শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:২২, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১০:২৫, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫

দলীয় রাজনীতির প্রভাবমুক্ত হোক ক্রীড়াঙ্গন

ইকরামউজ্জমান
অনলাইন ভার্সন
দলীয় রাজনীতির প্রভাবমুক্ত হোক ক্রীড়াঙ্গন

সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। এটি ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্রীয় জীবনসহ সর্বক্ষেত্রেই সব সময় প্রযোজ্য। দেশে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে সব ক্ষেত্রে সংস্কারের বিষয়টি নিয়ে নতুনভাবে ভাবা হচ্ছে আর এ ক্ষেত্রে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বৃহত্তর স্বার্থ, চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তাকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি জোর দাবি রাখছে। তবে এটি ঠিক, সব পরিবর্তন রাতারাতি হয় না। আমাদের বিষয় ক্রীড়াঙ্গন। এর অতীত ও বর্তমান হাল-হকিকত সচেতন মহলের অজানা নয়। দেশের ক্রীড়াঙ্গন অন্য যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র থেকে ভিন্ন। ভিন্ন এর সংস্কৃতি ও জীবনবোধ।

গত ৫৩ বছরে আমরা দেখেছি ক্রীড়াঙ্গনে সংস্কার সাধন এবং পরিবর্তনের উদ্যোগ। তবে এগুলোতে কতটুকু বৃহত্তর জনস্বার্থের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে আর কতটুকু সমষ্টি এবং ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে-এটি নিয়ে আলোচনা হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। অতীত পেছনে চলে যায় সত্যি, তবে এটিকে তো বাদ দেওয়া যায় না। অস্বীকার করা যায় না। কেননা অতীতের অভিজ্ঞতা বর্তমান সময়ের যে পাথেয়। আর ক্রীড়াঙ্গনের একটি চোখ তো সব সময় পেছনে থাকে!

মানুষ পরিবর্তন চাইছে। চাইছে ঐক্যবদ্ধ বৈষম্যহীন ন্যায়নীতির সমতার ক্রীড়াঙ্গন দেখতে, স্বাধীনতার পর যে ক্রীড়াঙ্গনের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল। মানুষ জেগে উঠেছে। তরুণরা তাদের আস্থা ও বিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা ক্রীড়াঙ্গনে পুরনো ছবি দেখা থেকে পরিত্রাণ চাইছে। চাইছে ক্রীড়াঙ্গনে সংস্কারের মাধ্যমে সুযোগ ও সম্ভাবনা কাজে লাগাতে। তারা শুধু মুখে নয়, বাস্তবতায় দেখতে চাইছে এই ক্রীড়াঙ্গনে প্রয়োজনীয় ইতিবাচক উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবর্তন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ক্রীড়াঙ্গনকে বুঝতে পারা। ক্রীড়াঙ্গনের চাহিদা ও সংস্কৃতি বোঝা। ওপরে উল্লেখ করেছি ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে অন্য কোনো সেক্টরের তুলনা করা যাবে না। ক্রীড়াঙ্গনের যাঁরা চালিকাশক্তি, সেই সংগঠকরা তাঁদের ব্যক্তিগত আবেগ এবং খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসার জন্য নিজেকে সংযুক্ত করেন। ৫৩ বছরের ক্রীড়া ইতিহাসে অনেক নিবেদিত সংগঠক, যাঁদের প্রজ্ঞা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা ও বিচক্ষণতা ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হতো, তাঁদের অনেকেই পরিবেশ-পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে নিজেকে ‘মিসফিট’ ভেবে ক্রীড়াঙ্গন থেকে ধীরে ধীরে সরে গেছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ক্রীড়াচর্চা। পুনর্বাসিত যাঁদের করা হয়েছে, তাঁরা অনেকেই শূন্যস্থানগুলো পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

ক্রীড়াঙ্গন পরিচালনার সঙ্গে যাঁরা জড়িত, তাঁদের মধ্যে দেশপ্রেম, কমিটমেন্ট ও দূরদর্শিতা গুরুত্বপূর্ণ। স্বতঃস্ফূর্তভাবে সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা ছাড়া লক্ষ্যে পৌঁছানো মুশকিল। পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, সহিষ্ণুতা এবং সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে একটি টিম হয়ে কাজ করা ছাড়া উপায় নেই। একত্ববাদিতা ক্রীড়াঙ্গনের কয়েকটি খেলাকে কিভাবে পিছিয়ে রেখেছে, বিতর্কিত করেছে, ক্রীড়াঙ্গনের মূল চেতনাকে ধ্বংস করেছে, তার অভিজ্ঞতা সবার আছে। ক্রীড়াঙ্গনে গণতান্ত্রিক চর্চার বিষয়টিকে পরিকল্পিতভাবে নষ্ট করা হয়েছে। নিজেরা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর একনায়কতন্ত্র ছিল তাঁদের পছন্দ। টিমে নির্বাচিত বিভিন্ন পদের সংগঠকরা অনুপ্রাণিত হয়ে ফুটবল ও ক্রিকেটে বিভিন্ন দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। তাঁদের দেওয়া হয়নি। এতে খেলার চর্চা সাফার করেছে। খেলার ভালোর জন্য, খেলাকে গতিশীল করার জন্য পেশাদারি মানসিকতার বিকল্প নেই। খেলার বৃহত্তর স্বার্থে সবাই একমত হলে যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগ সফল হতে বাধ্য।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার সফল অভ্যুত্থানের পর সর্বক্ষেত্রে অর্থবহ পরিবর্তনের রব উঠেছে। এর আগেই কিন্তু ২০২৩-২৪ ফুটবল মৌসুমে প্রথমবারের মতো লীগ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর ফুটবল সংগঠক মো. ইমরুল হাসান সবার ঐকমত্যে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যেখানে পরিবর্তনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০০৭ সাল থেকে দেশে পেশাদার প্রিমিয়ার লীগ শুরু হলেও এই উদ্যোগগুলো নিয়ে মাথা ঘামানো হয়নি। ভাবা হয়েছে খেলা তো মাঠে আছে।

বছরের পর বছর পেশাদার ফুটবল লীগ অনুষ্ঠিত হয়েছে অপেশাদার মোড়কে মুড়িয়ে। মো. ইমরুল হাসানের নেতৃত্বে লীগ কমিটি প্রথম শুরু করেছে সপ্তাহে দুই দিন (শুক্র ও শনিবার) লীগ ম্যাচ। আর মঙ্গলবার ফেডারেশন কাপের খেলা। আন্তর্জাতিক ফুটবল দুনিয়ায় এভাবেই খেলা অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক ফুটবলের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে খেলা পরিচালনা সচেতন মহলের প্রশংসা পেয়েছে। নির্ধারিত দিনে লীগ শুরু করা এবং শেষ করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শৃঙ্খলা ছাড়া উপায় নেই। এতে আন্তর্জাতিক ‘ফুটবল উইন্ডো’ প্রিমিয়ার লীগের ক্লাবগুলো প্রয়োজন সাপেক্ষে সহজেই কাজে লাগাতে পারছে। এটি দেশের পেশাদার ফুটবল ক্লাবগুলোর জন্য স্বস্তি!

দ্বিতীয়ত, প্রতিটি ম্যাচের পর একজন সাবেক ফুটবল লিজেন্ডের হাত দিয়ে ‘ম্যাচসেরা’ খেলোয়াড়কে পুরস্কৃত করা। এটি একটি নতুন উদ্যোগ। ফুটবলে আগে ছিল না। একসময় যেসব তারকা মাঠ আলোকিত করেছেন, ফুটবলপিপাসু মানুষকে অসংখ্য আনন্দঘন প্রহর উপহার দিয়েছেন-মাঠ থেকে বিদায় নেওয়ার পর দেশের ফুটবল সংস্কৃতি অনুযায়ী তাঁদের কথা কেউ মনে রাখে না। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া তাঁদের বেশির ভাগ লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান। পেশাদার লীগ কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁদের মধ্যে একজনকে প্রতি ম্যাচে মাঠে এনে সম্মান প্রদর্শন এবং তাঁদের অসাধারণ অবদানের সামান্যতম ঋণ পরিশোধ করতে; পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের ফুটবলার এবং ফুটবল দর্শকদের সঙ্গে তাঁদের মেলবন্ধন সৃষ্টি করতে। প্রতি ম্যাচে সাবেক তারকা খেলোয়াড়ের মাঠে উপস্থিতি আলাদা একটি আবেদন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে ফুটবল চত্বরে।

ফুটবল, ক্রিকেট, হকিসহ কোনো খেলায়ই পরিবর্তনের নামে হঠকারিতার সুযোগ নেই। ক্রীড়াঙ্গন যেন অনিশ্চয়তায় না ভোগে- এটিই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। ঘোড়ার আগে গাড়ি জোড়ার সুযোগ নেই। ক্রীড়া সংগঠন বাতিল করা খুব সহজ, কিন্তু পরে এটি নতুন করে সৃষ্টি করা কঠিন। দেশে খেলার চর্চাটা কিভাবে তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ে চলে, এটি বুঝতে হবে। কোন কোন খেলা চলছে আর কোন কোনটির চত্বরে নীরবতা বিরাজ করছে, এটি বুঝতে হবে। ক্রীড়াঙ্গন সর্বস্তরে পরিচালিত হতে হবে ক্রীড়া সংগঠকদের দ্বারা। আমরা বারবার বলেছি, ক্রীড়াঙ্গনে সংস্কার নিয়ে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের উচিত প্রায়োরিটি সেট করে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়া। লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে চলমান খেলাধুলা বাধাগ্রস্ত না হয়। ক্রীড়াঙ্গনে বিভিন্ন ধরনের সংস্কার সাধন তো অন্তর্বর্তী সরকারের এই স্বল্প সময়ে করা সম্ভব নয়। এই কাজ করবে পরে যারা নির্বাচিত হয়ে আসবে সেই সরকার। এরই মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো থেকে বলা হয়েছে, তারা নির্বাচিত হলে ক্রীড়াঙ্গন দলীয় রাজনীতির প্রভাবমুক্ত রাখবে। অপেক্ষায় থাকব আশাভঙ্গ না হওয়ার জন্য।

ভিন্ন প্রসঙ্গ

কাজী সালাউদ্দিন বাংলাদেশের ফুটবলে কিংবদন্তি এবং জনপ্রিয় খেলোয়াড়। খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। দেশের ফুটবলে কাজী সালাউদ্দিন একটি ‘ব্র্যান্ড’। প্রথম বাংলাদেশি খেলোয়াড়, যিনি হংকং প্রফেশনাল লীগে খেলেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সক্রিয় সদস্য। রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ফুটবলার। খেলোয়াড়, অধিনায়ক, কোচ ও সংগঠক। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে চারটি টার্মে (১৬ বছর) নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পঞ্চম টার্মে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত একান্ত ব্যক্তিগত কারণে আর নির্বাচনের লড়াইয়ে নামতে চাননি। বর্তমানে তিনি সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। খেলোয়াড় সালাউদ্দিন যেভাবে দেশের ফুটবলে প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন, সেটি অন্য কোনো খেলোয়াড়ের পক্ষে এখনো সম্ভব হয়নি। ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি হিসেবে সালাউদ্দিনের যেমন কিছু সফলতা আছে, আছে অনেক ব্যর্থতাও। তবে ইতিহাসের জন্য কাজী সালাউদ্দিনকে মূল্যায়ন করার সময় এখনো হয়নি। দোষে-গুণে মানুষ। ব্যক্তি সালাউদ্দিন এর ঊর্ধ্বে নন। তাঁর দোষ যেমন ছিল আবার গুণও ছিল। অনেকেই সালাউদ্দিনের বিরোধিতা করেছেন, তাঁকে হিংসা করেছেন, তাঁর সঙ্গে থেকেও বিরুদ্ধাচরণ করতে দ্বিধা করেননি। আবার কেউ কেউ তাঁকে পছন্দ করতেন। পছন্দ করতেন তাঁর কারিশমার জন্য। আন্তর্জাতিক ফুটবল চত্বরে সংগঠকদের মধ্যে সালাউদ্দিনের বিশেষ পরিচিতি ছিল।

স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ইংলিশ ফর টুডে বইয়ের স্পোর্টস পারসোনালিটি অধ্যায়ে এত দিন কৃতী ফুটবলার হিসেবে কাজী সালাউদ্দিন সম্পর্কে লেখা ছিল। এখন এটি বাদ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ফুটবলপ্রেমিক মানুষমাত্রই অবাক হয়েছেন। খেলোয়াড় সালাউদ্দিন তো তাঁর সময়ে অপ্রতিদ্বন্দ্বী খেলোয়াড়। তাঁকে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে কি নীতিহীনতার নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আছে? যদি থাকে, তাহলে কি সেটি তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে? সালাউদ্দিন আইনের ঊর্ধ্বে নন, যদি তিনি অন্যায় বা অপরাধ করে থাকেন, তাঁকে আইনের আওতায় আনার সুযোগ আছে। কিছু ব্যক্তিমানুষের বিদ্বেষ বা হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে কাজী সালাউদ্দিনকে হেয় প্রতিপন্ন করা হবে কেন? সুস্থ জীবনবোধের জয় হোক।

লেখক : কলামিস্ট ও বিশ্লেষক, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি, এআইপিএস এশিয়া। আজীবন সদস্য বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন। প্যানেল রাইটার, ফুটবল এশিয়া।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৬ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন
মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার
শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

১৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়