শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৯:৩৬
প্রিন্ট করুন printer

সাংবাদিকদের উপর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সাংবাদিকদের উপর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

সিলেটের স্থানীয় দৈনিক ‘একাত্তরের কথা’র সম্পাদক চৌধুরী মুমতাজ আহমদ ও প্রকাশক নজরুল ইসলাম বাবুলসহ ৭ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ সেলিমের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহীদ মিনারের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আল আজাদের সভাপতিত্বে ও বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মনিরের পরিচালনায় মানববন্ধনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক শাহ্ দিদার আলম নবেল। 

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি মঈন উদ্দিন, সুনামগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান চৌধুরী, অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি মুহিত চৌধুরী, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক ফখরুল ইসলাম, বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক কমিশনের সভাপতি ফয়ছল আহমদ বাবলু, লোক গবেষক সুমন কুমার দাশ, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেটের সাধারণ সম্পাদক শংকর দাস, উদীচী সিলেটের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী ও সাংবাদিক ইয়াহইয়া মারুফ।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৮:৪৯
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:০০
প্রিন্ট করুন printer

শ্রীমঙ্গলে সরকারি গুদামে জমা পড়েনি একমুঠো ধান!

দীপংকর ভট্টাচার্য লিটন, শ্রীমঙ্গল

শ্রীমঙ্গলে সরকারি  গুদামে জমা
পড়েনি একমুঠো ধান!

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আমন সংগ্রহ অভিযানে একমুঠো ধানও জমা পড়েনি সরকারি গুদামে। এ উপজেলায় আমন ধান সংগ্রহের লক্ষ্য মাত্রা ছিল ৪৪২ মেট্রিক টন। আর সরকারি দাম ছিল ১ হাজার ৪০ টাকা মণ। প্রথম তালিকাভুক্ত কৃষকদের নিকট থেকে এই ধান সংগ্রহের সময় শেষ হয় গত ২৫ জানুয়ারি। আর এই সময়ের মধ্য লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে গত ২৬ জানুয়ারি থেকে ২য় তালিকার কৃষকদের নিকট থেকে ধান সংগ্রহের নিদের্শনা দেয়া ছিল খাদ্য মন্ত্রণালয়ের। চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।  কিন্তু এখনো ফাঁকা রয়েছে সরকারি গুদাম।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, সরকারি দামের চেয়ে আড়তে ধানের দাম বেশি।  তাছাড়া রয়েছে গোডাউনে ধানের আদ্রতা পরিমাপ, চিটা পরিষ্কার, লোড-আনলোড ও পরিবহন খরচ। এসব ঝামেলার কারণেই কৃষকরা গোডাউনমুখী না হয়ে আডতে ধান বিক্রি করছেন। 

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সরকারি গুদামে ধান জমা না হওয়া মানে দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি। আর বাজার সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে এর প্রভাব পড়বে দেশের মানুষের উপর। 
  
গত বছরের ৩০ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখা থেকে জারিকৃত এক পরিপত্রে ২০২০ সালের বোরো ধান সংগ্রহের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ২০২০-২১ আমন মৌসুমের শুরুতে উৎপাদক কৃষকদের মধ্য থেকে লটারি করে দুইটি কৃষক নির্বাচন তালিকা করার জন্য বলা হয়েছিল। স্থানীয় কৃষি অফিস জানায়, আমন উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৫ হাজার ৯৬১ মেট্রিক টন। আর উৎপাদন হয়েছিল ৭২ হাজার ২৭৬ মেট্রিক টন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি বলেন, ‘মাঠ পর্যায় থেকে আমাদের কাছে কৃষকের তালিকা এসেছিল। কিন্তু দাম কম থাকায় কৃষকরা গোডাউনে ধান বিক্রিতে সম্মতি দেয়নি, তাই আর লটারি করা হয়নি। তিনি বলেন, সরকারিভাবে ধানের দাম আরও বৃদ্ধি করা হলে গোডাউনে ধান দিতে কৃষকরা উৎসাহিত হবে।’

দক্ষিণ উত্তরসুর গ্রামের কৃষক কাজী আ. হক জানান, মোটা-চিকন সব ধানেরই  সরকারিভাবে এক মূল্য। আর আড়তে জাত হিসেবে দাম ভালো পাওয়া যায়। 

নওয়াগাঁত্ত গ্রামের কৃষক বকুল মিয়া বলেন, শুধু দাম নয়, ‘সরকারি গোডাউনে ধান নিয়ে গেলে নানান ঝামেলায় পড়তে হয়। তাদের উৎকোচ না দিলে ধানে আদ্রতা কম বা চিটা পরিমাণ বেশি; একটা না একটা অজুহাত তারা বের করবেই। লোড-আনলোডেও শ্রমিকদের টাকা দিতে হয়। এই সব খরচ মিটিয়ে এক মণ ধানের দাম পড়ে ৯০০ টাকা।’

পশ্চিম শ্রীমঙ্গলে কাঞ্চন দাশ বলেন,‘আড়তে ধান বিক্রি করতে কৃষকদের কোন খরচ নেই। তারা কৃষকের বাড়ি থেকেই ধান সংগ্রহ করে নিয়ে আসে। 

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা তকবির হোসেন বলেন, ‘বাইরে দাম বেশি থাকায় কৃষকরা আমাদেরকে ধান দেয় নাই।’

উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন বলেন, কৃষকরা আমন ধান দিতে আসে নাই। কৃষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, সরকারের নিয়ম মেনেই আমাদের ধান নিতে হয়।’

আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র হাটহাজারি ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জামাল উদ্দিন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘কৃষকদের গোডাউনমুখী করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে হবে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে। সংগ্রহ অভিযানের সময় মাঠপর্যায়ে ব্যাপক হারে ফলাও করে প্রচার প্রচারণা করতে হবে। প্রয়োজনে এই সময়ে দৈনিক ভিত্তিতে লোক নিয়োগ দিয়ে হলেও কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে খাদ্য সংগ্রহ করতে হবে। কারণ সরকারের হাতে পর্যাপ্ত মজুদ না থাকলে আড়তদাররা সিন্ডিকেট করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলে দিতে পারে।’ 

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২৯
প্রিন্ট করুন printer

কানাইঘাট পৌরসভার মেয়র পদের গেজেট স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট:

কানাইঘাট পৌরসভার মেয়র পদের গেজেট স্থগিত

সদ্য সমাপ্ত সিলেটের কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদের গেজেট ও শপথ স্থগিত করার আদেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী সোহেল আমিনের রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার হাইকোর্ট বিভাগের ৩ বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।

গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের এ আদেশের কথা জানিয়েছে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের একটি সূত্র।

সূত্র জানায়, মেয়র পদের গেজেট ও শপথ স্থগিত করার পাশাপাশি কানাইঘাট উপজেলার ফাটাহিজল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিবনগর দারুল কোরআন মাদ্রাসা ও দূলর্ভপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের ফলাফল পুনঃগণনার আদেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।
একই সাথে ফাটাহিজল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার শাখাওয়াতকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের আদেশ দেন আদালত।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত কানাইঘাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী লুৎফুর রহমান ১৪৬ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সোহেল আমিন। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:১৮
প্রিন্ট করুন printer

মা-ভাইয়ের হামলায় আহত স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে অটোচালক

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

মা-ভাইয়ের হামলায় আহত স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে অটোচালক

নেত্রকোনায় মা ভাইদের হামলায় আহত হয়ে স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে অটোচালক মাহবুবুর রহমান। জেলার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের কদমদেওলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে গতকাল মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে। এরপর এলাকাবাসীর সহায়তায় নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় লাকী আক্তার (৩২)-কে। কিন্তু সাথে ৬ মাসের দুধের শিশু থাকায় বিপাকে অটোচালক মাহবুবুর রহমান। শিশু সন্তানকে কোলে নিয়েই বিচার চেয়ে ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে।  

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে খবর পেয়ে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোরশেদা খাতুন জানান, বারহাট্টা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

এ ব্যাপারে স্থানীয় ভাবে করনীয় বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউপি চেয়ারম্যান পল্টন সরকারের মোবাইলে বারবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

তবে বারহাট্টা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, একটি অভিযোগ পেয়েছেন তিনি। মাহবুবের মা ছেলেকে অত্যাচার করার। সেখানে তিনি পুলিশ পাঠিয়েছেন। বিষয়টি দেখবেন। 

নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসারত আহত লাকী আক্তার ও তার স্বামী অটো চালক মাহবুবুর রহমান জানান, তারা দুই বছর পূর্বে বিয়ে করেন। এরপর স্বামী স্ত্রী মিলে পরিবারে টাকা পয়সা দিয়ে এমনকি একটি ঘরও করে দিয়েছেন। কিন্তু মাহবুবুর রহমানের মা হেনা আক্তার ও বোন লিপি আক্তার, ভাই জুয়েলসহ সবাই মিলে তাদেরকে মারধর করে বাড়ি ছেড়ে দেয়ার জন্য। পাশাপশি টাকা দেয়ার জন্য। যতক্ষন তারা টাকা দেয় ততক্ষণই ভালো থাকে। এভাবে প্রায় সময়ই মারধর করে। গত রাতে মারতে মারতে লাকীর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। ছেলেকে উলঙ্গ করে মেরেছে।
 
মাহবুবুর বলেন, তার পরিবারের সদস্যরা এলাকায় অন্যান্য মানুষদেরকেও এভাবে হয়রানি করে এবং সাথে সাথে নিজেরা মারমারি করে থানায় গিয়ে মিথ্যা মামলা দেয়। তারা আমার সংসারে এমন অশান্তি শুরু করেছে। এর থেকে তিনি ও তার স্ত্রী এবং ৬ মাস বয়সী দুধের শিশু রেহাই চান। 

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৫৮
প্রিন্ট করুন printer

করোনার টিকা নিলেন মেয়র আরিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

করোনার টিকা নিলেন মেয়র আরিফ

সিলেটে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে করোনা ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম। প্রথম দিন ইচ্ছা থাকলেও শারীরিক অসুবিধার কারণে ভ্যাকসিন নিতে পারেননি সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। 

শেষ পর্যন্ত বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি করোনার টিকা নিয়েছেন।  টিকা নেয়ার পর হাসপাতালে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিশ্রাম নেন মেয়র আরিফ। বুধবার বিকেল পর্যন্ত তার শরীরে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। 

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৫০
প্রিন্ট করুন printer

সিলেটে পাঁচ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটে পাঁচ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস

সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত থেকে গত দেড় বছরে উদ্ধারকৃত প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। 

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২ টায় সিলেটের ৪৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এই মাদকদ্রব্যগুলো ধ্বংসকরন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিজিবি উত্তরপূর্ব কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবিএম নওরোজ এহসান।

ধ্বংসকৃত মাদকদ্রব্যগুলোর মধ্যে ছিল- ১৯ হাজার ৮৮ বোতল ভারতীয় বিভিন্ন ব্রান্ডের মদ, ৪ হাজার ২১ বোতল ফেন্সিডিল, ৯ হাজার ৭৯৩ পিস ইয়াবা, ৯২ কেজি গাঁজা ও ছয় লাখ ৬৯ হাজার পিস ভারতীয় বিড়ি। 

বিজিবি ৪৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক আহমদ ইউসুফ জামিল জানান, ধ্বংসকৃত মাদক দ্রব্যের আনুমানিক দাম প্রায় ৪ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৩৩০ টাকা। ২০১৯ সালের ১৩ জুন থেকে ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারী পর্যন্ত  বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ভারত থেকে অবৈধভাবে নিয়ে আসা এসব মাদক দ্রব্যগুলো উদ্ধার করা হয়।

সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ বন্ধে বিজিবির তৎপরতা আরা বাড়ানা হয়েছে বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তা জামিল।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর