শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫

মৃত্যুর পর যাঁরা খ্যাতিমান

আবদুল কাদের
প্রিন্ট ভার্সন
মৃত্যুর পর যাঁরা খ্যাতিমান

মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় উদ্ভাবক, প্রকৌশলী ও চিন্তাবিদদের অবদান অনন্য। তাঁদের সৃজনশীল চিন্তা ও আবিষ্কার বিশ্বকে বদলে দিয়েছে, জীবনকে করেছে সহজতর। তবে সব ধারণাই তাঁদের জীবদ্দশায় বাস্তব রূপ পায়নি। কেউ সময়ের আগে বিদায় নিয়েছেন, কেউ হারিয়েছেন অর্থ ও সমর্থন।  তবুও মৃত্যুর পরে তাঁদের স্বপ্ন থেমে থাকেনি। ইতিহাস সাক্ষী, অনেক বিপ্লবী আবিষ্কার উদ্ভাবকের মৃত্যু-পরবর্তী সময়ে সফলতা পেয়েছে। এ লেখায় তুলে ধরা হয়েছে এমন কয়েকজন উদ্ভাবকের গল্প-

 

মানবসভ্যতার ইতিহাসজুড়ে উদ্ভাবক, প্রকৌশলী ও চিন্তাবিদরা আমাদের জীবনধারা পাল্টে দিয়েছেন বারবার। আজকের প্রযুক্তিনির্ভর পৃথিবী, চিকিৎসা অগ্রগতি কিংবা যোগাযোগ বিপ্লব- সবকিছুর পেছনে আছে কিছু সাহসী মন, যারা ব্যর্থতার ভিতর দিয়েই সাফল্যের পথ তৈরি করেছেন। অনেকের জীবন শুরু হয়েছিল প্রতিকূলতা, উপহাস কিংবা আর্থিক সংকটে; তবুও তারা থামেননি। তাদের এই অধ্যবসায়ই মানবজাতির অগ্রগতির মূল প্রেরণা হয়ে উঠেছে।

স্যার জেমস ডাইসন-এর গল্প শুরু হয় ব্যর্থতার সঙ্গেই। একটিমাত্র কার্যকর ব্যাগবিহীন ভ্যাকুয়াম ডিজাইন করতে তাঁকে ৫,১২৬ বার চেষ্টা করতে হয়েছিল। কেউ হয়তো এতবার ব্যর্থ হয়ে হাল ছেড়ে দিতেন, কিন্তু ডাইসন হাল ছাড়েননি। আজ তাঁর ব্র্যান্ডের মূল্য বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে- প্রমাণ করেছে অধ্যবসায়ের কোনো বিকল্প নেই। অন্যদিকে ওয়াল্ট ডিজনির জীবনও অনুপ্রেরণার এক প্রতীক। একসময় তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল এই বলে যে, তাঁর ‘কোনো ভালো ধারণা নেই’। প্রথম অ্যানিমেশন স্টুডিও দেউলিয়া হওয়ার পরও তিনি লস অ্যাঞ্জেলেসে নতুন স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যান। ফলাফল- মিকি মাউস এবং এক বিশাল ডিজনি সাম্রাজ্য। ডিজনির গল্প শেখায়, কল্পনা এবং আত্মবিশ্বাস মিললে অসম্ভবও সম্ভব হয়।

 

কবি মায়া অ্যাঞ্জেলো বলেছিলেন, ‘হয়তো আপনি বহু পরাজয়ের সম্মুখীন হবেন কিন্তু আপনি মোটেও পরাজিত হবেন না।  বস্তুত, পরাজয়ের মুখোমুখি হওয়া প্রয়োজন, যাতে জানতে পারেন আপনি কে, কী থেকে উঠে এসেছেন এবং কীভাবে তা মোকাবিলা করতে পারেন।’

 

আর হেনরি ফোর্ড গাড়ি শিল্পে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন, কিন্তু তার পথও ছিল কণ্টকাকীর্ণ। প্রথম কোম্পানি ব্যর্থ হওয়ার পরও তিনি থেমে যাননি। পরবর্তীতে ফোর্ড মোটর কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে তিনি দেখিয়ে দেন, ব্যর্থতা সাফল্যের সিঁড়ি হতে পারে। তাঁর গণউৎপাদন ধারণা আজও শিল্প বিপ্লবের প্রতীক। তাছাড়া রবার্ট গডার্ড-এর তরল জ্বালানির রকেট ধারণা প্রথমে বিজ্ঞান মহলেই উপহাসের পাত্র হয়েছিল। কিন্তু তাঁর গবেষণাই আধুনিক রকেট প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করে, যা মানবজাতিকে মহাকাশে নিয়ে গেছে। মৃত্যুর পরই তিনি স্বীকৃতি পান- যা প্রমাণ করে যে, সঠিক চিন্তা আর পরিকল্পনা কখনো বৃথা যায় না।

টেলিফোনের উদ্ভাবক আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল-এর পথেও ছিল কঠিন লড়াই। বছরের পর বছর গবেষণা, আইনি যুদ্ধ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে তিনি এমন এক আবিষ্কার উপহার দেন, যা মানুষের যোগাযোগ পদ্ধতি বদলে দেয় চিরতরে।

 

একইভাবে অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের শৈশব মোটেও প্রতিভার ইঙ্গিত দিত না। স্কুলে ব্যর্থ, পরীক্ষায় অকৃতকার্য- সবকিছু সত্ত্বেও তাঁর কৌতূহল ও চিন্তার গভীরতা তাঁকে বিশ্ববিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিদে রূপ দেয়। তাঁর আপেক্ষিকতার তত্ত্ব শুধু পদার্থবিদ্যাই নয়, চিন্তার জগৎও পাল্টে দেয়। উড়োজাহাজ আবিষ্কার করা রাইট ভাইরাও একের পর এক ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তাঁদের বিমান বারবার বিধ্বস্ত হলেও ১৯০৩ সালে প্রথম সফল উড্ডয়নে তাঁরা মানব ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করেন। তাঁদের সাফল্য আজও প্রমাণ করে- অধ্যবসায়ের ডানায় মানুষ আকাশ ছুঁতে পারে। টমাস এডিসন, যিনি বলেছিলেন ‘আমি ব্যর্থ হইনি, আমি শুধু ১,০০০টি ভুল উপায় আবিষ্কার করেছি’- তাঁর জীবনও অধ্যবসায়ের এক অনন্য উদাহরণ। স্কুলে তাঁকে ‘বোকার’ তকমা দেওয়া হয়েছিল, চাকরিতে টিকতে পারেননি, তবুও তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী উদ্ভাবকে পরিণত হন। বৈদ্যুতিক বাতি থেকে শুরু করে ফোনোগ্রাফ পর্যন্ত তাঁর আবিষ্কার আমাদের আধুনিক জীবনের ভিত্তি।

 

প্রযুক্তির আধুনিক যুগে স্টিভ জবস এই ধারারই উত্তরসূরি। অ্যাপল থেকে বহিষ্কৃত হওয়া, ব্যবসায়িক ব্যর্থতা- সবই তিনি সৃজনশীল শক্তিতে রূপান্তর করেন। পিক্সার প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে আইফোন, ম্যাকবুক, আইপ্যাড- প্রতিটি আবিষ্কার আধুনিক যোগাযোগ ও ডিজাইনের ইতিহাস বদলে দিয়েছে।

 

এ ধারায় আরও কয়েকজনের নাম না নিলেই নয়। নিকোলা টেসলা, যিনি এসি বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রবর্তক, জীবদ্দশায় উপযুক্ত স্বীকৃতি পাননি। তিনি মৃত্যুবরণ করেন নিঃস্ব অবস্থায়, কিন্তু আজ বিশ্ব তাঁর উদ্ভাবনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আবার মারি কুরি, রেডিওঅ্যাকটিভিটি নিয়ে গবেষণা করে দুুবার নোবেল জয়ী হলেও জীবনের শেষ দিকে আর্থিক কষ্টে ভুগেছেন। তবুও তাঁর কাজ আজও চিকিৎসা ও পরমাণু বিজ্ঞানের ভিত্তি। এমনকি ইলন মাস্ক-এর মতো আধুনিক উদ্ভাবকরাও ব্যর্থতার ভিতর দিয়েই সাফল্য অর্জন করেছেন। স্পেসএক্স-এর প্রথম তিনটি রকেট উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হয়েছিল, কিন্তু চতুর্থটিই বিশ্বকে দেখিয়েছে বেসরকারি উদ্যোগেও মহাকাশ জয় সম্ভব।

 

সব মিলিয়ে ইতিহাসের এই প্রতিটি গল্প আমাদের শেখায়- উদ্ভাবন কেবল প্রতিভার ফসল নয়, বরং অধ্যবসায়, ব্যর্থতা ও দৃঢ়তার মিশ্রণ। প্রতিটি উদ্ভাবক এক বা একাধিকবার হোঁচট খেয়েছেন, কিন্তু হাল ছাড়েননি। তারা প্রমাণ করেছেন ব্যর্থতা কখনো শেষ নয়- এটা শুধু নতুন সূচনার শুরু। আজকের তরুণ প্রজন্মের জন্য এই গল্পগুলো বার্তা দেয়-  ডাইসন, ডিজনি, ফোর্ড, আইনস্টাইন কিংবা জবস- তাঁরা সবাই একসময় আমাদের মতোই ছিলেন; শুধু একটি জিনিসে আলাদা, তাঁরা কখনো থামেননি।

 

twin hull)

১. বিল লিয়ার

হালকা বিমান তৈরির স্বপ্ন নিয়ে - যুগান্তকারী উদ্ভাবন

১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে উদ্ভাবক ও লিয়ার জেট করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিল লিয়ার শুরু করেন এক বিপ্লবী প্রকল্প- ‘লিয়ার ফ্যান ২১০০’। এটি ছিল এমন এক বিমান; যার কাঠামো মূলত কার্বন-গ্রাফাইট কম্পোজিট দিয়ে তৈরি- যা ছিল অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় হালকা কিন্তু দ্বিগুণ শক্তিশালী। বিমানে ব্যবহৃত হতো দুটি টার্বোপ্রপ ইঞ্জিন, যা একক পেছনের প্রপেলারকে চালিত করে জেটের সমান গতি দিতে সক্ষম হতো। তবে লিয়ার যখন প্রকল্পটি এফএফএ (FAA)-এর অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করেন, তখন গিয়ারবক্স ও বায়ুগতিবিদ্যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আর তাঁর নকশাটি চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হওয়ার আগেই, ১৯৭৮ সালে তিনি লিউকেমিয়ায় মারা যান। কিন্তু তাঁর স্ত্রী মোয়া লিয়ার প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। পরবর্তীতে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতায় প্রোটোটাইপটি শেষ করেন। সবশেষ- ১৯৮১ সালে লিয়ারের উদ্ভাবন ‘লিয়ার ফ্যান’ প্রথমবারের মতো আকাশে ওড়ে- এক অসমাপ্ত স্বপ্নের প্রতীক হয়ে।  যা ছিল অধ্যবসায়ের এক বিজয়। আজও উদ্ভাবকের অনন্ত সাহসের নিদর্শন হিসেবে বিল লিয়ারের তিনটি প্রোটোটাইপই সংরক্ষিত আছে সিয়াটল, ডালাস এবং ওকলাহোমা সিটির জাদুঘরে। আজকের প্রতিটি বিমানই তাঁর উদ্ভাবনী চেতনা, যদিও তিনি তা জীবদ্দশায় উড়তে দেখেননি।

 

এনরিকো ফোরলানিনি

২. এনরিকো ফোরলানিনি

আকাশযাত্রায় নিয়ন্ত্রণের নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবক

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর নিরাপদ ও সহজে চালনাযোগ্য এয়ারশিপের সন্ধানে ইতালীয় উদ্ভাবক এনরিকো ফোরলানিনি তৈরি করেন যুগান্তকারী এয়ারশিপ ‘ওমনিয়া ডির’ (Omnia Dir)- যার পূর্ণরূপ Omnia Dirigibile, অর্থাৎ ‘সর্বদিকনিয়ন্ত্রিত এয়ারশিপ’। ১৯৩০ সালে তৈরি এ যানটির দৈর্ঘ্য ছিল ৫৬ মিটার (১৮৪ ফুট) এবং এটি ৪,০০০ ঘনমিটার গ্যাস ধারণ করতে পারত। এর সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন ছিল কম্প্রেসড-এয়ার জেট প্রপালশন সিস্টেম; যা সামনে ও পেছনের জেটের মাধ্যমে সেই সময়ের তুলনায় অনন্য নিয়ন্ত্রণ ও থ্রাস্ট প্রদান করত। তবে দুর্ভাগ্যবশত ফোরলানিনি একই বছরের শেষের দিকে মারা যান এবং তাঁর সঙ্গে প্রকল্পের গতিও ম্লান হয়ে যায়। এক কথায়- ফোরলানিনির মৃত্যু প্রকল্পটির অগ্রগতি থামিয়ে দেয়। মাত্র একটি সংক্ষিপ্ত পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে সীমিত থাকলেও ‘ওমনিয়া ডির’-এর নকশা পরবর্তীতে আধুনিক সহায়ক থ্রাস্ট সিস্টেম ও বিমান নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তিকে অনুপ্রাণিত করেছে- যদিও এয়ারশিপটি  বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়নি, তবে বিমান চালনার ওপর এর প্রভাব রয়েছে, যা আজও তাঁর স্বপ্নের ধারাবাহিকতা বহন করছে।

 

চার্লস ব্যাবেজ

৩. চার্লস ব্যাবেজ

চার্লস ব্যাবেজের হাতেই আধুনিক কম্পিউটারের জন্মের সূচনা

১৯শ শতাব্দীর গোড়ায় হাতে গণিতের টেবিল তৈরি ছিল সময়সাপেক্ষ ও ভুলভ্রান্তিতে ভরা। এই সমস্যা সমাধানে ব্রিটিশ গণিতবিদ চার্লস ব্যাবেজ ১৮২২ সালে পরিকল্পনা করেন এক স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্র- ডিফারেন্স ইঞ্জিন। এটি বিদ্যুৎ নয়, বরং দাঁতযুক্ত গিয়ার ও যান্ত্রিক চাকা দ্বারা কাজ করত, যা সংখ্যা বহন করতে এবং ফলাফল ধাতব পাতে ছাপাতে পারত। ১৮২৩ সালে তিনি প্রকৌশলী জোসেফ ক্লেমেন্টের সঙ্গে নির্মাণ শুরু করেন, কিন্তু তহবিল সংকট ও প্রযুক্তিগত জটিলতায় প্রকল্প থেমে যায়। ব্রিটিশ সরকার ১৭,০০০ ইউরো ব্যয় করার পর সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়। ১৮৭১ সালে ব্যাবেজ মৃত্যুবরণ করেন অপূর্ণ স্বপ্ন নিয়ে। মৃত্যুর আগে তিনি হতাশ ছিলেন আর বিশ্বাস করতেন- তাঁর মেশিনটি কখনোই তৈরি হবে না।  কিন্তু তাঁর ১২০ বছর পর ১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘর ওই সময়ের প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি সম্পূর্ণ কার্যকর ডিফারেন্স ইঞ্জিন নির্মাণে সফল হয়। প্রায় ৪,০০০ অংশ ও তিন টন ওজনের এই যন্ত্র নিখুঁতভাবে কাজ করে-  ঠিক যেমনটি ব্যাবেজ চেয়েছিলেন। এটি প্রমাণ করে ব্যাবেজই ছিলেন আধুনিক কম্পিউটারের প্রকৃত অগ্রদূত।

 

জন ব্রাউনিং

৪. জন ব্রাউনিং

শতবর্ষ পেরিয়ে গেলেও আজও অমলিন কিংবদন্তি অস্ত্র

১৯২০-এর দশকের শুরুতে ফরাসি সেনাবাহিনী চেয়েছিল এমন একটি কমপ্যাক্ট, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন হ্যান্ডগান, যা অন্তত ১০ রাউন্ড গুলি ধারণ করতে পারে এবং সহজে উৎপাদনযোগ্য হয়। এই চাহিদার জবাব দেন মার্কিন উদ্ভাবক জন ব্রাউনিং, যিনি ১৯২৩ সালে তাঁর নকশার পেটেন্ট জমা দেন। নকশাটিতে ছিল সে সময়ের জন্য অভিনব বৈশিষ্ট্য- থাম্ব সেফটি এবং এক্সটারনাল হ্যামার। ১৯২৬ সালে ব্রাউনিংয়ের মৃত্যুর পর প্রকল্পটি সম্পন্ন করেন সহকর্মী ডাইডোনে সাইভ; যিনি ১৯৩৫ সালে অস্ত্রটি বাজারে আনেন ‘ব্রাউনিং হাই-পাওয়ার’ নামে। যদিও ফরাসিরা তা গ্রহণ করেনি, অস্ত্রটি দ্রুতই বিশ্বব্যাপী সেনাবাহিনী ও আইনপ্রয়োগকারী বাহিনীর পছন্দের তালিকায় ওঠে। প্রায় এক শতাব্দী পরেও নির্ভরযোগ্যতা ও নিখুঁত হওয়ার কারণে এটি শতাধিক সামরিক সংঘাতে ব্যবহৃত হয়েছে, এমনকি আজও বিভিন্ন প্রস্তুতকারক এটি উৎপাদন করে যাচ্ছে- প্রমাণ করছে ব্রাউনিংয়ের নকশা এখনো সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। তাঁর উদ্ভাবনটি  এমন এক অসমাপ্ত সৃষ্টি, যা তৎকালীন তো বটেই আজকের পৃথিবীর সামরিক ইতিহাসকেও বদলে দেয়।

 

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি

৫. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি

দ্য ভিঞ্চির ভায়োলা অর্গানিস্তা

রেনেসাঁ যুগের প্রতিভাবান উদ্ভাবক লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি তাঁর অদম্য কৌতূহল ও অগণিত সৃষ্টির জন্য বিখ্যাত। প্রায় ১৪৯০ সালের দিকে তিনি আঁকেন এক অনন্য বাদ্যযন্ত্রের নকশা- ভায়োলা অর্গানিস্তা; যা বেহালা ও পিয়ানোর বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে তৈরি হওয়ার কথা ছিল। বেহালার মতো তারযুক্ত হলেও এটি বাজানো হতো কিবোর্ডের মাধ্যমে, ধনুক ছাড়াই। দ্য ভিঞ্চি নকশাটি সম্পূর্ণ করার আগেই অন্য প্রকল্পে মন দেন। ফলে যন্ত্রটি কখনো তাঁর হাতে তৈরি হয়নি। আর নকশাটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়, যদিও তা অন্যদের অনুপ্রাণিত করে। পরবর্তী শতাব্দীতে তাঁর স্কেচ দেখে জার্মান সংগীতজ্ঞ হ্যান্স হাইডেন ১৫৭৫ সালে অনুরূপ একটি গাইগেনওয়ার্ক তৈরি করেন। তবে দ্য ভিঞ্চির প্রকৃত কল্পনা পূর্ণতা পায় অনেক পরে ২০১৩ সালে; যখন পোলিশ অর্গান নির্মাতা স্লাওমির জুব্রিজকি তাঁর শতাব্দীপ্রাচীন নকশার ভিত্তিতে তৈরি করেন বাজানোর উপযোগী ভায়োলা অর্গানিস্তা। তাঁর মৃত্যুর প্রায় ৫০০ বছর পর, তাঁর কল্পনার এই যন্ত্র অবশেষে জীবন্ত হয়ে ওঠে সুরের মায়ায়।

 

গ্যালিলিও গ্যালিলি

৬. গ্যালিলিও গ্যালিলি

গ্যালিলির পেন্ডুলাম ঘড়ি

ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ গ্যালিলিও গ্যালিলি (১৫৬৪-১৬৪২) আধুনিক বিজ্ঞানের ভিত্তি নির্মাণে অন্যতম পথিকৃৎ। প্রকৃতির নিয়ম বুঝতে গিয়ে তিনি লক্ষ করেন, একটি পেন্ডুলামের দোলনের সময়কাল এর আকার বা গতিপথের ওপর নির্ভর করে না- যা এক যুগান্তকারী আবিষ্কার এবং তা পরবর্তীকালে পদার্থবিজ্ঞানের হারমনিক দোলন তত্ত্বের মূল হয়ে ওঠে। জীবনের শেষ প্রান্তে, প্রায় অন্ধ অবস্থায় গ্যালিলিও ব্যাখ্যা করেন কীভাবে এই দোলন-নীতি ব্যবহার করে ঘড়ির সময় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করা যেতে পারে। তাঁর ছেলে ভিনসেঞ্জো গ্যালিলি যন্ত্রটি তৈরি করার চেষ্টা করলেও সফল হননি। ১৬৪২ সালে গ্যালিলিও মৃত্যুবরণ করেন, রেখে যান অপূর্ণ ধারণাটি। তবে তাঁর নোট ও চিত্র অনুপ্রেরণা দেয় ডাচ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ক্রিস্টিয়ান হাইগেনসকে, যিনি ১৬৫৬ সালে বিশ্বের প্রথম কার্যকর পেন্ডুলাম ঘড়ি নির্মাণ করেন। এই উদ্ভাবন সময় পরিমাপের নির্ভুলতায় বিপ্লব ঘটায়। তাঁর চিন্তাশক্তি অমর স্বাক্ষর হয়ে ওঠে- যা আজও পৃথিবীর সময়কে চালিয়ে নিচ্ছে।

 

ইসামবার্ড কিংডম ব্রুনেল

৭. ইসামবার্ড কিংডম ব্রুনেল

প্রকৌশলীর যে নকশা আজ অমর হয়ে রয়েছে

উনিশ শতকের ব্রিটিশ প্রকৌশলীর মধ্যে ইসামবার্ড কিংডম ব্রুনেল ছিলেন সেরা উদাহরণ। আজও তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জনক হিসেবে বিবেচিত। মাত্র ২৪ বছর বয়সে ১৮৩০ সালে তিনি ব্রিস্টলের অ্যাভন নদীর ওপর ক্লিফটন সাসপেনশন ব্রিজ প্রকল্পের দায়িত্ব নেন। প্রকল্পটি শুরু থেকেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি ছিল। নদীর প্রশস্ততা, সীমিত প্রযুক্তি এবং কর্তৃপক্ষের নকশা প্রত্যাখ্যান বারবার বিলম্বের কারণ হয়। ব্রুনেলের নকশা বৈপ্লবিক ছিল। এটি ৭০২ ফুট (২১৪ মিটার) স্প্যানের মাধ্যমে বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু হিসেবে ধরা হতো। দুটি টাওয়ার ৮৫ ফুট (২৬ মিটার) উঁচু এবং নদীর ওপর ২৪৯ ফুট (৭৬ মিটার) উঁচু। যদিও বারবার আর্থিক সমস্যা এবং বিলম্ব প্রকল্পকে জর্জরিত করেছিল, ব্রুনেল ১৮৫৯ সালে স্ট্রোকে মারা যান এবং নিজ সাফল্য দেখে যাননি। ১৮৬৪ সালে সেতুটি সম্পূর্ণ হয়। আজও এটি প্রকৌশল বিস্ময় হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে, আধুনিক সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের মুগ্ধ করে এবং ব্রুনেলের দূরদর্শিতা উদ্যাপন করে।

 

অ্যালান টুরিং

৮ . অ্যালান টুরিং

আধুনিক ‘কম্পিউটিং ইঞ্জিন’-এর অদেখা ভিত্তি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কম্পিউটার প্রযুক্তি শুরু হয় প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে। তখনকার মেশিনগুলো ছিল বিশাল, ব্যয়বহুল এবং সীমিত ক্ষমতার। ১৯৪৫ সালে গণিতবিদ অ্যালান টুরিং এ পরিবর্তনের সূচনা করেন যখন তিনি ইলেকট্রনিক, সংরক্ষিত-প্রোগ্রামযুক্ত, সাধারণ-উদ্দেশ্যের ডিজিটাল কম্পিউটার নকশার প্রস্তাব দেন। তাঁর নকশা অনুযায়ী তৈরি হয় স্বয়ংক্রিয় কম্পিউটিং ইঞ্জিন (ACE), যা লজিক্যাল নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করত। ১৯৪৬ সালে টুরিং ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরিতে তাঁর ধারণা উপস্থাপন করেন, যা প্রকৌশলীদের জন্য একটি নতুন দিশা তৈরি করে। যদিও টুরিং কয়েক মাসের মধ্যেই প্রকল্প ত্যাগ করেন, ১৯৫০ সালে ACE-এর পাইলট মডেল তৈরি হয়। ১৯৫৭ সালে প্রথম পূর্ণ-মাপের ACE সম্পন্ন হলেও টুরিং তাঁর চূড়ান্ত সাফল্য দেখতে পাননি। তাঁর দূরদর্শী নকশা আধুনিক কম্পিউটিংয়ের ভিত্তি স্থাপন করেছে, যা যুগান্তকারী প্রযুক্তির পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচিত।

 

রবার্ট ফুলটন

৯. রবার্ট ফুলটন

পৃথিবীর প্রথম স্টিমচালিত যুদ্ধজাহাজের গল্প

১৮১৪ সালে মার্কিন প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক রবার্ট ফুলটন নৌ প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটান তাঁর নকশা করা ইউএসএস ডেমোলোগোস (USS Demologos)-এর মাধ্যমে- যা ছিল যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর প্রথম স্টিমচালিত যুদ্ধজাহাজ। ২,৪৭৫ টন ওজনের এবং ৪৮ মিটারের বেশি লম্বা এই বিশাল জাহাজটি ছিল যুগান্তকারী নকশার উদাহরণ। এতে ছিল দ্বৈত হাল (twin hull), যার মাঝখানে স্থাপন করা হয় স্টিমচালিত প্যাডেলহুইল। এক হালে ইঞ্জিন ও অন্যটিতে বয়লার বসানো হয়েছিল; যা একে একপ্রকার ভাসমান দুর্গে পরিণত করে। ফুলটনের অকাল মৃত্যু ঘটে ১৮১৫ সালে; জাহাজটি সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই। পরবর্তীতে তাঁর সম্মানে এর নামকরণ করা হয় ইউএসএস ফুলটন। দুর্ভাগ্যবশত এটি ১৮১২ সালের যুদ্ধের ঠিক পরে চালু হওয়ায় কখনো যুদ্ধে অংশ নেয়নি। তবুও স্টিমচালিত যুদ্ধজাহাজ হিসেবে ডেমোলোগোস নৌ-ইতিহাসে এক অমলিন দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এরপর ১৮২৯ সালে একটি গানপাউডার বিস্ফোরণে জাহাজটি ধ্বংস হয়ে যায়।

 

হেনরি মিল

১০. হেনরি মিল

১৭০০ সালের ব্যর্থ প্রচেষ্টা ও আধুনিক মুদ্রণ বিপ্লব

১৮শ শতাব্দীর প্রথম দিকে ইংরেজ প্রকৌশলী হেনরি মিল নিউ রিভার কোম্পানিতে কর্মরত অবস্থায় এমন একটি যন্ত্রের ধারণা দেন; যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অক্ষর ছাপতে সক্ষম। ১৭১৪ সালে তিনি পেটেন্ট নেন ‘একটি কৃত্রিম যন্ত্র বা পদ্ধতি যা অক্ষর এককভাবে বা ধারাবাহিকভাবে প্রতিলিপি করতে পারে’। আধুনিক টাইপরাইটারের প্রথম নকশা হিসেবে যা ইতিহাসে স্থান পায়। যদিও তিনি কখনো এই যন্ত্র বাস্তবে তৈরি করতে পারেননি, ধারণাটি ভবিষ্যতের আবিষ্কারকদের অনুপ্রাণিত করে। পরবর্তী শতকে চার্লস থার্বার (১৮৪৩) অনুরূপ নকশা তৈরি করেন; যা অন্ধদের লেখায় সহায়তা করার লক্ষ্য নিয়ে করা হয়েছিল। কিন্তু টাইপরাইটারের প্রকৃত রূপ আসে ১৮৭৩ সালে ক্রিস্টোফার শোলস ও কার্লোস গ্লিডেনের হাতে। তাঁদের উদ্ভাবন লেখার পদ্ধতিতে বিপ্লব ঘটায় এমনকি এই আবিষ্কার মানুষকে কাগজে তাদের চিন্তাভাবনা লেখা এবং প্রকাশ করার পদ্ধতিকে পুরোপুরি বদলে দেয়। একটি স্বপ্ন পূরণ করে; যা হেনরি মিল শুধু কল্পনাতেই দেখেছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
ইসলামের দৃষ্টিতে ভূমিকম্প
ইসলামের দৃষ্টিতে ভূমিকম্প
ভূমিকম্পের ভয়াবহ ইতিহাস
ভূমিকম্পের ভয়াবহ ইতিহাস
ভূমিকম্প কাহিনি
ভূমিকম্প কাহিনি
রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের  মৃত্যুদন্ডের ইতিহাস
রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের মৃত্যুদন্ডের ইতিহাস
তারকাদের দ্বীপে যা আছে
তারকাদের দ্বীপে যা আছে
নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র
নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র
যেভাবে তাঁরা সাফল্যের চূড়ায়
যেভাবে তাঁরা সাফল্যের চূড়ায়
নোবেলজয়ীদের যুগান্তকারী অবদান
নোবেলজয়ীদের যুগান্তকারী অবদান
প্রাচীন জাতিগোষ্ঠী : যারা ইতিহাসের নীরব স্থপতি
প্রাচীন জাতিগোষ্ঠী : যারা ইতিহাসের নীরব স্থপতি
জেন-জি চায় বৈষম্যহীন উন্নত রাষ্ট্র
জেন-জি চায় বৈষম্যহীন উন্নত রাষ্ট্র
জেন-জির চোখে আগামীর বাংলাদেশ
জেন-জির চোখে আগামীর বাংলাদেশ
সর্বশেষ খবর
ইউক্রেনের জন্য ভয়াবহ বার্তা দিলেন ট্রাম্প জুনিয়র
ইউক্রেনের জন্য ভয়াবহ বার্তা দিলেন ট্রাম্প জুনিয়র

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক ক্রিসমাস বাজারে বাংলাদেশসহ ৪০ দেশের অংশগ্রহণ
আন্তর্জাতিক ক্রিসমাস বাজারে বাংলাদেশসহ ৪০ দেশের অংশগ্রহণ

৪০ মিনিট আগে | পরবাস

বিগ টিকেটে আড়াইল লাখ দিরহাম জিতলেন বাংলাদেশি মহিন
বিগ টিকেটে আড়াইল লাখ দিরহাম জিতলেন বাংলাদেশি মহিন

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিগ টিকেটে দুই কোটি দিরহাম জয়, গল্প শোনালেন বাংলাদেশি জাহাঙ্গীর
বিগ টিকেটে দুই কোটি দিরহাম জয়, গল্প শোনালেন বাংলাদেশি জাহাঙ্গীর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিকির নতুন সভাপতি হচ্ছেন রুপালী হক চৌধুরী
ফিকির নতুন সভাপতি হচ্ছেন রুপালী হক চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইউক্রেন যুদ্ধ:  চুক্তির কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া কি চায়?
ইউক্রেন যুদ্ধ: চুক্তির কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া কি চায়?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চামড়া ও জুতা শিল্পের অগ্রদূত ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা
চামড়া ও জুতা শিল্পের অগ্রদূত ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

মিনিস্টার বাজারজাত শুরু করলো নো–ফ্রস্ট ইনভার্টার প্রযুক্তি ৪টি নতুন মডেলের রেফ্রিজারেটর
মিনিস্টার বাজারজাত শুরু করলো নো–ফ্রস্ট ইনভার্টার প্রযুক্তি ৪টি নতুন মডেলের রেফ্রিজারেটর

২ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

ভারি বৃষ্টির শঙ্কায় সোমবার মদিনার সব স্কুলে সশরীরে ক্লাস বন্ধ
ভারি বৃষ্টির শঙ্কায় সোমবার মদিনার সব স্কুলে সশরীরে ক্লাস বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

দেশি-বিদেশি ১৩০ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে আইইউবিএটিতে ক্যারিয়ার ফেস্টিভ্যাল
দেশি-বিদেশি ১৩০ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে আইইউবিএটিতে ক্যারিয়ার ফেস্টিভ্যাল

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

৬ জেলার স্কাউটদের উপস্থিতিতে মুখর কুমিল্লা
৬ জেলার স্কাউটদের উপস্থিতিতে মুখর কুমিল্লা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিঁপড়ার আত্মত্যাগ!
পিঁপড়ার আত্মত্যাগ!

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের জন্য ৪৮৯ পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের জন্য ৪৮৯ পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুস্তাফিজের জোড়া উইকেটে ক্যাপিটালসের বড় জয়
মুস্তাফিজের জোড়া উইকেটে ক্যাপিটালসের বড় জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিশন সিক্স বসুন্ধরা কিংস
মিশন সিক্স বসুন্ধরা কিংস

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে ভাঙার পর গুজব রটানোদের দেখে নেওয়ার হুমকি পলাশের
বিয়ে ভাঙার পর গুজব রটানোদের দেখে নেওয়ার হুমকি পলাশের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্মৃতির স্মৃতিতে যেভাবে জমলো বেদনার নীল!
স্মৃতির স্মৃতিতে যেভাবে জমলো বেদনার নীল!

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হত্যামামলার আসামি গ্রেফতার
হত্যামামলার আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ল্যাপটপের ৫ গোপন ফিচার
ল্যাপটপের ৫ গোপন ফিচার

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ফর্মুলা ওয়ান জয়, ল্যান্ডো নরিসের উত্থান যেভাবে
ফর্মুলা ওয়ান জয়, ল্যান্ডো নরিসের উত্থান যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৩০ কোটি রুপি প্রতারণা মামলায় বলিউড পরিচালক গ্রেফতার
৩০ কোটি রুপি প্রতারণা মামলায় বলিউড পরিচালক গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পেছালো মেটার ‘ফিনিক্স’ মিক্সড রিয়েলিটি চশমার উদ্বোধন
পেছালো মেটার ‘ফিনিক্স’ মিক্সড রিয়েলিটি চশমার উদ্বোধন

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

অপ্রতিরোধ্য প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ঘোষণা ইরানের
অপ্রতিরোধ্য প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ঘোষণা ইরানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিরাপত্তা কৌশলে খুশি রাশিয়া, নাখোশ ইউরোপ
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিরাপত্তা কৌশলে খুশি রাশিয়া, নাখোশ ইউরোপ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র–ইউক্রেন নিরাপত্তা আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে যা জানা গেল
যুক্তরাষ্ট্র–ইউক্রেন নিরাপত্তা আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে যা জানা গেল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিজবেনে হারের পর সমাধান খুঁজছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক
ব্রিজবেনে হারের পর সমাধান খুঁজছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালিয়াকৈরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ
কালিয়াকৈরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রিয়ার পাহাড়ে বরফে জমে প্রাণ হারানো নারীর পরিচয় শনাক্ত
অস্ট্রিয়ার পাহাড়ে বরফে জমে প্রাণ হারানো নারীর পরিচয় শনাক্ত

৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সোমবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
সোমবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা চিনবেন যেভাবে
কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা চিনবেন যেভাবে

২১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এনসিপিসহ ৩ দলের নতুন জোট
এনসিপিসহ ৩ দলের নতুন জোট

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলের ফেলা যে অবিস্ফোরিত বোমা নিয়ে ভীষণ চিন্তায় আমেরিকা
ইসরায়েলের ফেলা যে অবিস্ফোরিত বোমা নিয়ে ভীষণ চিন্তায় আমেরিকা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক প্রটোকল মেনেই শহীদদের মরদেহ তোলা হবে: সিআইডি প্রধান
আন্তর্জাতিক প্রটোকল মেনেই শহীদদের মরদেহ তোলা হবে: সিআইডি প্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চলতি সপ্তাহেই তফসিল, ভোটের সময় বাড়বে এক ঘণ্টা: ইসি
চলতি সপ্তাহেই তফসিল, ভোটের সময় বাড়বে এক ঘণ্টা: ইসি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনসিপিসহ ৩ দলের নতুন জোটের ঘোষণা বিকেলে
এনসিপিসহ ৩ দলের নতুন জোটের ঘোষণা বিকেলে

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিলুপ্ত করা উচিত: ইলন মাস্ক
ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিলুপ্ত করা উচিত: ইলন মাস্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপাতত নির্বাচনি দায়িত্বে রাখা হচ্ছে না বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তাদের
আপাতত নির্বাচনি দায়িত্বে রাখা হচ্ছে না বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তাদের

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খালেদা জিয়াকে দেখতে ফের এভারকেয়ারে জোবাইদা রহমান
খালেদা জিয়াকে দেখতে ফের এভারকেয়ারে জোবাইদা রহমান

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার
এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম, কাল থেকে কার্যকর
বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম, কাল থেকে কার্যকর

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সামনে অনেক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে, ষড়যন্ত্র হচ্ছে : তারেক রহমান
সামনে অনেক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে, ষড়যন্ত্র হচ্ছে : তারেক রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কওমির সনদধারীরা এখন থেকে কাজি হতে পারবেন: আইন উপদেষ্টা
কওমির সনদধারীরা এখন থেকে কাজি হতে পারবেন: আইন উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সত্যিই কি ভারত সীমান্তে অত্যাধুনিক ‘গোয়েন্দা রোবট’ মোতায়েন করেছে চীন?
সত্যিই কি ভারত সীমান্তে অত্যাধুনিক ‘গোয়েন্দা রোবট’ মোতায়েন করেছে চীন?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শওকত মাহমুদ গ্রেফতার
শওকত মাহমুদ গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াতের হিন্দু শাখার ৯ নেতাকর্মীর পদত্যাগ
জামায়াতের হিন্দু শাখার ৯ নেতাকর্মীর পদত্যাগ

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির
মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যারা বলে এবার আমাদের দেখুন, মানুষ তাদের ১৯৭১ সালে দেখেছে: তারেক রহমান
যারা বলে এবার আমাদের দেখুন, মানুষ তাদের ১৯৭১ সালে দেখেছে: তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি
জাতীয় নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩
ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক
সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বিএনপি নেতা পিন্টুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে’
‘বিএনপি নেতা পিন্টুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে’

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়
যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মোবাইল ব্যবসায়ীদের বিটিআরসি ভবন ঘেরাও
মোবাইল ব্যবসায়ীদের বিটিআরসি ভবন ঘেরাও

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান
ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও
আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হেলমেট না থাকায় দুই ভাইয়ের থেঁতলে যায় মাথা, ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু
হেলমেট না থাকায় দুই ভাইয়ের থেঁতলে যায় মাথা, ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনের বিরুদ্ধে জাপানের বিমানে এফসি রাডার নিশানা করার অভিযোগ
চীনের বিরুদ্ধে জাপানের বিমানে এফসি রাডার নিশানা করার অভিযোগ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যেভাবে ডেথ চেম্বারে পরিণত হয় নাইটক্লাবটি
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যেভাবে ডেথ চেম্বারে পরিণত হয় নাইটক্লাবটি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
দুবাই হয়ে লন্ডন নেওয়ার প্রস্তাব
দুবাই হয়ে লন্ডন নেওয়ার প্রস্তাব

প্রথম পৃষ্ঠা

নিজ নির্বাচনি এলাকায় লাঞ্ছিত ব্যারিস্টার ফুয়াদ
নিজ নির্বাচনি এলাকায় লাঞ্ছিত ব্যারিস্টার ফুয়াদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রান্নাঘরে ঝলসে যাচ্ছে প্রাণ
রান্নাঘরে ঝলসে যাচ্ছে প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

গতি কমেছে অর্থনীতির প্রধান চার খাতে
গতি কমেছে অর্থনীতির প্রধান চার খাতে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি সপ্তাহেই ভোটের তফসিল
চলতি সপ্তাহেই ভোটের তফসিল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিঘির পানি ছিল রক্তের মতো লাল
দিঘির পানি ছিল রক্তের মতো লাল

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুর্গে কড়া নাড়ছে জামায়াত
বিএনপির দুর্গে কড়া নাড়ছে জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

এক সিদ্ধান্তে মুখোমুখি দুই শিল্প
এক সিদ্ধান্তে মুখোমুখি দুই শিল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

’৭১-এ তারা লাখ লাখ মানুষ হত্যা ও মা-বোনের ইজ্জত লুটেছিল
’৭১-এ তারা লাখ লাখ মানুষ হত্যা ও মা-বোনের ইজ্জত লুটেছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টে যাচ্ছে ভোটের হিসাব
পাল্টে যাচ্ছে ভোটের হিসাব

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে গান ‘ভালোবাসবো বাসবো রে’
যেভাবে গান ‘ভালোবাসবো বাসবো রে’

শোবিজ

মেসির আমেরিকা জয়
মেসির আমেরিকা জয়

মাঠে ময়দানে

হলো না আনিসুলের ডাবল সেঞ্চুরি
হলো না আনিসুলের ডাবল সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

চাপে ছোট কারখানা
চাপে ছোট কারখানা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশন সিক্স বসুন্ধরা কিংস
মিশন সিক্স বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

সিনেমাটি নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়
সিনেমাটি নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়

শোবিজ

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত
আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিসবেনেও ইংল্যান্ডকে হারাল অস্ট্রেলিয়া
ব্রিসবেনেও ইংল্যান্ডকে হারাল অস্ট্রেলিয়া

মাঠে ময়দানে

ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল
ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল

মাঠে ময়দানে

তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে

সম্পাদকীয়

ধর্মের নামে বিভাজনে একটি গোষ্ঠী
ধর্মের নামে বিভাজনে একটি গোষ্ঠী

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিক শওকত মাহমুদ গ্রেপ্তার
সাংবাদিক শওকত মাহমুদ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

কবর থেকে লাশ তোলা শুরু ১১৪ জন জুলাই শহীদের
কবর থেকে লাশ তোলা শুরু ১১৪ জন জুলাই শহীদের

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্যানসার রোগীর অস্ত্রোপচার করলেন ওটি বয়!
ক্যানসার রোগীর অস্ত্রোপচার করলেন ওটি বয়!

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে
ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাসহ সেনা কর্মকর্তাদের বিচার শুরুর আর্জি
হাসিনাসহ সেনা কর্মকর্তাদের বিচার শুরুর আর্জি

প্রথম পৃষ্ঠা

তদন্ত প্রতিবেদন ১৩ জানুয়ারি
তদন্ত প্রতিবেদন ১৩ জানুয়ারি

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান
সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

১৮ অভিবাসীর লাশ উদ্ধার
১৮ অভিবাসীর লাশ উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা