২৭ এপ্রিল, ২০২২ ১৬:০১

বরিশালে শেষ মুহূর্তে কেনাকাটা তুঙ্গে

রাহাত খান, বরিশাল

বরিশালে শেষ মুহূর্তে কেনাকাটা তুঙ্গে

করোনার কারনে গেল দুই বছর ঈদে তেমন কেনাকাটা করতে পারেনি জনসাধারণ। এ কারণে এবার রোজার প্রথমভাগ থেকেই মার্কেটমুখি সবাই। শেষ মুহূর্তে বরিশালের ঈদ বাজারে ব্যাপক জমে উঠেছে কেনাবেচা। এবারও ঈদ বাজারে তরুনীদের প্রথম পছন্দ ভারত, চীন ও থাইল্যান্ডের নানা নাম ও বাহারী ডিজাইনের থ্রিপিস ও কসমেটিক্স। অন্যান্য বয়সের মানুষের জন্যও রয়েছে ব্যাপক পন্যের সম্ভার। তবে দাম একটু বেশী। এদিকে ঈদ বাজারের করোনাভীতি উধাও হয়ে গেছে। মার্কেটমুখি জনসাধারনের সার্বিক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নানা পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেছেন মেট্রো পুলিশ কমিশনার।  

করোনা মহামারীর কারনে জনসাধারণ বিগত দুই বছর ঈদে মনের মতো করে কেনাকাটা করতে পারেনি। এবার করোনা সংক্রমন অনেকটা কমে যাওয়ায় ১০ রোজার পর থেকেই মার্কেটমুখি বিত্তশালীরা। মধ্য রোজার পর ভিড় বাড়ে ঈদ বাজারে। এখন ঈদের আগ মুহূর্তে কেনাকাটা তুঙ্গে। 

ভারত, চীন ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন ধরনের থ্রি-পিসসহ নানা কাপড়, কসমেটিক্স ও জুতার সম্ভার রয়েছে ঈদ বাজারে। ঢাকাইয়া জামদানী, কাতান, টাঙ্গাইলের সিল্ক শাড়ি এবং তাঁতের শাড়ি নারীদের পছন্দের শীর্ষে। মার্কেটভেদে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে এসব পন্য। গেল দুই বছর ঈদে কেনাকাটা করতে না পাড়ার বেদনা কিছুটা হলেও কমবে বলে মনে করেন তারা। ক্রেতাদের দাবী আগের চেয়ে সব পন্যেও দাম বেশী। নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের সাধ্যের বাইরে। এদিকে চীন ইতালীসহ বিভিন্ন দেশে আবার করোনা হানা দিলেও বরিশালের ঈদ বাজারে করোনা ভীতি একেবারে উবে গেছে। 

ঈদ বাজারে বিদেশী কাপড় এবং প্রসাধনীর চাহিদা বেশী বলে জানিয়েছেন নগরীর সদর রোডের টপটেন নামে একটি শপিং কমপ্লেক্সে সেলসম্যান মো. লাভলু তালুকদার। 

নগরীর চকবাজার-পদ্মাবতী-ফলপট্টি ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির সমিতির সাধারন সম্পাদক শেখ আব্দুর রহিম বলেন, করোনার ক্ষত কাটাতে ব্যাপক আয়োজন রয়েছে ব্যবসায়ীদের। দামও সহনীয় বলে দাবী তার। ঈদ বাজারে করোনা ভীতি একেবারেই নেই বলে সরল স্বীকারোক্তি তার। 

এদিকে ঈদ বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার সার্বিক নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেট্রো পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান। 

তিনি বলেন, ঈদ বাজারে পোষাকধারী এবং সাদা পোষাকধারী পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছাড়াও ট্রাফিক ব্যবস্থা সহনীয় রাখতে ছোট ছোট যানবাহন নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।  

এদিকে গরীবের ঈদ বাজার খ্যাত হাজী মহসিন হকার্স মার্কেট, সিটি বহুমুখি হকার্স মার্কেট এবং জেলা পরিষদ পুকুর পাড়ের ফুটপাতের দোকানেও নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত মানুষের প্রচুর ভীর রয়েছে। সহনীয় দামে বিভিন্ন ধরনের পন্য পাওয়া যাচ্ছে এসব স্থানে। 

বিডি প্রতিদিন/এএ

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর