শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:২৪, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫

আমলাতন্ত্রের ছায়াতলে আমজনতা

মাহরুফ চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
আমলাতন্ত্রের ছায়াতলে আমজনতা

বাংলাদেশের জনপ্রশাসন এক গভীর ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার বহন করে, যার শিকড় রয়েছে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থায়। তখনকার সেই ঔপনিবেশিক প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি হয়েছিল মূলত জনগণের সেবার জন্য নয়, বরং তাদের শাসন, শোষণ ও দমন করার জন্য। তাই ওপর থেকে নিচে নির্দেশনামূলক ক্ষমতার প্রয়োগই ছিল এর বৈশিষ্ট্য। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে প্রত্যাশা ছিল একটি গণমুখী, অংশগ্রহণমূলক ও কল্যাণকামী রাষ্ট্রব্যবস্থার, যেখানে জনগণ হবে রাষ্ট্রক্ষমতার প্রকৃত উৎস এবং রাষ্ট্রীয় প্রশাসন হবে জনগণের সেবক। কিন্তু স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে এসেও প্রশাসনে আমলাতন্ত্র প্রায় অবিকৃতভাবেই সেই ঔপনিবেশিক ছাঁচে রয়ে গেছে। এখনো জনপ্রশাসনের ক্ষমতা রয়ে গেছে কেন্দ্রীভূত, জবাবদিহিতার কাঠামো দুর্বল এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা অত্যন্ত সীমিত। ফলে জনগণের আকাঙ্খা এবং অধিকার আজও প্রশাসনিক অনুকম্পার মুখাপেক্ষী, যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কখনোই কাম্য নয়।

রাষ্ট্র যখন আমলাতন্ত্রের হাতে অধিকতর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে তখন জনগণ হয়ে যায় প্রান্তিক। এ এক ধরনের আধুনিক উপনিবেশায়ন, যেখানে শাসক ও শাসিতের মাঝে তৈরি হয় অদৃশ্য বিভাজন রেখা। ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে স্পষ্ট হয় যে, ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকার বহনকারী জনপ্রশাসন কখনোই একটি গণতান্ত্রিক ও জনমুখী রাষ্ট্রের অনুকূলে কার্যকর হতে পারে না। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সময়, যেখানে প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য ছিল শাসকের ক্ষমতা সংরক্ষণ, শোষণের মাধ্যমে সম্পদ আহরণ এবং জনগণকে নিয়ন্ত্রণে রাখা। ‘সরকারের সহায়ক জনগণের সেবক’ নয় বরং ‘সরকারের প্রতিনিধি’ হিসেবেই আমলারা কাজ করত। জনগণকে তাদের অধিকারবোধহীন ‘শাসিত’ বলে গণ্য করা হতো।

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর এ প্রশাসনিক কাঠামো প্রায় অপরিবর্তিতভাবে নবগঠিত পাকিস্তানে প্রচলিত হয় এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের পরেও সেই ঔপনিবেশিক আমলাতন্ত্রই নতুন রাষ্ট্রে অব্যাহত থাকে। স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল একটি জনগণের রাষ্ট্র, যেখানে জনপ্রশাসন হবে জনসেবার মূল চালিকাশক্তি। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে প্রশাসনিক সংস্কার না করে পূর্বতন কাঠামোই অব্যাহত রাখার ফলে আমলাতন্ত্রের ভিতর জন্ম নেয় এক ধরনের ‘ক্ষমতার স্বাদ’ যা থেকে তারা আজও মুক্ত হয়নি। ‘ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রভাব’ ও ‘রাজনৈতিক আনুগত্যে’ গড়া এক ক্ষমতাকেন্দ্রিক ব্যবস্থায়, যেখানে সরকারি কর্মকর্তারা প্রায়ই জনগণের সেবক না হয়ে প্রভু হয়ে ওঠেন। ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকারের এ অবিকৃত রূপই আজ প্রশাসনকে জনবিচ্ছিন্ন এবং অনেক ক্ষেত্রে জনবিরোধী একটি ব্যবস্থায় পরিণত করেছে।

