শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫

বিশ্বখ্যাত ঐতিহাসিক চত্বর

মুনশি মুহাম্মদ উবাইদুল্লাহ
প্রিন্ট ভার্সন
বিশ্বখ্যাত ঐতিহাসিক চত্বর

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কিছু বিখ্যাত চত্বর রয়েছে; যা পর্যটকদের কাছে বেশ আকর্ষণীয়।  সেগুলোর বিখ্যাত হওয়ার পেছনে রয়েছে নানা ইতিহাস-ঐতিহ্য ও দেশীয় সংস্কৃতির গল্প। এমনই কয়েকটি চত্বর নিয়ে আজকের আয়োজন-

BP

টাইমস স্কয়ার

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র টাইমস স্কয়ার। নিউইয়র্ক সিটির কেন্দ্রস্থল ম্যানহাটনে এর অবস্থান। গুরুত্বপূর্ণ স্থানটিকে ‘পৃথিবীর সড়ক সংযোগস্থল’ বলা হয়। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত পথচারী সংযোগস্থল ও বিশ্ব বিনোদনের প্রধান কেন্দ্র এটি। এলাকাটি রং-বেরঙের আলোকসজ্জা ও প্রোজ্জ্বল সাইনবোর্ডের কারণে বিখ্যাত। ইংরেজি নতুন বছর বরণের জন্যও বিখ্যাত এ স্কয়ার। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন ও দর্শনীয় স্থান। ৪২তম ও ৪৭তম স্ট্রিটের মধ্যে পাঁচ ব্লক লম্বা একটি বো-টাই আকৃতির প্লাজা এটি। বিশ্বের ব্যস্ততম পথচারী মোড়গুলোর অন্যতম এ স্কয়ারটি ব্রডওয়ে থিয়েটার জেলার কেন্দ্রস্থল। টাইমস স্কয়ার বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক পরিদর্শন করা পর্যটন স্থান। বার্ষিক আনুমানিক ৫০ মিলিয়ন দর্শনার্থী সেখানে যান। প্রতিদিন প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার মানুষ টাইমস স্কয়ার দিয়ে যাতায়াত করেন। তাদের অনেকেই পর্যটক। ব্যস্ততম দিনগুলোতে ৪ লাখ ৬০ হাজারও বেশি পথচারী টাইমস স্কয়ার দিয়ে হেঁটে যান। টাইমস স্কয়ারের ৪২তম স্ট্রিট ও ৪২তম স্ট্রিট-পোর্ট অথরিটি বাস টার্মিনাল স্টেশনগুলো ধারাবাহিকভাবে নিউইয়র্ক সিটি সাবওয়ে সিস্টেমের ব্যস্ততম স্থান। টাইমস স্কয়ারের নামকরণ করা হয় ১৯০৪ সালে। তখন নিউইয়র্ক টাইমসের সদর দপ্তরটি তখনকার নবনির্মিত টাইমস বিল্ডিংয়ে ছিল। বর্তমানে ওয়ান টাইমস স্কয়ারে স্থানান্তরিত করা হয়। এটি বার্ষিক নববর্ষের আগের বল ড্রপের স্থান; যা ১৯০৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর শুরু হয়। টাইমস স্কয়ার মোটরচালিত যানবাহনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সড়কপথ। টাইমস স্কয়ারকে কখনো কখনো বিশ্বের ক্রসরোড, মহাবিশ্বের কেন্দ্র ও গ্রেট হোয়াইট ওয়ের হৃদয় হিসেবেও উল্লেখ করা হয়।

BP

গ্র্যান্ড প্লেস

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসের অন্যতম আকর্ষণ ও বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর স্কয়ার গ্র্যান্ড প্লেস স্কয়ার। জায়গাটি স্থানীয়দের কাছে ‘গ্রেট মার্কেট’ হিসেবেও পরিচিত। চত্বরটির চারপাশে রয়েছে বেশ কয়েকটি ঐশ্বর্যমণ্ডিত গিল্ড হাউস, ঐতিহাসিক ভবন, টাউন হল ও মিউজিয়াম। এর সামনে রয়েছে ঐতিহাসিক ফ্লেমিশ ভবন। ১৯৯৮ সালে চত্বরটিকে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে। প্রতি দুই বছর অন্তর আগস্টের মাঝামাঝি এখানে বিশালাকার ফুলের কার্পেট তৈরি করা হয়। গ্র্যান্ড প্লেসের নির্মাণকাজ ১১ শতকে শুরু হয়। ১৭ শতকের মধ্যে তা সম্পন্ন হয়। ১৬৯৫ সালে ৯ বছরের যুদ্ধের সময় ফরাসি সৈন্যদের ব্রাসেলসের বোমাবর্ষণের সময় স্কয়ারের বেশির ভাগ অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। শুধু টাউন হলের সম্মুখ ভাগ ও টাওয়ার অক্ষত থাকে। এগুলো কামানের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কাজ করত। এ ছাড়া কিছু পাথরের দেয়াল আগুনের গোলাগুলিকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছিল। পরবর্তী বছরগুলোতে গ্র্যান্ড প্লেসকে ঘিরে থাকা বাড়িগুলো পুনর্র্নিমাণ করা হয়। ফলে স্কয়ারটি তার বর্তমান চেহারা ফিরে পায়। যদিও পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে সেগুলো প্রায়ই পরিবর্তন করা হয়েছিল। ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে স্কয়ারের ঐতিহ্যবাহী অংশমূল পুনঃ আবিষ্কৃত হয়। স্কয়ারটি প্রায়ই উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এটি শহরের বৃহত্তম বাজারও স্থাপন করেছিল। ১৪ শতকের পর থেকে গ্র্যান্ড প্লেসের উন্নতি স্থানীয় বণিক ও ব্যবসায়ীদের গুরুত্ব বৃদ্ধির লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধনী বণিক ও ব্রাসেলসের ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী গিল্ডরা স্কয়ারের চারপাশে ঘর-বাড়ি তৈরি করে। গ্র্যান্ড প্লেস তার ইতিহাসে অনেক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী ছিল। ১৫২৩ সালে প্রথম প্রোটেস্ট্যান্ট শহীদ জান ভ্যান এসেন ও হেন্ড্রিক ভোসকে ইনকুইজিশন স্কয়ারে পুড়িয়ে হত্যা করে। ৪০ বছর পর ১৫৬৮ সালে দুই রাষ্ট্রনায়ক ল্যামোরাল কাউন্ট অব এগমন্ট ও ফিলিপ ডি মন্টমোরেন্সি কাউন্ট অব হর্ন স্প্যানিশের শির-েদ করা হয়। এটি স্প্যানিশ শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের সূচনা করে। যার নেতৃত্ব দেন অরেঞ্জের উইলিয়াম। ১৭১৯ সালে সেন্ট ক্রিস্টোফার জাতির ডিন ফ্রাঁসোয়া অ্যানেসেনসের পালা আসে। যাকে গ্র্যান্ড প্লেসেই শির-েদ করা হয়।

BP

রেড স্কয়ার

ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যে সমৃদ্ধ পর্যটন কেন্দ্র মস্কোর রেড স্কয়ার বা লাল চত্বর। রাশিয়ার রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে চৌরাস্তাটি অবস্থিত। রেড স্কয়ারের প্রতিটি ভবন সুউচ্চ, স্থাপত্যশৈলী, শৈল্পিক কারুকার্য সজ্জিত ও নান্দনিক সৌন্দর্য নিয়ে দাঁড়ানো। একসময় এটি ছিল মস্কোর প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র। বর্তমানে ঐতিহাসিক রেড স্কয়ার রাশিয়া তথা বিশ্বের অন্যতম সেরা পর্যটন কেন্দ্র। এটি মস্কোর চতুর্দিকে সব রাস্তার মিলনস্থলরূপে বিবেচ্য। প্রায়ই এটি মস্কোর কেন্দ্রীয় চত্বর হিসেবে পরিগণিত হয়। রাশিয়ার অত্যন্ত জনপ্রিয় জায়গা হিসেবে এটি ব্যাপকভাবে পর্যটন আকর্ষণে সক্ষমতা অর্জন করেছে। যোসেফ স্টালিনের লাশ রেড স্কয়ারের কাছাকাছি সংরক্ষিত ছিল। লেনিনের লাশও সেখানেই ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তা স্থানান্তর করা হয়। ইটের রং বা সমাজতন্ত্র ও এর লাল রঙের মধ্যকার সম্পর্কের জন্যই রেড স্কয়ার শব্দের প্রবর্তন বলে ধারণা করা হয়। তবে ইটের রঙের বিষয় নিয়ে ইতিহাসবেত্তারা দ্বিমত পোষণ করেন। কেননা, ওই সময় সেখানে সাদা রঙের প্রচলন ছিল। ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয়, চত্বরটি তার বর্তমান নামে পরিচিতি পায় সপ্তদশ শতকে। অনেক প্রাচীন রুশ শহর তাদের প্রধান চত্বরের নামকরণ করে ‘ক্রাজনায়া প্লোশচাদ’ নামে। প্রাচীন ও দর্শনীয় স্থান হিসেবে রেড স্কয়ারের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। এগুলো বিভিন্ন চিত্রকর্ম বিশেষ করে ভাসিলি সুরিকভ, কনস্ট্যানটাইন যুন ও অন্য অনেক চিত্রকরের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। চত্বরটি প্রধানত মস্কোর প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া এখানে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানাদি, বিক্ষোভ-সমাবেশ ও রাশিয়ার জারের শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে রুশ সরকারের রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডও উদ্‌যাপন করা হয় এখানে।

BP

পিৎজা সান মারকো

ইতালির ভেনিসে পিৎজা সান মারকো চত্বর পর্যটকদের কাছে ভীষণ প্রিয়। জায়গাটির পরিচিতি মূলত অন্য নামে। লোকে বলে, ইউরোপের ড্রয়িং রুম বা অভ্যর্থনা কক্ষ। চত্বরটি সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয়ভাবে আলাদা গুরুত্ব বহন করে। স্থানীয় প্রাচীন চার্চের কারণে এখানে শত শত বছর ধরে মানুষের জমায়েত ও চলাচল রয়েছে। ২৪ ঘণ্টা জেগে থাকে এ জায়গাটি। ঐতিহাসিক স্থাপনা, দালানের চূড়ায় ঘড়ি, শহরঘেঁষা নদী-লেক সবমিলিয়ে চত্বরটি বেশ আকর্ষণীয়। এটি প্রায়ই ‘সেন্ট মার্কস স্কয়ার’ নামে পরিচিত। ইতালির ভেনিসের প্রধান পাবলিক স্কয়ার এটি। আঞ্চলিকভাবে এটি সাধারণত ‘লা পিয়াজ্জা’ নামে পরিচিত। বর্গক্ষেত্রটির পূর্ব প্রান্তে সেন্ট মার্ক্স ব্যাসিলিকা প্রাধান্য পেয়েছে। এর পশ্চিম দিকের সম্মুখভাগে রয়েছে বিশাল খিলান ও মার্বেল অলঙ্করণ। কেন্দ্রীয় প্রবেশপথের চারপাশে রোমানেস্ক খোদাই করা। চারটি ঘোড়া পুরো পিয়াজার নেতৃত্ব দিচ্ছে। এগুলো ভেনিসে গর্ব ও শক্তির প্রতীক। ৪০০ বছর পর নেপোলিয়ন ভেনিস জয় করার পর সেগুলো নামিয়ে প্যারিসে পাঠান। পিয়াজ্জেটা দেই লিওনসিনি গির্জার উত্তর দিকের একটি খোলা জায়গা। যার নামকরণ করা হয়েছে দুটি মার্বেল সিংহের নামে। ব্যাসিলিকাসংলগ্ন পূর্বদিকের নব্য-ধ্রুপদি ভবনটি হলো পালাজ্জো প্যাট্রিয়ারকেল। যা ভেনিসের প্যাট্রিয়ার্কের আসন। এর ওপরে সেন্ট মার্কের ক্লক টাওয়ার রয়েছে। যা ১৪৯৯ সালে সম্পন্ন হয়। উঁচু খিলানপথের ওপরে শহরের একটি প্রধান সড়ক। রাস্তাটি শপিং স্ট্রিটগুলোর মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক ও আর্থিক কেন্দ্র রিয়াল্টোতে নিয়ে যায়। ক্লক টাওয়ারের ডানদিকে সান বাসোর বন্ধ গির্জা। যা বালদাসারে লংহেনা দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছিল। এটি কখনো কখনো প্রদর্শনীর জন্য উন্মুক্ত থাকে। বামে পিয়াজার উত্তর দিকে লম্বা তোরণ। এ পাশের ভবনগুলো প্রোকিউরেটি ভেচি নামে পরিচিত। ভেনিস প্রজাতন্ত্রের সময় রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সেন্ট মার্কের প্রকিউরেটরদের বাড়ি ও অফিস ছিল। এগুলো ষোড়শ শতাব্দীর গোড়ার দিকে নির্মিত হয়। তোরণটি স্থল স্তরে দোকান ও রেস্তোরাঁ দিয়ে সারিবদ্ধ। যার ওপরে অফিস রয়েছে। রেস্তোরাঁগুলোর মধ্যে রয়েছে বিখ্যাত ক্যাফে কোয়াড্রি। ১৯ শতকে অস্ট্রিয়া কর্তৃক ভেনিস শাসিত হওয়ার সময় অস্ট্রিয়ানদের পৃষ্ঠপোষকতা করত এগুলো। ভেনিসিয়ানরা পিয়াজার অন্য পাশে ফ্লোরিয়ানদের পছন্দ করত। বামে মোড় নিলে তোরণটি পিয়াজার পশ্চিম প্রান্ত বরাবর এগিয়ে যায়। নেপোলিয়ন ১৮১০ সালের দিকে এটি পুনর্র্নির্মাণ করেন। তাই ‘আলা নেপোলিয়নিকা’ বা ‘নেপোলিয়নিক শাখা’ নামে পরিচিতি পায়।

BP

ট্রাফালগার স্কয়ার

আগে চত্বরটির নাম ছিল চেরিং ক্রস; এখন লোকে ট্রাফালগার স্কয়ার নামে চেনে। লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এ চত্বরে সারা বছরই পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে। এর কেন্দ্রস্থলে রয়েছে নেলসনস কলাম। চারপাশের চারটি সিংহের ভাস্কর্য সবাইকে চমকে দেয়। মূর্তি ও ভাস্কর্যে সাজানো স্থানটি রাজনৈতিক সমাবেশ, আন্দোলন, সামাজিক মিলনমেলা ও নববর্ষ উদ্‌যাপনে সারা বছর মুখর থাকে। পর্যটকরা এখানে কবুতরের সঙ্গে ছবি তুলতে ও তাদের খাওয়াতে পছন্দ করেন। ইংল্যান্ডের সেন্ট্রাল লন্ডনে অবস্থিত সাধারণ জনগণের মিলনস্থল ও পর্যটক আকর্ষণ সৃষ্টিকারী স্থান হিসেবে এর খ্যাতি সর্বত্র। এটি একসময় পায়রার জন্য বিখ্যাত ছিল। এদের খাবার দেওয়া ছিল অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ। ১৮০৫ সালে সংঘটিত ব্রিটিশ নৌবাহিনী ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিখ্যাত ট্রাফালগারের যুদ্ধে বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখতে এ নামকরণ করা হয়। এ চত্বরের প্রকৃত নাম ছিল ‘কিং উইলিয়াম দ্য ফোর্থস? স্কয়ার’। কিন্তু জর্জ ল্যাডওয়েল টেলর ‘ট্রাফালগার স্কয়ার’ নাম পরিবর্তনের জন্য সুপারিশ করেন। ১৮২০ সালে চতুর্থ জর্জ স্থপতি জন ন্যাশের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এ চত্বরের মানোন্নয়নে যথেষ্ট ভূমিকা রাখেন। ন্যাশ তার চেরিং ক্রস ইম্প্রুভমেন্ট স্কিমের অধীনে চত্বর সংস্কারে অগ্রসর হন। স্কয়ারের বর্তমান অবকাঠামোটি ১৮৪৫ সালে স্যার চার্লস ব্যারি কর্তৃক পূর্ণাঙ্গতা পায়। ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে স্কয়ারের দক্ষিণ দিকে বিল্ডিংয়ের কাজ আন্তগ্লাসিয়াল সময়কালের চিহ্ন প্রকাশ করে। এর মধ্যে ছিল সিংহ, গন্ডার, সোজা হাতি ও জলহস্তীর দেহাবশেষ। ত্রয়োদশ শতাব্দী থেকে এ স্থানটি উল্লেখযোগ্য। প্রথম এডওয়ার্ডের শাসনামলে এটি কিংস মেউস আয়োজন করেছিলেন; যা দক্ষিণে টি-জংশন থেকে উত্তরে চ্যারিং ক্রস পর্যন্ত চলে। যেখানে শহরের স্ট্র্যান্ড ওয়েস্টমিনস্টার থেকে উত্তরে আসা হোয়াইটহলের সঙ্গে মিলিত হয়। দ্বিতীয় রিচার্ডের শাসনামল থেকে হেনরি সপ্তম পর্যন্ত মিউজগুলো স্ট্র্যান্ডের পশ্চিম প্রান্তে ছিল। ‘রয়্যাল মিউজ’ নামটি এসেছে এখানে বাজপাখি রাখার অভ্যাস থেকে। ১৫৩৪ সালে অগ্নিকাণ্ডের পর মেউগুলোকে আস্তাবল হিসেবে পুনর্র্নির্মাণ করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
শরণার্থী থেকে ফুটবল তারকা
শরণার্থী থেকে ফুটবল তারকা
আমাদের পরিবারটি ক্রীড়াপ্রেমী
আমাদের পরিবারটি ক্রীড়াপ্রেমী
ফুটবলারদের প্রিয় খাবার
ফুটবলারদের প্রিয় খাবার
ভাসমান শহর রূপকথা নাকি ভবিষ্যৎ
ভাসমান শহর রূপকথা নাকি ভবিষ্যৎ
স্কিন-অ্যাংজাইটি কাটানোর মূলমন্ত্র
স্কিন-অ্যাংজাইটি কাটানোর মূলমন্ত্র
কখন কেমন-জুতো
কখন কেমন-জুতো
গ্রীষ্মের সতেজতায় ত্বকের ‘বুস্টার’ টোনার
গ্রীষ্মের সতেজতায় ত্বকের ‘বুস্টার’ টোনার
সাবরিহা আজরা, রন্ধনশিল্পী
সাবরিহা আজরা, রন্ধনশিল্পী
সুস্থতা আর সৌন্দর্যের আসল চাবিকাঠি
সুস্থতা আর সৌন্দর্যের আসল চাবিকাঠি
সানগ্লাসের স্টাইল
সানগ্লাসের স্টাইল
অপরূপ সুন্দর বাস্তবে মৃত্যুফাঁদ
অপরূপ সুন্দর বাস্তবে মৃত্যুফাঁদ
উৎসবের ভোজ
উৎসবের ভোজ
সর্বশেষ খবর
অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ
অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন
বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

১৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১৪ মিনিট আগে | পরবাস

একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন
একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন

২৬ মিনিট আগে | শোবিজ

ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়
ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

৪৩ মিনিট আগে | শোবিজ

সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা
নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নোয়াখালীতে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালীতে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২৮ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৬ শতাংশ বৃদ্ধি
২৮ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৬ শতাংশ বৃদ্ধি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

লিসা কুক ইস্যুতে ট্রাম্পের পরাজয়, তবে বেড়েছে প্রশাসনিক ক্ষমতা
লিসা কুক ইস্যুতে ট্রাম্পের পরাজয়, তবে বেড়েছে প্রশাসনিক ক্ষমতা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কৃষি-ব্যবসা-বেতন আয়করমুক্ত করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কৃষি-ব্যবসা-বেতন আয়করমুক্ত করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাগদান নয়, সম্পর্কে জড়িয়েছি’: ফেসবুক পোস্ট নিয়ে খোলাসা করলেন নীহা
‘বাগদান নয়, সম্পর্কে জড়িয়েছি’: ফেসবুক পোস্ট নিয়ে খোলাসা করলেন নীহা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মাছি উড়তেই মিলল মাটিচাপা লাশ, স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে
মাছি উড়তেই মিলল মাটিচাপা লাশ, স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০২৮ অলিম্পিকে খেলতে বাছাইপর্ব পেরোতে হবে বাংলাদেশকে
২০২৮ অলিম্পিকে খেলতে বাছাইপর্ব পেরোতে হবে বাংলাদেশকে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন
দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জমি বিরোধে চাচাকে পিটিয়ে হত্যা, ভাতিজা গ্রেফতার
জমি বিরোধে চাচাকে পিটিয়ে হত্যা, ভাতিজা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে নার্সিং শিক্ষার্থীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
নোয়াখালীতে নার্সিং শিক্ষার্থীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী আন্দোলনের উপদেষ্টা পরিষদ ও মজলিশে শুরায় নতুন সদস্য
ইসলামী আন্দোলনের উপদেষ্টা পরিষদ ও মজলিশে শুরায় নতুন সদস্য

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যশোরে মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
যশোরে মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের জাতির কর্ণধার: নওশীন হেলাল
শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের জাতির কর্ণধার: নওশীন হেলাল

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

শক্তিশালী পুঁজিবাজার গড়ে তোলার ওপর জোর গভর্নরের
শক্তিশালী পুঁজিবাজার গড়ে তোলার ওপর জোর গভর্নরের

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শাবির সমাজকর্ম বিভাগের সাথে কারিতাসের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত
শাবির সমাজকর্ম বিভাগের সাথে কারিতাসের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রিয়া গোপের পরিবারকে নাসিক প্রশাসকের আর্থিক অনুদান
রিয়া গোপের পরিবারকে নাসিক প্রশাসকের আর্থিক অনুদান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিমগাছ নিয়ে শিশুদের গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী
নিমগাছ নিয়ে শিশুদের গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ১১
সিদ্ধিরগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ১১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু
কুড়িগ্রামে বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত
ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি
জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার
নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাখির ভাষার রহস্য উন্মোচনে মার্কিন বিজ্ঞানীর সাফল্য
পাখির ভাষার রহস্য উন্মোচনে মার্কিন বিজ্ঞানীর সাফল্য

২৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক
ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’
ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা
স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড
নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?
জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর
দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে
কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি
বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার
স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের আগে সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী
জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের আগে সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রাইভেটকারে গরু তুলে পালানোর সময় দুই চোর আটক
প্রাইভেটকারে গরু তুলে পালানোর সময় দুই চোর আটক

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের
জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি
নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি

১৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল
জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের
‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের

২১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রিন্ট সর্বাধিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক

শোবিজ

পরীর নতুন প্রজেক্ট
পরীর নতুন প্রজেক্ট

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত
২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...
বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...

শোবিজ

সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও তীব্র যুদ্ধ
আবারও তীব্র যুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

নওয়াজের জীবনসংগ্রাম
নওয়াজের জীবনসংগ্রাম

শোবিজ

সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি
সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে

সম্পাদকীয়

রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়

সম্পাদকীয়

চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক
রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার
বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার
হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার

প্রথম পৃষ্ঠা

হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং
হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং

দেশগ্রাম

নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব
নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব

প্রথম পৃষ্ঠা

লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট
লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট

নগর জীবন

দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’
দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’

প্রাণের ক্যাম্পাস

মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা
মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা

দেশগ্রাম

নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার
নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার
কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না
বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না

প্রথম পৃষ্ঠা

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি

দেশগ্রাম

অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন
অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

দেশগ্রাম

গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ
গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ
রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ

মাঠে ময়দানে

বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত

সম্পাদকীয়