শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ এপ্রিল, ২০১৯ ২৩:২০

জেলার খেলা- ১ গাইবান্ধা

স্টেডিয়াম আছে জিমনেশিয়াম নেই

গৌতমাশিস গুহ সরকার, গাইবান্ধা

স্টেডিয়াম আছে জিমনেশিয়াম নেই

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার শাহ্ আব্দুল হামিদের নামে গাইবান্ধায় ১০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ‘শাহ্ আব্দুল হামিদ স্টেডিয়াম’। এই মাঠে খেলেই জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দলে স্থান পেয়েছেন ফারজানা হক পিংকি, নুজহাত টুম্পা, তিথি রানী সরকার, শারমিন আক্তার শুক্তা। তবে স্টেডিয়াম থাকলেও নেই কোনো জিমনেশিয়াম বা ইনডোর স্টেডিয়াম। যে কারণে জাতীয় পর্যায়ে অবস্থান করে নিয়েও নিয়মিত অনুশীলন করার পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় এথলেটরা দীর্ঘ মেয়াদে ভালো করতে পারছেন না।

জিমনেশিয়ামের অভাবে টেবিল টেনিস, হ্যান্ডবল, ব্যাডমিন্টনের মতো জনপ্রিয় ইনডোর গেমস আয়োজনে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে গাইবান্ধা জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে।

একমাত্র স্টেডিয়াম বছরের অধিকাংশ সময় জুড়ে বিভিন্ন খেলাধূলা ও প্রশিক্ষণে মুখর হয়ে থাকে। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সূত্র থেকে জানা গেছে, সংস্থার আয়োজনে  প্রতি বছরই ১ম বিভাগ, ২য় বিভাগ, ৩য় বিভাগ ক্রিকেট লিগ এবং প্রাইম ব্যাংক ইয়ং টাইগার্স জাতীয় স্কুল ক্রিকেট প্রতিযোগিতা এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৬, অনূর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা, নারী ক্রিকেট প্রতিযোগিতা এই মাঠে হয়ে থাকে। জাতীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় জেলা টিম গঠন করে পাঠায় জেলা ক্রীড়া সংস্থা।

এছাড়া বার্ষিক অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা, টেবিল টেনিস লিগ, হ্যান্ডবল, ভলিবল, দাবা ও ব্যাডমিন্টন লিগ আয়োজন করা হয়। ক্রিকেট, হ্যান্ডবল, টেবিল টেনিস ও অ্যাথলেটিক্স প্রশিক্ষণেরও আয়োজন করা হয়। জিমনেশিয়াম না থাকায় ইনডোর গেমস আয়োজন শহরের পাবলিক লাইব্রেরিসহ বিভিন্ন স্থানে করতে গিয়ে অসুবিধায় পড়তে হয়। এরমধ্যেও এবার জাতীয় পর্যায়ে অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার লং জাম্পে স্বর্ণপদক পেয়েছেন গাইবান্ধার সুমনা খাতুন, এছাড়া ৪০০ মিটার দৌড়ে ৪র্থ হন আশিকুর রহমান। জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে প্রতিবছর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় হ্যান্ডবল, টেবিল টেনিস, ভলিবল, কাবাডি, কুস্তি, বক্সিং, জুডো, দাবা ইত্যাদিতে অংশ নিতে দল পাঠানো হয়।

 


আপনার মন্তব্য