাজধানীবাসী সবচেয়ে বেশি যানজটের সম্মুখীন হয়েছেন। এবারের যানজট বেশি বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে অনেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলাকে দায়ী করেছেন। কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে আরও বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত চিন্তাভাবনার প্রয়োজন ছিল। বিশ্বব্যাংকের গত বছরের এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, গত ১০ বছরে ঢাকার যানবাহন চলাচলের গড় গতি তিন গুণ কমে গেছে। কারণ এ রাস্তাতেই মানুষের কর্মঘণ্টা কিছু কিছু ক্ষেত্রে অর্ধেক কমিয়ে ফেলেছে। এ জট সমস্যা সমাধানের জন্য এখন মানুষের কর্মঘণ্টা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে।

এর মধ্যে অফিস সময়সূচিই প্রধান। অনেকেই বলছেন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অফিসগুলো কেন ৯টা থেকে ৫টা হতে হবে? একই সময়ে অফিস করতে হয় বলে সবাইকে একসঙ্গে ছুটতে হয় অফিসের উদ্দেশে, ফলে শুরু হয় বাস, মাইক্রোবাস, অফিস গাড়ি, প্রাইভেট কার, জিপ, রিকশা, অটোরিকশা এমনকি হাজার হাজার মোটরবাইকের মিছিল। বসে বসে যাওয়া তো দূরের কথা দাঁড়ানোর জায়গাও পাওয়া যায় না।

একসময় বন্ধের দিনগুলোয় অর্থাৎ শুক্র-শনি বারে জট কম হতো। আবার বিভিন্ন এলাকায় সপ্তাহের বিভিন্ন দিন বন্ধ থাকায় ওইদিন ওইসব এলাকার জট কম হবে ধারণা করা হয়েছিল কিন্তু সে আশায়ও গুড়ে বালি। ফাঁকা রাস্তা ভেবে বাড়ি থেকে বেরোলে কখন যে ফাঁকা রাস্তা যানবাহনে ভরাট হয়ে যাবে তা বলা যায় না।

২০২১ সালে প্রচারিত ইত্যাদিতে আমরা এ যানজট থেকে কিছুটা মুক্তির জন্য বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিসে তাদের অফিস সময়সূচি ও দৈনিক কর্মঘণ্টার বিষয়ে একটি ছোট্ট নাটিকাও করেছিলাম। আমরা একটি অফিস দেখিয়েছিলাম যেখানে কর্মচারীরা বেশ খুশি, কারণ তাদের অফিসের কর্মঘণ্টা সহনীয় থাকলেও অফিস সময়সূচি ভিন্ন। নাটিকাতেই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমরা অফিস সন্ধ্যা ৬টায় স্টার্ট করি চলে রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৬ ঘণ্টা। ফলে আমাদের অফিসে আসতে সে রকম যানজটে পড়তে হয় না। বিকালে অফিস টাইম হওয়ায় সকালটা ফ্রি থাকি। সকালে বাচ্চাকাচ্চা স্কুল-কলেজে দিয়ে আসা যায়। বাজারঘাট করা যায়। দুপুরে ফ্যামিলির সঙ্গে খাওয়া যায়। এর ফলে পারিবারিক বন্ধনটাও দৃঢ় হয়। তারপর বিকালে একটু ঘুমানোও যায়।’ এর বাস্তবতা সম্পর্কে জানতে চাইলে কর্মকর্তা বলেন, ‘দেখুন, আজকাল তো মানুষ এমনিতেই রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত টকশো দেখে। কেউ বিদেশি সিরিয়াল দেখে। ওসব না দেখে বরং অফিস করেন। সকালে একটু বেশি ঘুমান, কোনো সমস্যা নেই। এর ফলে ঘুমঘণ্টা ও কর্মঘণ্টার মধ্যে একটা সমন্বয় হবে। ট্রাফিক জ্যামে বসে বসে কর্মঘণ্টা নষ্ট না করে সন্ধ্যার পর অফিস করা ভালো না?’

যদিও এখন সংগত কারণেই অনেক স্থান থেকে অফিসসূচির সমন্বয় ও কর্মঘণ্টা পুনর্বিবেচনার দাবি উঠেছে।

আমাদের রাস্তাঘাট, ভবন নির্র্মাণ সবকিছুই কেমন যেন অপরিকল্পিত। ভূমি ব্যবহার নীতির প্রণয়ন ও তদারককারী প্রতিষ্ঠান রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষেরও এসব বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা এখন রীতিমতো বাণিজ্যিক এলাকা। নীতি না মানার কারণে এ অনৈতিক কাজ হচ্ছে আর সঠিক তদারকি এবং ব্যবস্থাপনার অভাবে এসব বাড়ছে; সঙ্গে বাড়ছে ওই এলাকার বাসিন্দাদের ভোগান্তি।

কিছুদিন আগে যাত্রীকল্যাণ সমিতি থেকে বলা হয়- এবারের ঈদযাত্রায় রাজধানীবাসী যানজটের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়বে। তাই এ মুহূর্ত থেকে রাজধানীর সব ফুটপাথ, রাস্তা হকার ও অবৈধ পার্কিংমুক্ত করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে দাবি জানানো হয়।

যানবাহন ব্যবস্থাপনা, অফিস সময়সূচি, স্কুল সময়সূচি, অবৈধ পার্কিং, পার্কিংয়ের অপ্রতুলতা, চালকের লাইসেন্স প্রদান পদ্ধতি, ফিটনেসবিহীন গাড়ির সংখ্যাধিক্য, যানবাহন ব্যবস্থাপনা আইন প্রয়োগের অভাব এবং আমাদের অসচেতন স্বভাব সবকিছু মিলিয়েই এ যানজট, দুর্ভোগ।

সুতরাং চালকদের নিজের জান, যন্ত্রযান, যাত্রীজান রক্ষা ও যানজট থেকে মুক্তির জন্য অতিদ্রুত সমন্বিত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এটা এখন সময়ের দাবি, সবার দাবি। কারণ, এখন চারদিকে একটিই আওয়াজ- ‘যানজটে জান যায়’।

২৩ এপ্রিল, ২০২২

লেখক : গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব,পরিবেশ ও সমাজ উন্নয়ন কর্মী।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়