শিরোনাম
প্রকাশ : ১৩ আগস্ট, ২০২০ ২১:২৬

মেসির রেকর্ড ছুঁলেন নেইমার, রুদ্ধশ্বাস জয়ে সেমিতে পিএসজি

অনলাইন ডেস্ক

মেসির রেকর্ড ছুঁলেন নেইমার, রুদ্ধশ্বাস জয়ে সেমিতে পিএসজি

এভাবেও ফিরে আসা যায়। দলে নেই ডি মারিয়া, এমব্যাপে, ড্র্যাক্সলারের মতো তারকারা। ভরসা শুধু নেইমার। তারমধ্যে করোনা আবহে এবার এক লেগের কোয়ার্টার ফাইনাল। অর্থাৎ কোনও অঘটন ঘটলে ফিরে আসার সুযোগ পর্যন্ত নেই। এমনই ম্যাচে নিজের জাত চেনালেন নেইমার। ফ্রান্সের চ্যাম্পিয়ন ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইনকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ চারে তুলল তাঁরই দুটো বিশ্বমানের পাস। আর একই ম্যাচে নিজের এক সময়ের সতীর্থ লিও মেসির রেকর্ডও ছুঁলেন ব্রাজিলের ওয়ান্ডার কিড।

চলতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে সব নক আউট এক পর্বের খেলা হবে। অর্থাৎ কোনও হোম অ্যাওয়ে নেই। এক ম্যাচেই পরের রাউন্ডে যাওয়া নির্ভর করছে। এই রকমের ম্যাচে ইতালির আটালান্টার বিরুদ্ধে শুরু থেকেই অবশ্য ফেভারিট ছিল পিএসজি। যদিও ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য নিয়ে খেলতে থাকে আটালান্টা। অন্যদিকে বেশ কিছু ফুটবলার না থাকায় কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিল ফ্রান্সের চ্যাম্পিয়ন টিম।

প্রথম থেকে আক্রমণের ফলও পায় আটালান্টা। ম্যাচের ২৬ মিনিটের মাথায় গোল করে তাদের এগিয়ে দেন মারিও পাসালিচ। গোল করার পরেই রক্ষণ মজবুত করে দেয় আটালান্টা। ফলে গোলের মুখ খুলতে পারছিল না পিএসজি। ৯০ মিনিট পর্যন্ত গোল পায়নি পিএসজি। দর্শকরা ধরেই নিয়েছেন অঘটনের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আরও একটা অঘটন ঘটতে চলেছে। আর ঠিক তখনই জ্বলে উঠলেন নেইমার।

গোল পাওয়ার জন্য শেষদিকে এমব্যাপে ও এরিক ম্যাক্সিম চউপো মোটিংকে নামিয়ে দেন পিএসজি কোচ থমাস টুশেল। ফলে আক্রমণ বাড়তে থাকে তাদের। ৯০ মিনিটের মাথায় নেইমারের পাস থেকে গোল করে সমতা ফেরান মাঝমাঠের ফুটবলার মারকুইনহোস। দেখে মনে হচ্ছিল অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে ম্যাচ। কিন্তু ইনজুরি টাইমের ৩ মিনিটের মাথায় ফের নেইমারের পাস থেকেই পিএসজির হয়ে জয়সূচক গোল করেন এরিক ম্যাক্সিম চউপো মোটিং। হারতে থাকা ম্যাচ বের করে নেয় পিএসজি। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে পৌঁছল তারা।

এদিন কোনও গোল না করলেও দুটি গোলই করিয়েছেন নেইমার। শুধু তাই নয়, তার অন্যবদ্য দুটবল মুগ্ধ করেছে সবাইকে। মাঠে যেন ফুল ফুটিয়েছেন তিনি। নেইমারের সাম্বার ছন্দে ভেঙে পড়েছে ইতালির ক্লাবের রক্ষণ। আর তার ফলেই নিজের এককালের সতীর্থ মেসির রেকর্ড স্পর্শ করেছেন তিনি। এই ম্যাচে ১৬টি সফল ড্রিবল করেছেন নেইমার। ২০০৮ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ১৬টি সফল ড্রিবল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক ম্যাচে সবথেকে বেশি সফল ড্রিবলের রেকর্ড গড়েছিলেন মেসি। এতদিন ধরে সেই রেকর্ড ছিল শুধুমাত্র মেসির দখলেই। সেই রেকর্ডই এবার স্পর্শ করলেন ব্রাজিলের ওয়ান্ডার কিড। সূত্র : দ্য ওয়াল।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর