শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:২৪, শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫

ভারতের অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি: প্রবণতা, প্রভাব ও সম্ভাবনা

রাজিব ভাটিয়া
অনলাইন ভার্সন
ভারতের অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি: প্রবণতা, প্রভাব ও সম্ভাবনা

ভারতের অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি (এইপি) দেশের পররাষ্ট্র নীতির কাঠামোতে উচ্চ গুরুত্ব পেয়ে এসেছে। এই অঞ্চলের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য প্রচেষ্টা ও সম্পদ বরাদ্দ করার মধ্য দিয়ে এবং অঞ্চলটির রাষ্ট্রসমূহ কর্তৃক সম্মুখীন হওয়া মানবিক সহায়তা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং  ক্ষমতার ভারসাম্য সংক্রান্ত নানাবিধ বিষয় সমাধানের ক্ষেত্রে এটি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। ভারতের নেতৃবৃন্দ ও কূটনীতিকগণ দ্বিপাক্ষিক, উপ-আঞ্চলিক ও আঞ্চলিক স্তরে সমস্ত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্রিয় ও গঠনমূলকভাবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। ভারত পূর্বাঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ক্রীড়নক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

পটভূমি, প্রবণতা

কিন্তু অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি (এইপি) স্থবির নয়, এটি গতিশীল। এর বিকাশকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। ঔপনিবেশিক যুগের আগে, পুরোহিতগণ, সন্ন্যাসীগণ, ব্যবসায়ীগণ ও সাধারণ মানুষ শতাব্দীজুড়ে ভারতের উপকূলীয় এলাকাসমূহ থেকে পূর্ব অভিমুখে যাতায়াত করতেন। এই ঘটনাটি আজও ওড়িশার 'বালি যাত্রা' উৎসবের মাধ্যমে স্মরণ করা হয়ে থাকে। ভারতের শিল্পকলা ও সংস্কৃতির গভীর প্রভাব কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ায় হিন্দু ও বৌদ্ধ মন্দিরসমূহে সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। স্বাধীনতার পরে, পারস্পরিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকে ও বিস্তৃতি লাভ করে, তবে সেটা অধিকতর মাত্রায় রাজনৈতিক প্রকৃতির ছিল, যার ফলশ্রুতিতে, উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একটি সহযোগিতা সৃষ্টি হয় যা জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন গঠন করে। স্নায়ুযুদ্ধের অবসান বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজতে শুরু করার ক্ষেত্রে ভারতের জন্য একটি নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করে যখন দেশটি বড় আকারে অর্থনৈতিক উদারীকরণে প্রবৃত্ত হয়। এভাবেই ১৯৯০-এর দশকের প্রথম দিকে লুক ইস্ট পলিসি-র সূচনা হয়।

এই পটভূমিতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৩ নভেম্বর ২০১৪-এ মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত ৯ম পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের অধিবেশনে মঞ্চে উঠে ঘোষণা করেন, "ছয় মাস আগে ক্ষমতায় আসার পর থেকে, আমার সরকার অগ্রাধিকারের  একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি নিয়ে এগিয়ে চলেছে এবং আমাদের লুক ইস্ট পলিসিকে অ্যাক্ট ইস্ট পলিসিতে রূপান্তরিত করতে সম্মত হয়েছে।"

পুরোনো নীতি থেকে নতুন নীতিতে পরিবর্তন শুধুমাত্র নাম পরিবর্তন ছিল না। এটি ছিল একটি দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিবেশে দেশের বিস্তীর্ণ স্বার্থসমূহের অন্বেষণ করার জন্য ভারতের বাড়তি সংকল্পকে প্রতিফলিত করে, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পুনর্বিন্যাস। নীতির লক্ষ্য এখন শুধু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া নয়, বরং পুরো পূর্ব এশিয়া, যদিও সেটা আসিয়ান-এর 'কেন্দ্রিকতা'-র প্রতি কোনো আপস ছাড়াই। তদুপরি, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত হিসাবনিকাশ পূর্ববর্তী মূলত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার প্যাকেজের সাথে যোগ করা হয়েছিল। একটি নতুন নীতিগত লক্ষ্য ছিল ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের দিকে যথাযথ মনোযোগ দেওয়া এবং আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দেওয়া। অবশেষে, যখন চীনের আগ্রাসন বৃদ্ধি পাচ্ছিল, তখন ভারতের প্রতিশ্রুতিসমূহ বাস্তবায়নে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া ছিল নতুন নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

একই দশকের শেষের দিকে, এইপি-র ওপর ভিত্তি করে ভারতের ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশন গড়ে উঠেছিল, যেখানে ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে গভীর আন্ত:সংযুক্তির ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। এটি সাগার (সিকিউরিটি অ্যান্ড গ্রোথ ফর অল ইন দ্য রিজিওন - অঞ্চলের সবার জন্য নিরাপত্তা ও উন্নতি) মতবাদের দ্বারা আরও শক্তিশালী হয়েছিল। ধারাবাহিকভাবে, ভারত একটি মুক্ত, উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে সমর্থন করে, যা একটি নীতিভিত্তিক আন্তর্জাতিক আদর্শের উপর নির্মিত, যেমনটি পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ২০২২ সালের আগস্টে থাইল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দেওয়ার সময় জোর দিয়ে বলেছিলেন।

প্রভাব

বিগত দশকে (২০১৪–২০২৪) এইপি-র প্রভাব বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করা যেতে পারে। প্রথমত, আসিয়ান-এর সাথে ভারতের সম্পর্ক শক্তিশালী থেকে আরও শক্তিশালী হয়েছে। বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন একটি মূল্যবান সুযোগ প্রদান করে, যা প্রগতির পর্যালোচনা করতে এবং রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ও সাংস্কৃতিক, শিক্ষাবিষয়ক ও মানুষে-মানুষে বন্ধনের ক্ষেত্রে আরও কিছু কাজ করার ব্যাপারে সহায়ক। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০১৪-১৫ সালে ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ২০২৩-২৪ সালে ১২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে ভারত থেকে আসিয়ান-এ বার্ষিক এফডিআই প্রবাহ ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ২০২৩ সালে ৫.৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যেখানে ২০০০-২৪ সাল পর্যন্ত ভারতের মধ্যে আসিয়ান-এর মোট বিনিয়োগ ১১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে মূল্যায়িত হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে, ভারত ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে ১৪তম পূর্ব এশিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে ইন্দো-প্যাসিফিক ওশান্স ইনিশিয়েটিভস (আইপিওআই) চালু করেছে। এটি সাতটি স্তম্ভে কেন্দ্রিত, যেমন সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সামুদ্রিক পরিবেশ ও সামুদ্রিক সম্পদ এবং এটি আসিয়ান আউটলুক অন ইন্দো-প্যাসিফিক (এওআইপি)-এর জন্য একটি প্রাকৃতিক সঙ্গতি। দুটি উদ্যোগের মধ্যে সহযোগিতামূলক প্রকল্পসমূহ আলোচনাধীন রয়েছে ও ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

তৃতীয়ত, আসিয়ান-এর সীমানা অতিক্রম করে এবং একটি বিস্তৃত কৌশলগত পদ্ধতি গ্রহণ করে ভারত কোয়াড নামে পরিচিত চার-শক্তির একটি গোষ্ঠী গঠন ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে নেতা হয়ে উঠেছে। এর অন্যান্য সদস্যরা হলো যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া। সম্প্রতি, এই গোষ্ঠী তার ২০তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করেছে। ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে, চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীগণ উল্লেখ করেছেন, “একটি বিপর্যয়ের জরুরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে যেটা শুরু হয়েছিল, সেটা আমাদের অঞ্চলের মানুষের জন্য ইতিবাচক ফলাফল প্রদানকারী একটি পূর্ণাঙ্গ অংশীদারত্বে রূপ নিয়েছে।”

চতুর্থত, এইপি ভারতকে ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ), বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টোরাল, টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) ও প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরাম (পিআইএফ)-এর মতো অন্যান্য আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করার জন্য উৎসাহিত করেছে। এই সংস্থাগুলোর ক্রমাগত শক্তিশালীকরণ ও তাদের বহুমুখী কার্যক্রমে ভারতের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা নীতিটির সাফল্যের প্রমাণ। তবে এই ক্ষেত্রে আরও অনেক কিছু করার প্রয়োজন।

সম্ভাবনা

এইপি'র সাফল্য ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি উল্লেখ করেছেন, এই নীতি আসিয়ানের সঙ্গে সম্পর্ককে পুনরুজ্জীবিত করেছে, “এতে শক্তি, দিকনির্দেশনা ও গতি সংযোজন করেছে।” তবে আগামী বছরগুলোতে এই অঞ্চলের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জসমূহ আরও তীক্ষ্ণ হবে। হোয়াইট হাউজে নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের আগমনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হতে পারে। দক্ষিণ ও পূর্ব চীন সাগরে চীনের আক্রমণাত্মক ও বলপ্রয়োগমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বহু বছরের আলোচনার পরও, দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে কার্যকরী কোড অব কন্ডাক্ট (সিওসি) কবে প্রতিষ্ঠিত হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বিদ্যমান।

যদিও ভারত রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকনোমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি)-তে যোগ দিতে পারেনি, যা তার আসিয়ান বন্ধুদের হতাশ করেছিল, তবে বর্তমানে ভারত-আসিয়ান পণ্য বাণিজ্য চুক্তি (এআইটিআইজিএ)-এর পর্যালোচনা সময়মতো সম্পন্ন করা উচিত, যার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের উল্লেখযোগ্য উন্নতির জন্য আরও ভালো পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।

মিয়ানমারের গভীর সংকট ভারতের বৃহৎ সংযোগ প্রকল্পগুলোর অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে, যেমন ত্রিপক্ষীয় মহাসড়ক ও কালাদান বহুমুখী পরিবহণ প্রকল্প। আসিয়ান ও মিয়ানমারের প্রতিবেশীদের উচিত মিয়ানমারের বিভিন্ন অংশীজনকে সহিংস সংঘাত থেকে সরিয়ে এনে শান্তিপূর্ণ আলোচনায় ফিরে আসার জন্য তাদের প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করা।

বিস্তৃত এই অঞ্চলের চ্যালেঞ্জসমূহের প্রতি মনোযোগী থাকলেও, ভারতের কূটনীতিকে প্রধান অংশীদারদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার দিকে মনোযোগী থাকতে হবে। এই প্রেক্ষাপটে, প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনে প্রধান অতিথি হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর ভারত সফর ভবিষ্যতের জন্য শুভ সংকেত বহন করে।

রাজীব ভাটিয়া গেটওয়ে হাউজের ডিস্টিংগুইশড ফেলো। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ব্যাপক কূটনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন প্রাক্তন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত, তিনি India-Myanmar Relations: Changing Contours বইটির রচয়িতা।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৬ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন
মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার
শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

১৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়