বাংলাদেশের প্রশাসনিক বাস্তবতায় আমলাতন্ত্রের ক্ষমতা যে কীভাবে কেন্দ্রীভূত হয়েছে তা এখন আর গোপন নয়, বরং নিত্যনতুন ঘটনাপ্রবাহে তা হয়ে উঠছে নগ্ন ও নির্লজ্জ। সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে- প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা হবেন জনগণের সেবক, সরকারের নির্দেশনায় তারা কাজ করবেন জনগণের কল্যাণে। কিন্তু বাস্তবে প্রজাতন্ত্রের এ কর্মচারীরাই বিভিন্ন সময় সরকারকে হুমকি প্রদর্শনের দুঃসাহস দেখায় যেন তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী নয়, রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রকৃত মালিক। এ ক্ষমতার আস্ফালন শুধু সাংবিধানিক চেতনার বিরুদ্ধেই নয়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিও এক ধরনের ব্যঙ্গ। আজ জনপ্রশাসন শুধু নীতিপ্রণয়ন বাস্তবায়নের কারিগরি বাহিনী নয়, বরং জনপ্রশাসনের রাজনীতিকীকরণের ফলে নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায়ও তাদের একাধিপত্য প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রের মধ্যকার ভূমিকার বিভাজন দুর্বল হয়ে পড়ায় জনপ্রশাসন ক্রমশ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণেও প্রভাব বিস্তার করছে। এর ফলে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা প্রান্তে সরে যাচ্ছেন এবং জনগণের কণ্ঠস্বর প্রশাসনিক ছাঁকনিতে আটকে পড়ে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে।

মূলত রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্কের মাঝে এখন আমলাতন্ত্র দাঁড়িয়ে গেছে এক ‘শক্তিশালী মধ্যস্বত্বভোগী’ হিসেবে। প্রশাসনের একদিকে রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাবিত বা নিয়ন্ত্রিত করার প্রয়াস চালায়, অন্যদিকে পরস্পরের স্বার্থে তারা ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের ভাগাভাগিতে প্রবৃত্ত হয় যা রাষ্ট্রবিজ্ঞানী রবার্ট মিখেলসের ‘অলিগার্কির আয়রন আইন’ (আইরন ল অব অলিগার্কি)-এর বাস্তব রূপায়ণ। এ ব্যবস্থায় শাসন চলে যায় একটি সীমিত অভিজাত শ্রেণির হাতে, যেখানে গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনমুখী আনুষ্ঠানিকতা হয়ে দাঁড়ায়। জনপ্রশাসনের অলিগার্কির পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের মারাত্মক ঘাটতি। প্রশাসন যখন নিজেকে জনগণের সামনে জবাবদিহির বাধ্যবাধকতার ঊর্ধ্বে মনে করে তখন সেটি শুধু দায়িত্ব এড়িয়ে চলে না, বরং এক ধরনের ক্ষমতার বিকারগ্রস্ততায় আক্রান্ত হয়। বাংলাদেশের জনপ্রশাসন আজ সে চিত্রেরই প্রতীক হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের অনেকেই যে কোনো ব্যর্থতা বা অন্যায়ের জবাবদানে অনীহা প্রকাশ করেন এবং প্রায়ই রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় সেই জবাবদিহির শৃঙ্খল থেকে নিজেদের মুক্ত রাখেন।

এ অব্যবস্থার ফলে প্রশাসনিক দক্ষতার জায়গায় দেখা দেয় কর্তৃত্ববাদ এবং সেবার জায়গায় আসে শোষণ। ক্ষমতার অপব্যবহার, দলীয় আনুগত্য, প্রকল্পভিত্তিক দুর্নীতি এবং দায়িত্বহীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ এখন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনের এ চিত্র ক্রমাগত ক্ষুণ্ন করছে জনগণের আস্থা, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য এক ভয়াবহ সংকেত। জনসেবা যেখানে নাগরিক অধিকার, সেখানে তা হয়ে উঠেছে আমলাতান্ত্রিক অনুকম্পার বিষয়। উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতার অভাব শুধু আর্থিক অপচয়ের জন্ম দিচ্ছে না বরং তা সৃষ্টি করছে এক ভয়াবহ বৈষম্য। যেসব অঞ্চলে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রভাব নেই, সেখানে নাগরিকরা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ বাস্তবতা জনসংখ্যাতাত্ত্বিক ও ভৌগোলিক ভারসাম্যহীনতাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। ‘নিরীক্ষা ও মূল্যায়নের তত্ত্ব’ (মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন থিউরি) বলছে, স্বচ্ছতা ও নিয়মিত মূল্যায়ন ছাড়া কোনো রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি সফল হতে পারে না; কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমাদের প্রশাসনিক বাস্তবতায় এ দুটি বিষয়েরই চরম অনুপস্থিতি লক্ষ করা যায়।

বর্তমান সময়ে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রেক্ষাপট শুধু প্রশাসনিক পুনর্গঠন সময়ের দাবি নয়, এটি গণ অভ্যুত্থান-উত্তর ছাত্র-জনতার গণ- আকাঙ্খার ধারাবাহিক উত্তরাধিকারও বটে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৯০ সালের গণ আন্দোলন উভয়ের মধ্যেই ছিল একটি যৌথ স্বপ্ন তথা স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরও একটি জবাবদিহিমূলক, জনকেন্দ্রিক এবং কল্যাণমুখী বাংলাদেশ রাষ্ট্রব্যবস্থা অর্জনে ব্যর্থ, যার অন্যতম কারণ হলো জনপ্রশাসনের সংস্কারে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, নৈতিক দৃঢ় অবস্থান ও নীতিগত প্রয়াসের অভাব।

জনপ্রশাসন আজও অনেকাংশে আচরণগতভাবে ঔপনিবেশিক, কাঠামোগতভাবে ক্ষমতাকেন্দ্রিক এবং কার্যকরভাবে জনবিচ্ছিন্ন রয়ে গেছে। বর্তমান সময়ে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের কাঠামোতে আমূল সংস্কার অনিবার্য হয়ে উঠেছে। বিশ্বব্যাপী যেখানে প্রশাসনিক দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং জনগণের অংশগ্রহণমূলক সেবাদান ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দিকে রাষ্ট্রগুলো এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশে এখনো পুরোনো আমলাতান্ত্রিক কাঠামো দেশে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের বিকাশে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে প্রয়োজন এক সুসংহত, দীর্ঘমেয়াদি এবং নীতিনির্ভর প্রশাসনিক সংস্কার।

সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্রযন্ত্রের কাঠামোগত রূপান্তরের জন্য যেসব পদক্ষেপ নেওয়া অত্যাবশ্যক সেগুলো হলো :

প্রথমত, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা। যখন প্রশাসনিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকে তখন জনপ্রশাসন জনগণের নাগালের বাইরে চলে যায়। কিন্তু বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ও তৃণমূল প্রশাসনকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে প্রশাসনকে জনগণের নিকটবর্তী করা সম্ভব। এতে শুধু সেবার মানই বাড়ে না, বরং প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা এবং সম্পৃক্ততাও বৃদ্ধি পায়।

দ্বিতীয়ত, প্রশাসনের সর্বস্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। আমলাতন্ত্রের কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ অডিট এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। এটি কাঠামো ও পদ্ধতিগতভাবে এমন হতে হবে যেন রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে সক্ষম হয়।

তৃতীয়ত, স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা না হলে প্রশাসনিক শুদ্ধাচার সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ই-গভর্ন্যান্স, ওপেন ডেটা পোর্টাল এবং অনলাইন ফিডব্যাক ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম জনসম্মুখে উন্মুক্ত করা গেলে, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার হ্রাস পেতে পারে। এক্ষেত্রে তথ্যাধিকার আইন প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়ন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।

চতুর্থত, জনপ্রশাসনে নৈতিকতা ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। কর্মকর্তাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক মাপকাঠিতে মূল্যায়ন এবং মূল্যবোধভিত্তিক মানবসম্পদ উন্নয়ন ছাড়া একটি আধুনিক, মানবিক প্রশাসন কল্পনা করা যায় না।

আমলাতন্ত্রের ছায়াতলে দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্ব ও নিষ্পেষিত হতে থাকা জনগণের মুক্তির একমাত্র পথ হলো- জনপ্রশাসনের কাঠামোগত পরিবর্তন ও মনস্তাত্ত্বিক আমূল রূপান্তর। এ ব্যবস্থাকে আর ঔপনিবেশিক ধারার ‘শাসনযন্ত্র’ হিসেবে নয়, একটি ‘সেবামূলক রাষ্ট্রযন্ত্র’ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রশাসনের প্রতিটি স্তর হবে গণতান্ত্রিক নীতিমালায় পরিচালিত এবং জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। এজন্য একদিকে যেমন প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছার যেখানে রাজনীতিকরা প্রশাসনকে ক্ষমতা সংরক্ষণের বাহন হিসেবে ব্যবহার না করে জনসেবার হাতিয়ার হিসেবে দেখতে শেখেন, তেমনি প্রয়োজন সুশীল সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ। জনমতের চাপ, গবেষণা, প্রশিক্ষণ এবং নাগরিক সচেতনতাই পারে প্রশাসনকে বাধ্য করতে প্রগতিশীল সংস্কারের পথে। পাশাপাশি গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী ভূমিকা প্রশাসনিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অদক্ষতা জনসম্মুখে তুলে ধরে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সহায়ক হতে পারে। আমরা চাইলে সত্যিকার অর্থেই একটি স্বচ্ছ, মানবিক, জবাবদিহিমূলক এবং কল্যাণমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে পারি, যা জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে, আর সেটি করতে হলে ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকারকে পরিত্যাগ করে আমাদের নিজস্ব প্রেক্ষাপটে উপযোগী, ন্যায্য ও গণতান্ত্রিক প্রশাসনিক দর্শনের ভিত্তিতে একটি নতুন কাঠামো ও নীতিমালা তৈরি করতে হবে। একমাত্র তখনই রাষ্ট্রযন্ত্র প্রকৃত অর্থে জনগণের হয়ে উঠতে পারবে।

লেখক : ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, ইউনিভার্সিটি অব রোহ্যাম্পটন, যুক্তরাজ্য

Email : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট

৪৫ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়