শিরোনাম
প্রকাশ : ৫ মে, ২০১৮ ০৫:০৪
প্রিন্ট করুন printer

সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক

সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত

মিরপুরের সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সরকারি বাঙলা কলেজ শাখার সব সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/০৫ মে ২০১৮/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:০৩
প্রিন্ট করুন printer

রাবি ভিসি'র দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের আহ্বান নূরের

রাবি প্রতিনিধি

রাবি ভিসি'র দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের আহ্বান নূরের
নুরুল হক নূর

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর।

বুধবার বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে এই আহ্বান জানান তিনি। 

রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয় আব্দুল মজিদ অন্তর ও ছাত্র অধিকার পরিষদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখার সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম এসময় লাইভে উপস্থিত ছিলেন। তারা উপাচার্যের নানা অনিয়মের কথা তুলে ধরেন। 

এ সময় নুরুল হক নূর বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি আমি বলবো ক্যাম্পাস খুললে ছাত্রনেতারা যখন রাকসু আন্দোলন, দুর্নীতিবাজ ভিসির অপসারণের আন্দোলনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রাম করবে তখন আপনাদের উচিত হবে তাদের পাশে থাকা। 

ডাকসুর সাবেক এই ভিপি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বায়ত্তশাসন দিয়েছিলেন তার একটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। স্বভাবতই এই চারটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্ষেত্রে বড় ভূমিকা থাকে। সমাজ গঠনে রাষ্ট্র গঠনেও তারা সেই অবদান রেখে যাচ্ছে। কিন্তু সেখানে যদি দুর্নীতি হয়, শিক্ষক নিয়োগে যদি অনিয়ম হয়, শিক্ষকদের মধ্যে যদি দুর্নীতি ঢুকে যায়, তারা যদি ছাত্রদের সাথে প্রতারণা করে তাহলে সেটি ব্যাধি হিসেবে সমগ্র জাতির মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। 

ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ডাকসুর পরে রাকসু, জাকসু নির্বাচন হলে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আশা করি ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে দিয়ে প্রকৃত মেধাবী, সৎ, সাহসী ও সৃজনশীল ছাত্ররা ছাত্র রাজনীতিতে আসবে। ফলে জাতীয় রাজনীতিতে যে অসহিষ্ণু অবস্থা দেখা যায় তার অবসান হবে। সে ধরণের পরিবর্তন আসলেই কেবল সোনার বাংলা বিনির্মাণ সম্ভব। 

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের তদন্তে উপাচার্যসহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যদের বিরুদ্ধে ২৫টি অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

রাবি ভিসি’র ‘দুর্নীতি’র বিরুদ্ধে আন্দোলনের আহ্বান নুরের

রাবি প্রতিনিধি

রাবি ভিসি’র ‘দুর্নীতি’র বিরুদ্ধে আন্দোলনের আহ্বান নুরের

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের ‘দুর্নীতি’র বিরুদ্ধে আন্দোলনের আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।

আজ বুধবার বিকেলে নিজের ৬ ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে এই আহ্বান জানান তিনি। রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয় আব্দুল মজিদ অন্তর ও ছাত্র অধিকার পরিষদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখার সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম এ সময় লাইভে উপস্থিত ছিলেন। তারা উপাচার্যের নানা অনিয়মের কথা তুলে ধরেন। 

এসময় নুরুল হক নুর বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি আমি বলবো ক্যাম্পাস খুললে ছাত্রনেতারা যখন রাকসু আন্দোলন, দুর্নীতিবাজ ভিসির অপসারণের আন্দোলনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রাম করবে তখন আপনাদের উচিত হবে তাদের পাশে থাকা। 

ডাকসুর সাবেক এই ভিপি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বায়ত্তশাসন দিয়েছিলেন তার একটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। স্বভাবতই এই চারটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্ষেত্রে বড় ভূমিকা থাকে। সমাজ গঠনে রাষ্ট্র গঠনেও তারা সেই অবদান রেখে যাচ্ছে। কিন্তু সেখানে যদি দুর্নীতি হয়, শিক্ষক নিয়োগে যদি অনিয়ম হয়, শিক্ষকদের মধ্যে যদি দুর্নীতি ঢুকে যায়, তারা যদি ছাত্রদের সাথে প্রতারণা করে তাহলে সেটি ব্যাধি হিসেবে সমগ্র জাতির মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। 

ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ডাকসুর পরে রাকসু, জাকসু নির্বাচন হলে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আশা করি ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে দিয়ে প্রকৃত মেধাবী, সৎ, সাহসী ও সৃজনশীল ছাত্ররা ছাত্ররাজনীতিতে আসবে। ফলে জাতীয় রাজনীতিতে যে অসহিষ্ণু অবস্থা দেখা যায় তার অবসান হবে। সে ধরণের পরিবর্তন আসলেই কেবল সোনার বাংলা বিনির্মাণ সম্ভব। 

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের তদন্তে উপাচার্যসহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যদের বিরুদ্ধে ২৫টি অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৪২
প্রিন্ট করুন printer

শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন কেনার জন্য সফট লোন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন কেনার জন্য সফট লোন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন কেনার জন্য সফট লোন (সহজ শর্তে ঋণ) প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১২টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে সফট ঋণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন। 

এ সময় শিক্ষক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, প্রক্টর, প্রভোস্ট, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

উদ্বোধন শেষে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় উপাচার্য বলেন, শত প্রতিকূলতার মধ্যেও সরকার কারোনা মোকাবেলাসহ দেশের সকল খাতকে সচল রাখতে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। করোনা মহামারীর দুঃসময়ে সরকার বিভিন্নভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকায় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সফট লোন প্রদান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রাথমিক ভাবে তিনজন শিক্ষার্থীর মাঝে ৮ হাজার টাকা করে ঋণের চেক হস্তান্তর করা হয়। পর্যায়ক্রমে বাকি ৩১৯ জন শিক্ষার্থীর লোনের টাকা তাদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসেবে অনলাইনের মাধ্যমে প্রেরণ করার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

উল্লেখ্য, করোনাকালীন মেধাবী অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষামন্ত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে মেধাবী অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের স্মার্ট ডিভাইস ক্রয়ের জন্য একটি তালিকা প্রেরণের নির্দেশনা দেয়। নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মঞ্জুরি কমিশনের কাছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১ হাজার ৭০ জন অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীর তালিকা প্রেরণ করে। যা মঞ্জুরি কমিশনে গৃহীত হয়। চূড়ান্ত বাছাই শেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৩২২ জন শিক্ষার্থীর সফট লোনের আবেদন মঞ্জুর করে। 

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৫১
প্রিন্ট করুন printer

খুবির দুই শিক্ষার্থীর অনশন ভঙ্গ

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:

খুবির দুই শিক্ষার্থীর অনশন ভঙ্গ

টানা সাতদিন পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) আন্দোলনরত দুই শিক্ষার্থীকে শরবত খাইয়ে অনশন ভঙ্গ করালেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েকউজ্জামান। মঙ্গলবার রাত আটটায় অনশন ভঙ্গ করার পর শিক্ষার্থীরা নিজ বাড়িতে ও হোস্টেলে ফিরে গেছেন। এর ফলে অনশন কর্মসূচিকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতার অবসান হলো। 

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের মধ্যস্ততায় মঙ্গলবার দুপুরে অনশনরত দুই শিক্ষার্থী উপাচার্য বরাবর নতুন আরেকটি চিঠি দিয়েছেন। ওই চিঠিতে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে পাঁচদফা আন্দোলন চলাকালে দুই শিক্ষকের পথরোধ ও অসদাচরনের ঘটনাকে অনিচ্ছাকৃত ও ওই ঘটনার সাথে তারা কেউ সংশ্লিষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন। তারপরও ওই ঘটনায় শিক্ষকরা যদি কোন কষ্ট পেয়ে থাকেন তার জন্যও তারা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া সার্বিক ঘটনা বিবেচনায় বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করলে কৃতজ্ঞ থাকার কথা জানিয়েছে। এসব কারণে খুবি উপাচার্য মঙ্গলবার রাত ৮টায় অনশনস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন ভঙ্গ করান। এসময় তিনি দ্রুত শৃঙ্খলা কমিটির সভায় শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সবুজ সংকেত দেন। 

জানা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বেতন-ফি কমানো, আবাসন ব্যবস্থাসহ পাঁচদফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ওই আন্দোলনে দুইজন শিক্ষকের পথরোধ করা ও অসদাচরনের অভিযোগে দুই শিক্ষার্থী ইমামুল ইসলাম ও মোবারক হোসেন নোমানকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করে ওই দুই শিক্ষার্থী। এর আগে ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি তারা একই স্থানে আমরণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।  

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:১২
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৮
প্রিন্ট করুন printer

মার্চের প্রথম সপ্তাহে ঢাবির হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

মার্চের প্রথম সপ্তাহে ঢাবির হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ
ফাইল ছবি

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য আংশিকভাবে হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটি।

আজ মঙ্গলবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে কমিটির এক সভায় এই সুপারিশ করা হয়। সভার একাধিক সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

প্রভোস্ট কমিটির সদস্য-সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী জানান, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য স্নাতকোত্তর ও স্নাতক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য আংশিক হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ৩১ জানুয়ারি একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, মাস্টার্সের আবাসিক পরীক্ষার্থীদের আগে হলে তোলা হবে। পরীক্ষা শেষে তারা চলে গেলে পর্যায়ক্রমে অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষার্থীরা হলে উঠবে। এর মধ্যে হল পরিষ্কার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সীমিত আকারে মেস বা ক্যান্টিনে লোকবল থাকবে। ছাত্ররা সবসময় তাদের প্রবেশপত্র ও আইডি কার্ড সাথে রাখবে। পরীক্ষার্থী ছাড়া কেউ হলে প্রবেশ করতে পারবে না। 

কোভিড পরিস্থিতির কারণে গত বছরের ১৯ মার্চ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। একই সাথে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো। 
 
বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর