শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:০৭, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আত্মরক্ষাকে আত্মসমর্পণ মনে হতে পারে

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
আত্মরক্ষাকে আত্মসমর্পণ মনে হতে পারে

ভাষা কেবল ফেব্রুয়ারি মাসের সমস্যা নয়, সারা বছরেরই। নির্ভয়ে বলা যাবে সমস্যা সে যুগ-যুগান্তরের। কিন্তু তাই বলে ভাষা যে আবার কারো নিজস্ব সম্পত্তি, তা-ও নয়, যদিও কেউ কেউ কখনো কখনো তা মনে রাখে না এবং এমনও আচরণ করে, যেন ভাষা তাদের ঘরের চাকর, যা-তা করবে, যেমন ইচ্ছা খাটাবে। ব্যক্তির স্বাধীনতা অবশ্যই রয়েছে, থাকা দরকার, আমরা প্রত্যেকেই একেক সময় একেক ভাষা ব্যবহার করি, রাগলে এক প্রকার, শান্ত সময়ে ভিন্ন, ঘরে এক, বাইরে অন্য।

কথা হচ্ছে নিজের ভাষাকে সবার ভাষা করার চেষ্টা। যেমনটা পাকিস্তানি আমলে হয়েছিল। সে সময়ে, ১৯৪৯ সালের অক্টোবর মাসে সরকারি মাহে নও পত্রিকার সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছিল, ‘গোজাশত এশায়াতে আমরা অতীতে বাংলা ভাষার নানা মোড় পরিবর্তনের কথা মোখতাসারভাবে উল্লেখ করেছিলাম। বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্বন্ধে ওয়াকেবহাল সবাইকে স্বীকার করতেই হবে যে শৈশবেই বাংলা ভাষা মুসলমান বাদশাহ এবং আমীর ওমরাহদের নেক নজরেই পাওয়ারেশ পেয়েছিল এবং শাহী দরবারের শান-শওকত হাসিল করেছিল।’ 

ইত্যাদি ইত্যাদি। সেদিন একটি গবেষণামূলক প্রবন্ধে উদ্ধৃতিটি আবার পড়লাম। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা হাসবে নিশ্চয়ই এবং অত্যন্ত বিস্ময় প্রকাশ করবে এ কথা ভেবে যে এই সম্পাদকীয়কে এতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কেননা এ তো অত্যন্ত হাস্যকর এবং সম্পূর্ণ পরিত্যাজ্য। এর তো তৎক্ষণাৎ উড়ে যাওয়ার কথা ছিল, যেমন গেছে সে উড়ে—শেষ পর্যন্ত। হ্যাঁ, তাই। হাস্যকর এবং পরিত্যাজ্য বটে। তবু এর গুরুত্ব অবশ্যই ছিল। এমনিতে মনে হবে যে এটি সম্পাদকের নিজস্ব ভাষা।

তাঁর ব্যক্তিগত ভাষাকে তিনি সর্বজনীন করতে চাইছিলেন। তা চান না কেন, তাতে আসে যায় কী। কত পাগল আছে সংসারে, ছাগলেরও কোনো অভাব নেই। না, ব্যাপারটা অতটা সহজ ছিল না। এ কোনো ব্যক্তিগত ভাষা নয়, চেষ্টা ছিল ওই ভাষাকেই বাংলা ভাষা করার। ভাষায় আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহারে আপত্তির কোনো কারণ থাকার কথা নয়, যদি তা ঘটে সাহিত্যের প্রয়োজনে। ভারতচন্দ্র থেকে শুরু করে নজরুল ইসলাম পর্যন্ত বহু লেখক আরবি-ফারসি শব্দের চমৎকার নন্দনতাত্ত্বিক ব্যবহারের মধ্য দিয়ে ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন। ব্যঙ্গ রচনায়ও এসব শব্দ অত্যন্ত সাফল্যজনকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। প্যারীচাঁদ মিত্রের ঠগচাচা তো বটেই, আমাদের ঘরের কাছের আবুল মনসুর আহমদের ‘হুজুর কেবলা’ পর্যন্ত বহুজনেই মাহে নওয়ের ওই জবানের কাছাকাছি ভাষায় কথা বলেছে। সে নিয়েও কারো আপত্তি নেই। কেননা ব্যাপারটি শৈল্পিক, নন্দনতাত্ত্বিক। মাহে নওয়ের সম্পাদকীয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনা। সেটিকে উপেক্ষা করার উপায় ছিল না ব্যক্তির রুচিবিকৃতি মনে করে, গ্রহণ করাও সম্ভব ছিল না শৈল্পিক সৃষ্টি হিসেবে। কেননা সমস্ত বিষয়টি ছিল রাজনৈতিক। ওই সম্পাদকীয়ের পেছনে রাষ্ট্রযন্ত্র ছিল দাঁড়িয়ে। তারই অভিপ্রায় প্রকাশ পাচ্ছিল ওর মধ্য দিয়ে। বিপদ ছিল সেখানেই। গুরুত্বও সে জন্যই।

মনে হতে পারে যে ভাষাকে তখন ইসলামীকরণের চেষ্টা করা হচ্ছিল। আপাতদৃষ্টিতে ব্যাপারটি তা-ই। ওই গবেষণা প্রবন্ধেও সেটি বলা হয়েছে। কিন্তু ইসলামীকরণ না বলে পাকিস্তানীকরণ বলাই বোধ করি অধিক সংগত হবে। কেননা তাতে ওই যে রাজনীতির ব্যাপার, সেটি থাকবে সামনে। পাকিস্তানি শাসকরা যে উত্কৃষ্ট ইসলামপন্থী ছিল তা নয়, তারা অতি উত্কৃষ্ট জালেম ছিল, একাত্তরে যা অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ধর্মের নামে ওই খুনিরা তখন নির্বিচারে অসংখ্য ধার্মিক মানুষকে হত্যা করেছে। তাদের সেই খুনের সঙ্গে ধর্ম-কর্মের কোনো সম্পর্ক ছিল না। ধর্ম ছিল অজুহাত মাত্র। বাঙালির ভাষাকে তারা যদি অবলুপ্ত করে দিতে চেয়ে থাকে, তবে তা এ ভাষা ‘ইসলামবিরোধী’ ছিল বলে নয়, একে নষ্ট করে দিলে বাঙালিদের চিরকালের জন্য পদানত করে রাখতে পারবে মনে করে। অনুপ্রেরণাটি মোটেই ধর্মীয় নয়, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। ওই সম্পাদক যে অত্যন্ত ধার্মিক ব্যক্তি ছিলেন, তা মনে করার কারণ নেই, তবে তিনি যে অত্যন্ত চতুর ব্যক্তি ছিলেন, সেটি নিঃসন্দেহ। তিনি জানতেন কর্তারা কী চান, যা চান তা-ই লিখেছেন এবং লিখে, খুবই সম্ভব, উচ্চতর পদ লাভ করেছেন। তিনি রাষ্ট্রের চাকর, তার বেশি কিছু নয়।

আবুল মনসুর আহমদের কথা উল্লেখ করেছি, তিনি বাংলা ভাষার পক্ষের মানুষ ছিলেন আজীবন, জেল খেটেছেন রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে যোগ দিয়ে। তাঁরও একটি ব্যক্তিগত ভাষা ছিল, সেটি তাঁর এলাকার, ময়মনসিংহের। তা থাকুক, থাকা স্বাভাবিক বটে। কিন্তু তিনি তাঁর ওই ভাষাকে যখন সাহিত্যের ভাষা করতে চাইলেন এবং তাকে ব্যবহার করে ‘জীবনক্ষুধা’ নামে আস্ত একটি উপন্যাস প্রকাশ করে ফেললেন, তখন অনেকেরই চক্ষু বস্ফািরিত হয়েছিল। ব্যাপারটি কেবল যে ব্যক্তিগত রুচিতাড়িত কিংবা নন্দনতত্ত্বের অনুরোধ-উপজাত ছিল, তা মনে হয় না, যখন দেখি অন্যত্রও এমন ভাষা তিনি ব্যবহার করতে চাইছেন; যাকে অন্য ভালো নামের অভাবে বলা যাবে ‘পাক-বাংলার কালচারী’ ভাষা। ওই নামটি তাঁরই দেওয়া। 

তিনি একই সঙ্গে পাকিস্তানে, বাংলায় ও কালচারে বিশ্বাস করতেন। অর্থাৎ আমরা বাঙালি বটে, কিন্তু আবার পাকিস্তানিও এবং আমাদের সংস্কৃতিতে ইংরেজি উপাদানও ঐতিহাসিক কারণে অনুপ্রবিষ্ট হয়ে গেছে। এই হচ্ছে আমাদের তিন সত্য। তা পাকিস্তানের আমলে অনেকেই নিজেদের একাধারে বাঙালি ও পাকিস্তানি বলে বিশ্বাস করতেন বৈকি এবং যাঁরা নিজের বাঙালিত্ব ভুলে কেবল পাকিস্তানি মনে করতেন নিজেদের, তাঁদের তুলনায় এঁরা যে প্রগতিশীল ছিলেন, তা-ও ইতিহাসের সেই স্তরে সত্য ছিল। নইলে আবুল মনসুর আহমদকে কারাদণ্ড দেওয়া হবে কেন? কিন্তু ওই যে পাক-বাংলার কালচারের ধারণা, ওটি যে একটি রাজনৈতিক প্রত্যয় আসলে, সেখানেই রয়েছে এর বিশেষ তাৎপর্য। এটি বোঝা যায় তখন, যখন বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে আবুল মনসুর আহমদ লেখেন যে অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবই বাস্তবায়িত হয়েছে, যার অর্থ দাঁড়ায় যে এক পাকিস্তানের জায়গায় একাধিক পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হলো—শেষটার অর্থ এভাবেই রাজনীতিতে এসে যায় এবং বোঝা যায় রাজনীতির বাইরে যাওয়া কত কঠিন। বুঝতে পারি আমরা যে ধর্মও রাজনীতির অধীনে চলে যায় এবং রাজনীতির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আতাউর রহমান খান যখন তাঁর ‘স্বৈরাচারের দশ বছর’ বইয়ে পাকিস্তানি আমলে বেতার-সংবাদের এই রকম একটি নিদর্শন উদ্ধৃত করেন, ‘...পিছলে এতোয়ার খান গাফফার খান লেড়কা গ্রেফতার হয়েছেন। 

হুকুমতে হায়দারাবাদ হুকুমতে হিন্দুস্থানের জং ও জেহাদের ইরাদা জাহির করেছেন’, তখন কোনো সন্দেহ থাকে না যে প্রকারান্তরে তিনি সেকালের শাসকদের রাজনৈতিক অভিলাষকেই উদঘাটিত করেছেন। কিন্তু হ্যাঁ, কিন্তু আছে। কিন্তু সামরিক শাসনের আমলে বাংলাদেশের ‘প্রধানমন্ত্রী’ হয়ে তিনিই যখন বলে বসেন যে ‘গোস্ত’ না বলে ‘মাংস’ বললে এই বস্তু আহারে তাঁর সমগ্র অভিরুচি একেবারে বিনষ্ট হয়ে যায়, তখন আমরা কী বলব? বলতেই হয় যে সাংস্কৃতিক রাজনীতি অত্যন্ত সূক্ষ্ম; এবং সূক্ষ্ম বটে, কিন্তু সে অনিবার্যভাবে কাজ করে যায়—গোপনে। লক্ষ না করে উপায় থাকে না যে তাঁর ওই বক্তব্য তাঁর অজান্তেই তাঁকে অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে গণধিক্কৃত মোনেম খাঁর কাছে নিয়ে যায়, যিনি ‘গোস্ত’ না বলে ‘মাংস’ এবং ‘আণ্ডা’ না বলে ‘ডিম’ বললে অত্যন্ত বিরূপ হতেন। ‘গোস্ত’ বলবেন, নাকি ‘মাংস’, সেটিকে ব্যক্তিগত রুচি-অভিরুচির প্রশ্ন বলায় কোনো অসুবিধা থাকত না এবং এ ধরনের উক্তিকে বাতাসের মতো হালকা জ্ঞান করে অবজ্ঞাও করা যেত, যদি না বক্তারা প্রধানমন্ত্রী কিংবা লাট সাহেব হতেন। সেই জোরেই বলেছেন এবং আমরা শুনতে বাধ্য হয়েছি। তখন তো সমগ্র বিষয়টিই রাজনৈতিক হয়ে দাঁড়ায় এবং বোঝা যায়—ওই যে যা বলছিলাম, রাজনীতি কিভাবে ভাষার ঘাড়ে হাত দিতে উদ্যত হয়। সে তো বটেই, উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা একটি রাজনৈতিক প্রচেষ্টা ভিন্ন আর কী ছিল?

এটি আজ ইতিহাসের অন্তর্গত যে ১৯৫০ সালে লিখিত একটি প্রবন্ধে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ আরবিকে আমাদের জাতীয় ভাষা বলে দাবি করেছিলেন। ভাবলে তাজ্জব হতে হয় বৈকি। দুই কারণে। এক. সারা জীবন ড. শহীদুল্লাহ ছিলেন বাংলা ভাষার অনড় ও অকৃত্রিম সমর্থক, পাকিস্তান আমলে সেই যে চেষ্টা হয়েছে ভাষা সংস্কারের, হরফ বদলের, উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার, যেসব উদ্যমে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের কেউ কেউ যোগ দিয়েছিলেন, তিনি তাঁদের কোনোটিরই ধারেকাছে পর্যন্ত ছিলেন না। 

দুই. তাঁর তুলনীয় জ্ঞানী ভাষাবিদের তো এটি অজানা থাকার কথা নয় যে ভাষা ধর্মের সীমা মানে না, যে জন্য আরবি কেবল মুসলমানের ভাষা নয়, অমুসলিম আরবদের ভাষাও বটে। তাহলে কেন তিনি আরবিকে জাতীয় ভাষা বলে গণ্য করতে চাইলেন? এর ব্যাখ্যা পেতে হলে ওই সময়কার রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে স্মরণ করতে হবে। তখন উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা হচ্ছিল, এই যুক্তিতে যে উর্দু এবং কেবল উর্দুই আমাদের জাতীয় ভাষা হওয়ার দাবিদার। ড. শহীদুল্লাহ মনে হয় ওই রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রতিবাদ করছিলেন এবং উর্দুওয়ালাদের পালের হাওয়া কেড়ে নিতে চাইছিলেন পাল্টা এই যুক্তি দাঁড় করিয়ে যে জাতীয় ভাষা (কওমি জবান) বলে যদি কোনো ভাষার দাবি থেকেই থাকে, তবে সেটি আরবির, যা পবিত্র কোরআনের ভাষা। ড. শহীদুল্লাহ পাকিস্তানিদের তাদের নিজেদের খেলায়ই হারিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কেননা যতই পাক সাফ হোক, তারা আরবিকে রাষ্ট্রভাষা করার মতো ঈমানদার ছিল না। তারা উর্দু চেয়েছে ধর্মীয় কারণে নয়, বৈষয়িক কারণে। ওই রাজনৈতিক প্রেক্ষিতটি না জানা থাকলে শহীদুল্লাহকে তো বটেই উক্তিটিকেও ভুল বোঝার ষোলো আনা আশঙ্কা বিদ্যমান থাকে, আত্মরক্ষাকে আত্মসমর্পণ বলে মনে হতে পারে। (লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৩৪ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২০ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন