Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ নভেম্বর, ২০১৯ ২১:২৫

সিলেটে শেষ হলো রবীন্দ্র স্মরণোৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট :

সিলেটে শেষ হলো রবীন্দ্র স্মরণোৎসব

বাঙালির দ্রোহে, নান্দনিক উচ্ছ্বাসে রবীন্দ্রনাথ অপরিহার্য মানব। শ্রীহট্টা তথা সিলেটের সাথে রবীন্দ্রনাথ ও জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির সম্পর্কের গভীরতা অতলস্পর্শী। শতবর্ষ পূর্বে বিশ্বকবি এসেছিলেন শ্রীভূমে। শতাব্দির কালপটে দাঁড়িয়ে তাই আয়োজন করা হয়েছিল ‘সিলেটে রবীন্দ্রনাথ : শতবর্ষ স্মরণোৎসব’। গেল ১ নভেম্বর থেকেই এই স্মরণোৎসব চলছিল সিলেটে। তবে মূলপর্ব শুরু হয় গত বৃহস্পতিবার। রবীন্দ্রনাথকে মন ও মননে ধারণের আবাহনে শুক্রবার রাতে শেষ হয়েছে এই স্মরণোৎসব।

শুক্রবার বিকাল ৪টায় জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় রবীন্দ্র স্মরণোৎসবের শেষ দিনের অনুষ্ঠানমালা। এরপর ছিল একক ও সম্মেলক আবৃত্তি, নৃত্য, সঙ্গীত ও আলোচনা। আলোচনা পর্বে রবীন্দ্র স্মরণোৎসব পর্ষদের আহবায়ক ও সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সিলেটের সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেটে প্রায় তিন বছর আগে বেঙ্গল উৎসব হয়েছিল। এবার রবীন্দ্রনাথ স্মরণোৎসব হলো, যা সিলেটের সর্ববৃহৎ উৎসব। সিলেট সবসময়ই আলাদা। শতবর্ষ পূর্বে রবীন্দ্রনাথ যখন সিলেটে আসেন, তখন তাকে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান সবাই স্বাগত জানায়। শতবর্ষ পরে হিন্দু, মুসলিম সবাই একাত্ম হয়ে রবীন্দ্র স্মরণোৎসবকে সফল করেছেন।’ সিলেটের সম্প্রীতির কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, সিলেটে একটি স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক কেন্দ্র করার দাবি ওঠেছে। এতে আমাদের দ্বিমত নেই। সিলেটের মেয়র যদি একটি প্রস্তাবনা তৈরি করে পাঠান, তবে তা অনুমোদন পেতে পারে। যেহেতু সিলেট থেকে পরিকল্পনামন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন। তারা এ বিষয়টি নিশ্চয়ই দেখবেন। রবীন্দ্র স্মরণোৎসবের সমাপনীতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, লাইসা আহমেদ লিসা, অনুপম কুমার পাল, অসীম দত্ত, ভারতের পদ্মশ্রী পূর্ণদাস বাউল, অগ্নিভ বন্দোপ্যাধ্যায় প্রমুখ।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য