শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ০০:০০

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল

পৃথিবীর সেরা রহস্যগুলোর একটি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল রহস্য। এটি আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি রহস্যময় অঞ্চল। ইতিহাস বলে এখানে এ অবধি একুশটি বিভিন্ন বিমান এবং পঞ্চাশ থেকে বায়ান্নটি জাহাজ নিখোঁজ হয়েছে। এসব নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি কেউই। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল তাই সমুদ্রপথে নাবিক ও যাত্রীদের কাছে কুখ্যাত হয়ে ওঠে ধীরে ধীরে। ত্রিভুজ আকৃতির ওই অঞ্চলটিকে ডাকা হয় শয়তানের ত্রিভুজ বলে। যতবারই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে বিবান বা জাহাজ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছে ততবারই দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয়েও মিলেনি কোনো সমাধান। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের উত্তর দিকে বারমুডা, পশ্চিম দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা এবং দক্ষিনে পুয়োর্টোরিকা অবস্থিত। এ ত্রিভুজের আয়তন প্রায় পনের হাজার বর্গমাইল। বিভিন্নভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে দেখা গেছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে কোন বিমান বা জাহাজ প্রবেশ করা মাত্র রেডিও তরঙ্গ (মোবাইল নেটওয়ার্ক ) আকস্মিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় বারমুডা প্রথম রহস্যের জাল ছোড়ে ১৯৪৫ সালে। সে বছর ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি বিমান নিয়ে পাইলটদের প্রশিক্ষণ চলছিল। বারমুডার ত্রিভুজাকৃতি অঞ্চলে প্রবেশ করা মাত্রই তাদের রেডিও থেকে সংকেত আসা বন্ধ হয়ে যায়। তারপর কোন বিমানের কোন পাইলটের সঙ্গেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি । বিমানসহ সবাই যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। এরপর ১৯৬৮ সালে আমেরিকার একটি অ্যাটমিক সাবমেরিন 'স্বরপিয়ন' বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল অঞ্চলে চলে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক অনুসন্ধান করেও তার কোন চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি। এসব কারণেই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল হয়ে ওঠে রহস্যের কেন্দ্রবিন্দু। বহু গবেষক উক্ত রহস্যভেদ করার জন্য দীর্ঘ নিরলস গবেষনায় লিপ্ত রয়েছেন। নানা তথ্য-উপাত্ত ও গবেষণালব্দ যুক্তি উঠে আসলেই রহস্যের সমাধান হয়ে গেছে বলে কেউই দাবি করেননি। প্রাকৃতিকভাবে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এমন একটি অবস্থানে রয়েছে যেখানে বিজ্ঞানের নানা যুক্তি বারবার আত্দসমর্পণ করেছে।


আপনার মন্তব্য