শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫

নোবেলজয়ীদের যুগান্তকারী অবদান

প্রিন্ট ভার্সন
নোবেলজয়ীদের যুগান্তকারী অবদান

পদার্থ

এ আবিষ্কার পরমাণু-স্তরের ইলেকট্রনিক্সে বিপ্লব ঘটাতে পারে

এ বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিজ্ঞানী জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. ডেভোরেট এবং জন এম. মার্টিনিস।

নোবেল কমিটি জানায়, ‘বৈদ্যুতিক বর্তনীর মধ্যে স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য এ তিন বিজ্ঞানীকে পদার্থবিজ্ঞানের সর্বোচ্চ সম্মাননা দেওয়া হলো। এ গবেষণা ভবিষ্যতে কোয়ান্টাম কম্পিউটার, সুপার কন্ডাক্টর প্রযুক্তি এবং পরমাণু-স্তরের ইলেকট্রনিক্সে বিপ্লব ঘটাতে পারে।’ কোয়ান্টাম মেকানিক্স সাধারণত ক্ষুদ্র কণা যেমন ইলেকট্রন বা ফোটনের আচরণ নিয়ে কাজ করে। তবে এই তিন বিজ্ঞানী দেখিয়েছেন, এই ‘অদ্ভুত’ কোয়ান্টাম আচরণ বড় বা মানবনির্মিত বস্তুতেও প্রযোজ্য হতে পারে। তাদের পরীক্ষা থেকে  প্রমাণিত হয়েছে, একটি অতিপরিবাহী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা সরাসরি এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় ‘টানেল’ করতে পারে, যেন কণা কোনো কঠিন দেয়াল ভেদ করে চলে গেছে।

 

নোবেলজয়ীদের যুগান্তকারী অবদান

চিকিৎসা

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়

২০২৫ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার মেরি ই ব্রাঙ্কো, ফ্রেড র‌্যামসডেল এবং শিমন সাকাগুচিকে যৌথভাবে দেওয়া হয়েছে। পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স নিয়ে গবেষণার জন্য তাঁদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এটি রোগপ্রতিরোধ বা ইমিউন সিস্টেমের একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে শরীরের নিজস্ব উপাদান (self-antigens) এবং ক্ষতিকারক নয় এমন বহিরাগত উপাদান (যেমন- কিছু খাদ্য উপাদান, উপকারী অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া)-এর বিরুদ্ধে অনাকাক্সিক্ষত বা অতিরিক্ত প্রতিরোধমূলক প্রতিক্রিয়া (immune response) সৃষ্টি হওয়া রোধ করা হয়। তাদের আবিষ্কার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় তা উদ্ঘাটন করেছে। এটি ক্যানসার ও অটোইমিউন রোগের গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন ক্ষেত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছে এবং নতুন চিকিৎসার বিকাশকে উৎসাহিত করেছে। মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী রেখে নিজ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি না করে জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে স্বাভাবিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আক্রান্ত হতে পারে। ব্রাঙ্কো, র‌্যামসডেল ও সাকাগুচি এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার চিকিৎসাশাস্ত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

 

নোবেলজয়ীদের যুগান্তকারী অবদান

সাহিত্য

লাসলো ক্রাসনাহোরকাই

সমকালীন সাহিত্যে প্রলয়ের গুরু

হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। নোবেল কমিটি জানায়, ‘আকর্ষণীয় ও দূরদর্শী রচনার জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তাঁর সাহিত্য অ্যাপোক্যালিপ্টিক আতঙ্কের মধ্যেও শিল্পের শক্তিকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।’ লাসলো ক্রাসনাহোরকাই ১৯৫৪ সালে সোভিয়েত শাসনের অধীনে থাকা হাঙ্গেরির ছোট প্রাদেশিক শহর গিউলা-তে জন্মগ্রহণ করেন। এই স্থান পরবর্তীকালে তাঁর উপন্যাসের অন্ধকার ও বিপন্ন জগতের মানচিত্রে পরিণত হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে Satantango (১৯৮৫), Melancholy of Resistance  (১৯৮৯), War and War (১৯৯৯) এবং Baron Wenckheim’s Homecoming (২০১৬)।

তাঁর লেখা নিখাদ শিল্পকৌশল। নোবেল কমিটি লাসলোর সাহিত্যকে মধ্য ইউরোপীয় সাহিত্যের অনন্য দৃষ্টান্ত বলে অভিহিত করেছে...

১৯৮৫ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম উপন্যাস সাতানট্যাঙ্গোর পটভূমি অনুরূপ এক প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকা। উপন্যাসটি প্রকাশের পর হাঙ্গেরির সাহিত্য জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করে। নোবেল কমিটি বলেছে, উপন্যাসটিতে কমিউনিজম পতনের ঠিক আগের হাঙ্গেরির গ্রামীণ অঞ্চলের পরিত্যক্ত সমবায় খামারে নিঃস্ব একদল বাসিন্দার জীবন অত্যন্ত দুর্দান্ত ভাষায় চিত্রিত হয়েছে। ক্রাসনাহোরকাইয়ের বেশ কয়েকটি উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম সাতানট্যাঙ্গো এবং দ্য ভার্কমেইস্টার হারমোনিজ। ক্রাসনাহোরকাইয়ের উপন্যাসগুলো থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন হাঙ্গেরির খ্যাতিমান পরিচালক বেলা তার। পাঠকরা তাঁর লেখা পড়লে খুঁজে পান বৌদ্ধ ধ্যানমগ্নতা, ইউরোপীয় চিন্তার সূক্ষ্ম জটিলতা এবং অস্থির, আবেশগ্রস্ত চরিত্রদের এক মহাকাব্যিক ভাসমান জগৎ। ষাটের দশক থেকে সত্তরের দশকের শুরু পর্যন্ত তিনি বৌদ্ধ ও আধ্যাত্মিক ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেকে সাহিত্যিকভাবে গঠন করেছিলেন। তাঁর জীবনকালজুড়ে তিনি হাঙ্গেরির প্রান্তিক গ্রামের দরিদ্র মানুষের সঙ্গে বসবাস করেছেন, সামরিক সেবা এড়ানোর জন্য ঘন ঘন স্থানান্তর করেছেন এবং বিভিন্ন সাধারণ পেশায় নিজেকে নিযুক্ত করেছেন। লাসলো শুধু সাহিত্যিক নন। তিনি সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগীও।  তাঁর লেখার ধারা ও বাক্যরীতি সেই সংগীতের ছন্দ, টেম্পো ও পুনরাবৃত্তির মতো, যেখানে প্রতিটি শব্দ এবং বাক্য একটি নিখাদ শিল্পকৌশল হিসেবে গড়ে ওঠে। লাসলো ক্রাসনাহোরকাই বর্তমানে বার্লিনে বসবাস করছেন।

 

নোবেলজয়ীদের যুগান্তকারী অবদান

ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের দীর্ঘদিনের সংগ্রামে পেলেন শান্তিতে নোবেল

যিনি অন্ধকারের মধ্যে গণতন্ত্রের শিখা জ্বালিয়ে রেখেছেন

এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। সাম্প্রতিক সময়ে ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র রক্ষা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ লড়াইয়ে তিনি অনন্য ভূমিকা রাখেন। বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি গণতন্ত্রের শিখা জ্বালিয়ে রেখেছেন, যা ভেনেজুয়েলার জনগণকে অনুপ্রাণিত করছে। এ অসামান্য কীর্তিই তাঁকে ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার এনে দিয়েছে। নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়রগেন ওয়াটনে ফ্রিডনেস বলেন, ‘এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে একজন সাহসী এবং নিবেদিতপ্রাণ শান্তির চ্যাম্পিয়নকে।’

৫৮ বছর বয়সি মাচাদো শুধু একজন রাজনীতিক নন, একজন প্রকৌশলীও। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী হতে চেয়েছিলেন। তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। এরপর দেশজুড়ে বিরোধীদলীয় ঐক্য গড়ে তোলার জন্য কাজ করেছেন তিনি। মাচাদো দেশের বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য স্থাপন করেছেন এবং ভেনেজুয়েলার সামরিকীকরণের বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার থেকেছেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর মাচাদোকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তাঁকে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশেই রয়েছেন, যা লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।

নোবেল কমিটি এক্স পোস্টে জানিয়েছে, মাচাদোর অবদান  ‘ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য গণতান্ত্রিক অধিকার প্রচারে এবং স্বৈরশাসন উৎখাত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ। ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। মাচাদো বিচারিক স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং জনগণের প্রতিনিধিত্বের পক্ষে বহু বছর ধরে লড়াই করে চলেছেন।’  মাচাদো ২০ বছরেরও বেশি আগে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। সত্যি বলতে, বন্দুকের বদলে ব্যালটকে বেছে নিয়েছিলেন তিনি। এটাই গণতন্ত্রের মূল চেতনা। মাচাদো নিজে বলেছেন, এ নোবেল পুরস্কার জয়ের খবর শুনে তিনি অবাক ও হতবাক হয়েছেন। তাঁর দলের এডমুন্ডো গনজালেজকে পাঠানো  এক ভিডিওবার্তায় দেখা গেছে, তিনি বলছেন, ‘আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না, এটা কি হলো!’ তিনি বর্তমানে আত্মগোপনে থাকলেও নোবেল কমিটি আশা করছে, ডিসেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে অসলোতে তিনি উপস্থিত থাকবেন। এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা, যা প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার।

 

নোবেলজয়ীদের যুগান্তকারী অবদান

রসায়ন

ধাতু-জৈব কাঠামোর আবিষ্কার

এ বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন জাপানের কিউটো বিশ্ববিদ্যালয়ের সুসুমু কিতাগাওয়া, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের রিচার্ড রবসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলির ওমর এম ইয়াঘি। নোবেল কমিটি জানায়, ‘ধাতু-জৈব (Metal-Organic Framework) কাঠামোর আবিষ্কারের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এই আণবিক কাঠামো এত বড় যে, এর মধ্যে গ্যাস ও তরল প্রবাহিত হতে পারে।’ এ কাঠামোকে ব্যবহার করে মরুভূমির বাতাস থেকে পানি সংগ্রহ করা, কার্বন-ডাই অক্সাইড আটকানো, বিষাক্ত গ্যাস সংরক্ষণ করা এবং রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অনুঘটক হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান হেইনার লিঙ্কে বলেন, ‘বিজ্ঞানীরা এখন নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের উপযোগী উপকরণ নিজেরাই নকশা করতে পারছেন।’  বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই আবিষ্কারে পানির মধ্যে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিক পিএফএএস আলাদা করা, পরিবেশে থাকা ওষুধের অবশেষ ভেঙে ফেলা বা মরুভূমির বাতাস থেকে পানি আহরণ করা সম্ভব হবে।

 

নোবেলজয়ীদের যুগান্তকারী অবদান

অর্থনীতিতে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নোবেল পুরস্কার

উদ্ভাবনই ভবিষ্যৎ অগ্রগতির চালিকাশক্তি

উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির তত্ত্ব ব্যাখ্যা করার জন্য এ বছর অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিনজন। জোয়েল মোকির, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট। নোবেল কমিটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘প্রবৃদ্ধি কখনোই স্বতঃসিদ্ধ নয়; মানবসভ্যতার ইতিহাসে স্থবিরতাই ছিল নিয়ম, প্রবৃদ্ধি ব্যতিক্রম।’ তাঁদের গবেষণায় দেখা গেছে, ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে সম্ভাব্য বাধা ও হুমকিগুলো চিহ্নিত করে মোকাবিলা করতে হয়। ঐতিহাসিক তথ্য ও দলিল ব্যবহার করে মোকির দেখিয়েছেন, কীভাবে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও উদ্ভাবন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে একসময় নিয়মিত প্রক্রিয়ায় পরিণত করেছে। অন্যদিকে আগিয়োঁ ও হাউইট ১৯৯২ সালের এক গবেষণাপত্রে গাণিতিক মডেল ব্যবহার করে দেখিয়েছেন, যখন নতুন ও উন্নত কোনো পণ্য বাজারে আসে, পুরোনো প্রতিষ্ঠানগুলো ধীরে ধীরে প্রতিযোগিতায় হেরে টিকে থাকতে পারে না। এ প্রক্রিয়াই অর্থনীতিতে পরিচিত ‘সৃজনশীল বিনাশ’ নামে। পুরস্কারের ঘোষণায় বলা হয়েছে, গত দুই শতকে ধারাবাহিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ফলে কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হয়েছে। সেই মানুষরাই আজকের বৈশ্বিক সমৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে তুলেছে। চলতি বছরের নোবেলজয়ী তিন অর্থনীতিবিদ দেখিয়েছেন, উদ্ভাবনই ভবিষ্যৎ অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি। তাঁদের গবেষণা মনে করিয়ে দেয়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কোনো স্বয়ংক্রিয় বা নিশ্চয়তাপূর্ণ প্রক্রিয়া নয়। ইতিহাসের দীর্ঘ সময়জুড়ে স্থবিরতাই ছিল স্বাভাবিক অবস্থা। টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য প্রয়োজন উদ্ভাবনের ধারাবাহিকতা এবং সেটিকে উৎসাহিত ও সুরক্ষা দেওয়ার কার্যকর নীতি ও কাঠামো।

গত দুই শতকে ধারাবাহিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ফলে কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হয়েছে। সেই মানুষরাই আজকের বৈশ্বিক সমৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে তুলেছে...

নোবেলজয়ীদের পরিচিতি

জোয়েল মোকির ১৯৪৬ সালে নেদারল্যান্ডসে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

ফিলিপ আগিয়োঁ ১৯৫৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৭ সালে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস, ইনসিয়াড এবং কলেজ দ্য ফ্রঁস-এ অধ্যাপনায় নিয়োজিত।

পিটার হাউইট ১৯৪৬ সালে কানাডায় জন্ম নেন। ১৯৭৩ সালে নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারটি মূল নোবেল পুরস্কারের অংশ নয়। অ্যালফ্রেড নোবেলের স্মরণে অর্থনীতিতে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুরস্কার। এটি ১৯৬৯ সালে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে প্রবর্তন করে। তারপর থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করছে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস। এ পর্যন্ত মোট ৫৭ জন অর্থনীতিবিদ এই পুরস্কার পেয়েছেন।

এ বছর তিন অর্থনীতিবিদের মধ্যে অর্ধেক পুরস্কার পেয়েছেন জোয়েল মোকির। প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির পূর্বশর্ত শনাক্ত করার জন্য তিনি পুরস্কৃত হয়েছেন।  আর বাকি অর্ধেক পুরস্কার যৌথভাবে পেয়েছেন ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট। ‘সৃজনশীল বিনাশের মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির তত্ত্ব’ উপস্থাপনের জন্য। রয়টার্সের তথ্যানুসারে, এ পুরস্কারের আর্থিক মূল্যমান ১২ লাখ ডলার।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
ইসলামের দৃষ্টিতে ভূমিকম্প
ইসলামের দৃষ্টিতে ভূমিকম্প
ভূমিকম্পের ভয়াবহ ইতিহাস
ভূমিকম্পের ভয়াবহ ইতিহাস
ভূমিকম্প কাহিনি
ভূমিকম্প কাহিনি
রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের  মৃত্যুদন্ডের ইতিহাস
রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের মৃত্যুদন্ডের ইতিহাস
তারকাদের দ্বীপে যা আছে
তারকাদের দ্বীপে যা আছে
নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র
নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র
যেভাবে তাঁরা সাফল্যের চূড়ায়
যেভাবে তাঁরা সাফল্যের চূড়ায়
মৃত্যুর পর যাঁরা খ্যাতিমান
মৃত্যুর পর যাঁরা খ্যাতিমান
প্রাচীন জাতিগোষ্ঠী : যারা ইতিহাসের নীরব স্থপতি
প্রাচীন জাতিগোষ্ঠী : যারা ইতিহাসের নীরব স্থপতি
জেন-জি চায় বৈষম্যহীন উন্নত রাষ্ট্র
জেন-জি চায় বৈষম্যহীন উন্নত রাষ্ট্র
জেন-জির চোখে আগামীর বাংলাদেশ
জেন-জির চোখে আগামীর বাংলাদেশ
সর্বশেষ খবর
মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির
মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১
তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ
নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ
জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ
শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও
আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি
পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?
বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার
এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি
লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা
ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬
লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর
রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া
শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩
ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন
টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না
পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার
রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়
যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ
অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা
তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ঢাকাস্থ বগুড়াবাসীর দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ঢাকাস্থ বগুড়াবাসীর দোয়া মাহফিল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলা; নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২
দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলা; নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে তুলার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন
নরসিংদীতে তুলার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা চেকপোস্টে ইসরায়েলি সেনার গুলিতে ২ ফিলিস্তিনি নিহত
নিরাপত্তা চেকপোস্টে ইসরায়েলি সেনার গুলিতে ২ ফিলিস্তিনি নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাতারের সহায়তায় রাফাহে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু রাখবে রেড ক্রস
কাতারের সহায়তায় রাফাহে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু রাখবে রেড ক্রস

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান
ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি
আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি
যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে
পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট
আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই
যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ
স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’
‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড
আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ
অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী
তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান
খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে সবচেয়ে বড় পরমাণু স্থাপনা বানাচ্ছে রাশিয়া
ভারতে সবচেয়ে বড় পরমাণু স্থাপনা বানাচ্ছে রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান
এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলকে সতর্ক করল জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী
ইসরায়েলকে সতর্ক করল জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা
বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা
আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল
শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন
পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু
তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা
‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা
রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মুস্তাফিজের দারুণ বোলিং, তবুও হারল দুবাই
মুস্তাফিজের দারুণ বোলিং, তবুও হারল দুবাই

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ

প্রথম পৃষ্ঠা

জোটের হিসাবে গোলমাল
জোটের হিসাবে গোলমাল

প্রথম পৃষ্ঠা

নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু
নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল

প্রথম পৃষ্ঠা

সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?
সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা
সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার
পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত
ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ
হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা
৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা

শোবিজ

মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী বিপাশা
আবেগী বিপাশা

শোবিজ

অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা
অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র
গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র

মাঠে ময়দানে

সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি
সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি

শোবিজ

হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার
হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার

প্রথম পৃষ্ঠা

দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়
দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি
পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি

প্রথম পৃষ্ঠা

কাজের প্রেমে কনা...
কাজের প্রেমে কনা...

শোবিজ

স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া
স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া

মাঠে ময়দানে

ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি
ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন

সম্পাদকীয়

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন
রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন

পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল
ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল

সম্পাদকীয়

যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন

রকমারি

কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার
কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার

দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল
অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল

পূর্ব-পশ্চিম

জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম
জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম

সম্পাদকীয়

কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ
কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ

পূর্ব-পশ্চিম