শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ এপ্রিল, ২০২০ ২৩:৪৮

বরিশালে কাল থেকে পরীক্ষা খুলনায় আগামী সপ্তাহে

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল ও খুলনা

আগামীকাল  থেকে বরিশালে শুরু হচ্ছে করোনা পরীক্ষা। এ লক্ষ্যে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের একটি কক্ষে করোনাভাইরাস পরীক্ষার পলিমার চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) মেশিন স্থাপনের কাজ চলছে দ্রæততার সঙ্গে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী শনিবার থেকে বরিশালে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষা শুরু হবে বলে আশা করেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন। অন্যদিকে, খুলনা মেডিকেল কলেজে (খুমেক) করোনাভাইরাস শনাক্তে পিসিআর মেশিন চালু করতে নতুন করে ‘এয়ার টাইট রুম ও ফলস সিলিং’ তৈরি করা হচ্ছে। এ কারণে মেশিন স্থাপন কাজে সময় লাগছে। সব মিলিয়ে আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে পিসিআর মেশিন চালু করা যাবে বলে ধারণা করছেন চিকিৎসকরা। খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ এ কথা জানিয়েছেন। বরিশাল : করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য একজন ভাইরোলজিস্ট এবং দুজন বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ানের প্রয়োজন হলেও শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দক্ষ জনবল নেই। তবে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন বলেছেন, ভাইরোলজি বিভাগে কর্মরত শিক্ষক এবং টেকনিশিয়ানরাই প্রাথমিকভাবে করোনাভাইরাস পরীক্ষার কাজ শুরু করবেন। এরপরও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভাইরোলজিস্ট ও দুজন টেকনিশিয়ান প্রয়োজন। দক্ষ জনবল চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। আগামী শনিবারের মধ্যে চাহিদা অনুযায়ী জনবল পাওয়ার আশা করেন তিনি। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র জানায়, দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটলে স্বাস্থ্য মন্ত্রাণালয় ঢাকার বাইরে দেশের সাতটি স্থানে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ল্যাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ওই সাতটি স্থানের মধ্যে বরিশালের নাম ছিল না। বরিশালে নানা কারণে করোনাভাইরাস বিস্তারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা উল্লেখ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দফায় দফায় আবেদন এবং গণমাধ্যমের তৎপরতার কারণে শেষ পর্যন্ত সোমবার পিসিআর মেশিন এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশ বরিশালে আসে।

খুলনা : খুলনায় প্রথমদিকে আগামী শনিবার থেকে করোনা পরীক্ষার মেশিন চালু করার কথা বললেও সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে টেকনিশিয়ানরা। এয়ার টাইট রুম প্রস্তুত হলে মেশিন স্থাপনের কাজ শুরু হবে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দায়িত্বরত ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, সন্দেহভাজন রোগীর রক্ত, ঘাম ও কফ পরীক্ষা করা হবে পিসিআর মেশিনের মাধ্যমে। যার ফলাফল একদিনের মধ্যেই পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পিসিআর পরিচালনায় চিকিৎসক-স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া করোনা পরীক্ষার কিট দু-একদিনের মধ্যে পাওয়া যাবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর