শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ১৪:২০
আপডেট : ১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ১৪:২৩

সময় টিভি’র প্রতিবেদন

চট্টগ্রামের ক্যাসিনো ব্যবসায়ী ও টেন্ডারবাজদের খুঁজছে র‌্যাব

অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রামের ক্যাসিনো ব্যবসায়ী ও টেন্ডারবাজদের খুঁজছে র‌্যাব
প্রতীকী ছবি

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ছয়জন অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ীর পাশাপাশি টেন্ডারবাজির মাধ্যমে কোটিপতি হওয়া অন্তত ৩০ জনকে খুঁজছে র‌্যাব। মূলত ঢাকায় গ্রেফতার হওয়া সেলিম প্রধানের সহযোগী হয়ে এ ছয়জন চট্টগ্রামে অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসা এবং বাকিরা সম্রাট, জি কে শামীম এবং খালেদের সহযোগী হিসাবে টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তথ্য রয়েছে।

ঢাকায় ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির পরই চট্টগ্রামের বিভিন্ন ক্লাবে অভিযান চালায় র‌্যাব। কিন্তু এসব ক্লাবে অল্প কিছু জুয়ার সামগ্রী ছাড়া তেমন কিছু পায়নি। এরপরই শুরু হয় অনলাইন ক্যাসিনোর অনুসন্ধান। বিশেষ করে ঢাকায় গ্রেফতার হওয়া অনলাইন ক্যাসিনোর মূলহোতা সেলিমের সহযোগী হিসেবেই চট্টগ্রামের ৬ জন জুয়ার মাধ্যমে টাকা আয় করত। এর মধ্যে দু’জন শীর্ষস্থানীয় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার নিয়ন্ত্রক।

র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম বলেন, গেল ৭-৮ বছরে যারা আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা অভিযান পরিচালনা করব।

সম্প্রতি নগরীতে সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে টেন্ডার এবং চাঁদাবাজির হার মারাত্মকভাবে বেড়েছে। টেন্ডারবাজি করে কোটিপতি হওয়ার প্রবণতাই সমাজে অস্থিরতার সৃষ্টি করছে বলে মত সুশীল সমাজের।

চট্টগ্রাম সনাকের সভাপতি অ্যাডভোকেট আকতার কবীর চৌধুরী বলেন, আগে ছিল ভিওআইপি ব্যবসা। এখন হয়েছে ক্যাসিনো, টেন্ডারবাজি, ইয়াবা ও চাঁদাবাজি। এগুলো করে অনেকে অবৈধ টাকা আয় করছেন।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এফএম ইমাম আলী বলেন, এগুলো চলতে থাকলে অন্যরা উৎসাহিত হবে এবং তারাও এই কাজ করতে থাকবে। এক সময় সমাজে একটি বিশৃঙ্খল অবস্থা সৃষ্টি হবে।

এ অবস্থায় রাজধানী ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও টেন্ডার এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে র‌্যাব। সম্রাট, জি কে শামীম, খালেদ এবং সেলিম প্রধানের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী কোটিপতি হওয়া অন্তত ৩০ জনের তালিকা রয়েছে র‌্যাবের হাতে।

মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম বলেন, বর্তমানে যারা আত্মগোপনে রয়েছেন তাদের সংশ্লিষ্টতা আমরা খতিয়ে দেখছি। যথেষ্ট প্রমাণ সাপেক্ষে আমরা তাদের গ্রেফতার করব।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য মতে, নগরীতে আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগের অনুসারী অন্তত ১৫টি সিন্ডিকেট রয়েছে। যেসব সিন্ডিকেট সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য