শিরোনাম
প্রকাশ : ২৫ জুলাই, ২০২১ ১৫:৪১
প্রিন্ট করুন printer

ইমপোর্টস গুড ফেয়ার (আইজিএফ)-এ বাংলাদেশ দূতাবাসের অংশগ্রহণ

কোরিয়া প্রতিনিধি

ইমপোর্টস গুড ফেয়ার (আইজিএফ)-এ বাংলাদেশ দূতাবাসের অংশগ্রহণ
বাংলাদেশ দূতাবাসের ইমপোর্টস গুড ফেয়ারে অংশগ্রহণ
Google News

বাংলাদেশ দূতাবাস, সিউল গত ২২ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত কোরিয়া ইমপোটার্স এসোসিয়েশন  (কইমা) কর্তৃক আয়োজিত কনভেনশন এন্ড এক্সজিবিশন সেন্টার (কোয়েক্স)-এ অনুষ্ঠিত ১৮তম ইমপোর্টস গুড ফেয়ারে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। 

এ বছর ৪০টি দেশের দূতাবাসসমূহ এবং বিভিন্ন দেশের ২২টি প্রতিষ্ঠান আই জি এফ-এ অংশগ্রহণ করে। কইমা'র ( KOIMA) চেয়ারম্যান হং কুয়াং হি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য, শিল্প ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ইয়ং ত্যা চয়সহ অন্যান্য রাষ্ট্রদূত এবং দূতাবাসসমূহের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আই জি এফ মেলাটির শুভ উদ্বোধন করেন।   

মেলার উদ্বোধনের পরে রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম কইমা'র (KOIMA) চেয়ারম্যান, দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য, শিল্প ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এবং অন্যান্য রাষ্ট্রদূতদের বাংলাদেশের স্টল পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানান এবং তাদেরকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প পণ্য উপহার দেন। 

মেলায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-এর সৌজন্যে বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্যসমূহ, যেমন- তৈরি পোশাক, পাট ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক পণ্য, হস্তশিল্প যেমন-পিতলের পণ্য, ঐতিহ্যবাহী পুতুল ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়। 

উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও সম্ভাবনাময় আমদানিকারকরা বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্য এবং সিরামিক পণ্য সম্পর্কে গভীর আগ্রহ দেখান। এছাড়াও ফারগো'র অর্গানিক খাদ্য সামগ্রী, যেমন- মিশ্রিত বাদাম, মধু, মরিঙ্গা চা ও ঘি দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকায় এ বছর মেলায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা গত বছরের তুললায় কম ছিল। গত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ মেলায় প্রায় শতাধিক দর্শনার্থী বাংলাদেশের স্টল পরিদর্শন করেন।

এ সকল মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের পণ্যসমূহ সম্পর্কে কোরিয়ান ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের আগ্রহ সৃষ্টিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখছে। 

তবে এ মেলাসমূহ বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পসমূহের অংশগ্রহণ বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিস্তৃতকরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

 

বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির 

এই বিভাগের আরও খবর